TS Collection
an exclusive collection of different dress �, orna, you can get in here on reasonable price
31/08/2025
ছোট বেলার স্মৃতি......
যে মহিলা সুগন্ধি ব্যবহার করে লোকজনের পাশ দিয়ে যাওয়ার ফলে তারা তার ঘ্রাণ পেল সে মহিলা ব্যভিচারিণী।’ (নাসায়ি: ৫০৩৬)
‘যে মহিলা সুগন্ধি ব্যবহার করে মসজিদে যায়, তার গোসল না করা পর্যন্ত কোন নামাজ কবুল হবে না।’ (ইবনে মাজাহ, সহিহ আল-জা-মিউস সাগির ওয়া জিয়াদাতুহ: ২৭০৩)
নারীদের জন্যও ঘরের ভেতরে সুগন্ধি ব্যবহার জায়েজ। সেন্ট, পারফিউম, বডি স্প্রে ইত্যাদিতে যদি কোনো ধরনের নাপাক বস্তু মিশ্রিত না থাকে, তাহলে মুসলিম নারীরা ঘরের মধ্যে অবশ্যই সুগন্ধি ব্যবহার করবে। (তুহফাতুল আহওয়াজি: ৮/৭১)
আল্লাহ তা'আলা যাকে অপছন্দ করেন তাকেও অঢেল ধন সম্পদ দান করেন। আর যাকে পছন্দ করেন তাকে দান করেন হিকমাহ।
যাকে হিকমাহ দান করা হয় তার ভিতরে থাকে সাকিনা। আরবি সাকিনা শব্দের অর্থ শান্ত, প্রশান্ত, ধীর, স্থির।
টেবিল ভর্তি খাবার অথচ প্রত্যেকটা খাবারে আপনি দোষ খুঁজে পাচ্ছেন, পেট ভরে খেতে পারছেন না। কেননা আপনাকে সম্পদ দান করা হয়েছে, হিকমাহ দেয়া হয়নি যে কারণে আপনার ভিতর সাকিনা নেই।
আপনাকে হিকমাহ দেয়া হয়েছে যে জন্যে আলু ভর্তা আর ডাল দিয়েও পরম প্রশান্তি নিয়ে পেট ভরে খেয়ে উঠে বলে উঠবেন আলহামদুলিল্লাহ।
উচ্চশিক্ষিতা সুন্দরী স্ত্রী পেয়েও আপনি তাকে নিয়ে সুখী নন, কারণ আপনাকে হিকমা দেয়া হয়নি।
টয়োটা এলিয়নে চড়েও আপনি সুখী নন, আপনার কেন পাজেরো নাই? এর কারণ আপনার মাঝে হিকমাহ নাই, সাকিনা উঠে গেছে। আপনি আপনার অবস্থানে সুখী নন।
আরবি হিকমা শব্দের অর্থ প্রজ্ঞা। যাকে আল্লাহ তা'আলা হিকমা দান করেন সে সর্ব অবস্থায় সন্তুষ্ট থাকে, শান্তিতে থাকে। এর অর্থ নিজেকে মানিয়ে চলা এবং তাতে সন্তুষ্ট থাকা।
রিজিক শব্দের অর্থ অনেক ব্যাপক।
■▪রিযিকেরর সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছেঃ টাকা, পয়সা, অর্থ এবং সম্পদ।
■▪রিযিক এর সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছেঃ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা।
■▪রিযিকের সর্বোত্তম স্তর হচ্ছেঃ পুণ্যবান স্ত্রী এবং পরিশুদ্ধ নেক সন্তান এবং
■▪রিযিক এর পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছেঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।
■■ রিযিক খুব গভীর একটি বিষয়, যদি আমরা তা বুঝতে পারি।
■■ আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত এবং কতটা খাবার ও পানীয় গ্রহণ করবো তাও লিখিত বা নির্দিষ্ট।
■■ আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা বা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না এবং একটিও বেশি না।
■■ ধরুন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে এক কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্ তা'আলা নিয়েছেন।
■■ কিন্তু, আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত একান্তই আমার।
■■ যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্ তা'আলার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই এক কোটি টাকা আয় করেই আমি মারা যাবো। আর হারাম উপায়ে হলেও ওই এক কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস!
■■ আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল ধরেছে তখনই নির্ধারিত হয়েছে যে, সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি বা কিনেনি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিযিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।
এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না! রিযিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।
■■ রিযিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!
■■ কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিযিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্ তা'ইলা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!
■■ কেউ কারওটা খাচ্ছে না, যে যার রিযিকের ভাগই খাচ্ছেন।
■■ আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি, সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্ তা'আলার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি। কেননা,
আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
-------"দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত। সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে।"
-----(সুরা হুদ : আয়াত ৬)
■■ আল্লাহ তা'আলা অন্যত্র বলেনঃ
-------"যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোনো না কোনো পথ বের করে দেবেন। আর তাকে (এমন উৎস থেকে) রিযিক দেবেন, যা সে ধারণাও করতে পারবে না।"
-----(সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩)
■▪মহান আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের সঠিক পথ এবং হালাল ও প্রশস্ত কামাই রোজগার ও রিযিক এর ব্যবস্থা করে দিন এবং সকল প্রকার হারাম কামাই রোজগার ও রিযিক থেকে হিফাযত করুন এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, এবং হিফাযত করুন(আমীন)।
(সংগৃহীত)
08/06/2023
JOHNSON’S CottonTouch Face & Body Lotion is blended with real cotton and is specially designed for newborn babies' delicate, sensitive skin. It’s so lightweight, soft, and breathable that it leaves no unwanted residue or stickiness behind.
Plus, this lotion is made with a joyful fragrance that is proven to calm fussy babies and helps to build parent and baby connection*.
*when JOHNSON’S CottonTouch Newborn Wash & Shampoo and JOHNSON’S CottonTouch Newborn Face & Body Lotion are used as part of a two-step routine.
Hypoallergenic and pH balanced.
Pediatrician and dermatologist-tested.
No parabens, phthalates, or dyes.
Clinically proven suitable for newborn skin.
price- 1050 bdt (500ml)
For order👇👇👇
TS Collection
01847-123124
প্রতিটি মেয়ের জীবনে বিয়ের আগে মা বাবা ভাই বোন থাকে first priorities
বিয়ের পর তার first priority তে স্বামী চলে আসে। এবং এটাই হওয়া উচিত।
এখানে যত কম involvements থাকবে বাপের বাড়ীর, তত ভালো থাকবেন।
প্রতিটি ছেলের ক্ষেত্রে ও সেইম। কাউকে প্রকাশ করার দরকার নেই, যে মানুষটি আপনার সাথে বাকী ৪০/৫০ বছর সুখে দুখে পাশে থাকবেন তিনিই যেন টপ prioritise হন আপনার কাছ থেকে।
ছেলের মা বোন সংসারে যত নাক গলাবেন, তাতে বউ অশান্তি তে থাকুক এটা কিছু তেমন না।
কিন্তু ছেলে টা খুব কষ্ট পায় মুখ ফুটে বলতে পারে না।
অনেক ছেলের বউ ও চলে যায়।ছেলে একা পরে থাকে।
যত কিছুই হোক মেয়ের বাড়ীতে মায়ের থাকা বা যাওয়া কমিয়ে করা উচিত।
কারন মায়েরা শুধু মেয়েকে নিয়েই বিভোর থাকেন।
মেয়ের সংসার নিয়ে না। একান্ত বয়সক কেউ দেখার নেই এরকম পরিস্থিতি না হলে মেয়ের সংসারে পরে থাকা উচিত না।
আত্মসম্মান বোধ থাকতে হয়। মেয়েদেরকে বেশি মায়েরাই হিটে আনে।
ছেলের মা ও ছেলেকে নিয়েই বিভের থাকেন ছেলের সংসার আমলে নিতে চান না।
এখানে একা দোকা কোন কথা না, ফরজ সালাত গুলাও যদি আদায় করতে থাকি কই একা লাগে? বউ দের কে বলছি। ফোনে মাকে সারাদিন রিপোর্ট করবেন না।
চুপচাপ থাকুন আরো চুপ হয়ে যান।
আমরা সবাই একা।
যাবার preparation নিতে হবে। কেউ কোন কিছু নিয়ে যেতে পারে নি সাথে। তাই অন্তত চুপ করে থেকেও যদি কারো সংসারে অশান্তি না হয় সেভাবেই চললে ভালো। দূরে থাকলে সম্পর্ক আরো সুন্দর হয়।
এখানে আবার ভাববেন না যেন, ছেলেকে মায়ের থেকে আলাদা করার কথা বলা হয়েছে।
বরং দু পক্ষের মায়েদের আচরন এ সাম্যতা আনার কথা লিখা হয়েছে।
আমার মা যখন তার মতো চলতে চায় চেয়ে চেয়ে দেখি মুখ বন্ধ করে রাখি। কিছুই বলিনা। খারাপ লাগে বুক ফেটে যায়। কারন বুঝালেও এ বানদা বুঝবেন না।
আমার শাশুড়ী যখন তার মতন চলেন, খারাপ লাগে কিন্তু চুপ করেই থাকি। কারন আমার কথা কেউ আমলে নিবে না শুধু শুধু কথা খরচ করে লাভ টা কি?
স্বামীর ক্ষেত্রেও না বুঝলে চুপ করে থাকা বা চুপ হয়ে যাওয়া ছাড়া উপায় কি?
চুপ থাকলে মরে যাবো না তো?
নাহ! চুপ থাকাও ইবাদত।
Eta kintu copy paste kora
আমাদের পেইজ ফলো করবেন, সুন্দর একটা পেইজ।
সবার সহযোগীতা কাম্য