Yafi
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Yafi, Digital creator, Qatar, Doha.
মানুষ শুধু মাত্র সুখের সঙ্গী হতে চাই।
゚viralfbreelsfypシ゚viral
যদি কখনো বন্ধু বা আত্মীয় স্বজনরা বিদেশে আসতে চায় তাহলে বারণ করবেন না।
কথা হইলো ,বাঙালি পুলাপাইনের কি ব্রেইন নাই? IT Skills দিয়া এবছর ১.৪৬ বিলিয়ন ডলারের উপরে আয় করছে শ্রীলঙ্কা।
19/02/2026
Ramadan Mubarak 🕌
15/02/2026
নজরুল ও নার্গিস -
নজরুলের জীবনে দু’জন নারীর উপস্থিতি খুব গভীর ভাবে লক্ষ্য করা যায়- একজন নার্গিস আরেকজন হলেন প্রমীলা। নজরুলের হৃদয়ের দুই সারথী- একজন চাঁদ তো অন্যজন নীল সরোবর।
প্রিয় কবি নজরুলকে, তার প্রথম স্ত্রী নার্গিস একটি পত্র লিখেছিলেন সেই কুমিল্লা থেকে বিয়ের প্রথম রাতে নজরুলের চলে যাবার অনেক দিন পর।সেই চিঠির উত্তর নজরুল দিয়েছিলেন একটি গানের মাধ্যমে-
“যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পার নাই, কেন মনে রাখ তারে্।।
ভুলে যাও তারে ভুলে যাও একেবারে্।।”
-কিন্তু নজরুল কি সত্যিই ভুলতে পেরেছিলেন নার্গিসকে? পনেরো বছর পর একটি আবেগময় চিঠি লিখেন নার্গিসের কাছে- যা হৃদয় ছুঁয়ে যায়- যে চিঠিখানা বিশ্বের সেরা ভালবাসার তথা প্রেমপত্রের একটি। নজরুল নার্গিসকে কতটুকু ভালবাসতেন- সেটা এই চিঠিতেই সেই ভালবাসার রূপ শাশ্বত হয়ে ফুটে উঠেছে- একজন মানুষ কি তার প্রিয়তমাকে এর চেয়ে বেশি ভালবাসতে পারেন! নজরুল দৌলতপুরে বসেই ১৬০টি গান এবং ১২০টি কবিতা রচনা করেন। উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলোর মধ্যে- ‘বেদনা-অভিমান’, ‘অবেলা’, ‘অনাদৃতা’, ‘পথিক প্রিয়া’, ‘বিদায় বেলা’ প্রভৃতি- তাই নজরুলের জীবনে যদি নার্গিস না আসতেন তাহলে হয়তো বাংলা সাহিত্য ভান্ডারে এই অমূল্য সম্পাদ থেকে আমরা বঞ্চিত হতাম।
নজরুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরর মসজিদের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন- আর নার্গিস চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন ম্যানচেস্টার (ইংল্যান্ড) শহরে।
নার্গিস-নজরুল প্রেম-কাহিনী শুধু সাধারণ প্রেম নয়- এটা অমর প্রেম কাহিনী- এযেন কালজয়ী প্রেম-উপাখ্যান। আর এমনি একটি চিঠির জন্য নার্গিস-নজরুলের প্রেমের উপাখ্যান বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে। নিচে চিঠিটি উল্লেখ করা হলঃ
কল্যানীয়াসু,
তোমার পত্র পেয়েছি সেদিন নব বর্ষার নবঘন-সিক্ত প্রভাতে ।মেঘ মেদুর গগনে সেদিন অশান্ত ধারায় বারি ঝরছিল ।পনর বছর আগে এমনি এক আষাঢ়ে এমনি এক বারি ধারায় প্লাবন নেমেছিল– তা তুমিও হয়তো স্মরণ করতে পারো ।আষাঢ়ের নবমেঘপুঞ্জকে আমার নমস্কার ।এই মেঘদূত বিরোহী যক্ষের বানী বহন করে নিয়ে গিয়েছিল কালিদাসের যুগে, রেবা নদীর তীরে, মালবিকার দেশে, তার প্রিয়ার কাছে ।এই মেঘ পুঞ্জের আশীর্বাণী আমার জীবনে এনে দেয় চরম বেদনার সঞ্চার ।এই আষাঢ় আমায় কল্পনার স্বর্গ লোক থেকে টেনে ভাসিয়ে দিয়েছে বেদনার অনন্ত স্রোতে । যাক, তোমার অনুযোগের অভিযোগের উত্তর দেই । তুমি বিশ্বাস করো, আমি যা লিখছি তা সত্য । লোকের মুখে শোনা কথা দিয়ে যদি আমার মূর্তির কল্পনা করে থাকো,তাহলে আমায় ভুল বুঝবে- আর তা মিথ্যা ।
তোমার উপর আমি কোনো ‘জিঘাংসা’ পোষণ করিনা –এ আমি সকল অন্তর দিয়ে বলছি ।আমার অন্তর্যামী জানেন তোমার জন্য আমার হৃদয়ে কি গভীর ক্ষত, কি আসীম বেদনা ! কিন্তু সে বেদনার আগুনে আমিই পুড়েছি—তা দিয়ে তোমায় কোনোদিন দগ্ধ করতে চাইনি । তুমি এই আগুনের পরশ মানিক না দিলে আমি ‘অগ্নিবীণা’ বাজাতে পারতাম না—আমি ধুমকেতুর বিস্ময় নিয়ে উদিত হতে পারতাম না । তোমার যে কল্যান রূপ আমি আমার কিশোর বয়সে প্রথম দেখেছিলাম, যে রূপকে আমার জীবনের সর্বপ্রথম ভালবাসার আঞ্জলি দিয়েছিলাম, সে রূপ আজো স্বর্গের পারিজাত-মন্দারের মতো চির অম্লান হয়েই আছে আমার বক্ষে । অন্তরের সে আগুন- বাইরের সে ফুলহারকে স্পর্শ করতে পারেনি ।
তুমি ভুলে যেওনা আমি কবি—আমি আঘাত করলেও ফুল দিয়ে আঘাত করি । অসুন্দর কুৎসিতের সাধনা আমার নয় । আমার আঘাত বর্বরের কাপুরুষের আঘাতের মতো নিষ্ঠুর নয় ।আমার অন্তর্যামী জানেন (তুমি কি জান বা শুনেছ জানিনা) তোমার বিরুদ্ধে আজ আমার কোন অনুযোগ নেই, অভিযোগ নেই, দাবীও নেই ।
তোমার আজিকার রূপ কি জানিনা । আমি জানি তোমার সেই কিশোরি মুর্তিকে, যাকে দেবী মূর্তির মতো আমার হৃদয় বেদীতে অনন্ত প্রেম,অনন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলাম । সেদিনের তুমি সে বেদী গ্রহণ করলেনা । পাষান দেবীর মতই তুমি বেছে নিলে বেদনার বেদিপাঠ …জীবন ভ’রে সেখানেই চলেছে আমার পূজা আরতি । আজকার তুমি আমার কাছে মিথ্যা,ব্যর্থ ; তাই তাকে পেতে চাইনে । জানিনে হয়ত সে রূপ দেখে বঞ্চিত হব,অধিকতর বেদনা পাব,--তাই তাকে অস্বীকার করেই চলেছি ।
দেখা? না-ই হ’ল এ ধূলির ধরায় । প্রেমের ফুল এ ধূলিতলে হয়ে যায় ম্লান,দগদ্ধ,হতশ্রী ।তুমি যদি সত্যিই আমায় ভালবাস আমাকে চাও ওখান থেকেই আমাকে পাবে ।লাইলি মজনুকে পায়নি, শিরি ফরহাদকে পায়নি, তবু তাদের মত করে কেউ কারো প্রিয়তমাকে পায়নি ।আত্মহত্যা মহাপাপ, এ অতি পুরাতন কথা হলেও প্রেম সত্য ।আত্মা অবিনশ্বর,আত্মাকে কেউ হত্যা করতে পারেনা । প্রেমের সোনার কাঠির স্পর্শ যদি পেয়ে থাকো, তাহলে তোমার মতো ভাগ্যবতী আর কে আছে ? তারি মায়া স্পর্শে তোমার সকল কিছু আলোয় আলোময় হয়ে উঠবে । দুঃখ নিয়ে এক ঘর থেকে অন্য ঘরে গেলেই সেই দুঃখের অবসান হয়না ।মানুষ ইচ্ছা করলে সাধনা দিয়ে, তপস্যা দিয়ে ভুলকে ফুল রূপে ফুটিয়ে তুলতে পারে । যদি কোনো ভুল করে থাক জীবনে, এই জীবনেই তাকে সংশোধন করে যেতে হবে; তবেই পাবে আনন্দ মুক্তি; তবেই হবে সর্ব দুঃখের অবসান । নিজেকে উন্নত করতে চেষ্টা করো, স্বয়ংবিধাতা তোমার সহায় হবেন । আমি সংসার করছি, তবু চলে গেছি এই সংসারের বাধাকে অতক্রম করে উর্ধ্ব লোকে—সেখানে গেলে পৃ্থিবীর সকল অপূর্ণতা, সকল অপরাধ ক্ষমা সুন্দর চোখে পরম মনোহর মূর্তিতে দেখা যায় ।…
হঠাৎ মনে পড়ে গেল পনর বছর আগের কথা । তোমার জ্বর হয়েছিল, বহু সাধনার পর আমার তৃষিত দুটি কর তোমার শুভ্র ললাট স্পর্শ করতে পেরেছিল; তোমার তপ্ত ললাটের স্পর্শ যেন আজো অনুভব করতে পারি ।তুমি কি চিয়ে দেখেছিলে? আমার চোখে ছিলো জল, হাতে সেবা করার আকুল স্পৃহা, অন্তরে শ্রীবিধাতার চরণে তোমার আরোগ্য লাভের জন্য করুন মিনতি । মনে হয় যেন কালকের কথা । মহাকাল যে স্মৃতি মুছে ফেলতে পারলেননা। কী উদগ্র অতৃপ্তি, কী দুর্দমনীয় প্রেমের জোয়ারই সেদিন এসেছিল । সারা দিন রাত আমার চোখে ঘুম ছিল না ।
যাক আজ চলেছি জীবনের অস্তমান দিনের শেষে রশ্মি ধরে ভাটার স্রোতে, তোমার ক্ষমতা নেই সে পথ থেকে ফেরানোর । আর তার চেষ্টা করোনা । তোমাকে লিখা এই আমার প্রথম ও শেষ চিঠি হোক ।যেখানেই থাকি বিশ্বাস করো আমার অক্ষয় আশির্বাদ কবচ তোমায় ঘিরে থাকবে । তুমি সুখি হও, শান্তি পাও— এই প্রার্থনা । আমায় যত মন্দ বলে বিশ্বাস করো, আমি তত মন্দ নই –এই আমার শেষ কৈফিয়ৎ ।
ইতি—
নিত্য শুভার্থী—
নজরুল ইসলাম।.
24/01/2026
Qatar doha cornice 🇧🇭
I got over 50 reactions on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉
17/01/2026
এই পোস্টটা গ্রামের জরিনা- মর্জিনা এবং তাদের মা- চাচিদের জন্য ডেডিকেটেড
এই যে গ্রামের জরিনা- মর্জিনার চাচি - মাসিরা,
আপনারা তো ছেলে দেখলেই শুরু করেন
এই ছেলেটা বিয়াত্তা, ঐটা ঠিক না, সমাজ কী বলবে!
মেয়ে বিয়ে দিতে গেলে বাহানার শেষ নাই!
আচ্ছা, একটু বাস্তব উদাহরণ দেখি চলেন-
রোজা আহমেদ
আবিয়াত্তা মাইয়া, আমেরিকায় হাই লাইফ,
তবু বুড়া বেডা বিয়াত্তা তাহসান-কেই বিয়া করছে!
জেফার
দেশের একজন নামকরা গায়িকা, নামটাও ইংরেজি
তারপরও কিন্তু সে বিয়াত্তা আফ্রিকান রাফসান-কেই বিয়া করছে!
বুবলি
দেশের নায়িকা, গ্ল্যামার, লাইমলাইট
তবু বিয়াত্তা সাকিব-কেই বিয়া করছে!
তাই প্রশ্ন একটাই
ওরা যদি এত বড় তারকা হয়ে, আবিয়াত্তা হয়েও,
বিয়াত্তা বেডাদের বিয়া করতে পারে তাহলে আপনার জরিনা-মর্জিনা কোন ক্ষেতের মুলা?
তাই বলি একটু মনটা বড় করেন।
(Collect)
তাসকিন আহমেদের বেতন কত জানেন?
১০ লাখ টাকা মাসে।
জাতীয় দলের যে খেলোয়াড় সর্বনিম্ন বেতন পায় তার বেতন কত?
সেও ২ লাখ টাকা বেতন পায়।
একজন এম পি মাসে কত বেতন পায়?
২ লাখের কম সব ভাতা সহ।
একজন সচিবের বেতন?
১ লাখ ২০ থেকে ২৫ হাজারের মত।
বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবার জন্য এদেরকে এই টাকা দেয়া হয়। এটা কিন্তু বেতন, সালামি না।
শান্ত যে বললেন দিনশেষে একজন ক্রিকেটার আশা করে সম্মানটুকু।
শান্ত, আপনার সম্মান কি দেশের সম্মানের চেয়ে বড়?
গত ২০-২৫ বছরে আপনারা কি এমন কাজে লাগছেন দেশের?
"বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল হইছে" এটা বলা ছাড়া আর কি উপকার করছেন বলেন তো?
তাছাড়া কতটুকু উজ্জ্বল করছেন আমরা কি দেখতেছিনা?
কথায় কথায় বলেন আপনারা দেশের জন্য খেলেন।
আপনারা দেশের জন্য খেলেন তাইলে এত টাকা বেতন নেন কেন বাংলাদেশের মত গরীব একটা দেশ থেকে?
আচ্ছা মানলাম দেশের জন্য খেলেন, নিজের জন্য না কিন্তু আজ যখন দেশের সম্মান প্রশ্নে দেশ ভারতে খেলতে যাবে না বলছে সেখানে কিভাবে আপনারা ক্ষতিপূরণের টাকা চান?
আজকের পর কিভাবে বলবেন যে দেশের জন্য খেলেন আপনারা?
বলতে পারবেন??
নিশ্চয় পলিটিক্যাল সিচ্যুয়েশন আপনারা দেখতেছেন গত ১.৫-২ বছর ধরে।
আজ যখন বাংলাদেশকে এবং বাংলাদেশের একজন খেলোয়াড় যে কিনা আপনাদের ই সতীর্থ তাকেও অপমান করা হলো তাছাড়া আপনাদের নিরাপত্তার প্রশ্ন ও এখানে জড়িত, জড়িত সকল কলাকুশলী, বাংলাদেশের সাপোর্টার সকলের নিরাপত্তা সেখানে কিভাবে এমন আবদার করতে পারলেন?
আপনারা সাকিবের পাশে দাড়াইলেন, তামিমের পাশে দাড়াইলেন কিন্তু দেখলাম না কোনোদিন বাংলাদেশের পাশে দাড়াইতে।
আপনারা জুলাই এর পক্ষে দাড়াইছেন?
ফেলানীর পক্ষে দাড়াইছিলেন?
হাদীর পক্ষে দাড়াইছিলেন?
আবরারের পক্ষে?
সব জায়গায় আপনারা চুপ ছিলেন কিন্তু আপনারা তাও সবকিছু বাংলাদেশের জন্য করেন, নিজের জন্য না, টাকার জন্য খেলেন না
আচ্ছা আমরা যদি খেলা না দেখি তাইলে আপনাদের টাকা টা কে দিবে?
কয়টা স্পন্সর পাইবেন ?
কয়টা ক্যামেরা অপেক্ষা করবে ?
সার্কাসের ওই জাদুকর/বিশেষ কৌশলে পারদর্শী লোকটা খেলা দেখায় গ্যালারির দর্শকদের মনোরঞ্জন করার জন্য আর দর্শকের মনোরঞ্জন হয় বলে তার রুটি-রুজি হয়।
আপনারা ভাল খেললে আমাদের আনন্দ হয়, আপনারা খারাপ খেললে আমাদের কষ্ট হয়। কিন্তু আপনারা ভাল বা খারাপ যাই খেলেন না কেন আমাদের তাতে রুটির ব্যাবস্থা হয় না।
এই ভাল লাগা বা খারাপ লাগা সবটাই দেশপ্রেম থেকে এটা সুন্দর সত্য, কিন্তু আপনারা দেশের জন্য খেলেন আর তাতে কতটুকু দেশপ্রেম তা অবশ্যই প্রশ্নের উর্ধ্বে নয় আজ!
আপনারা না খেললে কি হবে?
দেশ আপনাদের ছাড়া চলতে পারবে না?
শূন্য থেকে শুরু করা অসম্ভব?
(Collected) 👍
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Contact the business
Telephone
Website
Address
Doha