Webexpertbd
COMPREHENSIVE WEB DEVELOPMENT SOLUTIONS. Empower your Online Presence with webexpertbd based on your requirements. Thanks for visiting our page.
রবীন্দ্রনাথ এর বানানো শিরকে ভরা সংগীত
রাখতে মরিয়া উঠে ওরা
কিন্তু একজন মুসলিম কবির বানানো সংগীত মানতে রাজি নয় ওরা।
26/10/2023
We are thrilled to announce the launch of therootbrands.com, a project we poured our passion and expertise into!
At CodeWriterBD, we believe in transforming ideas into impactful digital experiences, and therootbrands.com is a testament to that commitment.
👉 Explore the site: [Insert link]
🌐 What makes therootbrands.com special?
✅ Sleek design
✅ User-friendly interface
✅ Cutting-edge functionality
A huge shoutout to our incredible team for their dedication and hard work! 🙌👏
13/10/2022
এসএসসি পরীক্ষা শেষ হয়েছে। এখন থেকে আপনি স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে পরবর্তী ধাপে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত। তিন মাস পর শুরু হবে নতুন কলেজে ভর্তির প্রতিযোগিতা। হয়তো ভালো কোন কলেজে চান্স পেয়ে যাবে। কিন্তু বর্তমান সময়ে ভালো কলেজে কিংবা ইউনিভার্সিটিতে লেখাপড়া করে ভালো সিজিপিএ দিয়ে চাকুরীর বাজারে ঠিকতে পারবেন কি? দিনশেষে আপনাকে পুনরায় ভালো চাকুরীর জন্য পড়তে হবে! তাহলে এত বছর পড়ালেখা করে কি লাভ হলো? অবশ্য একটি লাভ হয়েছে, আপনি লেখাপড়া করতে পারেন কিন্তু তার পাশাপাশি আপনার নিজস্ব স্কিল ডেভেলপমেন্ট হয় নি? উন্নত দেশগুলোতে ছাত্রছাত্রীরা কলেজে উঠার সাথে সাথে নিজের স্কিল দিয়ে ভালো কোন আইডিয়া জেনারেট করে নিজেকে সাবলম্বী করে তুলে। আর আমরা ১৫/১৬ বছর লেখাপড়া করে তারপর আবার চাকুরীর জন্য নতুন ভাবে বিভিন্ন গাইড, কোর্সে ভর্তি হয়ে স্কিল ডেভেলপমেন্ট করি। এর চাইতে ভালো নয় কি এখন থেকে নিজেকে প্রস্তুত করা, যাতে লেখাপড়া শেষ হওয়ার পর আর চাকুরীর পিছনে দৌড়াইতে না হয়। নিজের স্কিল কাজে লাগিয়ে হালাল ভাবে উপার্জন করতে পারি। তো এত কথা না বলে আসল কথায় আসি। এবার যারা এসএসসি পরীক্ষা শেষ করেছো, তোমাদের হাতে সময় আছে তিন মাস। এরপর কলেজের লেখাপড়া শুরু। এই তিন মাসকে কিভাবে কাজে লাগাবেন। তা নিয়ে কিছু আলোচনা করা হলো:
১। ইংরেজী:
অনেকেরই স্কিল থাকার পরও ভালো ইংরেজী না জানার কারণে চাকুরীতে চান্স পায় না। তাই ইংরেজী/স্পোকিং ইংলিশ শিখলে কলেজে যেমন ইংরেজীতে ভালো রেজাল্ট করতে পারবেন, ঠিক তেমনি চাকুরীর ক্ষেত্রেও কাজে আসবে।
২। ব্যাসিক কম্পিউটার:
বর্তমান ডিজিটাল যুগে প্রযুক্তির ব্যবহার দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম আপনাকে ব্যাসিক কম্পিউটারের জ্ঞান থাকতে হবে। যা দিয়ে প্রযুক্তি ক্ষেত্রেও এগিয়ে যেতে পারবেন।
৩। ডিজিটাল মার্কেটিং:
ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক বড় একটি প্লাটফর্ম। এর মধ্যে ছোট একটি অংশ হলো সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং। আপনি এই কাজটি শিখে পার্টটাইম হিসাবে কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।
৪। ভিডিও এডিটিং:
বর্তমানে ভিডিও এডিটিং একটি চমৎকার সম্ভাবনাময় প্যাসিভ ইনকাম উপার্জনের মাধ্যম। চাইলে ভিডিও এডিটিং শিখতে পারেন।
৫। দ্বীন শিক্ষা:
অনেকেই আছেন বিশুদ্ধ ভাবে কুরআন পড়তে পারেন না। চাইলে এই অবসর সময়ে বিশুদ্ধভাবে কুরআন পড়া শিখে নিতে পারেন।
সর্বোপরি, নিজের স্কিল ডেভেলপমেন্ট করা বর্তমান সময়ে খুবই জরুরী। যা আপনাকে অন্য থেকে একধাপ এগিয়ে রাখবে সর্বক্ষেত্রে।
| 13-10-2022
ই-সিম কী? বাংলাদেশে কখন এর যাত্রা শুরু হয়?
ই-সিম নামটা অনেকেই হয়তো নতুন শুনতেছেন যদিও এটা বের হয়েছে অনেক আগেই। বিভিন্ন দেশেও এই সিম সেবা চালু রয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশেও এই সিম সেবা চালু করেছে। গত ১৬ ডিসেম্বর (বিজয় দিবস এর দিন) ই-সিম নামে নতুন আরেকটি সিম সেবার যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশে।
ই-সিম সম্পর্কে জানার পূর্বে আমাদেরকে প্রচলিত সিম কার্ড সম্পর্কে জানতে হবে?
সিম কার্ড কি?
একটি সিম সাধারণত ফোনের একটি স্পেশাল ট্রে তে ইনসার্ট করা থাকে। মূলত কোনো টেলিকম অপারেটর এটি সরবরাহ করে। এটি একটি ডিভাইসের ইউনিক সিরিয়াল নাম্বার, আইএমইআই, আইসিসিআইডি, অথেনটিকেশন কি, ডিভাইস পিন, এসএমএস, ইত্যাদি তথ্য সংরক্ষণ করে।
সিম কার্ড সাধারণত ছোট একটি প্লাস্টিকের কার্ড, যার এক কোণায় নচ থাকে। এছাড়াও একটি সোনালী দেখতে সার্কিট থাকে সিম কার্ডে যা মূলত সিমের মাদারবোর্ড ও এটি গুরুত্বপূর্ণ সকল তথ্য বহন করে। প্রতিটি সিমের একটি নাম্বার থাকে, যা রবি, জিপি এর মত টেলিকম কোম্পানী প্রদান করে। সিম এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ব্যবহার করা সম্ভব।
ই-সিম কি?
সিম কি ও কিভাবে কাজ করে এর ধারণা তো আমরা জানলাম। এবার প্রশ্ন হচ্ছে ই-সিম কি?
ই-সিম হচ্ছে এক ধরণের উন্নত প্রযুক্তির সিম বা এমবেডেড সিম । তবে সিম এর মত ই-সিম রিমুভ করা যায়না, বা অন্য ফোনে প্রবেশ করানো যায়না। এটি সরাসরি ফোনের মধ্যে এমবেডেড, অর্থাৎ যুক্ত থাকে।
এমবেডেড সিম যদিও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু এর মূল কাজ প্রচলিত সিমকার্ডের মতই । সেই হিসেবে আমরা থাকে প্রচলিত সিমকার্ডের প্রতিস্থাপক বা আপগ্রেড ভার্সন বলতে পারি । তবে এর মধ্যে সব থেকে বড় পার্থক্য হচ্ছে প্রচলিত সিমকার্ডের মতো আলাদা করে খোলা বা লাগানোর কোন সুযোগ নেই।
নতুন ই-সিম এটি প্রচলিত ব্যবহৃত ন্যানো সিমের চেয়েও আরো অনেক ছোট। এটি অন্যান্য সিমের মত নয় এটা একধরণের কানেক্টিং চিপ হিসেবে এটি সাপোর্টেড ডিভাইসের মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত করা হয় ডিভাইস তৈরীর সময়ই। তাই এটা খুলা বা লাগানোর কোন সুযোগ থাকছে না। সেই হিসেবে এটাকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল সিমকার্ডও বলা যেতে পারে।
আজকে এই পর্যন্তই। ই-সিম সম্পর্কে আরোও কিছু জানার থাকলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Sylhet