Backpackers
ভ্রমণ এবং স্মৃতি গড়ার জন্য আমাদের সঙ্গী হোন!
27/11/2024
পাসপোর্টের ভুল সংশোধন করবেন যেভাবে
মনে রাখার জন্য টাইম লাইনে রেখে দিতে পারেন।
যারা পাসপোর্ট করেছেন কিন্তু তাতে কোনো ভুল তথ্য সন্নিবেশিত হলে কীভাবে সংশোধন করতে হবে, তা হয়তো জানেন না। তবে এ নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। খুব সহজেই আপনি আপনার ই-পাসপোর্টের ভুল সংশোধন করতে পারবেন।
পাসপোর্টের ভুল তথ্য সংশোধন করতে প্রথমেই আপনার যে বিষয়টি জানতে হবে তা হলো পাসপোর্ট সংশোধন করতে হলে আপনার ইস্যু করা পাসপোর্টে নতুন করে তথ্য সংশোধনের সুযোগ নেই। বরং ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য আপনাকে পুনরায় নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করতে হবে।
আপনার যদি প্রথম করা পাসপোর্টেই ভুল তথ্য আসে তবে সে ভুল তথ্য দেয়া পাসপোর্ট দেখিয়ে নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করতে হবে। ভুল সংশোধনের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আপনাকে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে পাসপোর্ট রিনিউ অপশনে ক্লিক করতে হবে।
অনলাইনে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট https://www.epassport.gov.bd ঠিকানায় পাসপোর্ট রিনিউ করার সুযোগ রয়েছে। ভুল তথ্যের পাসপোর্টটি তৈরি করতে আপনাকে যতটি ধাপ পেরোতে হয়েছে পাসপোর্ট সংশোধনীর জন্য ঠিক ততটি ধাপই আপনাকে পেরোতে হবে।
তবে অপ্রাপ্তবয়স্কদের (অনূর্ধ্ব ১৮ বছর) ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন সনদ বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে জেএসসি বা জেডিসি বা এসএসসি বা দাখিল বা উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় বা কারিগরি ও সমমানের যেকোনো একটি সনদপত্র ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া তথ্য সংশোধনের জন্য লিখিত আবেদন ও অঙ্গীকারনামা লাগবে।
আবেদন ও অঙ্গীকারনামার ফরম এই ওয়েবসাইটের ফরম ও ফি অপশনে পাওয়া যাবে। এছাড়া আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসেও এই ফরমগুলো পাওয়া যাবে। তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদনকারীকে নিজ হাতে ফরমগুলো পূরণ করতে হবে। এরপর সেগুলো পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে হবে।
প্রয়োজনীয় যেসব কাগজপত্র লাগবে
এনআইডি।
অপ্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন সনদ। জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি জমাদানকারীদের ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের এনআইডির ফটোকপিও জমা দিতে হবে।
অপ্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন সনদ। জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি জমাদানকারীদের ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের এনআইডির ফটোকপিও জমা দিতে হবে।
জেএসসি, জেডিসি, এসএসসি, দাখিল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কারিগরি ও সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদগুলো থেকে যেকোনো একটি সনদপত্র।
অভিবাসীদের ক্ষেত্রে পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট বা জব আইডি বা স্টুডেন্ট আইডি কার্ড বা ড্রাইভিং লাইসেন্স লাগবে।
পুরোনো ই-পাসপোর্টের মূল কপি এবং যে পৃষ্ঠাগুলোতে পাসপোর্টধারীর ব্যক্তিগত ও ইমিগ্রেশনের তথ্য দেওয়া আছে সেগুলোর ফটোকপি।
ই-পাসপোর্ট নবায়নের জন্য অনলাইন আবেদনের রঙিন মুদ্রিত কপি|
অ্যাপয়েন্টমেন্টসহ ই-পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আবেদনের সারাংশের মুদ্রিত কপি।
ব্যাংকের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করলে ফি জমার রশিদ।
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট অথবা পাসপোর্ট অফিসে প্রদর্শিত নমুনা ফর্মে লিখিত আবেদন ও অঙ্গীকারনামা।
সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে সরকারি অনাপত্তি বা অধ্যাদেশ সনদপত্র।
বৈবাহিক অবস্থা সংযোজন, পরিবর্তন বা সংশোধনের ক্ষেত্রে কাবিননামা।
স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন বা সংশোধনের ক্ষেত্রে আপনি যে বাসায় থাকেন তার বিদ্যুৎ বা গ্যাস বিলের কপি।
যাদের কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ নেই, তাদের নাম, বয়স, বাবা-মায়ের নাম আংশিক বা সম্পূর্ণ পরিবর্তন করতে হলে আদালতের হলফনামা লাগবে।
অনলাইনে আবেদন করবেন যেভাবে 🌻
পুরোনো ই-পাসপোর্ট নবায়ন বা সংশোধনের জন্য অনলাইনে ই-পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আবেদন করতে হবে। দুই ক্ষেত্রেই একইভাবে অনলাইন ফরম পূরণ করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনাকে আইডি ডকুমেন্টস সেকশনে- Yes, I have an Electronic Passport (ePP) অপশন সিলেক্ট করতে হবে। এরপর পুরোনো ই-পাসপোর্টের তথ্য দিতে হবে। আবেদনের সময় অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে, যেন এনআইডিতে দেওয়া তথ্যের সাথে মিল থাকে।
যেহেতু আপনি ই-পাসপোর্ট নিয়েছেন, সেহেতু ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট বিভাগের ওয়েবসাইটে আপনার নিজস্ব একটি অ্যাকাউন্ট আছে। তাই আগের ইমেইল ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করতে হবে। এরপর ডিরেক্টলি টু অনলাইন অ্যাপ্লিকেশনে ক্লিক করুন।
এরপর নতুন ই-পাসপোর্ট করার মতো একে একে পাসপোর্ট টাইপ থেকে শুরু করে ঠিকানা পর্যন্ত সব সেকশনগুলো পূরণ করতে হবে। আইডি ডকুমেন্টসে বর্তমান ই-পাসপোর্টের সব তথ্য দেওয়ার পর প্যারেন্টাল ইনফরমেশন থেকে ডেলিভারি অপশন অ্যান্ড অ্যাপয়েন্টমেন্ট পর্যন্ত নতুন ই-পাসপোর্ট আবেদনের মতো করে পূরণ করতে হবে। এরপর পুরো আবেদনপত্র পূরণের পর সাবমিট করুন। এরপর আবেদনের কপি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিন।
সংশোধন ফি 💸
নতুন ই-পাসপোর্টের আবেদনের জন্য যে ফি দিতে হয়েছিল, নবায়ন বা ভুল তথ্য সংশোধনের জন্যও সেই একই ফি। এর বাইরে নাম অথবা বয়স সংশোধনের ক্ষেত্রে কোর্ট হলফনামা বাবদ দুই থেকে তিন হাজার টাকার মতো খরচ হতে পারে। অবশ্যই জমা রশিদটি নিয়ে আসতে হবে।
৪৮ পাতা ৫ বছর মেয়াদ:
১৫-২১ কার্যদিবসের মধ্যে সাধারণ ডেলিভারিতে ফি ৪ হাজার ২৫ টাকা।
৭-১০ কার্যদিবসের মধ্যে জরুরি ডেলিভারিতে ফি ৬ হাজার ৩২৫ টাকা।
২ কার্যদিবসের মধ্যে অতি জরুরি ডেলিভারিতে ফি ৮ হাজার ৬২৫ টাকা।
৪৮ পাতা ১০ বছর মেয়াদ:
১৫-২১ কার্যদিবসের মধ্যে সাধারণ ডেলিভারিতে ফি ৫ হাজার ৭৫০ টাকা।
৭-১০ কার্যদিবসের মধ্যে জরুরি ডেলিভারিতে ফি ৮ হাজার ৫০ টাকা।
২ কার্যদিবসের মধ্যে অতি জরুরি ডেলিভারিতে ফি ১০ হাজার ৩৫০ টাকা।
৬৪ পাতা ৫ বছর মেয়াদ:
১৫-২১ কার্যদিবসের মধ্যে সাধারণ ডেলিভারিতে ফি ৬ হাজার ৩২৫ টাকা।
৭-১০ কার্যদিবসের মধ্যে জরুরি ডেলিভারিতে ফি ৮ হাজার ৬২৫ টাকা।
২ কার্যদিবসের মধ্যে অতি জরুরি ডেলিভারিতে ফি ১২ হাজার ৭৫ টাকা।
৬৪ পাতা ১০ বছর মেয়াদ:
১৫-২১ কার্যদিবসের মধ্যে সাধারণ ডেলিভারিতে ফি ৮ হাজার ৫০ টাকা।
৭-১০ কার্যদিবসের মধ্যে জরুরি ডেলিভারিতে ফি ১০ হাজার ৩৫০ টাকা।
২ কার্যদিবসের মধ্যে অতি জরুরি ডেলিভারিতে ফি ১৩ হাজার ৮০০ টাকা।
আবেদন যেখানে জমা দেবেন 👥
বর্তমান ই-পাসপোর্টটি আপনি যেই অফিস থেকে নিয়েছিলেন, সেই অফিসে প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট নিয়ে অনলাইনে পাওয়া নির্ধারিত তারিখে উপস্থিত থাকবেন। এরপর দায়িত্বরত কর্মকর্তা আপনার কাগজপত্র পরীক্ষা করে আপনাকে একটি ডেলিভারি স্লিপ দেবেন। স্লিপে সংশোধিত পাসপোর্ট সরবরাহের সম্ভাব্য তারিখ উল্লেখ থাকবে। তাই সেটি যত্নসহকারে সংরক্ষণ করুন।
এছাড়া সংশোধিত হয়ে ই-পাসপোর্ট আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে এলে ওয়েবসাইট থেকেই জানা যাবে। ‘চেক স্ট্যাটাস’ অপশনে গিয়ে অ্যাপ্লিকেশন আইডি অথবা অনলাইন নিবন্ধন আইডি নাম্বার, জন্ম তারিখ এবং ক্যাপচা পূরণ করে চেক-এ ক্লিক করলেই ই-পাসপোর্ট স্ট্যাটাস দেখাবে। ই-পাসপোর্ট তৈরি হলেই লেখা থাকবে Your passport ready for issuance। এরপর আপনি পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে ই-পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবেন।
সংশোধিত ই-পাসপোর্ট সংগ্রহ 🧾
সংশোধিত ই-পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য আবেদনকারীকে সশরীরে পাসপোর্ট অফিসে যেতে হবে। পাসপোর্ট সংগ্রহের সময় ডেলিভারি স্লিপ, এনআইডি এবং পুরোনো ই-পাসপোর্ট লাগবে। আবেদনকারীকে সংশোধিত ই-পাসপোর্ট দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আবেদনকারীর আঙ্গুলের ছাপ যাচাই করে নেবেন।
27/11/2024
আপনারা অনেকেই ইউরোপ,আমেরিকা যাওয়ার জন্য পাসপোর্টে ট্রাভেল হিস্ট্রি বাড়ানোর চেষ্টা করেন,আসুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে পাসপোর্টের ট্রাভেল হিস্ট্রি বাড়াবেন--
আপনার পাসপোর্টকে স্ট্রং করতে চাইলে প্রথমেই সঠিক পরিকল্পনা করে আপনাকে এগুতে হবে এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল করতে হবে। আমরা অনেকেই ভুল করি গ্রুপ ট্যুর করতে কারন অনেকে একসাথে ৪-৫ টা দেশ একসাথে ভিজিট করে অল্প সময় থেকে দেশে ফিরে আসি,এটি আপনার ট্রাভেল হিস্ট্রি তৈরি করেনা বরং আপনার পাসপোর্টের উল্টো ক্ষতি করে এবং টাকাও নষ্ট হয়,
যা যা করবেন:
যে কোন দেশে গেলে চেষ্টা করবেন মিনিমাম সে দেশে ৩ রাত অবস্থান করার, কারন আপনি যে দেশেই যান না কেন অন্তত তিন রাত অবস্থান করলে সেই ট্রাভেল হিস্ট্রি কার্যকর হবে। একদিন গিয়ে পরদিন ফিরে আসা শুধুমাত্র পাসপোর্টে সিল বাড়ায়, কিন্তু কার্যকর ট্রাভেল হিস্ট্রির জন্য যথেষ্ট নয়।
মাল্টি-ডেস্টিনেশন ট্যুর পরিকল্পনা করুন:
মালদ্বীপ, শ্রীলংকা একসাথে ভ্রমণ করতে পারেন। যেহেতু এই দেশ গুলোতে ভিসা করার কোন ঝামেলা নেই, প্রতিটি দেশে তিন রাত করে অবস্থান করার চেষ্টা করুন, এতে আপনার পাসপোর্টের ট্রাভেল হিস্ট্রি স্ট্রং হবে।
অথবা,সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া একসাথে ভ্রমণ করতে পারেন। যেহেতু দেশ গুলা কাছাকাছি সেক্ষেত্রে আপনার বিমান ভাড়াও অনেক কমে আসবে,এই দেশ গুলা ভিজিটের পর মাজারি দেশ যেমন ডুবাই ,সৌদি একসাথে ভিজিট করুন,ইনশাআল্লাহ আপনার পাসপোর্ট যথেষ্ট শক্তিশালী হবে,
গ্রুপ ট্যুরের সঠিক ব্যবহার করুন:
কম খরচে প্যাকেজ ট্যুর খুঁজুন, তবে অবশ্যই নিশ্চিত করুন যে প্যাকেজে অন্তত ৭২ ঘণ্টা করে প্রতিটি দেশে থাকার ব্যবস্থা আছে কিনা,
পরবর্তী ট্যুরের মাঝে সময়ের গ্যাপ রাখুন:
প্রতিটি ট্যুরের মধ্যে ১-২মাসের ব্যবধান রাখুন।তাহলে ভিসা অফিসার বুঝবে আপনি একজন নিয়মিত ট্রাভেলার,সেক্ষেত্রে বড় কোন দেশের ভিজিট ভিসা পেতে আপনার খুব একটা সমস্যা হবেনা, চেষ্টা করবেন যে দেশে যাবেন সে দেশের কিছু দর্শনীয় স্থানগুলোর ছবি মোবাইল ফোনে তুলে রাখার,পরবর্তিতে এগুলা কাজে আসতে পারে,
ডকুমেন্টেশন ঠিক রাখুন:সবসময় চেষ্টা করবেন ডকুমেন্ট গুলা যেন সুন্দর এবং স্মার্ট ভাবে গুছানো থাকে,যাতে বড় কোন দেশে আবেদন করলে ভিসা অফিসার আপনার ফাইল হাতে নিয়েই বুজতে পারে আপনি সত্যি কারের একজন টুরিস্ট, তখন আপনাকে ভিসা দিতে সে কোন সন্দেহ করবেনা,
আপনার ট্রাভেল প্ল্যানিং সঠিকভাবে করলে কম খরচে দারুণ অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি আপনার পাসপোর্টে একটি স্ট্রং ট্রাভেল হিস্ট্রি তৈরি করা সম্ভব,এবং পরবর্তীতে আপনার দালাল ছারাই যে কোন বড় দেশের ভিসা পেতে অনেক ইজি হবে, ধন্যবাদ, লেখাটি পছন্দ হলে শেয়ার করে দিবেন.
27/11/2024
অনেক জটিল হলেও নিজে নিজেই ব্রুনাই ভিসা করলাম ✌️ 🇧🇳
শেয়ার করে টাইমলাইন এ রেখে দিন।
ভিসার আবেদন জমা থেকে শুরু করে ডেলিভারি, পুরো অভিজ্ঞতা নিচে শেয়ার করছি।
ভিসা ফাইল সাবমিট করতে গিয়ে বেশ ভালোই অভিজ্ঞতা হয়েছে। প্রতিটা ডকুমেন্টস খুটিয়ে খুটিয়ে দেখেছে। ভ্রমন রিলেটেড নানা প্রশ্ন ও পাসপোর্ট এর প্রতি পাতা উল্টিয়ে দেখেছে। মোটামুটি দেড় ঘন্টা সময় নিয়েছে এবং ফাইনালি আরো ১ঘন্টা পর টাকা জমা নিয়ে ডেলিভারি স্লিপ দিয়েছে। ফ্রেশ পাসপোর্ট এ ভিসা দেয় কিনা কনফিউজড, কেননা ইন্টারভিউ এর মর্মার্থ অনেক কঠিন।
ভিসা ফাইল প্রসেসিং:
ব্রুনাই ভিসা একেবারেই সহজ। কিছু দেশ ট্র্যাভেল থাকলে ভালো। যেভাবে ফাইল স্টেপ বাই স্টেপ দেখে, সেক্ষেত্রে সব গুছানো অনেক জরুরী।
১। ভিসা ফর্ম কম্পিউটারে ফিলাপ করলে ভালো, কেননা হাতে ফিলাপ করার পর কয়েকজনের সাথে ঝামেলা করেছে।
(ভিসা ফর্ম ব্রুনাই ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা যায়)
২। পাসপোর্ট সাইজ ছবি ২ কপি (রিসেন্ট তোলা)
৩। জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মসনদ (ইংরেজিতে ট্রান্সলেট + নোটারী)।
৪। সকল পাসপোর্ট কপি এবং অন্যান্য দেশের এন্ট্রি/এক্সিট সিলের কপি (অন্যান্য দেশের ভিসা কপি ও ইভিসা কপিও জমা দিলে ভালো)।
৫। রিসেন্ট পাসপোর্ট অবশ্যই ৬ মাসের ভ্যালিডিটি থাকা লাগবে এবং ৪টা ব্ল্যাংক পেইজ থাকা লাগবে।
৬। ফিন্যান্সিয়াল প্রুফ: ব্যাবসায়ী হলে কারেন্ট একাউন্ট এর স্ট্যাটমেন্ট ও ব্যাংক সলভেন্সী এবং সেভিংস একাউন্ট এর স্ট্যাটমেন্ট ও ব্যাংক সলভেন্সী। ব্যাংক সলভেন্সী ডলার এ কনভার্ট করে নিলে ভালো, এটা ব্যাংক এ বললেই করে দিবে। মনে রাখবেন স্ট্যাটমেন্ট যেনো ট্রাঞ্জেকশান থাকে এবং অবশ্যই সাথে করে অরিজিনাল চেকবই এবং এটিএম কার্ড নিয়ে আসতে হবে। চেকবই মিলিয়ে দেখে।
৭। কনফার্ম ফ্লাইট টিকেট কপি ২টা লাগবে (PNR Active থাকা লাগবে)। এটার জন্য কয়েকজনকে রিটার্ন করে দিয়েছে। এখানে টিপ্স হচ্ছে যাওয়ার ১ ঘন্টা আগে ফ্লাইট বুক করবেন এবং মোটামুটি অনেকটা সময় PNR এক্টিভ থাকে। এটা নাকি উনাদের পলিসি।
৮। কনফার্ম হোটেল বুকিং লাগবে। এগুলো উনারা বসে বসে চেক করে। ফ্রি ক্যান্সেলেশান এ বুকিং ডট কম থেকে হোটেল বুকিং করলেই হবে।
৯। চাকুরীজীবিদের NOC, Job Certificate, ID Card, Visiting Card, Salary Certificate লাগবে।
১০। একটা সুন্দর কাভার লেটার।
১১। টিন সার্টিফিকেট, ট্যাক্স রিটার্ন আপডেট।
১২। ১৪০০ টাকা খুচরা নিয়ে যেতে হবে কেননা ভাংতির জন্য আপনাকে দৌড়ঝাঁপ করতে হবে।
এছাড়া অন্যান্য কোন ডকুমেন্টস লাইক এসোশিয়েশান মেম্বারশীপ ইত্যাদি। কোনো এপয়েন্টমেন্ট লাগেনা। সরাসরি এম্বাসী গিয়েই জমা দেওয়া যায়।
প্রসেসিং টাইম ১ সপ্তাহ সময় নেয়। এছাড়া ছোটখাট ভাবগাম্ভীর্যপূর্ন ইন্টারভিউ দিতে হয়।
ফাইল জমা নেওয়া মানে মোটামুটি ১০০% ভিসা নিশ্চিত। সকাল ৯:৩০ থেকে ১১:৩০ পর্যন্ত জমা এবং ডেলিভারি টাইম দুপুর ২:৩০ থেকে ৩:৩০ মিনিট।
এম্বাসী ঠিকানা: রোড-৬, বাড়ী-২৬, বারিধারা, ঢাকা-১২১২
যেকোনো প্রয়োজনে বা কিছু জানার থাকলে অবশ্যই নক দিতে পারেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Excel Tower, Subid Bazar
Sylhet
3100