JUI Network

JUI Network

Share

সত্য প্রচারে সদা-সর্বদা

13/06/2026

কিছুদিন আগে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষকের পদ খালি রয়েছে। তারা এসব পদে যোগ্য ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে চান। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এর কোন কার্যকর উদ্যোগ এখনো পরিলক্ষিত না হলেও সম্প্রতি শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, তারা প্রাথমিকে ৫০-৬০ হাজার গানের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছেন।

সস্কৃতি বিষয়টি হলো জাতিভেদে একটি আপেক্ষিক ব্যাপার। কোন জাতির সংস্কৃতি কী হবে, সেটা আবহমানকাল থেকে সেই জাতির চর্চিত কৃষ্টি-কালচার, ধর্মীয় আবেগ-অনুভূতি ও আচার-অনুষ্ঠানের উপর নির্ভর করে। সংস্কৃতি চাপিয়ে দেয়ার বিষয় নয়। এটি একটি জনপদের মানুষের আচার-আচরণ ও অনুভূতির উপর ভিত্তি করে প্রাকৃতিকভাবেই গড়ে ওঠে।

আবহমানকাল থেকেই ইসলামী সভ্যতা ও অনুভূতিকে ধারণ করেই এই জনপদের মানবসভ্যতা গড়ে উঠেছে। সুতরাং এই জনপদের মানুষের সংস্কৃতি নির্ধারণ হবে তাদের অনুভূতি ও বোধ-বিশ্বাস অনুযায়ী। এই দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পড়ালেখা করে নব্বই ভাগ ধর্মপ্রাণ মানুষের সন্তানেরা। তারা সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত হলেও ধর্মীয় অনুভূতি ও বিশ্বাসকে ধারণ করে সবার উর্ধ্বে। যার ফলে নাচ-গানের শিক্ষার চেয়ে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব এই সমাজের মানুষের কাছে অনস্বীকার্য।

সুতরাং সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের অনুভূতিকে প্রাধান্য দিয়ে নাচ-গানের শিক্ষক নিয়োগের পরিবর্তে অবশ্যই সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় এবং পর্যাপ্ত ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিশ্চিত করা সরকারের উচিত বলে আমরা মনে করি। কেউ যদি নির্দিষ্ট পরিসরে নাচ-গান করতে চায় তাহলে সেটা তার একান্ত বিষয়। কিন্তু সমাজের মুষ্টিমেয় একটা অংশের চিন্তা-চেতনা এবং চাওয়াকে পুরো প্রজন্মের উপর সংস্কৃতি হিসেবে চাপিয়ে দেয়াটা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চরিত্র হতে পারে না। ৫০-৬০ হাজার গানের শিক্ষক নয় বরং শিক্ষার প্রতিটি স্তরে (প্রাইমারী থেকে বিশ্ববিদ্যালয়) শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক দীক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে লক্ষাধিক ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ অধিকতর যুক্তিসঙ্গত।

অতএব, সরকার এই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আগামী প্রজন্মের উন্নত চরিত্র ও নৈতিক মনন গঠনে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি দ্রুত নিশ্চিত করবে বলেই আমরা আশাবাদী।

05/06/2026

জাতিসংঘে বাংলাদেশের অর্জনকে স্বাগত, তবে রয়েছে কিছু শঙ্কা: মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক

ঢাকা: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান নির্বাচিত হওয়াকে বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক। তবে এই অর্জনকে ঘিরে কিছু উদ্বেগ ও শঙ্কার কথাও তুলে ধরেছেন তিনি।

শুক্রবার নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক বলেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদে একজন বাংলাদেশির নির্বাচিত হওয়া নিঃসন্দেহে দেশের জন্য গৌরবের বিষয় এবং বর্তমান সরকারের একটি উল্লেখযোগ্য কূটনৈতিক সাফল্য। তবে বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় জাতিসংঘের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকায় এই অর্জনকে উদযাপনের আগে বিষয়টিকে গভীরভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে জাতিসংঘকে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অধিকার ও নিরাপত্তার রক্ষাকবচ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও বাস্তবে সংস্থাটি অনেক ক্ষেত্রে পরাশক্তি ও সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর স্বার্থ রক্ষার মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে বলে সমালোচনা রয়েছে। এ কারণে জাতিসংঘের কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে কারও অধিষ্ঠানকে শুধুমাত্র অর্জন হিসেবে দেখার আগে এর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রেক্ষাপটও বিবেচনায় নেওয়া দরকার।

জমিয়ত সভাপতি আরও বলেন, ড. খলিলুর রহমানের অতীত কর্মকাণ্ড এবং বিশেষ করে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বিভিন্ন চুক্তির বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন রয়েছে। ফলে এই নতুন দায়িত্ব প্রাপ্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ কতটুকু রক্ষা পাবে, তা সময়ই বলে দেবে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে ড. খলিলুর রহমান যদি রোহিঙ্গা সংকট, সীমান্ত সমস্যা, প্রতিবেশী দেশের আগ্রাসী আচরণ, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপ এবং অন্যান্য জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক পরিসরে কার্যকরভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হন, তাহলে এই অর্জন প্রকৃত অর্থেই দেশের জন্য কল্যাণকর বলে বিবেচিত হবে।

মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থ সংরক্ষণে ইতিবাচক ফলাফল দৃশ্যমান হলে তখনই এ অর্জনকে স্বার্থকভাবে উদযাপন করা যাবে। অন্যথায় ইতিহাস এ ঘটনাকে ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করতে পারে।
স্ট্যাটাসের শেষে তিনি দেশের কল্যাণ কামনা করে মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করেন এবং আশা প্রকাশ করেন, এই দায়িত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য কল্যাণকর কিছু অর্জিত হবে।

Photos from JUI Network's post 31/05/2026

ঢাকনাইল এর বিশিষ্ট মুরব্বি জনাব তরিকত উল্লাহ তরই সাহেবকে দেখতে তার বাড়িতে, জমিয়তের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক সাহেব। Ubaydullah Faruk.

এ সময় তিনি তার শারীরিক অসুস্থতার খোঁজ খবর নেন এবং তার সুস্থতার জন্য মহান প্রভুর দরবারে দোয়া কামনা করেন।। আল্লাহপাক তাকে পরিপূর্ণ শিফা দান করুন। আমীন।

Want your business to be the top-listed Media Company in Sylhet?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address

Kanaighat-jakigonj
Sylhet
3100