ডায়েরিッ SOBUJ
জীবন নামের গল্প টা একদিন মৃত্যু দিয়ে শেষ হয়ে যাবো 💔🥹
21/04/2026
বাবার কোলে সন্তানের নি'থ'র দে'হ😭
-তিন বছর বয়সী হামের রোগী শিশু সাদমান ডিএনসিসি হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় মৃ*ত্যু*বরণ করে। ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থেকে এসেছিলেন তারা।
ছবি : খালেদ সরকার
-প্রথম আলো
20/04/2026
আমার বাপেই আমাকে হ"ত্যা করলো.. 🥺💔
18/04/2026
নিজের চাইনিজ রাইফেলের গু*লি'তে রেলওয়ে পুলিশ কনস্টেবল সম্রাটের ম*র্মা*ন্তি'ক মৃ /ত্যু।
দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রীর মানসিক নি/র্যা'ত'ন সহ্য করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত চির বি'দা'য় নিলেন তিনি...!!😭
স্ত্রী পূজা বিশ্বাসও সাতক্ষীরার একজন পুলিশ কনস্টেবল।
18/04/2026
বোনের ধ র্ষ ণ কা'রী'কে বাবার লাই'সে-ন্স করা পি'স্ত'ল দিয়ে গু-লি করে হ-ত্যা করেছে ১১ বছর বয়সি ভাই!!🫡🔥💀
This feels like real peace.
12/04/2026
এই চোখগুলো সাহায্য চাইছিল 🤲🏽
কিন্তু মানুষ দাঁড়িয়ে শুধু ভিডিও করেছে
একটা নিরীহ প্রাণীকে তো বাঁচানো যেত
কিন্তু আমরা সেটাকে দেখার জিনিস বানিয়ে ফেলেছি
এটা কোনো বিনোদন না এটা আমাদের মানবিকতার ব্যর্থতা পরিচয়।😥😥🙁
যে বিজমাডি দেখছে বিডিও করছে এইডিরে এই কুমিরের খাবার বানানো প্রয়োজন ছিল। হাইরে মানুষ কবে মানুষ এই মানুষ গুলা 😡😡
04/04/2026
আপনি যতই মানিয়ে নেবেন
03/04/2026
আসুন আপনাদের আজকে পরিচিত করিয়ে দেই জীবন সংগ্রামে হার না মানা এক নারীর সাথে। 🤍
৭০ বছরের জীবনে ৪৭ বছর কাটিয়েছেন টিউশনি করিয়ে, আজ বলব খাদিজা বেগমের সেই হার না মানা গল্প। সর্বপ্রথম ই তিনি একজন মা, এর পর তিনি একজন শিক্ষিকা।
৭০ বছরের বয়সেও তিনি টিউশনি করে তার সংসারের জীবিকা নির্বাহ করেন। সাংবাদিকে সাক্ষাৎকারে খাদিজা বেগম বলেন, আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া হচ্ছে স্টুডেন্টদের থেকে পাওয়া ভালোবাসা। এই ৭০ বছরের জীবনে আমি ৪৭ বছরই দিয়েছি আমার স্টুডেন্টদেরকে।
খাদিজা বেগম এক হার না মানা শিক্ষিকা, সে একজন হার না মানা মা। তার ও সন্তান আছে, তার সন্তানদের তিনিই নিজের হাতে মানুষ করেছেন।
এই কাহিনি থেকে একটা জিনিস শিক্ষা নিলাম। মানুষ চাহে তো সবই সম্ভব, শুধু হার মানা যাবে না, পথভ্রষ্ট হওয়া চলবে না। আপনাকে আপনার গতিপথ ধরেই হাটতে হবে। ❤️🌸
31/03/2026
১২ বছরের একটি শি শু চারটি গু লি চালিয়েছে। কিন্তু আসল ভুলটা ঘটেছিল অনেক আগেই।
একটি ছোট ছেলে ছিল-যার বয়স এত কম যে ঠিক ভুল আলাদা করাও তার পক্ষে কঠিন। সে নিজের বোনকে নি র্যাতনের শিকার হতে দেখেছিল। সে ভেবেছিল-প্রাপ্তবয়স্করা তাকে বাঁ'চাবে। আইন-ব্যবস্থা তাকে সাহায্য করবে। যারা দায়িত্বে আছে, তারা ন্যায়বিচার দেবে।
কিন্তু কিছুই হয়নি। কেউ এগিয়ে আসেনি। সবাই চুপ ছিল।
এই চুপ থাকা আর অবহেলার মধ্যেই ছেলেটার ভেতরটা ভেঙে পড়ে। পুলিশ বলছে-সে রা'গে কাজ করেছে। কিন্তু এই রাগ কোথা থেকে আসে?
এই রাগ আসে-Itঅসহায়ত্ব থেকে, বিশ্বা'সঘাতকতার অনুভূতি থেকে, এমন এক বিচারব্যবস্থা থেকে যা ন্যায় দেওয়ার বদলে ঘুমিয়ে থাকে।
তাহলে প্রশ্ন হলো-এই ছেলেটি কি সত্যিই অ'পরাধী? নাকি সে আমাদের সমাজের সবচেয়ে ছোট, সবচেয়ে দুর্বল শিকার-যাকে কেউ শোনেনি, কেউ দেখেনি, কেউ সাহায্য করেনি?
মানুষ এ নিয়ে তর্ক করছে। মিডিয়া নীরব। আর একটি শিশু একা বসে ভাবছে-কেন পৃথিবী তাকে আগে পরিত্যাগ করল, আর পরে সব দোষ তার ওপর চাপিয়ে দিল?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Website
Address
Gazipur
GOBAL