Hamja1020
Riyadh Batha
14/07/2026
13/07/2026
আমার বড় মেয়ের খুব দুঃখের একটি ঘটনা।আমার মেয়ের বয়স যখন সাত মাস চলে তখন অর ডায়রিয়া আর বমি হয় তারপর উপজেলার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায় ইমাজেন্সিতে ডক্তর দেখে খাবারের ঔষধ লিখে দিয়েছে।ফার্মেসি থেকে ঔষধ কিনে বাসায় এসে খাওয়াইতে সন্ধা হয়ে গেল।বাসায় আসার পর আসতে আসতে বাড়তে থাকে অসুস্থ রাত যখন এগারোটা বাজে আরু অবস্থা খারাপ তখন কান্না কান্না পাতলা পায়খানা মিনিটে কয়েকবার করতেছে আর সুধু ওরস্যালাইন এর পানি খায় বার বার না দিলে কান্না করে ওর বড় মা দাদু ফুফু চাচ্চু সবাই কাছে ছিল কিন্তু অর বাবা কাছে ছিল না।উনি ছিল দুর প্রবাসে।তার পর আবার নিয়ে গেলাম প্রথম যেই হাসপাতালে নিয়ে গেছিলাম ওইখানে নেওয়ার পর ডক্টর ভর্তি করল ভাগ্যের কি নির্মম ইতিহাস রাত বাজে দুই টা এর বড় কাকা আর পাঁচ নাম্বার কাকা ফার্মেসিতে গেল দেওয়ার স্যালাই ইনজেকসন অন্যান্যা ঔষধ আনার জন্য কিন্তু বাজারের সব ফার্মসি ছিল বন্ধ তখন কাকা বলছিল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাইতে তখন আমার উপরের গার্ডিয়ানরা বলছিল দেখি রাতটা এই সারারাত না কোনো ঔষধ না স্যালাইন চলছে শুধু খাবার স্যালাইন খাওয়ানো হয়ছে। এই ঔষধ পরের দিন সকাল আট টা বাজে ফার্মেসি খোলার পর দেওয়া হয়ছে।তখন আমার মেয়ের শেষ আমার কলিজা চোখ উলটাইয়া দিল সবাই কান্না শুরু করেছে।পরের পার্ট আবার পাবেন।
13/07/2026
@সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মাঝখানে যে সবুজ লাইট দেখা যায়, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও সুন্নাহভিত্তিক তাৎপর্য রয়েছে।
* এই সবুজ লাইট দুটি সেই স্থানকে চিহ্নিত করে, যেখানে হাজেরা (আ.) তাঁর শিশু পুত্র ইসমাঈল (আ.)-এর জন্য পানির খোঁজে দ্রুত দৌড়েছিলেন। নিচু উপত্যকার এ অংশে দাঁড়িয়ে তিনি সন্তানকে দেখতে পেতেন না, তাই উদ্বেগে তিনি এই অংশটুকু দ্রুত অতিক্রম করতেন।
* আজও সাঈ করার সময় পুরুষদের জন্য এই দুই সবুজ লাইটের মাঝখানে হালকা দৌড়ানো (রমল) সুন্নাহ। তবে নারীদের জন্য দৌড়ানো সুন্নাহ নয়; তারা স্বাভাবিক গতিতেই হাঁটবেন।
* এই সবুজ লাইট কেবল একটি নির্দেশক। এর মাধ্যমে হাজেরা (আ.)-এর আল্লাহর ওপর অটল ভরসা, চেষ্টা এবং ত্যাগের স্মৃতি জীবন্ত রাখা হয়। এরপরই আল্লাহ তাআলা জমজমের পানি দান করেছিলেন।
কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন:
“নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত।”
(সূরা আল-বাকারা, ২:১৫৮)
তাই সাফা-মারওয়ার মাঝের সবুজ লাইট শুধু পথ নির্দেশক নয়; এটি ধৈর্য, চেষ্টা এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুলের এক স্মারক
11/07/2026
কাঁচকি মাছ কার কার পছন্দ
খুলনা সরকারি ইকবাল নগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী আরফান হোসেন নির্জনা হ'ত্যা'র দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন মা সীমা আক্তার। ১০ জুলাই খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইব্রাহীম খলিল মুহিম তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে গত বুধবার রাতে পুলিশ নগরীর নিরালা প্রান্তিকা আবাসিক এলাকা থেকে নির্জনার রক্তাক্ত বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে।
আদালত সূত্র জানায়, জবানবন্দিতে নির্জনার মা সীমা আক্তার জানিয়েছেন যে ঘটনার দিন বিকেলে মেয়ের সঙ্গে তার বা'ক'বি'ত'ণ্ডা হয় এবং এক পর্যায়ে তিনি মেয়েকে কয়েকটি চ'ড়-থা'প্প'ড় মা'রে'ন। ঘরের ভেতর শোরগোল শুনে নির্জনার বাবা আলীম হোসেন আকাশ এসে তাদের উভয়কে চুপ করতে বলেন। কিন্তু মেয়ে চুপ না থাকায় তিনি একটি কাঠের চলা (লাকড়ি) দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন, যার ফলে ঘটনাস্থলেই মেয়ের মৃ'ত্যু হয়। এরপর নির্জনার বাবা ঘরের ভেতরে থাকা ছেঁড়া লুঙ্গি ও একটি প্লাস্টিকের বস্তায় লা'শ'টি ভরে মোটরসাইকেলে বেঁধে নিরালার প্রান্তিকা আবাসিক এলাকায় ফেলে রেখে আসেন।
হ'ত্যা'কা'ণ্ডে'র প্রেক্ষাপট সম্পর্কে সূত্র আরও জানায়, পরিবারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তেরখাদা আজগড়া এলাকার একটি ছেলের সঙ্গে বিয়ে করায় নির্জনার ওপর ক্ষু'ব্ধ ছিল তার পরিবার। গত ২১ এপ্রিল আরফান হোসেন নির্জনা স্বেচ্ছায় তেরখাদা উপজেলার আজগড়া গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানকে বিয়ে করেছিলেন। এর ১৭ দিন পর তাকে বুঝিয়ে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। ঘটনার দিন সকালেও মেয়েটি শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হলে তাকে আবারও বুঝিয়ে বাড়িতে আনা হয়েছিল, কিন্তু বিকেলে এই ঘটনা ঘটে যায়।
এদিকে সদর থানা সূত্র জানায়, ঘটনার পর থেকে নির্জনার বাবা মো. আলীম হোসেন আকাশ প'লা'ত'ক রয়েছেন এবং তার অবস্থান জানতে বিভিন্ন স্থানে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার সকালে নির্জনার মা স্বেচ্ছায় হ'ত্যা'কা'ণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিতে চাইলে দুপুরের পর তাকে আদালতে নেওয়া হয়। এর আগে সকালে পুলিশ বাদী হয়ে সদর থানায় একটি হ'ত্যা মা'মলা' দায়ের করে।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম এ ব্যাপারে বলেন, হ'ত্যা'কা'ণ্ড নিয়ে আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দপ্তরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে হ'ত্যা'কা'ণ্ডের বিস্তারিত তথ্য খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) কমিশনার তুলে ধরবেন
source: itteafaq
Click here to claim your Sponsored Listing.