Bdprotiva24
একটি অনলাইন সাহিত্য ম্যগাজিন
27/02/2025
আগে জানুন
জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারণাঃ
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০ কাঠা = ১ একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর
কানি পরিমাপক
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা=৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি
১ বিঘা =২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা=১৪৮২০ কাঠা=১০৬৭০৪০০ বর্গফুট =৯৯১৬৭২ বর্গমিটার= ১বর্গকিলোমিটার=
২৪৭একর
৭.৪১বিঘা=১৪৮.২কাঠা=১০৬৭০৪ বর্গফুট =৯৯১৩ বর্গমিটার=১ হেক্টর=২.৪৭একর
জেনে নিন খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ =৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ শতাংশ =১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের
একর পরিমাপক
১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক
১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর
৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)
২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার
হেক্টর পরিমাপক
১ হেক্টর=২.৪৭একর
১ হেক্টর = ৭.৪১বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৮.২কাঠা
১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার =৯৯১৩ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ১.৪৭ একর
১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা
১ হেক্টর = ২৪৭.১০৫ শতক
১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত
১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ
১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা
১ হেক্টর = ১০০ আয়ের গন্ডা পরিমাপক ১ গন।
👍শেয়ার করুন👍
19/01/2024
♥চ্যালেন্জ করলাম ডায়বেটিস নিরাময়ের কোন ওষধ নেই! দেহেই ডায়বেটিস নিরাময় হয়!
🔴ডায়বেটিস কোন রোগ নয় এটি দেহের চলমান খাদ্যত্রুটি। দীর্ঘদিনের চলমান খাদ্যত্রুটির কারনে দেহে নানা রোগ হয়। আর এ নিয়ে চলছে রমরমা ব্যবসা। শুধু ডাক্তারী ড্রাগ বিজনেস ২০ বিলিয়ন ডলারের। অন্যান্য চিকিৎসায় যে যে ভাবে খুশি ডায়বেটিস নিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছে। সমাধানতো হচ্ছেই না বরং দিনে দিনে ডায়বেটিস রোগী বাড়ছে। ড্রাগ ব্যবসায়ীরা ইতিমধ্যে ২০৩০ সালের ডায়বেটিস ড্রাগ বিজনেস লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করেছে ৩৬ বিলিয়ন ডলার।
⚫অথচ মাত্র ৩ টি বিষয় নিয়মিত পালন করলে ডায়বেটিস শতভাগ নির্মূল ও নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়।
১🟢পরিমিত সঠিক খাবার
২🟢প্রয়োজনীয় পুষ্টি
৩🟢 ব্যায়াম
🟠কেন পরিমিত খাবার খাবেন?
➡️দেহের প্রধান খাবার ৩টি।
১) কার্বহাইড্রট ২) প্রোটিন ৩) চর্বি।
সব প্রকৃতির খাবারে এ ৩টি বিভিন্ন অনুপাতে থাকে। সবচেয়ে বেশী উদ্ভিজজাত খাবারে। কম থাকে মাছমাংস ডিম ও চর্বি ও তৈলযুক্ত খাবারে। উদ্ভিজজাত খাবারের ২ ঘন্টার মধ্যে গ্লুকোজ রক্তে মিশে। মাছ মাংস ও চর্বি থেকে খাবারের ৪ ঘন্টা পরে গ্লুকোজ রক্তে মিশে। একজন সাধারন পরিশ্রমী দেহে ২৪ ঘন্টায় ১৮০ গ্রাম গ্লুকোজ প্রয়োজন যা ৩০০ গ্রাম কার্ব থেকেই আসে। ➡️ইন্সুলিন ছাড়া দেহরক্তের গ্লুকোজ ব্যবহার হতে পারেনা। দেহরক্তে যতবেশী গ্লুকোজ মিশবে ততবেশী ইন্সুলিন প্রয়োজন হবে। একটা সময়ে ইন্স্যুলিন ভান্ডার নিঃশেষ হয়ে যায়। তখন বাইরের ইন্স্যুলিন (ড্রাগ) নির্ভরশীল হয়ে বাঁচতে হয়। অব্যবহৃত অতিরিক্ত গ্লুকোজ চর্বিতে পরিনত হয়ে পেটে এবং হিপে জমা হয়। মনে রাখবেন দেহরক্তে গ্লুকোজ মিশার ৫ ঘন্টা পর ইন্স্যুলিন এর সাহায্যে চর্বিতে রূপান্তর শুরু হয়।
🔴কেন সরাসরি পুষ্টি খাবেন?
➡️কারন খাবার থেকে প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টির পরিমানমত সরবরাহ সম্ভব হয়না। তাই খাবারের পরিপূরক হিসাবে যথাযত কতৃপক্ষ অনুমোদিত নির্দিষ্ট কিছু ফুড সাপ্লিমেন্ট খাওয়া উচিত।
🔴কেন নিয়মিত ব্যায়াম করবেন?
➡️প্রতিদিনের প্রধান খাবারের আধা ঘন্টা পর আধা ঘন্টা ব্যায়াম করা উচিত। কারন গ্লুকোজ শুধুমাত্র দেহ কোষে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। দেহ কোষে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে কার্বনডাইঅক্সাইড, পানি ও রাসায়নিক শক্তিতে পরিনত হয়ে বিলীন হয়ে যায়। মনে রাখবেন গ্লুকোজ ধ্বংসের অন্য কোন পদ্ধতি নেই। গ্লুকোজ ধ্বংসের একমাত্র পথ মানবদেহ কোষ। উচ্চতাপেও গ্লুকোজ ধ্বংস হয়না। অথচ বিভিন্ন চিকিৎসায় বিভিন্ন ডাক্তারী ড্রাগ ও হার্বাল ওষধ তৈরি করে ডায়বেটিস নির্মূলের দাবি করা হয় যা সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক। এতে ধীরে ধীরে দেহে নানা জটিল রোগ বাসা বাঁধে।
🟢অক্সিজেনের উপস্থিতিতে দেহকোষে গ্লুকোজ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে কার্বনডাইঅক্সাইড, পানি ও রাসায়নিক শক্তিতে (এটিপি) রূপান্তর হয়ে বিলীন হয়ে যায়। উদ্ভিজজাত খাবারের(খাবার ভেদে) ১৫/২০ মিনিট থেকে ২ ঘন্টায় রক্তে গ্লুকোজ আসে। দুপুর ও রাতের খাবারের আধাঘন্টা পর আধা ঘন্টার হালকা এরোবিক ব্যয়াম রক্তের কিছু গ্লুকোজ নিঃশেষ করে দেয়। মনে রাখবেন রক্তে গ্লুকোজ আসার ৫ ঘন্টা পর থেকে অব্যবহৃত গ্লুকোজ চর্বিতে পরিনত হতে শুরু করে।
পরামর্শ পেতে:
Dr. Shebendra Karmakar
01712393053
https://bdprotiva24.blogspot.com
.com
#বিডিপ্রতিভা২৪
কবিতা
মৌমাছি, মৌমাছি
কোথা যাও নাচি নাচি
দাঁড়াও না একবার ভাই।
ওই ফুল ফোটে বনে
যাই মধু আহরণে
দাঁড়াবার সময় তো নাই।
ছোট পাখি, ছোট পাখি
কিচিমিচি ডাকি ডাকি
কোথা যাও বলে যাও শুনি।
এখন না কব কথা
আনিয়াছি তৃণলতা
আপনার বাসা আগে বুনি।
পিপীলিকা, পিপীলিকা
দলবল ছাড়ি একা
কোথা যাও, যাও ভাই বলি।
শীতের সঞ্চয় চাই
খাদ্য খুঁজিতেছি তাই
ছয় পায়ে পিলপিল চলি।
কাজের লোক
✍️- নবকৃষ্ণ ভট্রাচার্য।🎈
নবকৃষ্ণ ভট্টাচার্য জন্মগ্রহণ করেন হাওড়া জেলার নারিটে ২৯শে এপ্রিল ১৮৬০ সালে। পিতা রাজনারায়ণ তর্কবাচস্পতি ছিলেন বিশিষ্ট সংস্কৃত পন্ডিত। তিনি কলকাতার সংস্কৃত স্কুল থেকে এন্ট্রান্স পাশ করেন। তাঁর প্রথম লেখাটি প্রকাশিত হয় “ভারতী” পত্রিকায় ১৮৭৯ সালে। তিনি “সাথী ” নামের একটি শিশুপত্রিকা সম্পাদনা করতেন (১৮৯৩- ১৮৯৯)।
তাঁর রচনার মধ্যে রয়েছে “শিশুরঞ্জন রামায়ণ” (১৮৯১), “ছেলেখেলা” (১৮৯৮), “টুকটুকে রামায়ণ” (১৯১০), “পুষ্পাঞ্জলী” (১৯৩৪), “ছবির ছড়া” (১৯৩৬) প্রভৃতি।
তাঁর কবিতা “গোকুলে মধু ফুরায়ে গেল আঁধার আজি কুঞ্জবন” ও ” কাজের লোক ” আজও জনপ্রিয়।
৪ঠা সেপ্টেম্বর ১৯৪১ সালে তাঁর জীবনাবসান হয়।
আজ তার জন্মবার্ষিকী। আজকের এইদিনে তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।
(গুগল সহায়তায় সম্পাদিত)
30/04/2023
"ক" ব্যবহার করে এতো দীর্ঘ লেখা আমি প্রথম পড়লাম। লেখক বা লেখিকার নাম উল্লেখ ছাড়াই লেখাটা পেলাম। অসাধারণ দক্ষতা। 🙏🏻
পুরোটা পড়ে দেখুন খুব ভালো লাগবে আপনাদের।
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী কলেজের কনিষ্ঠ কেরাণী কার্তিক কুমার কর্মকারের কোকিল কন্ঠী কন্যা কপিলা কর্মকার কাশিতে কাশিতে করুণ কন্ঠে কমল কাকাকে কহিল, "কাকা, কড়ি কাঠের কেদারা কিংবা কারখানার কাপড় কেনাকাটায় কৃষাণীরা কিছুটা কৃচ্ছতা করিলেও কলকাতার কিশোরী কন্যাদের কাছে কুষ্টিয়ার কুচকুচে কালো কাতান কাপড়ের কদর কল্পনাতীত।
কীর্তিমান কতিপয় কলাকুশলী কিংবা কিশোর কবিরাও কালি-কলমের কল্যাণে- কদরের কিছু কার্যকর কথা কৌশলে, কখনো কবিতার কিতাবে, কখনো 'কালের কন্ঠ' কাগজের কলামে কহিয়াছেন।
কিন্তু কাকা, কষ্মীনকালে কেউ কী কখনো কহিয়াছেন? কী কারণে, কিসের কারসাজিতে, কেমন করিয়া কোথাকার কোন কাশ্মিরী কম্বল কিংবা কর্ণাটকের কমলা কাতানের কাছে কালক্রমে কুলীন কূলের কায়িক কৃষাণীদের কাঙ্খিত কালজয়ী কারুকার্যময় কাতান কাপড়ের কদর কমিল"?
কাজে-কর্মে কুশীলব কিন্তু কেবলই কৌতুহলী কপিলা কর্মকারের কঠিন কথায় কিঞ্চিত কর্ণপাত করিয়া ক্লান্ত কাকা কুষ্টিয়ার কিংবদন্তি কালো কাতানের ক্রমেই কদর কমার কয়েকটি কারণ কোমল কন্ঠে কপিলার কানে কানে কহিলেন।
কৃষ্ণকায় কাকাকে কাপড়ের কষ্টের কিচ্ছা কাহিনী কহিয়া কপিলা কর্দমাক্ত কলস কাঙ্খে করিয়া কালোকেশী কাকিকে কহিল, _"কাবেরী কোলের কেয়া-কুঞ্জে কোয়েলের কলকাকলি কিংবা কেতকী কদম কুসুম কাননে কোকিলের কন্ঠে কুহু কুহু কুজনের কতই কারিশমা! কিন্তু কাকী, কদর্য কাক কী কারণে কর্কশ কন্ঠে কানের কাছে কেবল কা-কা করে"?_
কাঁচের কংকন করিয়া কিংকর্তব্যবিমূঢ় কাকী কিলানো কাঁঠালের কদলি কচলাইতে কচলাইতে কহিলেন, _"কুৎসিত কেতাদুরস্ত কাকের কাজই কা-কা কলরবে কোলাহল করিয়া কেরামতির কৃতিত্ব কুড়ানো"।_
সংগৃহীত
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the organization
Telephone
Address
3100