Fairness
মৃত্যুর আগ পর্যন্ত যা বলব সব সত্য বলে যাব! যতদিন বাচবো সত্যের কথা বলে যাব আল্লাহ ছাড়া কাউকে করিনা ভয়!
ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলের উদ্দেশ্যে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিলো হুথি বাহিনী।
কিন্তু সৌদির আকাশ সীমা দিয়ে যাওয়ার সময় সৌদি এটিকে ভূপাতিত করে।
ভিডিওটি মদীনা থেকে ধারণ করা হয়েছে।
#কালেক্টেড
-ছাত্রলীগ আমাকে মারছে।
-ছাত্রলীগ একটা সন্ত্রাসী সংগঠন। ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ চাই।
-ছাত্রদল আমাকে মারছে।
-ছাত্রদল একটা সন্ত্রাসী সংগঠন। ছাত্রদল নিষিদ্ধ চাই।
-শিবির আমাকে মারছে।
-শালা শাহবাগী, মিথ্যুক, কাফের, নাস্তেক , দালাল, দোসর। শিবির মারছে প্রমাণ কই? মারার সময়ের ছবি কই? হামলাকারীদের শিবিরের মেম্বারশিপ কার্ড কই?
শিবিরের কোনো প্রোগ্রামে হামলাকারীদের ছবি কই?
-ভাই তদন্ত করে দ্যাখেন।
-শিবির একটা মেধাবী সংগঠন। শিবির যারা করে তাদের মেম্বার হতে ৭৯ টা বই পড়তে হয়। শিবির যারা করে তাদের সবার সিজিপিএ ফোর। শিবির যারা করে তারা একমাত্র খাঁটি দেশপ্রেমিক সহিহ বিপ্লবী। শিবিরই জুলাইয়ের প্রকৃত মাস্টারমাইন্ড। শিবির মারলে ভালোর জন্য মারছে। শিবির মারলে সওয়াব হয়।
18/02/2025
চট্টগ্রাম সিটি কলেজ চত্বরকে বলা হয় তবারক চত্বর। এই তবারক চত্বর হলো সিটি কলেজ ছাত্র সংসদের এজিএসের নামে। তিনি কিভাবে মারা গিয়েছিলেন- জানেন? শিবির ক্যাডারদের হাতে নিজ ক্যাম্পাসে কিরিচের কোপের পর কোপে। মূমুর্ষ অবস্থায় মারা যাওয়ার পূর্বে তবারক পানি চাইলে এক শিবির কর্মী তার মুখে প্রস্রাব করে দেয়। আমি জানি না এই ইতিহাস শোনার পর আপনি শিবিরকে কেন দোষী করবেন? একজন মানুষকে কুপিয়ে হত্যা করার জন্য নাকি জনসম্মুখে গোপানাঙ্গ প্রদর্শন করার জন্য।
যাক আরেকটা ঘটনা বলি।শাহাদাতের ব্যবহারিক পরীক্ষা পরদিন সকালে। সেই রাতে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে বেশ রাত করে ঘুমাতে যায় শাহাদাত। তার সাথে একই রুমে থাকত তার দুই বন্ধু। নাম যতটুকু মনে আসছে শফিক-মামুন। সেই রাতে রুমমেট দুইজন শাহাদাতকে ঘুমের মধ্যে জবাই করে হত্যা করে। শাহাদাতের অপরাধ কি ছিল জানেন? দুই রুমমেটের দাওয়াতি ডাকে সাড়া না দেয়া, ই-স-লা-মী ছাত্র শিবিরে যোগ না দেয়া। শাহাদাতের নামেও চট্টগ্রামে একটা চত্বর আছে।ঠিক স্মরণে আসছে না কোথায়- সম্ভবত নিউমার্কেট বা তার আগে কপার হাউজের মোড়ে।
১৯৯৭ সালে চট্টগ্রাম পলিটেকনিক দখলের জন্য পলিটেকনিক ছাত্রসংসদের ভিপি জিএসকে প্রথমে কোপায় তারপর রগ কেটে হত্যা করে। এরপর আলোচিত এইট মার্ডারের কথা বলা বাহুল্য। আশির দশকে চট্টগ্রামে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দখলের জন্য শিবির যে আন্ডারগ্রাউন্ড প্রোগ্রাম চালায় তা কয়জনে জানে। শিবির প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকার কটেজগুলি মেস হিসাবে ব্যবহার করে। তারপর গরীব কর্মীদের ঐ এলাকায় বিয়ের ব্যবস্থা করে। এমনকি রিকশাওয়ালা মুদিদোকানে বিনিয়োগ করে ক্যাডার তৈরী করে।
এই সময়ে তাদের ভয়ংকর গ্রুপ ছিল সিরাজুল- সালেহীন গ্রুপ যারা ত্রাস সৃষ্টি করে ছিল হাত পায়ের রগ কাটার মাধ্যমে। এই গ্রুপ চট্রগ্রাম থেকে গিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নৃশংসতা প্রর্দশন করার ঘটনাও আছে। শিবিরের রগকাটার ইতিহাস ও কলংক শুরু হয় এই গ্রুপের মাধ্যমে।
#সমাপ্ত #সংগ্রহীত
ছাত্রদলের একটা পোলা আছিলো, নাম নুরু। ওরে ক্রসফায়ার দিয়া মাইরা ফেলা হইসিল। ওরে যখন রক্ষীবাহিনী গুলি করতেছিল,তখন ওর রুহ কবজ করতে আইসা আজরাইল দেখলেন মানুষ কোরবানির গরু জবাইয়ের পর সেই গরুর হাত-পায়ের বান্ধন খুইলা দেয় জান চইলা যাওয়ার সময়, কিন্তু বাংলাদেশ নামক স্থানে একজন আশরাফুল মাখলুকাতের জান চইলা যাওয়ার সময় ও তার হাত-পায়ের বান্ধন খোলা হয় না।
বিশ্বাস করবেন, আমার কাছে লেখক মোশতাক এর হ্যান্ডকাফ লাগানো অবস্থায় রুহ চইলা যাওয়ার এই ঘটনা নতুন লাগে না!
কারন, আমি ছাত্রদলের মিলন নামের এক পোলারে চিনি,যারে রক্ষীবাহিনী রিমান্ডে নিয়া হাত আর পাওয়ের বিশটা নখ তুইলা নির্মম ভাবে হত্যা করছিলো।
আমি ছাত্র শিবিরের সোহান নামের এক পোলারে চিনি,যারে রক্ষীবাহিনী মাইরা ফেলবার আগে চোখ তুইলা অন্ধ কইরা দিছিলো।
লাশ,গুম,খুন দেখতে দেখতে কেমন জানি এখন এসব সহ্য হয়া গেছে।
বিশ্বাস করবেন, আমি লাশ দেইখা ভয় পাই না,ভয় পাই সেই লাশের সুরতহাল করতে নিয়া আসা রক্ষীবাহিনীকে দেখলে।
সংগৃহিত
ইসকন আর সনাতনী এক নয়!
আমরা ভারতীয় উগ্রবাদী সংগঠন ইসকন এর বিরুদ্ধে। হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে নয়।
এই জ*ঙ্গি*কে অবিলম্বে কঠিন শাস্তি দেওয়া হউক!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
404
Kabul
4400