Random Content

Random Content

Share

দৈনন্দিন জীবনে, আমাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া অনেক কিছুই আমরা খেয়াল করিনা।
এই পেজে সেই সব ভিডিওই দেওয়া হয়, যা হয়ত আপনি হাজার বার দেখেছেন, কিন্তু তবুও যেন নতুন।

09/11/2025

দিনের পর দিন প্রকাশ্যে এই খাঁচায় বন্দি করে তিল তিল করে মারা হতো খুনিদের।

চীনের এক রাস্তায় কাঠের খাঁচার ভেতর দাঁড়িয়ে আছে এক মানুষ। বিবর্ণ মুখ, ক্লান্ত শরীর আর চোখে মৃত্যুভয়। কেউ তাকে সাহায্য করতে পারছে না, শুধু দূর থেকে দেখছে মজা বা করুণার চোখে, কারণ সে সমাজ ও আইনের চোখে দণ্ডিত। আর এই শাস্তি দেওয়ার কাঠের খাঁচাটিকে বলা হতো ক্যাং (Cangue) যা অপরাধীদের শাস্তি প্রদানের বহু পুরোনো উপায়ের একটি।

ক্যাং নানান রকমের ছিল। যার প্রকারভেদ নির্ভর করত অপরাধের মাত্রার ওপর। হালকা ক্যাং ব্যবহৃত হতো ছোটখাটো অপরাধে। যে শাস্তিতে অপরাধীর গলায় প্রায় ১০–১৫ কেজি ওজনের এক কাঠের তক্তা ঝুলিয়ে কয়েকদিন জনসমক্ষে দাঁড় করিয়ে রাখা হতো। মাঝারি ক্যাং প্রয়োগ করা হতো তুলনামূলক বেশি অপরাধে, সেই ক্ষেত্রে ওজন থাকত ২০–৩০ কেজির মতো এবং শাস্তির মেয়াদ প্রায় এক সপ্তাহ। সবচেয়ে কঠোর ছিল ৪০–৫০ কেজি পর্যন্ত ওজনের ভারী ক্যাং, যা হত্যার মতো অপরাধে ব্যবহৃত হতো। এই শাস্তিতে অপরাধীকে গলায় তক্তা ঝোলানোর সাথে সাথে কাঠের খাঁচায় বেঁধে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা হয়, যাতে সে না বসতে পারে, না মাথা নিচু করতে পারে, এমনকি নিজের মুখে জল তুলতেও না পারে। এইভাবেই জনসম্মুখ্যে দিনের পর দিন রোদ, জল, ঠান্ডা গরম আর ক্ষুধা তৃষ্ণায় ধীরে ধীরে সে মৃত্যুর কলে ঢলে পড়ত।

এই শাস্তির উদ্দেশ্য ছিল কেবল মৃত্যুদান নয়, বরং অপরাধীর প্রকাশ্যে লজ্জা দেওয়া আর সমাজের কাছে এক বার্তা পৌঁছে দেওয়া যাতে অপরাধীর কষ্ট দেখে বাকিরা যেন শিক্ষা নেয় আর এহেন ভুল করা থেকে বিরত থাকে।

১৯৩০-এর দশকে আশেপাশে আধুনিক শহরে নতুন বিচারব্যবস্থা শুরু হলেও, গ্রামাঞ্চলে তখনও এই পুরোনো প্রথা টিকে ছিল। পরবর্তীকালে বিদেশি মিশনারি ও সাংবাদিকেরা এমন অনেক ঘটনার ছবি তুললে সেই ছবিগুলো বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে, আর বিশ্ববাসী জানতে পারে এই শাস্তির কথা এবং এর মানবিকতা ও নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। আস্তে আস্তে এই শাস্তির প্রথা চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।

লেখা: সৈকত বিশ্বাস
ছবি: সংগৃহীত

#সৈকত_বিশ্বাস ©️ #কথোপকথন #বংDoze

পেজটি ভালো লাগলে লাইক ও ফলো করে আমাদের উৎসাহ জোগাবেন, আর শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দেবেন।

06/06/2025

গুলিস্থান ফ্লাইওভারের নিচে পুরাতন জুতার মার্কেট বসে। প্রথম যখন দেখেছিলাম তখন অবাক না হয়ে পারি নি। বিস্ময়কর বিষয় সেখানে মেয়ে বা বাচ্চাদেরদের পুরাতন জুতা নাই/বিক্রয়ও হয় না।

এক দোকানীর সাথে এই ব্যাপারে কথা বললাম, দোকানী বললো " মামা মেয়েদের বা বাচ্চাদের পুরাতন জুতা বিক্রি করলে কে কিনবে.?
আপনিকি কিনবেন কখনো? কোন স্বামী বা বাবা নিজে পুরাতন জুতা কিনে পরলেও নিজের স্ত্রী-সন্তানের জন্য কোন দিন পুরাতন জুতা কিনবে না, কেনা পছন্দ করবে না। অনেক স্বামী ও বাবাকে নিজের জন্য পুরাতন জামা-কাপড় কিনতে দেখেছি কিন্তু স্ত্রী-সন্তানদের জন্য পুরাতন জামা-কাপড় ও জুতা কিনতে দেখিনি কখনো।

ভেবে দেখলাম কথা সত্য, স্ত্রী ও সন্তানরা হয়তো এভাবে কোনোদিন ভাববেও না🙂
পুরুষ পরিবারের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে রাতদিন খেটে যায়, সেই পুরুষই দিনশেষে কি পায়?

(সংগৃহীত)

06/06/2025

মৃত্যুর পরও ব্যাংকে আমাদের কত টাকা রয়ে যায়! অথচ আমরা আমাদের জীবদ্দশায় খরচ করার জন্য প্রয়োজনীয় টাকা পাই না।

সেদিন এক ধনকুবের মারা গেলেন। ভদ্রলোকের বিধবা স্ত্রী ২০০ কোটি টাকার মালিক হয়ে তার মৃত স্বামীর ড্রাইভারকে বিয়ে করে ফেললেন। সদ্য বিবাহিত ড্রাইভার মনে মনে বলল, এতদিন জানতাম আমি আমার মালিকের জন্য কাজ করেছি। এখন দেখি আমার হৃদয়বান মালিকই আমার জন্য শ্রম দিয়ে গেছেন!

নিরেট সত্যটি হচ্ছে, অধিক ধনবান হওয়ার চেয়ে সুস্থ শরীর এবং দীর্ঘজীবন লাভ করা অনেক বেশি জরুরি।

তাই অধিক ধনবান হওয়ার জন্য অবিরাম শ্রম না দিয়ে দীর্ঘ এবং সুস্থ জীবন যাপন করার চেষ্টা করা উচিত এবং নিজেকে সেভাবে গড়ে তোলা উচিত।

আমাদের জীবনের নানা ঘটনাতেই এই সত্যটি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করা যায়। যেমন:

* দামি এবং অনেক সুবিধা সম্পন্ন একটি মোবাইল ফোনের ৭০% অব্যবহৃতই থেকে যায়।

* একটি মূল্যবান এবং দ্রুতগতি গাড়ির ৭০% গতির কোনো দরকারই হয় না।

* প্রাসাদতুল্য মহামূল্যবান অট্টালিকার ৭০% অংশে কেউ বসবাস করে না।

* কারো কারো এক আলমারি কাপড়-চোপড়ের বেশির ভাগ কোনদিনই পরা হয়ে উঠে না।

* আপনার সারা জীবনের পরিশ্রমলব্ধ অর্থের ৭০% আসলে অপরের জন্য। আপনার জমানো অর্থ যাদের জন্য রেখে যাবেন, বছরে একবারও আপনার জন্য প্রার্থনা করার সময় তাদের হবে না।

তাহলে করণীয় কী?

✓ অসুস্থ না হলেও সুযোগ থাকলে মেডিকেল চেকআপ করুন।

✓ অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করবেন না।

✓ মানুষকে ক্ষমা করে দিন।

✓ রাগ পুষে রাখবেন না। মনে রাখবেন, কেউ-ই রগচটা মানুষকে পছন্দ করে না। আড়ালে-আবডালে পাগলা বলে ডাকে।

✓ পিপাসার্ত না হলেও জল পান করুন। শরীরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে এর বিকল্প নেই।

✓ সিদ্ধান্তটি সঠিক জেনেও কখনো কখনো ছাড় দিতে হয়।

✓ যতই বয়স হোক না আর ব্যস্ত থাকুন না কেন, জীবনসঙ্গীর সাথে মাঝে মাঝে নিরিবিলি কোথাও হাত ধরে হাঁটুন, রেস্টুরেন্টে খেতে নিয়ে যান। তাকে বুঝতে দিন, সেই আপনার সবচেয়ে আপন। কারণ, আপনার সবরকম দুঃসময়ে সেই পাশে থাকে বা থাকবে।

✓ ক্ষমতাধর হলেও বিনয়ী হোন।

✓ সুযোগ পেলেই পরিবার পরিজন নিয়ে সামর্থ্য অনুযায়ী নিজের দেশকে এমনকি ভিনদেশে বেড়াতে নিয়ে যান।

✓ ধনী না হলেও তৃপ্ত থাকুন। মনে রাখবেন, সকল ধনী লোক কিন্তু মানসিক শান্তিতে থাকে না।

✓ মাঝে মাঝে ভোরের সূর্যোদয়, রাতের চাঁদ এবং সমুদ্র দেখতে ভুল করবেন না।

✓ বৃষ্টিজলে বছরে একবার হলেও ভিজবেন। আর দিনে ১বার গায়ে রোদ লাগান।

✓ মাঝে মাঝে উচ্চস্বরে হাসবেন।

জীবন তো একটাই, তাই পরিপূর্ণভাবে বাঁচার চেষ্টা করুন।

02/06/2025

বাপের বাড়ি থেকে বউ বাসায় এসেই হৈ চৈ শুরু করছে।বিষয় বস্তু ছবিতে দেওয়া এই জিনিষ নাকি অর্ধেক হয়ে গেছে! কে করলো! কিভাবে হলো!

আমি কনফিউজড! বুঝতেছি না বলবো কি না যে এই কাজ আমি ই করছি! লাস্ট দুই দিন হলো এটারে আমি হ্যান্ড ওয়াশ মনে করে ইউজ করছি।আমি আরো বলতে চাইছিলাম কি হ্যান্ড ওয়াশ আনছো ফেনাই হয় না! কত্ত গুলা নেওয়া লাগলো!
কিন্তু করছি তো করছি! এতো চিল্লা চিল্লির কি আছে?

এখন এসে শুনতেছি এটার দাম ৩৬০০ টাকা! আর এটা একটা ফেস ওয়াশ।এখন আমি চি'ল্লা'চিল্লি করবো কি না বুঝতেসি না! এতো দামী ফেস ওয়াশ তো বাপ জন্মেও দেখি নাই! সারা জীবন সাবান ডইল্লা মুখ ক্লিন রাখছি তাও সেই সাবান আলামিন এর!

কিন্তু সাহস পাইতেছি না! বললে আরো রেগে যাবে মনে হইতেছে।

পোষ্ট টা অবিবাহিত ভাইয়েরা শিক্ষা হিসেবে নিতে পারেন।
কে কি শিখবে সেটা যার যার পারসোনাল ব্যাপার।🙂

Want your business to be the top-listed Media Company in Savar?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Radio Colony, Jahangir Nagar Society
Savar
1343