DM Munna

DM Munna

Share

Hi,
Welcome to my page. This is Munna a qualified digital marketer also expert on You-Tube channel and video S-E-O. Thank you

28/01/2022

নিজের স্বার্থে ব্যবহার করার জন্যে কারো সাথে সম্পর্ক গড়বেন না, এই মানসিকতা ছোটলোকের!

মনে রাখবেন, ছোটলোকরা আজীবন মনোকষ্টে ভোগে!

22/01/2022

টাকাকে যদি আপনার লক্ষ্য বানান তাহলে টাকা আসবে ঠিকই শান্তি আসবে না, আর শান্তিকে যদি লক্ষ্য বানান তাহলে টাকাও আসবে, শান্তিও পাবেন!

23/12/2021

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর- কেমন ছিল সেই দিন?
পঞ্চাশ পেরোনো বাংলাদেশে ইতিহাসের সেই অগ্নিসাক্ষীদের সংখ্যা কমে আসছে ক্রমেই। আজও যারা নতুন প্রজন্মের মাথার ওপর ছায়া হয়ে আছেন, তাদের স্মৃতিতে বাঙালির সেই বিজয়লগ্ন জীবনের আর সব কিছুর চেয়ে দামী।
“এই আবেগটা বলে বোঝানো মুশকিল। ঢাকা শহর কিন্তু প্রায় বিরান শহর ছিল। কিন্তু যে যেখানে ছিল রাস্তায় বেরিয়ে আসছে, বিজয় উল্লাসের সঙ্গে বেদনাটাও ছিল,” বলছিলেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি, গবেষক-প্রকাশক মফিদুল হক।
বাঙালির ইতিহাসে অনন্য সেই দিনটিতে তিনি ঢাকাতেই ছিলেন। বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে এসে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি মেলে ধরেছেন অর্ধশতক আগের সেই স্মৃতির ঝাঁপি।
মফিদুল হক বলেন, “বহু মানুষ বহুভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমন পরিবার ছিল না, যারা কোনো না কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের যে মাহেন্দ্রক্ষণ, তা অশ্রু, বেদনা এবং আনন্দে ভরপুর একটা সময় ছিল।”
২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার আগে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যান বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
এরপর নয় মাস চলে তীব্র লড়াই। ৩০ লাখ শহীদের রক্ত, অসংখ্য নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্ন এগিয়ে চলে পূর্ণতার পথে।
মফিদুল হক বললেন, ডিসেম্বরের শুরু থেকেই তিনি ভেতরে ভেতরে অনুভব করতে শুরু করেছিলেন- বিজয় ওই আসছে! সেই অপেক্ষা ফুরালো ১৬ ডিসেম্বর। সেদিন সকালে ভগ্নিপতি সৈয়দ শরফুল আনামের গাড়িতে করে বেরিয়ে পড়লেন ঢাকার পরিস্থিতি দেখতে।
“বেলা ১১টা-১২টার দিকে বোঝা গেল, যুদ্ধ শেষ হতে যাচ্ছে। ভারতীয় একটি বাহিনী প্রবেশ করল, এখন যেটা ইন্টারকন্টিনেন্টাল, সেটার সামনে এল।
”আমরা ১১টা, সোয়া ১১টার দিকে হোটেলের সামনে ছিলাম। দেখলাম উল্লসিত মানুষ তাদের বরণ করে নিল, পাকিস্তানি বাহিনী তখন ফিরে যাচ্ছিল, কিন্তু সশস্ত্র অবস্থায় ছিল তারা। ফলে গোলাগুলি হল, ভারতীয় একজন অফিসারও সেখানে মারা গেলেন, খুব করুণ ঘটনা।”
সেখান থেকে ডেমরার দিকে যাওয়ার আগে তৎকালীন গভর্নর হাউজের (বর্তমান বঙ্গভবন) ভেতরেও ঢুঁ মারেন মফিদুল হকরা, যেখানে তার দুদিন আগে আক্রমণ করেছিল ভারতীয় বিমান বাহিনী।
মফিদুল হক বলেন, সেদিন তারা ডেমরার পরিস্থিতি দেখে ঘুরে আসার আগেই পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের আনুষ্ঠানিকতা সারা হয়ে যায়।
“সবাই তখন ফিরছিল, আমরা বিমানবন্দরে গেলাম। সেখানে জেনারেল অরোরাকে নিয়ে হেলিকপ্টারটা তখনই উঠেছে। মেজর হায়দার ছিলেন তখন বিমানবন্দরে, সেখানে তার সঙ্গে দেখা হল। মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনী মিলেই যে এই বিজয়, সেটা কিন্তু আমরা সবসময় প্রত্যক্ষ করে গেছি। ঢাকা বিমানবন্দরের সেই সন্ধ্যার দৃশ্যটা খুব মনে পড়ে।”
একাত্তরের ৩ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর যৌথ কমান্ডে যুদ্ধ শুরু হওয়ার সময়ই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, বিজয়ের বন্দর আর বেশি দূরে নয়। এর পর থেকে একে একে মুক্ত হতে থাকল দেশের বিভিন্ন এলাকা। পর্যুদস্ত হতে থাকল পাকিস্তান বাহিনী ও তাদের দোসররা।
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল স্যাম মানেকশ ৮ ডিসেম্বর প্রথমবারের মত আত্মসমর্পণের আহ্বান জানালেন পাকিস্তানি সৈন্যদের।
সর্বাত্মক যুদ্ধ চলার মধ্যে এগিয়ে যাচ্ছিল আত্মসমর্পণের প্রক্রিয়াও। জেনারেল মানেকশ মাইক্রোওয়েভে তৃতীয় তারবার্তা পাঠালেন পাকিস্তানি বাহিনীর মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীর কাছে।
বললেন, মিত্রবাহিনীর সৈন্যরা ঢাকা ঘেরাও করে ফেলেছে। আত্মসমর্পণ করা বাঞ্ছনীয় হবে। বৃথা আর রক্তপাত করে লাভ নেই। আত্মসমর্পণ করলে সৈন্যদের সাথে জেনেভা কনভেনশন মেনে আচরণ করা হবে।
রেডিও বার্তার পাশাপাশি বিমান থেকেও লিফলেট ফেলে পাকিস্তানি বাহিনীকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানানো হয় তখন।
হিন্দির সঙ্গে ইংরেজি ও বাংলা ভাষায় ওই লিফলেটে পাকিস্তানি বাহিনীকে বলা হচ্ছিল, ‘হাতিয়ার ডাল দো’ বা আত্মসমর্পণ করো। না হলে সামনে সমূহ বিপদ।
যুদ্ধের চূড়ান্ত পর্যায়ে মিত্র বাহিনী ঢাকার তিন দিক থেকে এগিয়ে আসতে থাকে। ১৫ ডিসেম্বর একটি দল আসে সাভারের দিক থেকে, একটি ডেমরার দিক থেকে এবং অন্য একটি টঙ্গীর দিক দিয়ে।
তবে ঢাকার উপকণ্ঠে সবার আগে পৌঁছে যান জেনারেল জি এস নাগরার অধীনস্ত সন্ত সিংয়ের দল। তারা ১৪ তারিখ রাত ১০টার দিকে এগিয়ে যান সাভার-মিরপুরের দিকে। কয়েক ঘণ্টা পর, ১৫ ডিসেম্বর ভোররাতে তারা ধামরাইয়ের পশ্চিম দিকের ফেরিঘাট দখল করে নেন।
বেতার সম্প্রচার ভবনের কাছে পাকিস্তানিরা তাদের বাধা দিতে চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত পিছু হটে যায়। সন্ত সিংয়ের এই দলই সবার আগে পৌঁছে যায় মিরপুর ব্রিজের কাছে। তাদের সঙ্গে ছিল কাদের বাহিনী।
আত্মসমর্পণের আলোচনা চলার মধ্যে মানেকশ তাই ১৫ তারিখ বিকেল পাঁচটা থেকে ১৬ তারিখ সকাল ৯টা পর্যন্ত বিমান হামলা না করার নির্দেশ দেন।
এর মধ্যে আত্মসমর্পণের দলিল ও শর্তাবলি চূড়ান্ত করার কাজ চলে, যার অগ্রভাগে ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জ্যাকব।
নিজের লেখা ‘সারেন্ডোর অ্যাট ঢাকা: বার্থ অব আ নেশন’ বইয়ে সেই সময়ের ঘটনার বর্ণনা করেছেন তিনি।
জ্যাকব লিখেছেন, ১৬ ডিসেম্বর সকাল সোয়া ৯টায় জেনারেল মানেকশ ফোন করে তাকে অবিলম্বে ঢাকায় যেতে বলেন। সেদিন সন্ধ্যার মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে পাকিস্তানিদের আত্মসমর্পণের যাবতীয় ব্যবস্থা করতে বলেন।
এরপর ক্যান্টনমেন্টে দুপুরের খাবারের সময় চলে নিয়াজি আর জ্যাকবের আত্মসমর্পণের দলিল ও শর্ত ঠিক করার আলোচনা। পরে তারা ঢাকা বিমানবন্দরে যান ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কম্যান্ডের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরাকে স্বাগত জানাতে। তিনি ছিলেন মুক্তিবাহিনী ও মিত্র বাহিনীর সমন্বয়ে গড়া যৌথ বাহিনীর প্রধান। বিমানবন্দর থেকে তারা যান রমনার রেসকোর্স ময়দানে।
জ্যাকব লিখেছেন, আয়োজনের জন্য সময় খুব কম পেলেও মোটামুটি ভালোভাবেই সব শেষ হয়। গার্ড অব অনার পরিদর্শনের পর অরোরা এবং পাকিস্তানি বাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ এ কে নিয়াজি টেবিলের দিকে এগিয়ে যান। অরোরার নিয়ে আসা আত্মসমর্পণের দলির টেবিলের ওপরে রাখা হয়। নিয়াজি সেটার ওপরে কৌতূহলী চোখ বুলিয়ে নিয়ে সই করেন। অরোরাও সই করেন।
পরদিন ১৭ ডিসেম্বর ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য টাইমস ঢাকার পরিস্থিতির বর্ণনায় লিখেছিল, “ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে আত্মসমর্পণের দলিল দস্তখতের জন্য একটি টেবিল বসানো হয়েছে। তখন ডিসেম্বরের শীতের পড়ন্ত রোদ। দূর থেকে অবিরাম গুলির আওয়াজ ভেসে আসছে। আর জনতা মুহুর্মুহু চিৎকার করছে।
”একটু পরেই গম্ভীর ও কালো মুখে লে. জেনারেল এ এ কে নিয়াজি আত্মসমর্পণের দলিলে দস্তখত করলেন। ভারতীয় সৈন্যরা প্রায় পুরো ময়দানটাই কর্ডন করে বাঙালি জনতাকে অনেক কষ্টে ঠেকিয়ে রেখেছে। জেনারেল নিয়াজিকে যখন ফেরত নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তখন তার চোখে পানি আর বাঙালি জনতা চারদিক থেকে চিৎকার করছে।”
মুক্তিযোদ্ধা, রণাঙ্গনের সাংবাদিক হারুন হাবীবের বর্ণনায় পাওয়া যায় সেদিন ময়মনসিংহে জনতার বিজয়োল্লাসের চিত্র।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “আমি ময়মনসিংহ শহরে আহত হয়ে আছি। রেডিওতে শুনছি ময়মনসিংহ হাসপাতালে শুয়ে, যেটা এখন মেডিকেল কলেজ।
”ওইখানে আমি দেখলাম, শত শত লোক আসছে, চোখ দিয়ে পানি পড়ছে। নার্স, ডাক্তার সব। রেডিওতে ধারা বিবরণী হচ্ছে আত্মসমর্পণের। আমার মনে হল বিছানা থেকে উঠে বেরিয়ে যাই, কিন্তু ডাক্তার আর নার্স আমাকে যেতে দিচ্ছে না। তারা জানে যে, আমার আরও বেশি ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।”
হারুন হাবীব বলেন, পুরো ময়মনসিংহ শহরে সেদিন হাজার হাজার লোক, জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, জয় ইন্দিরা গান্ধী, জয় ভারত- স্লোগান দিচ্ছিল।
“আর আমি হাসপাতালের তিন তলায় শুয়ে শুয়ে এই দৃশ্য দেখছিলাম, ‍শুনছিলাম।”

05/12/2021

মেয়েদেরকে তাদের অনুমতি ছাড়া বিয়ে দেওয়া যাবে না এই বিষয়টা আমরা এখন প্রায়ই জানি। ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী কোন মেয়েকে (কুমারী মেয়েকে) তার অনুমতি ছাড়া বা তার সম্মতি ছাড়া বিয়ে দেওয়া যাবে না এবং যদি বিয়ে হয়েও যায় তারপরে সেই বিয়ে বাতিলের অনুমোদন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে রয়েছে। অর্থাৎ মেয়ে চাইলে সে বিয়ে বাতিল করতে পারে।[১][২]

যুগ যুগ ধরে এই অযাচিত রীতিটি আমাদের সমাজে প্রচলন রয়েছে। সমাজের দাসত্ব করতে করতে কোন দিক দিয়ে যে মা বাবা রা তাদের সন্তানদের উপর জুলুম করতেছে তারা নিজেরাই টের পায় না। আর বাবা মা দের এরূপ জবরদস্তির কারণে অধিকাংশ সময়ে মেয়েদের বেদ্বিন স্বামী পাওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই আমরা চাই নিপাত যাক এই কুৎসিত প্রথা বা রীতি। বন্ধ হোক জোর জবরদস্তি।

কিন্তু বিষয়টা হলো শরীয়াতের এই নির্দেশের সুবিধা নিয়ে থাকে দুই শ্রেণীর নারীরা।

১.প্রেমে লিপ্ত নারী ঃ- প্রথমত, প্রেমে বা যিনায় লিপ্ত নারী দ্বীন থেকে বিচ্যুত। তারা শরীয়াতকে লঙ্গন করে যিনাকে বেছে নিয়েছে। অনেক সময় তাদের বিপরীত যিনাকারীকে ( প্রেমিককে) বিয়ে করার জন্য বাবা-মাকে এই বলে থাকে যে," আপনারা আমাকে আমার অমতে জোর করে বিয়ে দিতে পারেন না, কারণ শরীয়ত অনুযায়ী বিয়ে দেওয়ার আগে আমার থেকে অনুমতি নিতে হবে "। আচ্ছা একটু ভাবুন তো বিষয়টা কেমন দাঁড়ালো!! যিনায় লিপ্ত নারী নিজের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য শরীয়তের কথা অন্যকে শুনাচ্ছে। বিষয়টা কেমন ডাবল স্ট্যান্ডার্ড হয়ে গেল না? অনেকটা চোরের মায়ের বড় গলার মত। যখন সে যিনায় লিপ্ত ছিল তখন শরীয়তের ধার ধারেনি কিন্তু যখন বিয়ের মত হালাল কাজ করার জন্য বলা হলো তখন তারা শরীয়তকে পুঁজি করে টেনে আনছে। একটু গভীরভাবে চিন্তা করলে তাদের হিপোক্রেসি আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন। আমি এটা বলছি না যে পছন্দের মানুষকে বিয়ে করা খারাপ হবে, হারামকে যদি বিয়ের মাধ্যমে হালাল করা যায় তাহলে তা মন্দের ভালো। কিন্তু তাই বলে শরীয়তের অপব্যবহার কেন? কেন তার অপব্যাখ্যা??

২.তথাকথিত নারীবাদী ঃ- এরা প্রথম থেকেই দ্বীন বিষয় টা থেকে অনেক দূরে। তারা মনে করে শরিয়াত তাদের নির্দিষ্ট একটি গন্ডিতে আবদ্ধ করে রেখেছে। তারা স্বাধীনতা চায়, তারা চায় সমঅধিকার। তারা নিজেদেরকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে চায়, লাইফটাকে এনজয় করতে চায়। কিন্তু যখনি বিয়ের কথা আসে তখনই তারা সিংহের মতো গর্জে উঠে, আর বজ্র কন্ঠে বলে " আপনারা এভাবে আমার স্বাধীনতা হরণ করতে পারেন না, জোর করে বিয়ে দিয়ে আমার লাইফটাকে আপনারা আবদ্ধ করে দিতে পারেন না, তাছাড়া ইসলামেও মেয়েদের জোর করে বিয়ে দেওয়ার অনুমতি নেই, আপনারা শরীয়ত বিরোধী কাজ করছেন "। এতক্ষণে তাদের এই ভন্ডামি আপনাদের কাছে দিনের আলোর মত পরিষ্কার হওয়ার কথা। স্বাধীনতার নামে তারা তাদের অস্তিত্ব বিলীন করে দিতে রাজি আছে কিন্তু বিয়ে করে নিজের নিরাপত্তা জোর ধার করতে বিন্দুমাত্রও আগ্রহ নেই। কি করার, তারা যে আধুনিকতা আর প্রবৃত্তির দাস। নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য তারা শরীয়তকে ব্যবহার করতেও কুণ্ঠা বোধ করছে না। কেনই বা করবে তারা তো আর শরীয়তের ধার ধারে না।

সুস্পষ্টভাবে বলছি,আমার মতে শরীয়তের এই নির্দেশনা ওই নারীর জন্য উপযুক্ত হবে যে নারী সর্বাবস্থায় দ্বীন মানার চেষ্টা করে (যদিও আম ভাবে নির্দেশিত) । যে দ্বীন মানে তার জন্যই শরীয়াত অগ্রাধিকার পাবে। দ্বীনদার নারীদেরই বলার বেশি অধিকার আছে যে "আপনারা আমার অনুমতি ছাড়া আমাকে বিয়ে দিতে পারেন না "। একজন দ্বীনদার নারী কখনই চাইবেনা তার স্বামী বেদ্বিন হোক। তাই কখনো যদি পিতা-মাতা তার দ্বীনদার মেয়ের জন্য কোন বেদ্বিন ছেলে নির্ধারণ করে তখন ওই দ্বীনদার মেয়ের বলার অবশ্যই অধিকার আছে যে "আমি বেদ্বীন ছেলে ছেলেকে বিয়ে করতে রাজি নই"। এক্ষেত্রে তার প্রতিবাদ করার অবশ্যই অধিকার রয়েছে। এবং কি পিতামাতাকে তার অনুমতি এবং তার সম্মতি অবশ্যই নিতে হবে, তার মতামত কে গুরুত্ব দিতে হবে। তাকে জোর করে কোনো ভাবেই বিয়ে দেওয়া যাবে না।

কিন্তু, যারা নিজের স্বার্থের জন্য শরীয়াতের এই নির্দেশকে ব্যবহার করবে, তারা শ্রেফ হিপোক্রিট। সোজা বাংলায় ভন্ড, উচ্চ মাত্রায় ভন্ড।

আল্লাহ সবাইকে বুঝার তাউফিক দান করুক।

[১]বুখারীঃ-৬৯৬৮
[২]ইবনে মাজাহ ঃ-১৮৭৪

Want your business to be the top-listed Media Company in Sylhet?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address

Fenchugong
Sylhet
3100