Clicker_manik

Clicker_manik

Share

আমার ফেসবুক পেজে আপনাকে সাদর অভ্যর্থনা

18/03/2026

সকালের আলোটা জানালা দিয়ে ঢুকছিল, কিন্তু ঘরটা যেন অন্ধকারই ছিল। মা বিছানায় শুয়ে, চোখ বন্ধ। হাতটা আমার হাতের মধ্যে। ঠান্ডা হয়ে আসছে আস্তে আস্তে।

আমি ছোটবেলা থেকে মায়ের কাছে আদর খেয়ে বড় হয়েছি। বাবা চলে যাওয়ার পর থেকে মা-ই তো সব। স্কুলের টিফিনের টাকা, বন্ধুদের সামনে লজ্জা না পাওয়ার জন্য নতুন জামা, রাতে পড়তে বসলে মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়া—সব মা।

কয়েক মাস আগে মায়ের শরীর খারাপ হতে শুরু করল। ডাক্তার বলল, "খুব বেশি দিন নেই।" আমি বিশ্বাস করিনি। মা তো সবসময় বলত, "তোর মা মরবে না রে, তোকে ছেড়ে যাবে না।"

কিন্তু আজ... আজ মা চলে যাচ্ছে।

আমি মায়ের হাত চেপে ধরে বললাম,
"মা, চোখ খোলো একটু। আমি এসেছি।"
মা চোখ খুলল। খুব কষ্ট করে হাসার চেষ্টা করল।
"বাবু... তুই এসেছিস? ভালো আছিস তো?"

আমার গলা আটকে গেল। চোখ ভরে জল।
"মা, আমি ভালো আছি। তুমি ভালো হয়ে যাও। প্লিজ।"

মা আবার হাসল। খুব ফিকে হাসি।
"আমি তো ভালোই আছি রে। শুধু... একটু ক্লান্ত। তুই বিয়ে করিস। আমার নাতি-নাতনি দেখতে চাই।"

আমি কাঁদতে কাঁদতে বললাম,
"মা, আমি কাউকে বিয়ে করব না। তুমি ছাড়া কেউ থাকবে না আমার।"

মা হাতটা আরেকটু চেপে ধরল।
"বোকা ছেলে... আমি তো থাকবই। তোর মনের মধ্যে। যখন কষ্ট হবে, আমাকে ডাকিস। আমি শুনব।"

তারপর মা চুপ করে গেল। চোখ বন্ধ। শ্বাসটা থেমে গেল।

আমি চিৎকার করে উঠলাম,
"মা! মা!! চোখ খোলো! প্লিজ মা!!"

কিন্তু মা আর চোখ খুলল না।
আমি মায়ের হাতটা ছেড়ে দিতে পারিনি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে রইলাম। শেষবারের মতো "মা" বলতে পারিনি। কারণ মা আর শুনবে না।

আজও রাত হলে জানালার কাছে বসি। মনে হয় মা আসবে। হাত বুলিয়ে বলবে, "ঘুমা রে বাবু।"
কিন্তু আসে না। শুধু চোখের জল আসে।

মা, তুমি যেখানেই থাকো... আমাকে ক্ষমা করে দিও। শেষবার "মা" বলতে পারিনি।

ভালোবাসি তোমাকে। চিরকাল। ❤️

© clicker@manik Stories | Copy prohibited

#গল্প #মা

04/03/2026

একটা খুবই আকর্ষণীয় ও বাস্তব ঐতিহাসিক ঘটনা বলি এই একটা ছোট্ট যুদ্ধের ফলাফল পুরো ভারতবর্ষের ইতিহাস বদলে দিয়েছিল।

বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন কারণ তারা কলকাতায় অবৈধ দুর্গ তৈরি করছিল এবং বাণিজ্যের নিয়ম ভাঙছিল।
১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশী গ্রামের কাছে (বর্তমান পশ্চিমবঙ্গে) মাত্র ~৫০,০০০ সৈন্য নিয়ে সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে রবার্ট ক্লাইভের নেতৃত্বে ~৩,০০০ ইংরেজ ও ভারতীয় সৈন্য যুদ্ধে নামে।
কিন্তু সবচেয়ে বড় টুইস্ট ছিল বিশ্বাসঘাতকতা — নবাবের সেনাপতি মীর জাফর, রায় দুর্লভ, ইয়ার লতিফ খাঁ প্রমুখরা ইংরেজদের সঙ্গে গোপন চুক্তি করে যুদ্ধে অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
ফলে নবাবের বিশাল সেনাবাহিনী প্রায় যুদ্ধই করতে পারেনি। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সিরাজউদ্দৌলা পরাজিত হন, পালিয়ে যান, পরে ধরা পড়ে নিহত হন।
এই যুদ্ধের পর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার, ওড়িশার দেওয়ানি (রাজস্ব আদায়ের অধিকার) পায় — যা থেকে শুরু হয় ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রকৃত ভিত্তি।

এই যুদ্ধে ইংরেজ পক্ষের মৃত্যু হয়েছিল মাত্র ২২-২৩ জন, আর নবাব পক্ষে ৫০০। এত কম ক্ষয়ক্ষতিতে এত বড় পরিবর্তন খুব কমই ইতিহাসে দেখা যায়।

#ইতিহাস #পলাশী #যুদ্ধ

© clicker@manik Stories | Copy prohibited.

14/02/2026

২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩টে ১৫ মিনিট নাগাদ জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়কের ওপর দিয়ে সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (CRPF) প্রায় ৭৮টি গাড়ির একটি বিশাল কনভয় যাচ্ছিল। ওই কনভয়ে প্রায় ২,৫০০ জন জওয়ান ছিলেন।

জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের পুলওয়ামা জেলার লেথিপোরা এলাকায় একটি বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি (মাহিন্দ্রা স্করপিও বা টাটা এস) হঠাৎ কনভয়ের একটি বাসের গায়ে ধাক্কা মারে।

গাড়িটিতে প্রায় ৩০০ কেজির বেশি বিস্ফোরক (RDX) ছিল।
বিস্ফোরণটি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে কয়েক কিলোমিটার দূর পর্যন্ত শব্দ শোনা গিয়েছিল এবং জওয়ানদের বহনকারী বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে ছাই হয়ে যায়।

এই হামলায় সিআরপিএফ-এর ৪০ জন সাহসী জওয়ান শহীদ হন এবং আরও অনেকে গুরুতর আহত হন।
পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জৈশ-ই-মোহাম্মদ (JeM) এই হামলার দায় স্বীকার করে।
আদিল আহমদ দর নামক এক স্থানীয় কাশ্মীরি যুবক এই আত্মঘাতী হামলাটি চালিয়েছিল।

এই হামলার পর ভারতজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও শোকের ছায়া নেমে আসে। ভারত সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখে ভারতীয় বায়ুসেনা পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বালাকোটে অবস্থিত জৈশ-ই-মোহাম্মদের জঙ্গি ঘাঁটিতে বিমান হামলা চালায়।
ভারত পাকিস্তানকে দেওয়া 'মোস্ট ফেভারড নেশন' (MFN) মর্যাদা বাতিল করে এবং আন্তর্জাতিক স্তরে পাকিস্তানকে একঘরে করার প্রচেষ্টা চালায়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলার পরবর্তী নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করেই ভারত সরকার ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা (ধারা ৩৭০) রদ করার সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছিল।

আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, এই ঘটনার সপ্তম বার্ষিকী। সারা ভারত আজ এই বীর শহীদদের বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে। 🇮🇳 🙏 🖤

© clicker@manik Stories | Copy prohibited

#ইতিহাস #পুলওয়ামা #হামলা #ভারত #সেনাবাহিনী #শহীদ #ভারতীয়

Want your school to be the top-listed School/college in Kolaghat?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address

Kolaghat
700001