Al Huda
তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিব।
ইরা,ন আপডেট
শীঘ্রই ইরা,নের ওপর একটি বৃহৎ আকারের আক্রমণ শুরু হবে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে এটি এমন এক আক্রমণ, যা আগে কেউ দেখেনি।
—ইসরা,ইলি চ্যানেল-১৪
আফসোসের ব্যাপার হলো, আমাদের যুবকরা এখন তাবলীগকে ভাবেন অচ্ছুত। সেকেলে কোনো কর্মপন্থা। যা এখন এলিট সমাজে অযোগ্য! অথচ তাদেরকে যদি ইতিহাস টানতে বলা হয়, অথবা ঘাড় ফিরিয়ে একটু পেছন ফিরতে বলা হয়, তাহলেই তারা দেখতে পেত, এই উপমহাদেশে ইসলামী জাগরণ ও ইসলামের প্রচার-প্রসারে তাবলীগের অবদান কী পরিমাণ রয়েছে!
তারা ‘কান নিয়ে গেল কাকে, দৌড়া কাকের সাথে’ এই প্রবাদের মতো তাবলীগের ব্যাপারে যা শোনে, বা নিজস্ব গণ্ডির ভেতরে যা দেখে, সেটাকেই ভাবে তাবলীগের সবকিছু! ফলে তাবলীগকে অপ্রয়োজনীয়, ‘দ্বীন-বিরোধী’, দাওয়াতের সেকেলে পদ্ধতি ইত্যাদি নানান ট্যাগে ভূষিত করে।
যুবকদেরকে ধরে ধরে বলি, আসো, বসো ভাই, তোমাকে বোঝাই তাবলীগ কী! নিজস্ব চিন্তা-গণ্ডির বাইরেও একটু ভাবতে শেখো।
নাহ! যুবকদের ধরে ধরে বোঝাতেই হবে, এই মেহনত যেনতেন কোনো মেহনত না; বরং নিঃসন্দেহে এটা এই মুহূর্তে দ্বীনের অন্যতম দুর্গ! তুমি হয়তো দুর্গের বাইরে থেকে ভাঙাচোরা দেয়াল দেখে একে দুর্বল ভাবছো, অথবা উপযুক্ত সুহবত না পেয়ে এই মুবারাক মেহনতকে সেকেলে ভাবছো, অথচ ঢুকে দেখো, এর ভেতরের রওনাকে এখনো জগৎ আলোকিত হয়ে আছে।
-তানজিল আরেফিন আদনান হাফি.
কোনো ছেলের দ্বারা টিজ্ড হওয়ার আশঙ্কায় কোনো মেয়ে, কোনো নারী যদি তাকে দেখে রাস্তা বদলে রাস্তার অন্য পাশ দিয়ে হাঁটে-তবে সেই ছেলের মাঝে আর রাস্তার কুকুরের মাঝে কোনো পার্থক্য নেই।
- বই : বাস্তবতার আয়নায়, পৃষ্ঠা: ২৩
23/03/2025
খেলাফত নিয়ে শক্তি ভাইয়ের ৪০ মিনিটের আলোচনা। শুনতে পারেন সবাই। ইনশাআল্লাহ।
লিংক কমেন্টে দেয়া থাকবে।
এই ছোট্ট ছেলেটির তেলাওয়াত হৃদয় ছুঁয়ে যায়! মাত্র ১০ বছর বয়সে সে তার বাবাকে হারিয়েছে। রমজানের ঠিক এক মাস আগে, তার বাবা স্ট্রোক করে এই দুনিয়া ছেড়ে চলে যান। এই বয়সে বাবাকে হারানোর কষ্ট কতটা গভীর হতে পারে, একবার ভাবুন!
তার কুরআন তেলাওয়াত সত্যিই হৃদয়গ্রাহী, তার কণ্ঠস্বর যেন হৃদয়ের গভীরে নাড়া দেয়। আসুন, সবাই মিলে তার জন্য দোয়া করি—আল্লাহ যেন তাকে ধৈর্য দান করেন, তার বাবাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন।
আমরা যারা আমাদের বাবা-মাকে জীবিত অবস্থায় পাচ্ছি, তারা যেন তাদের সেবা ও খেদমত করার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারি। আল্লাহ তায়া’লা আমাদের মাথার ছায়া আমাদের আব্বা-আম্মাদের দীর্ঘ নেক হায়াত দান করুন। আমিন।
🔹 এই হৃদয়গ্রাহী তেলাওয়াতটি শেয়ার করুন, অন্যরাও শুনুক ও দোয়া করুক!
🔹 কমেন্টে আপনার দোয়া জানিয়ে যান!
হ্যাশট্যাগ:
#কুরআন_তেলাওয়াত #হৃদয়ছোঁয়া_তেলাওয়াত #বাংলা_ইসলামিক_ভিডিও #দোয়া #হাফেজ_কুরআন #কুরআন_তেলাওয়াত #হৃদয়ছোঁয়া_তেলাওয়াত #বাংলা_ইসলামিক_ভিডিও
20/03/2025
গা/জায় সকাল থাইকা একশো বিশজন শা/হাদত বরণ করসে!
প্রতিটি টাকা খরচের সময় সতর্ক থাকব, টাকাটা যেন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনোভাবেই গা-যায় গণহ*ত্যা পরিচালনাকারীদের কাছে না যায়।
লেখা: আতিক উল্লাহ হাফি.
19/03/2025
গল্পটা শুনো পৃথিবী, হে অলস দুনিয়া! গাজার গল্পটা শুনো—
সাতটা মেয়ে। গাজার সাতজন মেয়ে। তাদের পা কোনো এ্যানেসথেশিয়া ছাড়াই কেটে ফেলা হয়েছে।
ব্যথা। দরদ। আর্তচিৎকার। সামান্য নুখ তোলার ব্যথাই সহ্য করতে পারো না! অথচ পা কেটে ফেলা...
এবার ঘুমাও।❤️
ইজ/ রায়েল জানে মাথার উপরে আমেরিকার হাত থাকতে থাকতেই ওদের সমস্ত ফিলি/ স্তিনিদের খুন করতে হবে। ওরাও বোঝে আমে/ রিকার দিন ঘনিয়ে আসছে। আমে/ রিকার সঙ্গে ইউরোপের সম্পর্ক এখন যে কোন সময়ের চেয়ে খারাপ। অনেক বন্ধুপ্রতিম দেশ এখন আগের মতো আর বন্ধুর নজরে দেখছে না। এখানে ওখানে যুদ্ধের ফলে অর্থনীতিও আগের মতো অত শক্ত জায়গায় নেই। এখনও আমেরিকা অর্থ বা ক্ষমতাবলে দুনিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ। কিন্তু যেভাবে চিনের উত্থান ঘটছে, সেই সাথে আমে/ রিকার বন্ধুর সংখ্যা কমছে আগামী দশ বা কুড়ি বছরের মধ্যে আমেরিকার জায়গা নড়ে গেলেও অবাক হওয়ার থাকবে না। যে যত উপরে ওঠে সে পড়েও তত জোরেই।
জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুযায়ী ২০০৮ থেকে ২০২০ পর্যন্ত ৫৫৯০ জন ফিলি/ স্তিনি খুন হয়েছে। অথচ গত দেড় বছরেই ৪৭০০০ ফিলি/ স্তিনি খুন হয়েছে। অধিকাংশই সিভিলিয়ান। তার মধ্যে ১৮০০০ শিশু! গা/ জায় প্রতি ৫০ জনের একজন খুন হয়েছে। অনেক পরিবার চিরতরে হারিয়ে গেছে ফিলি/ স্তিনের পাতা থেকে। এবং সবচেয়ে আতঙ্কজনক ব্যাপার নে তা নিয়াহু ঘোষণা দিয়েছে দ্বিতীয় দফায় মাত্র আক্রমণ শুরু। এবার ডেথ টোল কোথায় গিয়ে থামবে কেউ জানে না। বোঝাই যাচ্ছে এবার ফিলি/ স্তিন মুছে দেয়ার জন্যে কোমর বেঁধে নেমেছে। তবে মুক্তিকামী, ভয়ডরহীন একটা দেশকে চাইলেই মুছে দেয়া যায় না।
মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে এত বিভেদ, এই বিভেদই আসলে ইজ/ রায়েল আর আমে/ রিকাকে এত সাহস জুগিয়েছে। আমে/ রিকা যতই ক্ষমতাশালী হোক, যুদ্ধ চালানো প্রচুর খরচের ব্যাপার। ক্ষমতাশালী মুসলিম দেশগুলো যদি একত্রিত হয়ে যুদ্ধ করতে নামত, ইজরা/ য়েল আমে/ রিকা দুই দেশের অর্থনীতিতেই টানাটানি হওয়ার সম্ভাবনা আছে বা ছিল। হাতে মারতে না পারলেও ভাতে মারার সুযোগ কেউই নেয়নি। কোনো দেশই ফিলিস্তিনের পক্ষে যুদ্ধে নামেনি বা নামবে না। নিন্দা জানাবে, দেখানোর জন্যে কিছু ত্রাণ ছুড়ে মারবে, কেউ কেউ হুমকি দেবে হ্যান কারেঙ্গা ত্যান কারেঙ্গা। ব্যস এতটুকুই।
স্বাধীন একটা দেশে শান্তিতে শ্বাস নেয়ার সুযোগ হয়ত অনেক ফিলি/ স্তিনির হবে না। বুলেট, গোলাগুলি, বোমার শব্দের ভেতরেই তাদের জন্ম হবে। ক্ষুদ্র এ জীবন কেটে যাবে প্রতি সেকেন্ডে গুলি বা বোমার আঘাতে ছিন্নভিন্ন হওয়ার অপেক্ষায়। অবশেষে সত্যিই এদের আঘাতে চলে যেতে হবে ওপারের ডাকে। এর জন্যে যেমন ইজরায়েল, আমেরিকা দায়ী, তেমনি আরব বিশ্বও দায়ী। যখন ইজরায়েল, আমেরিকার পতন হবে, সেই সঙ্গে যেন এদের পা চাটা আরব বিশ্বেরও পতন হয় এই দোয়া করি। প্রতিটা ফিলি/ স্তিনির মৃত্যুর দায়ে যেন এরা সকলেই তিলে তিলে ধ্বংস হয়।
লেখা : অন্ময় আকিব
18/03/2025
একলা, এতিম, পরিত্যক্ত গাজা!
16/03/2025
যে ব্যক্তি রমাদানেও লাভবান হতে পারেনি, সে আর কবে লাভবান হবে? যে ব্যক্তি এই মাসেও তার রবের নিকটবর্তী হতে পারেনি, সে চিরকাল দূরেই থাকবে!
— ইমাম ইবনে রজব (রাহিমাহুল্লাহ)।
[আল-মওসূআত: ২৮১]
12/03/2025
হারিয়ে যাওয়া ইবাদাতগুলো পুনরুজ্জীবিত করুন
এটা বেশ সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, বেশিরভাগ লোক কোনো এক ধরনের ইবাদাতে আটকে যায় আর এর বাইরে অন্য কোনো ইবাদাত করে না। ফলে সময়ের সাথে সাথে অনেক ইবাদাত একসময় অপরিচিত ও অবহেলিত হয়ে পড়ে। এমন অপরিচিত হয়ে পড়া ইবাদাতের তালিকা বেশ লম্বা তবে এর মধ্যে তিনটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাত হলো,
১. ফজরের আগে ইস্তিগফার
প্রথমটি হলো ফজরের (আযানের) আগে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া ( ইস্তিগফার করা)। এটি তাহাজ্জুদ ও তারাবীহ থেকে ভিন্ন ধরনের ইবাদাত। আর ইবাদাত তো এটাই যে, বান্দা বিভিন্নভাবে ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি অনুসন্ধান করবে।
আল্লাহ বলেন,
" আর আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি সুদৃষ্টি রাখেন, যারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা ঈমান এনেছি, কাজেই আমাদের গুনাহ ক্ষমা করে দাও আর আমাদেরকে দোযখের আযাব থেকে রক্ষা কর। তারা ধৈর্য্যধারণ কারী, সত্যবাদী, নির্দেশ সম্পাদনকারী, সৎপথে ব্যয়কারী এবং শেষরাতে ক্ষমা প্রার্থনাকারী।" ( সুরাহ আলে ইমরান আয়াত ১৫-১৭)
আয়াতের শেষে আল্লাহ বলেন, "এবং যারা রাতের শেষ ভাগে ইস্তিগফার করেন।"
২. তাফাক্কুর
দ্বিতীয় যে ইবাদাতটি আমরা প্রায় ভুলতে বসেছি তা হলো তাফাক্কুর-- গভীর চিন্তাভাবনা করা। আল্লাহর নামসমূহ, স্বত্বা, গুণাবলী ও ক্ষমতা নিয়ে চিন্তাভাবনা করা। আল্লাহর নিদর্শনসমুহ, আকাশ, জমিন, পাহাড়, দিন, রাত, বাতাস, কুরআনের আয়াত নিয়ে চিন্তা ভাবনা করা। আল্লাহর সৃষ্টি ও সৃষ্টিক্ষমতা নিয়ে ভাবা।
৩. তাবাত্তুল
তৃতীয় ও সর্বশেষ অবহেলিত বিষয় হলো দুনিয়াবি সব বিষয় থেকে নিজেকে পৃথক করে আল্লাহর দিকে যাওয়া। এই ইবাদাতের ব্যাপারে কুরআনেও বলা আছে।
বই : ধুলিমলিন উপহার রামাদান || পৃষ্ঠা: ৮৯-৯৫
Al Huda
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
3190