MD.Aiub Ali.01
ইসলামিক ভিডিও সরাসরি কথা বলুন
লাগবে
সুবহানাল্লাহ
12/06/2026
Good afternoon everyone
আলহামদুলিল্লাহ
12/06/2026
Good afternoon
10/05/2026
আলহামদুলিল্লাহ
10/05/2026
ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ রেলপথের কাগজে কলমে দূরত্ব মাত্র ১২৪ কিলোমিটার। অথচ আপ অথবা ডাউন পথে এ পথ অতিক্রম করতে ৩ থেকে থেকে ৪ ঘণ্টা করে সময় নিচ্ছে একেকটি আন্তঃনগর ট্রেন। গড় হিসাবে ৪০ কিলোমিটার কিংবা এর চেয়েও কম গতিতে চলছে। ময়মনসিংহবাসীদের প্রাণের দাবি, অবিলম্বে ঢাকা-ময়মনসিংহ ডাবল লাইন চালু করা হোক।
✒️ঢাকা–ময়মনসিংহ রেলপথ ডাবল লাইন হলে এটি শুধু একটি অবকাঠামো উন্নয়ন হবে না, বরং যাত্রী, ব্যবসা ও পুরো অঞ্চলের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি নিয়ে আসবে।
আরও সহজ ও বাস্তবভিত্তিকভাবে সুবিধাগুলো তুলে ধরা হলো:
১. সময় বাঁচবে, ভোগান্তি কমবে
আন্তনগর ট্রেনকে আর ক্রসিংয়ের জন্য দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না। লোকাল ও আন্তনগর দুই ধরনের ট্রেনই সময়মতো চলতে পারবে।
২. রেলপথে মালামাল পরিবহন বাড়বে
ঢাকা–ময়মনসিংহে কুরিয়ারের বদলে রেলে মাল আনা-নেওয়া বাড়বে, কারণ রেলে খরচ কম ও নিরাপদ।
৩. লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হলেও যোগাযোগ বন্ধ হবে না
একটি লাইনে সমস্যা হলে অন্য লাইন দিয়ে ট্রেন চলবে। এতে পুরো রুট অচল হয়ে পড়বে না।
৪. নতুন ও ভালো মানের ট্রেন চালুর সুযোগ
কমপক্ষে আরও ২টি মানসম্মত আন্তনগর/মেইল ট্রেন চালানো সম্ভব হবে, যা সাধারণ যাত্রীদের জন্য বড় সুবিধা।
৫. রাজশাহী ও সিলেটের সঙ্গে সহজ সংযোগ
আলাদা রুট না বানিয়েই, ভালো ইঞ্জিন ব্যবহার করে জয়দেবপুর ও টঙ্গি হয়ে রাজশাহী ও সিলেট রুটে ট্রেন চালানো যাবে।
৬. ঢাকার সঙ্গে সংযোগ আরও শক্ত হবে
সিলেট ও রাজশাহীগামী আন্তনগর ট্রেন থাকলে, সেই ট্রেনগুলোর মাধ্যমেও ঢাকার সঙ্গে যাত্রীরা সহজে যুক্ত হতে পারবে।
৭. নির্ভরযোগ্য রেল যোগাযোগ গড়ে উঠবে
বর্তমানে লাইন সমস্যার কারণে অনেকেই রেলে ভরসা পান না। ডাবল লাইন হলে এই আস্থাহীনতা দূর হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা, জয়দেবপুর–ময়মনসিংহ ডাবল লাইন হলে বৃহত্তর ময়মনসিংহবাসী রেলপথে সহজে সারা বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে এবং যাত্রীদের কষ্ট উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
ময়মনসিংহ বিভাগের যারা আছেন এবং উপরে উল্লেখ করা সমস্যা ও সুবিধাগুলোর সাথে একমত, তারা অনুগ্রহ করে জোরালোভাবে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করুন।
এটা আমাদের যৌক্তিক দাবি ও ভবিষ্যত সুবিধার কথা। সবাই একসাথে বললেই পরিবর্তন আসে।