LifeStyle-365

LifeStyle-365

Share

“অশ্লীল পোস্ট ও স্টোরি দিয়ে
নিজেকে স্মার্ট মনে করা
ছেলে-মেয়েদের পারিবারিক ও ধর্মীয়
শিক্ষার বড়ই অভাব”

আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুক। আমীন!

10/12/2024

আল্লাহর নবী ও গোটা দুনিয়ার বাদশাহ হযরত সুলাইমান আ.-এর যুগের একটি ঘটনা। এক ব্যক্তির বাড়ির পাশে ছিল একটি গাছ। সেই গাছে ছিল একটি পাখির বাসা।

সেই বাসায় পাখিটি যখনই ডিম দিত তখনই লোকটি তা নিয়ে খেয়ে ফেলত। লোকটির অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে একদিন পাখিটি হযরত সুলাইমান আ.-এর কাছে অভিযোগ করল। সুলাইমান আ. লোকটিকে ডেকে নিষেধ করে বললেন, আর কোনও দিন যেন এ পাখির ডিম সে না খায়। হযরত সুলাইমান আ.-এর নিষেধ অমান্য করে লোকটি আবারো পাখির ডিম খেয়ে ফেলল। নিরুপায় হয়ে পাখিটি পুনরায় হযরত সুলাইমান আ.-এর কাছে অভিযোগ করল।

হযরত সুলাইমান আ. এক জিনকে নির্দেশ দিলেন- লোকটি এবার যখন গাছে চড়বে, তখন খুব জোরে তাকে ধাক্কা দিয়ে যেন নিচে ফেলে দেয়, যাতে লোকটি আর কোনও দিন গাছে চড়তে না পারে। এর পর একদিন লোকটি পাখির ডিমের জন্য গাছে উঠতে যাবে, এমন সময় এক ভিক্ষুক এসে হাঁক দিল বাবা! কিছু ভিক্ষা দিন।

তখন লোকটি প্রথমে ভিক্ষুককে এক মুষ্টি খাবার দান করল। তারপর শান্ত মনে গাছে থেকে ডিম নামিয়ে খেয়ে ফেলল। পাখিটি আবার সুলাইমান আ.-এর কাছে অভিযোগ করল। সুলাইমান আ. সেই জিনকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি নির্দেশ পালন করলে না কেন? তখন জিন জবাব দিল, আমি আপনার নির্দেশ পালন করার জন্য প্রস্তুত ছিলাম।

এমন সময় পূর্ব ও পশ্চিম থেকে দুজন ফেরেস্তা এসে আমাকে অনেক দূরে ফেলে দিল। হযরত সুলাইমান আ. বিস্মিত হয়ে এর কারণ জিজ্ঞেস করলেন, জিনটি বলল, আমি দেখলাম, লোকটি গাছে ওঠার আগে এক ভিক্ষুককে এক মুষ্টি খাবার দান করল। সম্ভবত এর বরকতে আল্লাহপাক তাকে আসন্ন বিপদ থেকে উদ্ধার করেছেন। হযরত সুলাইমান আ. বললেন, হ্যাঁ সদকা বালা-মুসিবত দূর করে। এ কারণেই সে তখন মহাবিপদ থেকে বেঁচে গেছে।

07/12/2024

কি দেখছেন, মরুভূমি তে জাহাজ পড়ে আছে? ছবিটি কাজাকিস্তানের। এক সময় এখানে বিশাল সাগর ছিলো, নাম অ্যারাল সাগর। যার আয়তন ছিলো ৬০ হাজার বর্গ কিলোমিটার। আর এখন সেটা বিস্তৃত মরুভূমি।

আমরা যারা নিজের অবস্থান নিয়ে প্রচন্ড আত্মবিশ্বাসী এবং সেটাকে অহংকারের পর্যায়ে নিয়ে যাই তাদের জন্য এই ছবিটি প্রতীকী। সময় যখন বদলায় সাগরও শুকিয়ে বিলীন হয়।

সমাজ ব্যবস্থার সাথে এমন কিছু প্রাণী আছে যারা দেখতে স্মাট, সুন্দর ও ভদ্র কিন্তু অন্যের ক্ষতি করার চেষ্টায় মেতে উঠে, তাদেরও মনে রাখা প্রয়োজন যে তাদেরও সময় ফুরিয়ে আসবে একসময়।

05/12/2024

সাধারণত ছেলেরা সেক্সুয়ালি এডাল্ট হয় ১৫/১৭ এর মধ্যেই বা তার আগেই। মেয়েরা ১৫ এর আগেই। সেখানে আমরা মেয়েদের বিয়ের বয়স নির্ধারণ করেছি ১৮ বছর ও ছেলেদের ২১ বছর। কিন্তু সিস্টেম করে দিয়েছি আবার অন্য রকম। ছেলেদের চাকরির বয়স সীমা ৩২ বছর। গ্রাজুয়েশান শেষ করতে করতে বয়স হয়ে যায় ২৬/২৭ বছর।

গড় আয়ু যদি ৬৫ হয়- তাহলে ৩২ বছর বয়স পযর্ন্ত সে অন্যের টাকায় চলবে। এর পর স্বাবলম্বী হয়ে মানে জব পেয়ে বিয়ে করবে ৩২ এর পর। যে ছেলেটা সেক্সুয়ালি এডাল্ট হইলো ১৭ তে। সে বিয়ে করলো আরো ১৫ বছর পর। এই ১৫ বছর সে কি করবে? পাড়ায় যাবে না? প্রেমিকাকে নিয়ে লিটনের ফ্লাটে যাবে না? পার্কের চিপায় প্রেমিকার শরীরে হাত দিবে না? দাঁতে দাঁত চেপে নিজেকে পাথর বানিয়ে রাখবে?

কতটুকু পসিবল? লজিক্যালি কতটুকু পসিবল? বোথ ফর বয়েজ অ্যান্ড গার্লস? এই দেশে মদ বিক্রি নিষিদ্ধ না। কিন্তু মদ সহ ধরা পড়লে পুলিশ কে চা পানি খাওয়াইতে হয়!

একটা ছেলে ১৭ বছর অপেক্ষা করবে ১৭ বছরের আগের ক্ষুধা মিটানোর জন্য। যেহেতু আমরা জীব পাথর না। আমাদের ফিজিক্যাল চাহিদা আছে। তাই বলে ১৭ বছর অপেক্ষা করবে একটা ছেলে/মেয়ে ? আপনি বা কেউ কি বিলিভ করেন যে কেউ অপেক্ষা করে?

অপেক্ষা করে না দেখেই এই দেশে রেস্টুরেন্টে প্রাইভেট জোন লাগে। মিরপুর মাজার রোডে ছোট ছোট খুপরি ঘর ওয়ালা রেস্টুরেন্ট লাগে। পার্কে ছাতা ওয়ালা প্রাইভেসি লাগে। সবই এই সমাজ জানে। একসেপ্ট করে। এক্সেপ্ট না করলে এসব বন্ধ হয়ে যেত। এসবই আমরা মেনে নিচ্ছি। শুধু ছেলে স্টাব্লিশড না হওয়া পযর্ন্ত বিয়ে মেনে নিতে পারতেছি না।

আপনি যদি এই দেশের সুপার সাকসেসফুল কোন বিজনেস ম্যান এর জিবনী পড়েন, দেখবেন তারা সাকসেসফুল হয়েছে অনেক পরে। অন্তত ৪০/৪৫/৫০ বছর বয়সে। আপনি কি তত দিন অপেক্ষা করবেন?মেয়ে তাদের সাথে বিয়ে দেয়ার জন্য?

আমাদের পিতামাতাগণ সব কিছু ইসলাম অনুয়ায়ী করেন। খালি এই একটা বিষয়ে উনারা ইসলাম মানেন না। সেটা হইলো বিয়ে। পাত্র ভালো জব করে না দেখে উনারা বিয়ে দেন না। সমাজ বলে আগে প্রতিষ্ঠিত হওতার পর বিয়ে কর! কুরআন বলে আগে বিয়ে করো, গরীব হলে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব আল্লাহ্র! -(সূরা নূর)

অথচ ইসলাম বলেছে সাবালক হইলেই বিয়ে দিয়ে দাও। "বউ কে খাওয়াবি কি? এটা হচ্ছে আমাদের দেশের বিয়ের সব চেয়ে বড় বাঁধা। বউ কি হাতি? নাকি ঘোড়া? তার তো ১০ কেজি বিচুলি লাগে না ডেইলি। তাইনা? বিসিএস দিয়ে ৩৫ বছর বয়সে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে তার পর বিয়ে করতে হবে। নিজের পায়ে ঠিক-ঠাক দাঁড়াতে দাঁড়াতে! এখন ভাবুন, বিয়ে অর্ধেক দ্বীন কেন! তারপরও পরিবার এবং সবার ব্যক্তিগত মতা মত থাকতে পারে যা গুরুত্বপূর্ণ আপনাদের সবার মতামত জানাবেন অবশ্যই।

Telephone

Website