Shahriar

Shahriar

แชร์

ข้อมูลการติดต่อ, แผนที่และเส้นทาง,แบบฟอร์มการติดต่อ,เวลาเปิดและปิด, การบริการ,การให้คะแนนความพอใจในการบริการ,รูปภาพทั้งหมด,วิดีโอทั้งหมดและข่าวสารจาก Shahriar, Writer, Bang Kapi.

12/05/2026

শুনুন বলি, আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ "কর্ণধারদের" মহামূল্যবান চিন্তাধারা! এক সাংবাদিক এই অকালকুষ্মাণ্ড, মেরুদণ্ডহীন আর যোগ্যতাহীন প্রজন্মের কাছে জানতে চেয়েছিল— "যদি শিক্ষামন্ত্রী হও, তাহলে কী করবে?"

আর এই চরম গর্দভগুলোর উত্তর শুনলে আপনার আক্কেল বোকাসোদা হয়ে যাবে!

১ম জন বলছে: "পড়ালেখাই উঠাইয়া দিব! অনেক কষ্ট ভাই পড়ালেখা!" (বাহ! কী বিপ্লবী চিন্তা!)
২য় জনের কথা: "পরীক্ষা দিব কিসের? এত ভালো করে কী করব, পড়ালেখা করে কী হবে?" (শাবাশ! একেই বলে দেশের আসল রত্ন!)
৩য় জন তো আরও একধাপ এগিয়ে: "কোনো পড়াশোনা রাখব না, কোনো পরীক্ষা দিব না, সবাইকে অটোপাস দিব!" (এই তো চাই! দেশ তো একেবারে সোজা স্বর্গে চলে যাবে!)

একবার নিজেদের বিবেককে প্রশ্ন করে দেখুন, এই অসুস্থ, অকর্মণ্য প্রজন্ম দিয়ে আপনারা বাংলাদেশের উন্নতির স্বপ্ন দেখেন?সারা পৃথিবীর অন্য কোনো দেশের ছেলেমেয়েরা এমন চরম মাথামোটা, সস্তা আর জঘন্য চিন্তাভাবনা জনসমক্ষে শেয়ার করার কথা কল্পনাও করতে পারবে না! অথচ আমাদের দেশে এরা এগুলো বুক ফুলিয়ে বলে বেড়াচ্ছে! এই সস্তা চিন্তাধারাই আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় অভিশাপ। ধিক্কার এই মানসিকতাকে!

08/05/2026

২০০৯-২০১০ সালের দিকে জীবন সংগ্রামের তাগিদে ঢাকায় পাড়ি জমান তাজুল ইসলাম। তখন দৈনিক মাত্র ২০০ টাকা মজুরিতে রডমিস্ত্রি বা নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে হাড়ভাঙা খাটুনি শুরু করেন তিনি। নিজের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করেছেন পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে।

অসুস্থ বাবা-মা, তিন ভাই ও তিন বোনসহ মোট আট সদস্যের বিশাল সংসারের পুরো ভার ছিল তার একার কাঁধেই। ঢাকায় উপার্জিত টাকা তিল তিল করে জমিয়ে গ্রামে পরিবারের জন্য একটি টিনের ঘরও তৈরি করেছিলেন তিনি। নিজের সুখের কথা না ভেবে পরিবারের জন্যই নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন।

আজ থেকে প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে সংসার জীবনে পা রাখেন তাজুল, কিন্তু সেই সুখ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। বিশাল পরিবারের ঘানি টানতে গিয়ে নিজের জন্য কোনো টাকা জমাতে পারতেন না তিনি। চরম অভাব ও দারিদ্র্যের কারণে বিয়ের মাত্র দেড়-দুই মাসের মাথায় তার স্ত্রী তাকে ডিভোর্স দিয়ে চলে যান।

সব হারিয়েও পরিবারের প্রতি তার এই অসীম দায়িত্ববোধ ও আত্মত্যাগ আমাদের সমাজের এক চরম বাস্তবতার গল্প। নিজের জীবনের সুখ বিসর্জন দিয়ে পুরো পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেওয়া তাজুল ইসলামের মতো সংগ্রামী মানুষেরা সত্যিই বিরল।

ต้องการให้ธุรกิจของคุณ บุคคลสาธารณะ ขึ้นเป็นอันดับหนึ่ง บุคคลสาธารณะ ใน Bang Kapi?
คลิกที่นี่เพื่อเป็นสมาชิก?

ประเภท

เว็บไซต์

ที่อยู่


Bang Kapi