Biplab Ghosh
I am an assistant teacher of Dakshin Bagundi F.P.School.
07/08/2020
◾আজ ২২শে শ্রাবণ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৯তম প্রয়াণ দিবস। মহাকালের চেনাপথ ধরে প্রতিবছরই বাইশে শ্রাবণ আসে। বিশ্বব্যাপী রবি ভক্তদের কাছে দিনটি শূন্যতার। রবীন্দ্র কাব্য সাহিত্যের বিশাল একটি অংশ জুড়ে যে পরমার্থের সন্ধান করেছিলেন সেই পরমার্থের সাথে তিনি লীন হয়েছিলেন এই দিন। রবীন্দ্র কাব্যে মৃত্যু এসেছে বিভিন্নভাবে। জীবদ্দশায় মৃত্যুকে তিনি জয় করেছেন বারবার। কাব্য-কবিতায় মৃত্যুকে বন্দনা করেছেন- ‘মরণ রে, তুঁহু মম শ্যাম সমান। মেঘবরণ তুঝ, মেঘ জটাজুট! রক্তকমলকর, রক্ত-অধরপুট, তাপ বিমোচন করুণ কোর তব মৃত্যু-অমৃত করে দান।’ জীবনের শেষ নববর্ষের সময় রবীন্দ্রনাথ ছিলেন তার প্রাণপ্রিয় শান্তিনিকেতনে। সেদিন তার কলমে রচিত হয়েছিল ‘সভ্যতার সংকট’ নামের অমূল্য লেখাটি। তারও ক’দিন পর ১৯৪১ সালেরই ১৩ই মে লিখে রাখলেন, রোগশয্যায় শুয়েই ‘আমারই জন্মদিন মাঝে আমি হারা’।
◾শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথের শেষ দিনগুলোতে কখনও তিনি শয্যাশায়ী, কখনও মন্দের ভাল। শেষের দিকে ১৯৪১সালের ২৫শে জুলাই, শান্তিনিকেতনের আশ্রম বালক-বালিকাদের ভোরের সংগীত অর্ঘ্য তিনি গ্রহণ করেন তার উদয়ন গৃহের পূর্বের জানলার কাছে বসে। উদয়নের প্রবেশদ্বার থেকে ছেলেমেয়েরা গেয়ে উঠে কবিরই লেখা ‘এদিন আজি কোন ঘরে গো খুলে দিল দ্বার, আজি প্রাতে সূর্য ওঠা সফল হল আজ’।
◾আগস্টের প্রথম দিন দুপুরবেলা থেকেই রবীন্দ্রনাথের হিক্কা শুরু হয়। কবি কাতর স্বরে তখন উপস্থিত সবাইকে বলেছিলেন, ‘একটা কিছু করো, দেখতে পাচ্ছো না কী রকম কষ্ট পাচ্ছি।’ পরের দিন হিক্কা থামানোর জন্য ময়ূরের পালক পুড়িয়ে খাওয়ানো হলেও তাতে কিছুমাত্র লাঘব হল না। আগস্টের ৩ তারিখ থেকে কিডনিও নিঃসাড় হয়ে পড়ে। ৬ই আগস্ট রাখিপূর্ণিমার দিন কবিকে পূর্বদিকে মাথা করে শোয়ানো হল। পরদিন ২২শে শ্রাবণ, ৭ আগস্ট রবীন্দ্রনাথের কানের কাছে জপ করা হলো ব্রাহ্মমন্ত্র ‘শান্তম, শিবম, অদ্বৈতম…’ ‘…তমসো মা জ্যোতির্গময়…’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তখন মৃত্যুপথযাত্রী। জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির ঘড়িতে তখন ২২শে শ্রাবণের বেলা ১২টা বেজে ১০ মিনিট। কবি পাড়ি দিলেন অমৃতআলোক।
#সেই_যে_হলুদ_পাখি_বসে_জামরুল_গাছের_ডালে_করতো_ডাকাডাকি_আমার_শৈশবের_সকালে_একদিন_গেল_উড়ে_জানিনা কোন সুদুরে ফিরবেনা.. সেকি ফিরবেনা
ফিরবেনা আর কোনদিন।
◾মাধ্যমিক পরীক্ষা সদ্য সমাপ্তি। মনোজগৎ জুড়ে অদ্ভুত আনন্দ বিরাজ করছে। তখন 'ভূমি' ব্যান্ডের "বারান্দায় রোদ্দুর" গানটি বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। ভূমির 'যাত্রা শুরু' নামক ওই অ্যালবামটি হাতে পেলাম। এইসময় চন্দ্রবিন্দু, ফসিলস্, ক্যাকটাস, পরশপাথর প্রভূতি একাধিক গানের দলের গান সেইসময়ের ছাত্র-যুবদের মধ্যো একটা তীব্র উন্মাদনা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিল। এমনকি কলেজ জীবনে আমরা বেশ কিছু বন্ধুরা ব্যান্ডের গান নিয়ে এতটাই আকৃষ্ট হয়ে পড়ি যে অনেকেই সেসময় গিটার কিনে ফেলেছিলাম ব্যান্ড তৈরির উৎসাহ নিয়ে। ব্যক্তিগত কারণে আমরা সেইসময় পারিনি।
◾এইসময়েই বসিরহাটে সম্ভবত প্রথম ব্যান্ড হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে 'রেনেসাঁ'। বেশ কিছু বছর ধরে তারা বসিরহাটের ব্যান্ড সংস্কৃতিকে অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে লালিতপালিত করেছে। তারপর হঠাৎই 'রেনেসাঁ' হারিয়ে যায়। কিন্তু ইউরোপের নবজাগরণ যেমন কেবলমাত্র ইউরোপ মহাদেশের কোনো নিদিষ্ট অঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল না, তেমনি পরবর্তী সময়ে রেনেসাঁ ব্যান্ডের যোগ্য উত্তরসূরি হিসাবে বসিরহাটে জন্ম নেয় 'Challenger-the Band'. বর্তমান সময়ে তারা অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠান করছে। এমনকি বাংলাদেশেও তারা অনুষ্ঠান করেছে। অতি সম্প্রতি 'ভ্রমর' নামের একটি মূলত লোকসঙ্গীত কেন্দ্রীক গানের দলও বেশ প্রশংসনীয় সঙ্গীত পরিবেশন করছে। তারাও বসিরহাটসহ বিভিন্ন স্থানে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ব্যান্ড সংস্কৃতিকে সযত্নে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বদ্ধপরিকর।
◾শ্যামা পূজা উপলক্ষে 'গুঞ্জন' ক্লাবের সান্ধ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সম্ভবত একদল স্কুল ও কলেজ পড়ুয়াদের নিয়ে তৈরি 'ক্যানভাস' ব্যান্ডের সদস্যরা যে আত্মপ্রত্যয় প্রদর্শন করল তাতে আগামী দিনে বসিরহাটের ব্যান্ড সংস্কৃতি যে অন্য আঙ্গিক লাভ করবে তা বললে বোধকরি অত্যুক্তি হবে না। চিরাচরিত ব্যান্ডের জনপ্রিয় গানগুলির সাথে সাথে তারা অনায়াসে পুরাতন হিন্দী ছায়াছবির গান, এমনকি রবীন্দ্র সঙ্গীতও গাইলো। আসলে প্রতিভার নিজস্বতা মঞ্চস্থ করার একটা অনবদ্য মাধ্যম এই দলগত ব্যান্ড সঙ্গীতের পরম্পরা।।
23/06/2019
#প্রসঙ্গ_ভারতীয়_ক্রিকেট_দলের_ভক্তদল
◼ শৈশবকাল থেকেই ক্রিকেট খেলেছি এবং ভারতীয় জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলা দেখে বড় হয়েছি। এখন আর বিভিন্ন কারণে খেলাটা খুব একটা দেখা সম্ভব হয়ে ওঠে না। তবে বিশ্বকাপ ক্রিকেট, চ্যাম্পিয়নস ট্রফির মত খেলাগুলো দেখি বা দেখার চেষ্টা করি। এখনও সুযোগ পেলে স্কুলের ছাত্রদের সাথে বা অন্যত্রও খেলার চেষ্টা করি। খুব বেশি ক্রিকেট বোদ্ধা আমি নই। বরং খুব কমই খেলা বুঝি বলাই যথাযথ। তবে সমস্তটা ঠিক এটা নয়। আসলে অনেকদিন ধরেই লক্ষ্য করছি ফেসবুকে একদল ক্রিকেট বিশারদ ভারতীয় ক্রিকেট দলকে মহেন্দ্র সিং ধোনি এবং বিরাট কোহলির মধ্যে বিভাজন করে কার্যত ভারতীয় দলের সমর্থকের পরিবর্তে নিজেকে ওই নিদিষ্ট ক্রিকেটারের সমর্থক হিসাবে নানাবিধ বিজ্ঞানসম্মত যুক্তি প্রদান করছেন। আবার কেউ ক্রিকেট জগতের পরিধি থেকে দূরবর্তী স্থানে অবস্থান করে ক্রিকেটের সহিত ভারতবর্ষের রাজনীতির পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করছে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে। এনাদের মস্তিষ্ক মৃত্যু পরবর্তী কালে বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি গবেষণা করতে পারে। ভারতবর্ষের এক নাগরিক হিসাবে আমার এইটুকু জিজ্ঞাসা, আমরা কী ভারতীয় ক্রিকেট দলের 🇮🇳 ভক্ত হতে পারবো না??
Click here to claim your Sponsored Listing.
Telephone
Website
Address
743412