Travel with Raktim
চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির,
জ্ঞান যেথা মুক্ত, যেথা গৃহের প্রাচীর
------ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
21/02/2023
#অন্তর্জাতিকমাতৃভাষাদিবস
10/02/2023
প্রথম পর্ব।
এই পর্বে থাকবে বিষ্ণুপুর ভ্রমন বেশকিছু ছবি আর আমার কিছু অভিজ্ঞতা ❤️
আমরা যাত্রা শুরু করেছিলাম কোন্নগর থেকে বিষ্ণুপুর উদ্দেশে। কোন্নগর থেকে 37313 আপ হাওড়া-তারকেশ্বর-গোঘাট লোকাল এ। আরামবাগ ষ্টেশন পৌছেছিলাম ৯.০৫ এ। সঙ্গী ছিলো চিপস, বিস্কুট, কেক আর গরম চা।
তারপর আরামবাগ স্স্টেশন থেকে টোটো চেপে আরামবাগ বাসস্টপ পৌঁছে বাস ধরা। গন্তব্য বিষ্ণুপুর Statue মোর। প্রায় ১.৩০ ঘণ্টা বাস এর ঝাঁকুনি সাথে সঙ্গী ছিলো spotify তে অরিজিৎ সিং এ গান আর বন্ধু দের নিয়ে আড্ডা আর গল্প। জয়পুর ফরেষ্ট পেরিয় আমরা পৌঁছে গেলাম আমাদের ডেসটিনেশন। বাসএর কন্ডাক্টর দাদা ডেকে বলল ভাই তোমাদের স্টপেজ এসেগেছে। তারপর বাস থেকে নেমে চলল টোটো সন্ধান।
তারপর ৩০০ টাকা দিয়ে একটা টোটো নিয়ে নিলাম বিষ্ণুপুর সাইট সিন জন্য যাতে ছিলো ১২ টি জায়গা যা ঘুরতে আমাদের প্রায় ৩ঘণ্টা লেগেছিল। এই পর্বে আমাদের সঙ্গী ছিলো শঙ্কর দাদার টোটো। আসতে আসতে চলতে শুরু করলো আমাদের টোটো তার প্রথম গন্তব্য দিকে। গ্রামের লালমাটি পথ ধরে চলতে থাকলাম আমরা। শহরএর কোলাহল থেকে তখন আমরা অনেকটাই দূরে। মাঝেমাঝে ক্যামেরা বার করে এইমুহূর্ত গুলো লেন্সবন্দি করছিলাম আর কোথাও যেন হারিয়ে গেলাম, না ছিলো bossএ ডাকাডাকি না ছিলো teams এ বেজে ওঠা call এর নোটিফিকেশন, তখন যেন আমি এক অন্য জগৎএ। হটাৎ বুজতে পারলাম পকেট ফোন টা যেন বেজে উঠেছ, ফোন বার করে দেখলাম মায়ের ফোন, হটাৎ মনে পড়ল একটা ভুল হইছে। স্টেশন নেমে বাড়িতে আর ফোন করা হয়নি। তারপর মা সাথে কথা হোলও আর একটা আপডেট দাওয়া হোল। ও হাঁ আপনাদের সাথে পরিচয় করানো হয়নি, ই short ট্যুর আমার সঙ্গী ছিলো আমার ষ্কুল জীবনের দুই বন্ধু অরিন্দম আর রাহুল। পরবর্তী পর্বে ওদের সর্ম্পকে আরও জানাব। হটাৎ টোটো টা এসে দারালো একটা মন্দিরএর সামনে, এখানে আমরা প্রতিজন ২৫ টাকা টিকিট কেটে প্রবেশ করলাম আমাদের প্রথম ডেস্টিনেশন বিখ্যাত রাসমঞ্চ।
📌 প্রথমে আমাদের গন্তব্য রাসমঞ্চ,
রাসমঞ্চ ভারতীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার অন্তঃপাতী বিষ্ণুপুর শহরের একটি পুরাতাত্ত্বিক স্থাপনা। মল্লরাজা বীর হাম্বীর আনুমানিক ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দে এই মঞ্চটি নির্মাণ করেন।বৈষ্ণব রাস উৎসবের সময় বিষ্ণুপুর শহরের যাবতীয় রাধাকৃষ্ণ বিগ্রহ এখানে জনসাধারণের দর্শনের জন্য আনা হত।১৬০০ থেকে ১৯৩২ সাল পর্যন্ত এখানে রাস উৎসব আয়োজিত হয়েছে। বর্তমানে অবশ্য এখানে আর উৎসব হয় না।
অপূর্ব স্থাপত্য নিদর্শণ এই রাসমঞ্চ। এখানে ভিডিওগ্রাফি নিষিদ্ধ। এই নিদর্শণ দেখলে আমাদের ইতিহাস সর্ম্পকে একটা ধারণা পেতে পারি, যদিও সময় সাথেসাথে আজ অনেক কিছু ধংস। কিছু টাকার পরিবর্তে গাইড ভাড়া ব্যবস্থা আছে।
তারপর আবার বসে পড়লাম টোটোতে আমাদের পরের গন্তব্য দলমাদল কামান।
📌 দলমাদল কামান
বিষ্ণুপুরের পর্যটন আকর্ষণ পোড়ামাটির অসাধারণ কয়েকটি মন্দিরের পাশাপাশি একটি কামানও। দলমাদল কামান নামে পরিচিত এই কামানটি নাকি চালিয়েছিলেন স্বয়ং মদনমোহন। নিজের মন্দির থেকে বেরিয়ে বর্গী হামলা রুখতে এই কামান চালান তিনি।
পরের পর্বে থাকছে বিষ্ণুপুর আরও কিছু দর্শনীয় স্থান। ভালো লাগলে কমেন্ট করবেন আর শেয়ার করবেন।
শুভরাত্রি ❤️
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Kolkata
712246