Dr. Sheikh Abdur Rashid

Dr. Sheikh Abdur Rashid

Share

প্রাথমিক স্বাস্থ্য এন্ড পরিবার পরিকল্পনা রাজশাহী
ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল (DMF)যশোর
ফিজিওথেরাপি ও হিজামা

30/05/2025

"জানুন বিজ্ঞান কি বলছে! "
ডান না বাম পাশে ঘুমানো ভালো !

আপনি রাতে কোন পাশে ঘুমান? ডান? নাকি বাম?

অনেকেই জানেন না, কোন পাশে ঘুমানো আপনার স্বাস্থ্যকে ভালো রাখবে, আবার কোনটা হতে পারে ক্ষতির কারণ।

আজকে আমরা জানব –
ডান পাশে ঘুমানোর এবং বাম পাশে ঘুমানোর বিজ্ঞানসম্মত উপকারিতা।

ডান পাশে ঘুমানোর উপকারিতা:

✅ হৃদরোগীদের জন্য স্বস্তিকর
হৃদপিণ্ড বাম পাশে থাকে। ডান পাশে শুলে হৃদপিণ্ডের উপর চাপ কম পড়ে, যা অনেক হৃদরোগীর জন্য আরামদায়ক।

✅ বুক ধড়ফড় ও শ্বাসকষ্ট কমে
অনেক সময় বাম পাশে শুলে শ্বাসকষ্ট হয় বা বুক ভারী লাগে। তখন ডান পাশে শুলে আরাম পাওয়া যায়।

✅ ঘুমের বৈচিত্র আনতে সহায়ক
সবসময় এক পাশেই ঘুমালে ঘাড়, পিঠে ব্যথা হতে পারে। তাই মাঝেমধ্যে ডান পাশে ঘুমানো পেশীর জন্য ভালো।

✅ কিছু ক্ষেত্রে পেটের আরাম বেশি হয়
যদি আপনি ডান পাশে ঘুমাতে অভ্যস্ত হন এবং তাতে আরাম বোধ করেন, তাহলে সেটা আপনার জন্য উপযুক্ত হতে পারে।

এছাড়া ডান পাশে ঘুমানো তো আমাদের নবীজির সুন্নত। আমিও ডান কাতে ঘুমাই। ঘুমানোর পরের দায়িত্বটা আল্লাহতায়ালার।

বাম পাশে ঘুমানোর উপকারিতা:

✅ হজমে সহায়ক
বাম পাশে ঘুমালে পাকস্থলীর গঠন অনুযায়ী খাবার সহজে হজম হয়। অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা গ্যাসের সমস্যা কমে।

✅ লিভারের উপর চাপ কমে
ডান পাশে লিভার থাকে। বাম পাশে ঘুমালে লিভারের উপর চাপ পড়ে না, ফলে লিভার ভালোভাবে কাজ করে।

✅ মস্তিষ্ক পরিষ্কারে সাহায্য করে
ঘুমের সময় মস্তিষ্কের গ্লাইম্ফাটিক সিস্টেম কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, বাম পাশে ঘুমালে মস্তিষ্কের টক্সিন দ্রুত পরিষ্কার হয়।

✅ লসিকা নিষ্কাশন ভালো হয়
লসিকা তন্ত্র শরীরের বর্জ্য অপসারণ করে। এর বেশিরভাগ অংশ শরীরের বাম পাশে থাকে – তাই বাম পাশে শুলে ড্রেনেজ প্রক্রিয়া উন্নত হয়।

✅ গর্ভবতীদের জন্য উপকারী
বাম পাশে ঘুমালে গর্ভে শিশুর রক্তপ্রবাহ ঠিক থাকে এবং মা ও শিশু দুজনেই উপকৃত হন।

ঘুমের ভঙ্গি শুধু অভ্যাস নয় — এটি আপনার স্বাস্থ্য, হজম, মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।

তাই আপনি কোন দিকে শুচ্ছেন, সেটার দিকে একটু নজর দিন।
সুস্থ জীবন শুরু হোক ভাল ঘুম দিয়ে।
copy

29/05/2025

এন্টিবায়োটিকের ইতিহাস।(copy)
কেন খাবেন? উপকারিতা বা অপকারিতাই বা কি?
এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করার সময় আলেকজান্ডার ফ্লেমিং বলেছিলেন -
এই এন্টিবায়োটিকের কারণে আজ কোটি কোটি মানুষের প্রাণ বেঁচে যাবে। কিন্তু অনেক বছর পর এগুলো আর কাজ করবে না! তুচ্ছ কারণে কোটি কোটি লোক মারা যাবে আবার।

এন্টিবায়োটিক খাওয়ার কিছু নিয়ম আছে। একটা নির্দিষ্ট ডোজে, একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত এন্টিবায়োটিক খেতে হয়। না খেলে যেটা হতে পারে সেটাকে বলা হয় - এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স।

ধরুন, আমার দেহে এক লক্ষ ব্যাকটেরিয়া আছে। এগুলোকে মারার জন্য আমার ১০টা এম্পিসিলিন খাওয়া দরকার। এম্পিসিলিন এক প্রকার এন্টিবায়োটিক।
আপনি খেলেন ৭ টা। ব্যাকটেরিয়া মরলো ৭০ হাজার এবং আপনি সুস্থ হয়ে গেলেন। ৩০ হাজার ব্যাকটেরিয়া কিন্তু রয়েই গেল। এগুলো শরীরে ঘাপটি মেরে বসে জটিল এক কান্ড করল নিজেরা নিজেরা।

তারা ভাবল, যেহেতু এম্পিসিলিন দিয়ে আমাদের ৭০ হাজার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে, আমাদেরকে এম্পিসিলিন প্রুফ জ্যাকেট পরতে হবে এবার। প্ল্যান করে থেমে থাকে না এরা, বরং সত্যি সত্যি জ্যাকেট তৈরি করে ফেলে ওই ব্যাকটেরিয়াগুলো। এরা বাচ্চা-
কাচ্চাও পয়দা করে একই সময়ে। বাচ্চাদেরকেও সেই জ্যাকেট পরিয়ে দেয়। এর ফলে যেটা হয়, পরের বার এম্পিসিলিন নামক এন্টিবায়োটিকটা আর কাজ করে না!

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে, জ্যাকেট পরা ব্যাকটেরিয়া গুলো কেবল ঐ ব্যাক্তির শরীরেই বসে থাকে না। তিনি যখন হাঁচি দেন, কাশি দেন, ব্যাকটেরিয়া গুলো ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। এক সময় পুরো এলাকায়ই আর ওই এন্টিবায়োটিক কাজ করে না। যারা খুব নিয়ম করে ওষুধ খান তারাও বিপদে পড়ে যান সবার সাথে।

আমরা খুব ভয়ংকর একটা সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি দ্রুত। ব্যাকটেরিয়া আর তাদের বিভিন্ন "জ্যাকেট" এর তুলনায় এন্টিবায়োটিকের সংখ্যা খুব বেশি না। অনেক এন্টিবায়োটিক এখন আর কাজ করে না,বাকি
গুলোর ক্ষমতাও কমে আসছে। আমাদের বড় বড় হাসপাতাল থাকবে, সেখানে এফসিপিএস, এমডি,
পিএইচডি করা ডাক্তাররা থাকবেন কিন্তু কারোরই কিছু করার থাকবে না। সামান্য সর্দিতেই রোগী মরে সাফ হয়ে যাবে।

উন্নত বিশ্বের চিকিৎসা ব্যবস্থা আলাদা। তারা নিয়ম মেনে ডাক্তারের পরামর্শ মতো ওষুধ খায়। বিপদে আছি আমরা। "মেডিসিনের বাইবেল" নামে পরিচিত ডেভিডসের বইয়েও আমাদের এই উপমহাদেশের উল্লেখ আছে আলাদা করে। অনেক ট্রিটমেন্টে বলা হয়েছে,

This organism is registant against this Drugs in the subcontinent - অর্থাৎ এই জীবাণুটি উপমহাদেশের এই ওষুধগুলোকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

টিভি পত্রিকায় নানান বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা হয়। বাথরুম করে হাত ধুতে হবে, কাশি হলে ডাক্তার দেখাতে হবে, নিরাপদ পানি খেতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু এন্টিবায়োটিক নিয়ে কোনো কিছু আজও চোখে পড়েনি। অথচ এটা অন্যগুলোর চেয়ে বেশি জরুরি। এন্টিবায়োটিক কাজ না করলে এত সচেতনতা দিয়েও আর লাভ হবেনা। আগুন নিয়ে খেলছে ফার্মেসি ওয়ালারা।

রোগী ফার্মেসীতে গিয়ে একটু জ্বরের কথা বললেই ফার্মেসিতে বসে থাকা সেই লোকটি দিয়ে দিচ্ছে Azithromycin_Cefixime_Cefuroxime অথবা Levofloxacin নামক কিছু নামকরা দামী এন্টিবায়োটিক, কিন্তুু কত দিন খেতে হবে সেটা না জানিয়ে সুন্দর করে বলে দেয় এই ওষুধটি ২/৩ ডোজ খাবেন, সব রোগ ভালো হয়ে যাবে আর এই ভাবেই আস্তে আস্তে Resistance হচ্ছে সব এন্টিবায়োটিক।

চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে যারা জড়িত তাদেরকে এখনই ব্যাপারটা নিয়ে ভাবা উচিত। সবাইকে এন্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। না হলে আমাদের ভবিষ্যত অন্ধকার।

-------- পাহাড়ি জীবন ✍️📷copy

17/03/2025

📝কেন,স্ট্রোক বাথরুমেই হয়?
এর পেছনে মূল কারণ হলো গোসলের সময় আমরা যে ভুল পদ্ধতি অনুসরণ করি। অনেকেই বাথরুমে ঢুকে প্রথমেই মাথা এবং চুল ভেজান, যা একদমই ঠিক নয়। এইভাবে প্রথমেই মাথায় পানি দিলে রক্ত দ্রুত মাথায় উঠে যায়, ফলে কৈশিক ও ধমনী ছিঁড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ থেকেই স্ট্রোক বা পক্ষাঘাতের মতো ঘটনা ঘটে।

📢দেশজুড়ে গবেষণায় দেখা গেছে, গোসলের সময় স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বা পক্ষাঘাতের ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, গোসল করার সময় কিছু সঠিক নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। প্রথমেই মাথায় পানি না দিয়ে ধীরে ধীরে শরীরের তাপমাত্রাকে বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া উচিত।

✍️সঠিক পদ্ধতি হলো:
১. হাতের কবজি প্রোজন্ত ধুয়া।
২, কুলি করা।
৩. নাকে ভিতরে পানি দেওয়া।
৪.পুরো মুখো মন্ডল ধুয়া।
৫.দুই হাতের কনুই প্রজন্ত ধুয়া।
৬.মাথা মাশাহা করা।
৭.দুই পা ধুয়া/কলমায়ে শাহাদাত পড়া।
৮.ডান কাধে পানি ঢালা।
৯.বাম কাধে পানি ঢালা।
১০.মাথায় পানি ঢেলে পরিপূর্ণ শরির ধুয়া/ গোসল করা।
এই ভাবে গোসল করলে যেমন ইসলাম মানা হয় / সেই সাথে অজু করা হয়ে যাই।
এই ভাবে গোসল করলে স্ট্রোক হওয়া থেকে মুক্তি যাবে ইনশাআল্লাহ।

🧏এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে রক্ত সঞ্চালনের গতি স্বাভাবিক থাকে এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। তাই গোসল করার সময় এই ছোট্ট নিয়মগুলো মেনে চলুন, সুস্থ থাকুন।

🏥স্বাস্থ্য"ভালো রাখুন

14/03/2025

👅 জিহ্বার রঙ বলে দেবে আপনি সুস্থ না অসুস্থ। রোগ নির্ণয়ে জিহ্বা একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা দেখে 👩‍⚕️ চিকিৎসকরা সহজেই রোগের লক্ষণ বুঝে ফেলেন।
🖋️রোগের ভিন্নতায় জিহ্বা নানা বর্ণ ধারণ করে।
দিনের আলোয় জিহ্বার রঙ দেখা সবচেয়ে ভালো। উন্নত 🔦 লাইটের মাধ্যমে যে কোনো সময় জিহ্বার রঙ পরীক্ষা করা যায়।

📌🖋️ জিহ্বার রঙ দেখতে হলে খাবার গ্রহণের অন্তত ৩০ মিনিট পর দেখতে হবে।
🔵 জিহ্বার রঙ পুরোপুরি নীল না হয়ে নীলাভ হতে পারে। সায়ানোসিসের ক্ষেত্রে জিহ্বা নীল বর্ণ ধারণ করতে পারে।
-আপনার শরীরে অক্সিজেন দ্রুত কমে গেলে জিহ্বা এবং মুখের রঙ নীলাভ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে রোগীকে দ্রুত অক্সিজেন দিতে হবে।
-এ ছাড়া ফুসফুসের কিছু রোগ যেমন সিওপিডিতে জিহ্বার রঙ নীলাভ হতে পারে।
-কখনো কখনো কিডনি রোগে জিহ্বার রঙ হালকা নীলাভ হতে পারে।

🔵 গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের অভাবের কারণে জিহ্বার রঙ ফ্যাকাশে দেখা যায়।
🔵 জিহ্বার রঙ সাদা হলে শরীরে পানিশূন্যতা থাকতে পারে। ছত্রাক সংক্রমণ অথবা ভাইরাস জ্বরেও এমন হতে পারে। �
🔵 জিহ্বার ওপর সাদা দাগ বা সাদা আবরণ বলে দেয় ওরাল থ্রাশের কথা। ওরাল থ্রাশ এক ধরনের ইস্ট সংক্রমণ। আবার লিউকোপ্লাকিয়া হলেও একই অবস্থা দেখা যেতে পারে।
-জিহ্বার ওপর ব্যথাযুক্ত মুখের আলসারের কারণে হতে পারে অথবা মুখের ক্যান্সারের কারণেও হতে পারে।

🔵 জিহ্বার রঙ নীল হলে রোগীর শরীরে অক্সিজেনের অভাব হতে পারে।
🔵 কালো রঙের জিহ্বা প্রচুর পরিমাণে ব্যাকটেরিয়া জমা হওয়ার কারণে দেখা দিতে পারে।
-জেনেটিক কারণেও কালো রঙের জিহ্বা দেখা যেতে পারে। -মাঝে মাঝে অ্যান্টিবায়োটিক এবং গ্যাস্ট্রিকের কিছু ওষুধ সেবনের পর জিহ্বার রঙ কালো হয়ে যেতে পারে।
-আবার কিছু মাউথ ওয়াশ দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার করলে জিহ্বার রঙ কালো হতে পারে।

🔵 উজ্জ্বল লাল রঙের জিহ্বা দেখা গেলে বুঝতে হবে ফলিক এসিড অথবা ভিটামিন বি১২-এর অভাব থাকতে পারে।
-এছাড়া স্কারলেট ফিবার এবং শিশুদের ক্ষেত্রে কাওয়াসাকি ডিজিজের ক্ষেত্রে জিহ্বার রঙ লাল হতে পারে।
-হৃদযন্ত্রের কোনো রোগের ক্ষেত্রে জিহ্বার রঙ লাল হতে পারে।
🔵 কালো অথবা হেয়ারি টাং ব্যাকটেরিয়ার বংশ বৃদ্ধির লক্ষণ হতে পারে। ডায়াবেটিস রোগীদের অথবা অ্যান্টিবায়োটিক ও কেমোথেরাপি গ্রহণকারী রোগীদের ক্ষেত্রে হতে পারে।

🔵 হজম প্রক্রিয়ায় সমস্যা হলে জিহ্বার রঙ ধূসর হতে পারে। জিহ্বার উপরিভাগে সাদা আবরণ বেশি হলে সংক্রামক রোগ হতে পারে। আবার কোনো বিষক্রিয়ার কারণে এমন হতে পারে।
🔵 লিভার এবং পাকস্থলীর কোনো সমস্যা হলে জিহ্বার রঙ হলুদ অথবা হলুদাভ হয়ে থাকে। জিহ্বার ওপর ধূসর আস্তরণ গ্যাস্ট্রাইটিস এবং পেপটিক আলসারের লক্ষণ।

🔵 জিহ্বার ওপর বাদামি আস্তরণ ফুসফুসের কোনো রোগের লক্ষণ হিসাবে দেখা দিতে পারে।

🔵 হজমের সমস্যার ক্ষেত্রে জিহ্বার ওপর হলুদ আস্তরণ পড়তে পারে।

তবে জিহ্বার রঙ যেমনই হোক না কেন, তা দেখে কিন্তু পুরোপুরি একটি রোগ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। এটা একটা প্রাথমিক ধারনা মাত্র। ধারনা কোনো রোগ নির্ণয় করতে হলে রোগীর বিস্তারিত ইতিহাস এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে করতে হয়।

সুত্র: যুগান্তর

12/03/2025

🩺 নাকের মাংস বৃদ্ধি তথা পলিপাস
অনেকেই নাকের মাংস বৃদ্ধির কারণে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে।পলিপাস থাকলে সেনাবাহিনীর চাকরিতে তাকে নেওয়া হয় না।

🛑মানবদেহের রক্তের ইসনোফিল ও সিরাম আইজিই এর পরিমাণ বেড়ে গেলে, নাকে এক ধরনের মাংসপিন্ড ধিরে ধিরে বাড়তে থাকে ।

প্রথমে এটি আকারে ছোটো থাকে এবং মটরশুটির মতো দেখা যায় । পরবর্তীতে এটি আকারে বড় হয়ে নাকের ছিদ্র বন্ধ করে দেয় । একে নাকের মাংস বৃদ্ধি বা পলিপাস বলে।

🩺 পলিপাস এর লক্ষণঃ
পলিপাস এর বিভিন্ন লক্ষণ রয়েছে । যেমনঃ
1. একনাগাড়ে হাঁচি
2. নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম
3. নাক এবং তালু চুলকানো
4. নাকে ব্যাথা এবং নাক দিয়ে পানি পড়া
5. মাথা ব্যাথা
6. জ্বর জ্বর অনুভূতি
7. খাবারে অরুচি
8. ঘুমের সময় নাক ডাকা
9. কখনো কখনো নাক থেকে রক্তক্ষরণ হওয়া
10. শরীর শুকিয়ে যাওয়া এবং কখনো নাকের মাংস বাইরে বের হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।

🩺 চিকিৎসা :
অপারেশন এর মাধ্যমে চিকিৎসা প্রচলিত থাকলেও অনেকে অপারেশন করতে আগ্রহী নন।
অথচ ভারতে অপারেশন ছাড়া ইনজেকশন এবং ক্রিমের মাধ্যমে পলিপাসের চিকিৎসা বহুল প্রচলিত।

যখন জানতে পারলাম এই চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পূর্ণ এসিড মুক্ত তখন, হাতে কলমে শিক্ষা (এলোপেথিক শিক্ষা) গ্রহন করি।

🩺 চিকিৎসা পদ্ধতিঃ-
>>বিনা অপারেশনে।
>>রক্তপাত মুক্ত।
>>কম সময়ে চিকিৎসা করা হয়।
>>একেবারেই কাজ শেষ ফলে বার বার আসতে হয়না।
>>ভেষজ ক্রিম বা জেল ব্যবহার করে চিকিৎসা করা হয়।বা এলোপেথিক ঔষধ দেওয়া হয়।

🖋️চিকিৎসক আ:রশিদ DMF
Reg:6024 ptf
>> গবেষণা ভিত্তিক পদ্ধতি।
মোবাইল নম্বর : 0১৯৭০ ৮৯৮৯১৪( ইমু)

11/03/2025

✍️শিশুর জন্য বালিশ ব্যবহার করা কতটা উপকারী?
🟢 একেবারে নবজাতক শিশুর ক্ষেত্রে অন্তত প্রথম এক মাস কোনোরকম উঁচু তুলার বালিশ বা সরিষার বালিশ ব্যবহার না করে, নরম কাপড় বা কাঁথা ভাজ করে (পাতলা করে ) বালিশের মতন ব্যবহার করতে পারেন।
মেয়ে কে ছোট থেকেই বালিশ ছাড়াই অভ্যাস করেছি, এর জন্য ওর মাথার যেকোনো একটি অংশ চ্যাপ্টা হয়ে যাওয়ার মতো কোনো সমস্যা হয়নি।

* আসলে প্রথম দুবছরের বাচ্চাকে যত কম বালিশে শোয়াবেন, বাচ্চার ঘাড়ের হাড়,পেশি ও মেরুদন্ডের জন্য ততই উপকারি।

❎আর বালিশ ব্যবহারের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন, ছবিতে যেমন দেখছেন বালিশের উচ্চতা এতটা বেশি যেন না হয়।
কারন এতে বাচ্চার থুতনি, চেপে বাচ্চার বুকের সাথে লেগে থাকে, যা বাচ্চার প্রপারলি ব্রিডিং বা শ্বাস-প্রশ্বাস চালাতে অসুবিধা সৃষ্টি করে।

❎ বাচ্চার ঘুম ঠিক মত হয় না, কান্না করলে, বাচ্চার অবস্থান একটু চেঞ্জ করে দেবেন।

✅ সর্বদা এমন উচ্চতার অপেক্ষাকৃত পাতলা বালিশ ব্যবহার করবেন।

06/03/2025

🖋️শিরায় বা মাংস'পেশি'তে ব্যথা ও করণীয় এবং নিষেধ...

#আলহামদুলিল্লাহ্!
মাংস পেশি'তে ব্যথা হয়, তখন'ই, যখন এক'টি পেশি বা পেশি'গুচ্ছে'র ওপর চাপ পড়ে বা তাদের অতিরিক্ত ব্যবহার হয়।

এটি তীব্র বা দীর্ঘ'স্থায়ী হতে পারে।
পেশি'র ব্যাথা'র সমস্যা প্রাথমিক'ভাবে ব্যথা'র মূল কারণের ওপর নির্ভর করে। সব'চেয়ে সাধারণ কারণ'গুলি'র অন্য'তম হচ্ছে, ক্লান্তি, চাপ, দাঁড়ানো বা বসা'র বা শুয়া'র ত্রুটি'পূর্ণ ভঙ্গী এবং হালকা বা তীব্র আঘাত।

যে কারণে সব থেকে বেশি শিরায় বা মাংস'পেশি'তে ব্যথা হয় বা বিভিন্ন জ্বালা যন্ত্রণা হয়:-

১. Vitamin's B1+ B6+ B12 এর শরীরে অভাব হলে। ২. দীর্ঘ'দিন ধরে ক্ষতি'কর ঔষধ খেলে।
৩. দীর্ঘ'দিন ধরে অ্যালকোহল-(মাদক) পান করলে।
৪. শরীরে ইউরিক এসিড এর পরিমাণ বেশি হয়ে গেলে।
৫. কোন আসামি'কে শারীরিক'ভাবে টর্চার করলে।

ব্যথা অবহেলা করলে, শিরায় বা মাংস'পেশি'তে ব্যথা থেকে হতে পারে প্যারালাইসিস।

🍯যে খাবার'গুলো খাবেন না:-
কলাই ডাল, হাঁসের মাংস, হাঁসের ডিম, চিংড়ি মাছ, গরুর মাংস।

(অপারেশন করলে'ই যে, ভালো হবে নিশ্চিত বলা সম্ভব না)

করণীয়:-
কুসুম কুসুম গরম সরিষার তেল বা অলিভ অয়েল দিয়ে যন্ত্রণা'দায়ক জায়গায় ব্যবহার করুন এবং অভিজ্ঞ চিকিৎস'কের সু-চিকিৎসা নিন, সুস্থ হবেন, ইন-শা-আল্লাহ্।

(চিকিৎসা চলাকালীন ২৮ দিন ভারী কোন কাজ করা যাবে না)

25/02/2025

🇨🇭পিরিয়ড (মাসিক) চলাকালীন সময়ে নীচের চারটি কাজ অবশ্যই বর্জন করুন।

🇨🇭পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে ঠান্ডা পানি,বা কোমল পানীয় এবং নারিকেল একদম খাবেন না

🇨🇭 এসময় মাথায় শ্যাম্পু ব্যাবহার করবেন না। কারণ
পিরিয়ডের সময় চুলের গোড়া আলগা হয় ফলে
লোমকূপ উন্মুক্ত হয়ে পড়ে। শ্যাম্পু ব্যাবহার
এসময় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং দীর্ঘস্থায়ী
মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।

🇨🇭এসময় শশা খাবেন না। কারণ শশার মধ্যে থাকা
রস পিরিয়ডের রক্তকে জরায়ু প্রাচীরে আটকে
দিতে পারে। যার ফলে আপনার বন্ধ্যা হয়ে যাওয়ার
সম্ভাবনা রয়েছে।

🇨🇭এছাড়াও লক্ষ্য রাখবেন, পিরিয়ডের সময় যেন
শরীরে শক্ত কিছুর আঘাত না লাগে, বিশেষত
পেটে। পিরিয়ডের সময়টায় জরায়ু খুব নাজুক থাকে
ফলে অল্প আঘাতেই মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হতে
পারে। যার ফলে পরবর্তীতে জরায়ু ক্যান্সার,
জরায়ুতে ঘাঁ কিংবা বন্ধ্যাত্যের ঝুঁকি থাকে।

🇨🇭গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পিরিয়ড চলাকালীন
সময়ে ঠান্ডা পানি পান করার ফলে পিরিয়ডের রক্ত বের না হয়ে জরায়ু প্রাচীরে জমাট বাঁধতে
পারে। যা পরবর্তী ৫ থেকে ১০ বছরের
মধ্যে জরায়ু টিউমার বা ক্যান্সারের আকার ধারণ করতে পারে।

🇨🇭 এই তথ্যটুকু আমাদের স্ত্রী, মা,বোন, কন্যা,সকলের কাছে পৌছে দিতে হবে। সচেতন হোন সুন্দর জীবন গড়ুন।

09/02/2025

🩺 বাচ্চাদের বিভিন্ন সমস্যার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং পরিচর্যা 🍼শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রেখে দিন কখনো না কখনো কাজে লাগতে পারে এবং অন্যরাও যেন উপকৃত হতে পারে! 🌟

🪱 কৃমি হলে কী করবেন?

🔹 ১ বছর থেকে ২ বছর বয়সঃ

Syp. Melphin: ১ চামচ ১ বার, ৭ দিন পর আবার ১ চামচ।
অথবা

Syp. Alben: ১ চামচ ১ বার, ৭ দিন পর আবার ১ চামচ।

🔹 ২ বছর বা তার বেশি বয়সঃ

Syp. Solas: ১ চামচ সকালে এবং রাতে, এভাবে ৩ দিন।
অথবা

Syp. Alben: ২ চামচ ১ বার, ৭ দিন পর আবার ২ চামচ।

-----------------

💦 ডায়রিয়া হলে কী করবেন?

১. খাবারঃ

ORS, ডাবের পানি, খিচুড়ি, চিড়ার পানি, ভাতের মাড়, আলু ও কলা ভর্তা ভাত।

২. ORS খাওয়ানোর নিয়মঃ
৬ মাসের আগে খাবার স্যালাইন দিবেন না।
< ২ বছর: প্রতিবার পায়খানার পর ১০-২০ চামচ।

> ২ বছর: প্রতিবার পায়খানার পর ২০-৪০ চামচ।

৩. Syp. Zinc/Xinc/Nid:

< ৬ মাস: হাফ চামচ দিনে ২ বার (১৪ দিন)।

> ৬ মাস: ১ চামচ দিনে ২ বার (১৪ দিন)।

৪. Probiotics/Enterogermina Sachet:

১ প্যাকেট পানি বা দুধের সঙ্গে মিশিয়ে দিনে ১ বার (৫ দিন)।

-------------------

🍽️ বাচ্চাদের রুচি বাড়ানোর জন্য:

১. Syp. Xinc/Zesup/Nid:

ওজন < ১০ কেজি: হাফ চামচ ২ বেলা (৭ দিন)।

ওজন ১০-৩০ কেজি: ১-১.৫ চামচ ২ বেলা (৭ দিন)।

২. Syp. Pogo/Vitagrow/Dorakid:

৭-১২ মাস: হাফ চামচ ১ বেলা (১০ দিন)।

১-৪ বছর: ১ চামচ ১ বেলা (১০ দিন)।

৪ বছরের বেশি: ১.৫ চামচ ১ বেলা (১০ দিন)।

-----------------------------

🤒 বাচ্চাদের কাশি ও বাঁশির মতো শব্দ হলে:

১. Ambrox Pediatric Drop:

০-৩ মাস: ৫ ফোটা, ৩ বার (৭ দিন)।

৩-৬ মাস: ১০ ফোটা, ৩ বার (৭ দিন)।

৬ মাস-১ বছর: ১ মিলি, ৩ বার (৭ দিন)।

১-২ বছর: ২ মিলি, ৩ বার (৭ দিন)।

> ২ বছর: Syrp. Ambrox - ১ চামচ, ৩ বার (৭ দিন)।

২. Syrp. Levostar (১mg/৫ml):

৬ মাস-১ বছর: ১.৫ মিলি, ৩ বার (৭ দিন)।

১-৩ বছর: ২.৫ মিলি, ৩ বার (৭ দিন)।

৩. নাক বন্ধ থাকলে:

Solo Nasal Drop: ১ ফোটা, ৩ বার (১৫ দিন)।
-------------------------

🌿বাচ্চাদের পেটে ব্যাথা হলে কি ওষুধ দিবেন?

✅ SYP. ALGIN
বয়স অনুযায়ী সঠিক ডোজ:
👉 ৬ মাস - ২ বছর: হাফ চামচ, দিনে ৩ বার (ভরা পেটে)
👉 ২ - ৬ বছর: ১ চামচ, দিনে ৩ বার (ভরা পেটে)
👉 ৬ - ১০ বছর: ১.৫ চামচ, দিনে ৩ বার (ভরা পেটে)

⏳ চিকিৎসার মেয়াদ: ৩-৫ দিন

----------------------

☘️আপনার বাচ্চার জ্বর হলে কিভাবে ওষুধ দিবেন?

➡️ Syrup Napa (120mg/5ml):

পরিমাণ: ১৫mg প্রতি কেজি ওজন অনুযায়ী।

খাওয়ানোর নিয়ম: দিনে ৩-৪ বার, ৩-৫ দিন পর্যন্ত।

➡️Napa Pediatric Drop:

পরিমাণ: ৭-১০ ফোঁটা (১ml = ১৫ ফোঁটা)।

খাওয়ানোর নিয়ম: দিনে ৩ বার।

হিসাব: প্রতি কেজি ওজন অনুযায়ী ১৫mg।

🚫শিশুর বয়স অনুযায়ী ওষুধ বাছাই করুন

✅৩-৬ মাস বয়সী শিশুকে Napa Pediatric Drop।

✅এর পর সিরাপ ব্যবহার করুন।

➡️ জ্বর ১০১°F এর বেশি হলে:

Suppository ব্যবহার করুন।

---------------------------

🌺বাচ্চাদের scabies এর চিকিৎসা:

Elimate plus lotion/Lorix cream
রাতের বেলা গোসলের পর মুখ ও মাথা বাদে সারা শরীরে এই লোশন লাগাবেন।
৮-১২ ঘন্টা পর সকাল বেলা হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করবেন।
পরিবারের সকল সদস্য একসাথে একই নিয়মে বাব্যহার করবেন।
ব্যবহার্য সকল কাপড় চোপড় ভালো করে সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন।
লেপ তোষক রোদে দিবেন। একই নিয়মে ৭ দিন পর এই লোশন ব্যবহার করবেন।

ডোজ কি?
1-5 years: 1/4th tube
6-12 years: 1/2th tube
>12 years : apply full tube

🌿শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন🌿

19/05/2024

🧏ব্রণের চিকিৎসা
✍️ব্রন হচ্ছে ত্বকের একটি দীর্ঘ মেয়াদী রোগ,যার দ্বারা কখনোই আক্রান্ত হয়নি....এমন একজন ব্যক্তি খুজে পাওয়া কষ্টকর।
😜কৈশোরে পদার্পণের পর থেকে সাধারণত ১২ বছর বয়স থেকে ৩৫ বা কখনো ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত, জীবনে প্রায় সবাই কম বা বেশি ব্রন এ আক্রান্ত হয়েছেন, পরবর্তীতে এর দাগ কিংবা গর্ত নিয়ে চিন্তিত হয়েছেন, 😇

🫶সে মেয়ে হোক, কিংবা ছেলে।
সাধারণত মুখ-মন্ডলে বিশেষ করে গালে,
নাকে, থুতনিতে কিংবা কপালে এটা সবচেয়ে বেশি হয়।এছাড়া বুকে, পিঠের ওপরের দিকে, গলা, হাতের উপরিভাগেও ব্রন হয়ে থাকে।

🤳বিভিন্ন রকম ব্রন হতে পারে যেমন কমেডোন, সিস্ট, নডিউল, প্যাপিউল, কখনো আবার পুঁজযুক্ত ব্রনও হয়ে থাকে।

🥰বয়ঃসন্ধি কালে ব্রণ এর প্রকোপ একটু বেশি হওয়া স্বাভাবিক। আবার কখনও হরমোনের অসমতাজনিত কারণ,প্রেগন্যান্সি,জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি, পিরিয়ডের অনিয়ম সহ বিভিন্ন বিষয় ব্রণ হওয়ার সাথে জড়িত থাকতে পারে।
আজকাল মেয়েরা বিভিন্নরকম মেকাপ, কসমেটিক সামগ্রী ব্যবহার করে থাকে, লোমকূপের ইনফেকশন হয়। কেউ আবার তথাকথিত ফর্সা হওয়ার ক্রিম ব্যবহার করে ব্রণ দুর্ভোগ নিজেই কাছে টেনে আনছেন !

মাতার ত্বকের খুশকি থেকেও ব্রণ হতে পারে। তবে যাই হোক, মন খারাপ করার কিছু নেই,সব সমস্যার ই সমাধান আছে।

🌹বর্তমানে ব্রনের জন্য উদ্ভাবিত হয়েছে অত্যন্ত কার্যকরী আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি, এমনকি সাথে দাগ ও গর্ত সারিয়ে আপনিও পেতে পারেন আগের চেয়েও আরো উজ্জল ত্বক। এজন্য আছে বিভিন্নরকম এসথেটিক ট্রিটমেন্ট প্রসিডিওর, আছে বিভিন্ন লেজার ট্রিটমেন্ট।
😇কিন্তু আপনাকে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আপনার জন্য উপযুক্ত চিকিৎসা পদ্ধতি নিতে হবে এবং তার পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে।

****তবে নিজে থেকে চিকিৎসা নিলে এই ওষুধগুলো ব্যবহার করুন ****

Rx,
Tab,Doxicap 100mg
0+0+1,,,,,,14day(2টা ১ম দিন)

Tab,Deslor
0+0+1,,,,,,14day

Cream,Betameson-N
0+0+1,,,21day freshwhas diye

Syp,Hepatolin
3+3+3,,, চামচ পানিসহ খাবেন
কৃমি ওষুধ না খেলে তাও খাবেন।
তৈলাক তো খাবার কম খাবেন।
রাত্রে জাগরণ কম করবেন।

04/05/2024
Want your business to be the top-listed Health & Beauty Business in Andulbaria?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Andulbaria
7200