Oishik Tips
This page will Take care of your overall health , mind ,and beauty. It will give you proper review
16/06/2022
Weight Loss | কোনও কিছুতেই ওজন কমছে না! প্রাচীন ভারতের ঐতিহ্যবাহী এই পানীয় মন্ত্রের মতো কাজ করে॥
Gond Katira For Weight Loss: গ্রীষ্মকালে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে এবং যথেষ্ট হাইড্রেশন এবং পুষ্টির জোগান দিতে এটা খাওয়া হত।
Gond Katira For Weight Loss: হাঁসফাঁস করা গরম। প্রাণ ওষ্ঠাগত। কোল্ডড্রিঙ্কস আর আইসক্রিমের বিক্রিটাও বেড়ে যায় এই সময়। কিন্তু জানা আছে কী, গরমের হাত থেকে বাঁচতে কোল্ডড্রিঙ্কসে গলা ভেজালে কিংবা আইসক্রিমে রসনা মেটালে কী পরিমাণ ফ্যাট আর কোলেস্টেরল শরীরে ঢোকে! তাছাড়া শুধু ঠান্ডা হওয়াই তো সব নয়, এসময়টায় শরীরে যথেষ্ট হাইড্রেশনের পাশাপাশি পুষ্টিরও প্রয়োজন। তাচি প্রখর গ্রীষ্মে চাই গোন্ড কাটিরা। সেটা আবার কী? এটা হল প্রাচীন ভারতের ঐতিহ্যবাহী খাদ্য এবং পানীয়। গ্রীষ্মকালে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে এবং যথেষ্ট হাইড্রেশন এবং পুষ্টির জোগান দিতে এটা খাওয়া হত।
গোন্ড কাটিরা কী: এটা একটা ভেষজ স্ফটিক। যা ট্রাগাকান্থ গাম নামেও পরিচিত। লোকোভিড গাছের রস থেকে এক ধরনের আঠা বের হয়। দেখতে অনেকটা প্যাঁচানো স্ফটিকের মতো। জলে ভেজালে এগুলো ফুলে যায়। কিছুক্ষণ নাড়লেই একটা ঘন মিশ্রণ তৈরি হয়। এটাকেই গোন্ড কাটিরা বলে। শরীর ঠান্ডা রাখতে, নাক থেকে রক্তপাত বন্ধ করতে, কাশি, পেট খারাপ, আমাশার মতো বিভিন্ন রোগের আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় এটা ব্যবহার হত। এই গোন্ডের সবচেয়ে আশ্চর্যজনক স্বাস্থ্য উপকারিতা হল ডায়ারিয়ার পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য উভয়ই নিরাময় করতে সাহায্য করে। তবে সমস্যা হল, এত উপকারিতা থাকলেও এটা খেতে বিস্বাদ। জলে মিশলে জেলির মতো ফুলে যায়। গোন্ড কাটিরা সেবন এবং ওজন কমানোর কিছু সহজ এবং কার্যকরী উপায় এখানে দেওয়া হল।
বাড়িতে বিভিন্ন উপায়ে গোন্ড কাটিরা তৈরির পদ্ধতি: এর কোনও স্বাদ নেই। কোনও গন্ধ নেই। গ্রীষ্মকালে ওজন নিয়ন্ত্রণে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন উপায়ে এটা তৈরি করা যেতে পারে। তবে পানীয় এবং মিষ্টির সঙ্গে মেশালে খেতে ভালো লাগে।
এক বাটি গোন্ড কাটিরা: সকালের জলখাবারে এক বাটি গোন্ড কাটিরা শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। রাতে একটা বাটিতে দেড় কাপ লো ফ্যাট দুধ, বাদাম, ১ থেকে ২ চা চামচ গোন্ড এবং সামান্য ভ্যানিলা এসেন্স মিশিয়ে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। পরদিন সকালে গোন্ড জেলির মতো বাটিতে সেট হয়ে গেলে তাতে কিছু কুচো ফল, বাদাম এবং মধু দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে ভালো করে। ব্যস, জলখাবারে গোন্ড কাটিরা তৈরি।
গোন্ড কাটিরা শরবত:এক গ্লাস জল, এক চা চামচ গোন্ড, গুঁড়ো পুদিনা পাতা এবং দুটো লেবুর রস মিশিয়ে ফ্রিজে রাখতে হবে। পরদিন গোন্ড ফুলে গেলে মধু, বিট নুন এবং ঠান্ডা জল ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে খেতে হবে। এটা দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে।
গত শনিবার দুপুর আনুমানিক ২.৩০ হবে। রাস্তার পাশে কলকাতার চেনা দোকানে চা খাচ্ছি। একটি মেয়ে, বয়স ২৩ কি ২৪ হবে, ইতস্তত করতে করতে দোকানে ঢুকলো। হাতে একটা স্বচ্ছ ফাইল। ভিতরে কিছু মার্কশিট, সার্টিফিকেট এসব দেখা যাচ্ছে! সারা শরীরে প্রসাধনের বিন্দুমাত্র চিহ্ন না থাকলেও ঘাম আর রোদমাখা মুখটা বেশ মায়াময়। দোকানদারের সাথে মেয়েটার কিছু কথোপকথনের ছিটেফোঁটা….
মেয়ে- দাদা, এখানে ভাত বা রুটি কিছু পাওয়া যাবে?
দোকানী- হ্যাঁ, ভাত পাবেন, বলুন কি কি খাবেন? ডাল, ডিম, সব্জি, রুই মাছ, পাবদা মাছ, ব্রয়লার মুরগীর মাংস,পাঠার মাংস।
মেয়ে- এমনি শুধু ডাল আর ভাত কত দাদা?
দোকানী – ভাত, ডাল, সবজি ৩৫ টাকা।
মেয়ে – আমার সবজি চাই না, আমায় শুধু ভাত আর ডাল দিন!
৩০ টাকায় হয়ে যাবে তো?
দোকানী – আচ্ছা বসুন দিচ্ছি!
এরপর একটা ফোন আসে মেয়েটার মোবাইলে।
মেয়ে – ” হ্যাঁ মা বলো!
হ্যাঁ ! হ্যাঁ ব্যাংকে ইন্টারভিউ ভালো দিয়েছি! হ্যাঁ খেয়েছি। মাছ,সব্জী, ভাত। তুমি ওষুধগুলো খেয়েছ?….. হ্যাঁ আমি ৫ টার ট্রেনটা ধরবো… আচ্ছা ভাইকে টিউশান থেকে ফেরার সময় স্টেশনে দাঁড়াতে বলবে……আচ্ছা রাখো।”
ফোনটা রেখে কয়েকটা সেকেন্ড বাইরের দিকে আনমনে তাকিয়ে থাকলো….. হয়তো অসুস্থ মা.. স্কুল পড়ুয়া ছোট ভাইয়ের সুদিন এনে দেওয়ার সাজানো দিনের ছবিগুলো চোখে ভিড় করছিলো…
দেখে কি রকম যেন একটা শ্রদ্ধা শ্রদ্ধা ভাব চলে এলো… একটা অজানা অচেনা মেয়ের জন্য.. কি যেন বলে এই বয়সটাকে… বালিকার চেয়ে বড়.. যুবতীর চেয়ে ছোট।
নারী স্বাধীনতা কি- ওর কাছ থেকে একবার শুনতে খুব ইচ্ছে করছিলো, মনে মনে শুভকামনা জানালাম..
এই চাকরির আকালের যুগে হে বালিকা তুমি যে বাইরে এসে আগুন রোদের তলায়.. শক্ত মাটিতে নেমে এসেছ যুদ্ধের জন্য, এখানেই তুমি যুদ্ধটা অর্ধেক জিতেছো.. আর বাকী অর্ধেক নিজের চাকরির টাকায় সত্যি সত্যি মাছ ভাত খাওয়ার পর জিতবে…. এ পর্যন্ত ঘটনাটা হয়তো সাধারণ ছিলো.. যদিও “মেয়ে” তুমি মন জিতে নিলে..
কিন্তু ঘটনাটা আরও বাকী….
দোকানী ভাতের থালাটা সাজিয়ে মেয়েটির সামনে রেখে বললো,
দিদি আমি ভুল করে সব্জিটা দিয়ে ফেলেছি, আপনি খেয়ে নিন প্লিজ!!
ওই তিরিশ টাকাই দিয়েন।
মেয়ে -কিন্তু আমি তো শুধু ডালভাতই….
দোকানী – আমি একদম ভুলে সব্জিটা দিয়ে ফেলেছি.. আপনি প্লিজ খেয়ে নিন.. তিরিশ টাকাই নেবো আমি…আমার ভুল.. আপনি না খেলে এতোটা খাবার নষ্ট হবে আমার..
ওদের মতো আমিও ভেবেছিলাম নিছকই ভুল…
বিল দেয়ার সময় দোকানদার কে জিজ্ঞাসা করলাম, দাদা সত্যিই কি ভুল করে সব্জীটা দিয়েছেন?
দোকানদার কানের কাছে এসে বললো, “শুধু ব্যবসায় লাভ খুঁজলে হবে দাদা! এরকম ভুলগুলো করার সুযোগও খুঁজতে হবে:) ওর খুব খিদে পেয়েছে। দেশের বাড়িতে আমারও বোনটার বয়স এরকমই” বলে আবার নির্লিপ্ত মুখে চা, সিগারেট, ভাত, তরকারির রাজ্যে হারিয়ে যায়।
আমি খুঁজে পেলাম না, কার জন্য বেশী ভালো লাগা উচিৎ! মেয়েটা নাকি দোকানদার!!
হয়তো একটা কথা বলা যেতে পারে,
যে যুদ্ধ জিনিসটা বোঝে, সেই যোদ্ধার ঘাম, ক্ষুধার মূল্য দিতে জানে।
সংগৃহীত
08/12/2021
1) বিয়ের পিঁড়িতে বসে সবার সামনে বউ কে একটা চুমু খান। ফেসবুকে রাতারাতি ভাইরাল।
2) কেউ যদি আপনার বিয়েতে "কন্যাদান" কথাটা বলে তাহলে তাকে শুটিয়ে লাল করে দিন। আর ফেসবুকে একটা হ্যাজ নামান "মেয়েরা দানের জিনিস নয়"। মহিলা পুরোহিত দিয়ে বিয়ে সম্পন্ন করান।
3) নিজেকে কুল প্রমান করতে হাতে মালের বোতল, মুখে সিগারেট গুঁজে ফটো তুলুন।
4) নিজেও সিঁদুর পড়ুন, বর হারামজাদা টাকেও পড়ান। কারন সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে যে।
5) বিয়ের মন্ডপে প্রবেশ করার সময় আপনি
পিঁড়িতে বসে আসবেন না এতে নাকি মেয়েরা দুর্বল সেটা প্রকাশ পায়। তাই বিন্দাস হেটে আসুন।
6) শুভ দৃষ্টির সময় বর কে চোখ মারুন; চাইলে দু-জন; দু-জনকে জড়িয়ে কান্নাকাটিও করতে পারেন।
7) নতুন বউ আপনাকে প্রনাম করলে আপনিও বউ কে প্রনাম করুন। কারন এইভাবে ফেসবুকে প্রমানিত হবে "সন্মানটা দু-দিক থেকেই থাকা জরুরি"।
😎 বিদায়ের সময় হাসতে-হাসতে; নাচতে-নাচতে গাড়িতে উঠুন। কান্নাকাটি করবেন না।
9) শশুর বাড়িতে ঢোকার সময় নাচতে-নাচতে ঢুকবেন। রিসেপশনের দিন শাশুড়ির সাথে উদুম নাচুন।
10) ভাত-কাপড় অনুষ্ঠানে বউয়ের হাতে ভাতের থালা তুলে দিয়ে কিছু জ্ঞানের কথা বলুন।
11)বেনারসী পরে সেজেগুজে লোক খাইয়ে বিয়ে করে তারপর 'আমি ইমিটেশনের গয়না পরে বিয়ে করেছি গো, বাবা মায়ের ওপর চাপ দিইনি গো' এভাবেও ভাইরাল হওয়া যায়
12) বৌ এর সাথে বরকেও বাপের বাড়ি ছাড়তে হবে শুধু বৌ একা কেন ছাড়বে😎
আপাতত এই পয়েন্ট গুলো এখন মার্কেটে ট্রেন্ড করছে এইগুলো ফলো করলেই হবে। এছাড়া আপনি যদি নতুন কিছু করতে চান ফেসবুক কমিউনিটি থেকে আপনাকে অলওয়েজ ওয়েল কাম।।🙏🙃(©️দিবাকর)
Click here to claim your Sponsored Listing.