USA Study Info

USA Study Info

Share

I @love thinking about him.

09/07/2026

সে মরলেও কি তোরা তাকে ছাড়বি না রে রেরেরে?😁

02/07/2026

তাকে নিয়ে খুব সরগরম ফেসবুক
প্রেমিকার মন পেতে বদলে ফেলেছিলেন ধ/র্ম; সঙ্গে পা/ল্টে ফেলেছিলেন বাবা-মায়ের দেওয়া নামও। কিন্তু, মন উঠে যাওয়ায় এখন প্রে/মিকাকে ছেড়ে আবারও ফিরলেন আগের ধর্মে। সেইসঙ্গে পুলিশে ধরিয়ে দিলেন প্রে/মিকা ও তার বাবাকে।

ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের শামলি জেলায় এমনই এক ঘটনা ঘটিয়েছেন আয়ুষ মালিক নামে এক হিন্দু যুবক।

উত্তরপ্রদেশ পুলিশ জানিয়েছে, আয়ুষ মালিক নামে ওই ব্যক্তি তিন বছর আগে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করেছিলেন। ধর্মান্তর বিরোধী আইনে ইতোমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে তার প্রেমিকা এবং তার বাবাকে।

পুলিশসূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে পায়ে চোট পেয়েছিলেন আয়ুষ। হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে যান। সেখানেই আলাপ হয় চাঁদনি কুরেশি নামে এক ফিজিওথেরাপিস্টের সঙ্গে। ধীরে ধীরে দুজনের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। একটা সময়ের পর সম্পর্কে জড়ান তারা।

তারপর থেকেই চাঁদনির পরিবার চাপ দিতে থাকে আয়ুষের ধর্ম পরিবর্তনের জন্য। চাঁদনিকে পেতে এক পর্যায়ে আয়ুষ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে রাজিও হয়ে যান। স্বভাবতই এই সিদ্ধান্তে পরিবারের সমর্থন পাননি তিনি।

২০২৩ সালে আয়ুষকে নিয়ে দিল্লিতে যায় চাঁদনির পরিবার। সেখানেই ধর্মান্তরিত হন আয়ুষ। তার নামও পরিবর্তন করা হয়। মহম্মদ আলি নাম নিয়ে শুরু করেন নতুন জীবন। ইসলামের আদর্শ মেনে দাড়ি বড় করেন, সাজপোশাক বদলান, দিনে পাঁচবার করে নামাজও পড়তে শুরু করেন।

কিন্তু, ৩ বছর এভাবে জীবনযাপনের পর সম্প্রতি তিনি ইসলাম ত্যাগ করেছেন। আয়ুষের ভাষ্য, আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলাম; কিন্তু পরিবারের সকলের যন্ত্রণা দেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আবার হিন্দু ধর্মে ফিরব। পরিবারের সঙ্গে থাকব।

চুলদাড়ি কামিয়ে, পুজোয় বসে আবারও হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছেন আয়ুষ। তার বাবা দেবরাজ মালিক জানিয়েছেন, সনাতন ধর্মে ফিরেছে ছেলে। দেবরাজের অভিযোগের ভিত্তিতেই চাঁদনি এবং তার বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।

দেবরাজের অভিযোগ, আয়ুষের ধর্ম পরিবর্তন করে কোটি কোটি টাকার পারিবারিক সম্পত্তি হাতানোর ছক কষছিলেন চাঁদনিরা। ধর্মান্তর আইনে আপাতত তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

01/07/2026

বিশ্বকাপের ৪৮টি দলের মধ্যে বাকি ৪৭টি দল যখন ফাইভ-স্টার সুযোগ-সুবিধা, লাক্সারি চার্টার্ড ফ্লাইট আর প্রোপার রিকভারি সেশন পাচ্ছিলো, তখন ইরান দলকে রাখা হয়েছিলো খাঁচায় বন্দি পশুর মতো।

ইরানের অধিনায়ক মেহেদি তারেমি FIFA এবং এর প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো -এর তীব্র সমালোচনা করেছেন।

তিনি বলেন,
"এটা কোনো ফুটবল টুর্নামেন্ট নয়, এটা একটা বিপর্যয়, একদম 'ডিসাস্টার ওয়ার্ল্ড কাপ'!
আমাদের লজিস্টিকস টিমের সদস্যদের পর্যন্ত ভিসা দেওয়া হয়নি। ম্যাচের পর আমাদের বিশ্রামের সুযোগ নেই, সিয়াটলে থাকার অনুমতি নেই, ম্যাচ শেষ হতে না হতেই আবার বর্ডার পার হয়ে মেক্সিকোতে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে!
​প্রতিটা মুহূর্তে আমাদের সাথে বৈষম্য করা হয়েছে। একটা পেশাদার টুর্নামেন্টে এই পরিস্থিতিতে খেলা অসম্ভব।

ফিফা নাকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের এই যন্ত্রণার জবাব কে দেবে? কেউ আমাদের সাহায্য করছে না। আমাদের স্পষ্ট কথা, যদি আমাদের টুর্নামেন্ট থেকে লাথি মেরে বের করে দেওয়াই আপনাদের উদ্দেশ্য হয়ে থাকে, তবে সরাসরি বলুন, আমরা চলে যাব! কিন্তু পেছন থেকে এভাবে নোংরামি করা বন্ধ করুন।"

​বিশ্বকাপের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি দল যখন ভেন্যুর মূল আয়োজক দেশগুলোতে বিলাসবহুল সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছিলো, সেখানে ইরানকে রাখা হয়েছিলো সম্পূর্ণ আলাদা নিয়মে।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা আমেরিকার মাটিতে অবস্থান করার অনুমতি পায়নি। মেক্সিকোর বর্ডার এলাকার একটি হোটেলে থেকে, প্রতিদিন কড়া সিকিউরিটি ও ইমিগ্রেশনের মানসিক চাপ পার হয়ে তাদের ম্যাচ খেলতে আসতে হতো।
যেখানে বাকি দলগুলো ম্যাচের আগে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থেকেছে, সেখানে ইরান দলের ফুটবলারদের সময় কেটেছে বাসের সিটে আর বর্ডারের ট্রাফিক জ্যামে। লাইনে দাঁড়িয়ে আঙুলের ছাপ এবং পাসপোর্টের সিল নিতে হতো। একে তো ম্যাচের মানসিক চাপ, তার ওপর প্রতিদিনের এই তল্লাশি খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে ক্লান্ত করে দিয়েছিলো।

ম্যাচ বা অফিশিয়াল প্র্যাকটিসের দিনগুলোতে খেলোয়াড়দের বহনকারী বাসকে হাই-সিকিউরিটি এসকর্ট দেওয়া হলেও, মেক্সিকো-ইউএস বর্ডারের তীব্র ট্রাফিক জ্যাম এড়ানো সম্ভব হয়নি।

বেশ কয়েকবার দেখা গেছে, ম্যাচের ঠিক ২-৩ ঘণ্টা আগে ইরান দল স্টেডিয়ামে এসে পৌঁছেছে। যেখানে অন্য দলগুলো ম্যাচের আগের দিন ভেন্যুর বিলাসবহুল হোটেলে আরাম করে, সেখানে ইরান দলের ফুটবলাররা ম্যাচের দিন বাসের সিটে বসেই ট্যাকটিকাল আলোচনা করতে বাধ্য হয়েছেন।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে বিশ্বখ্যাত স্পোর্টস ব্র্যান্ডগুলো ইরান দলকে সরাসরি কোনো কিট বা বুট স্পন্সর করতে পারেনি। এমনকি বিশ্বকাপে খেলার জন্য অনেক খেলোয়াড়কে নিজেদের পকেটের টাকা দিয়ে সাধারণ দোকান থেকে বুট কিনে খেলতে হয়েছে।
ম্যাচের মাঝে কারও বুট ছিঁড়ে গেলে বা নষ্ট হলে, ব্যাকআপ হিসেবে অতিরিক্ত বুট পাওয়ার সুযোগও তাদের ছিলো সীমিত।

​স্টেডিয়ামে গ্যালারিতে বসে দলকে সমর্থন জোগানোর ক্ষেত্রেও ইরানি সমর্থকদের ওপর ছিলো কড়া নজরদারি। আমেরিকার ভিসা না পাওয়ায় ইরান থেকে কোনো সাধারণ সমর্থক বা গণমাধ্যমকর্মী সেখানে যেতে পারেননি। ফলে গ্যালারিতে অন্য দলগুলো যখন হাজার হাজার সমর্থকের গর্জনে মুখরিত ছিলো, ইরানকে সেখানে প্রায় একাকী লড়াই করতে হয়েছে।

এত মানসিক ও শারীরিক ক্লান্তির পরও মাঠের ভেতরে ইরান দল যে পারফরম্যান্স দেখিয়েছে, তা সত্যি প্রশংসনীয়। গ্রুপ 'জি' -তে তারা কোনো ম্যাচই হারেনি।

বেলজিয়াম, মিশর ও নিউজিল্যান্ড এই তিনটি শক্তিশালী দলের সাথেই তারা বীরত্বের সাথে লড়াই করে ম্যাচ ড্র করে।

৩ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে তারা অপরাজিত থাকা সত্ত্বেও গোল ব্যবধান এবং গ্রুপ পর্বের অন্যান্য জটিল সমীকরণের কারণে শেষ পর্যন্ত রাউন্ড অব ৩২ নকআউট পর্ব-এ কোয়ালিফাই করতে পারেনি।

ক্রীড়া ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বৈষম্যের শিকার হয়েছে ইরান।

Telephone

Website