Brother Halim
Sharing my personal reflections on faith, society, and politics — a voice for thoughts, reminders, and real conversations.
দুই দিন আগে লিখেছিলাম, ভোট চুরি করতে যারাই যাবেন, পাছার রঙ অক্ষত থাকবে না কারো।
তাই হয়েছে।
ঢাকার দুইটা সিটে গ্যাঞ্জাম করতে গেছিল ২২০ সিট পাইয়া যাওয়া দল।
একেবারে লাল করে দিসে।
গভীর রাতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে টাকার বস্তাসহ আটক করেছে কোস্টগার্ড।
অনেকেই আর্মির এই অবস্থানে আশ্চর্য হচ্ছেন।
অথচ আমাদের আর্মিও কিন্তু জুলাইয়েরই ফোর্স।
এই মানুষগুলো সেদিন হাসিনার আদেশ অমান্য করে মানুষের পাশে না দাঁড়াইলে আজ সিনারিও অন্য রকম হত।
যারা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হাসিনার বিপক্ষে দাঁড়াইসিল, যারা গত দেড় বছর মাঠে আছে, তারা এত সহজে ভোট চুরি করতে দেবে, এমন ভাবার কোন কারণ নাই।
বরং আর্মি খুব ভালো করেই জানে, আজ যদি ভোট চুরি হয়, ১০ বছর পর আরেকটা ৫ আগস্ট হবে, আবারও তাদের এই লেভেলের পেইনের ভেতর দিয়ে যেতে হবে।
পাকিস্তান আর্মি আর বাংলাদেশের আর্মির মধ্যে এটাই হলো পার্থক্য।
গতকাল বিকেল থেকেই ডিপস্টেটের একটা অংশ যখন একটা দলকে জেতাতে খুল্লাম খুল্লা হয়ে গেছিল,
আর্মি মাত্র ৫-৬ ঘন্টায় অনেকগুলো অস্ত্র অভিযান আর টাকা ধরা অভিযান করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনসে।
আর রাইতে যে মাইরটা দিসে, আজ দিনের বেলা এই মাইরটা দিলেই কেউ ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার সাহস করবে না।
ভোটে যেই জিতুক, একটা ভালো নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশ আর্মির এই চেষ্টা আমাদের মনে রাখতে হবে।
যে যার ওবস্তান থেকে গুজব ছড়ান 😂😂
তর্ক যুক্তিতে যাদের সাথে পারা যায় না,
তাদের গলা চেপে ধরতে হয়
না হয় মাথায় গু/লি করতে হয় 🙁🙁