BREB-BANGLADESH RURAL ELECTIFICATION BOARD
মানুষের সেবায় নিয়োজিত প্রান
বৈদ্যুতিক মিটারে E লিখা দেখায়। আপনার বিদ্যুৎ ভূতে খাচ্ছে না ত?
বছরখানেক আগে গ্রামে গিয়েছিলাম। গ্রামের এক চাচীর বাসায় শুধু একটি ফ্যান, একটি দুটো লাইট জ্বলে। কিন্তু অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসে। এদিকে গ্রামের সবাই গুজব রটাতে শুরু করল যে, চাচীর বাসায় ভূত আছে যে বিদ্যুৎ খায়!
অতঃপর আমি চাচীর বাসার এনার্জি মিটারের দিকে লক্ষ্য করে দেখলাম E শো করছে। সেখানে মিটারের আউটপুট সাইডের নিউট্রালকে একটি রড দিয়ে মাটিতে আর্থিং করা হয়েছে এবং যে পোল থেকে মিটারে লাইন নেয়া হয়েছে তা আর্থিং করা হয়নি। আমি ব্যাপারটা বুঝে গেলাম। তারপর পল্লী বিদ্যুৎ এর সার্ভিসম্যানদের এনে চাচীর বাড়ির বৈদ্যুতিক মিটারের সাপ্লাই সাইডের নিউট্রালকে আর্থিং করে দিই। এরপর থেকে আলহামদুলিল্লাহ আর কোন সমস্যা হয়নি। যাস্ট ভাবুন! একটি টেকনিক্যাল আইডিয়াই পুরো ঘটনার মোড় ঘুরিয়ে দিল।
কিন্তু ভাই পুরো ঘটনাই ত মাথার উপরে দিয়ে গেল! কিভাবে কি হল! নো টেনশন একটু বুঝিয়ে বলি। পল্লী বিদ্যুৎ বা যেকোন বিদ্যুৎ কোম্পানির পোল থেকে ত আর আপনি একা লাইন নেন না ভাই! অনেক গ্রাহকই তার ফেজ, নিউট্রাল লাইন ব্যবহার করছে। এখন বিদ্যুৎ সবার বাড়িতে ফেজ লাইন হয়ে যায় কিন্তু সেই নিউট্রাল লাইন হয়ে আবার পোলের আর্থিং লাইন দিয়ে টাটা bye bye করে মাটিতে চলে যেতে চায়। এখন যদি বিদ্যুৎ কোম্পানি তাদের পোলের নিউট্রাল লাইনকে আর্থিং না করে তখন খেসারত দিতে হবে প্রতিবেশীকে। কারণ বিদ্যুৎ এতকিছু বুঝবেনা সে শুধু ভূমিতে রিটার্ন ব্যাক করতে চাইবে। যখন পোলের আর্থিং লাইন পাবেনা সে চাইবে নিকটবর্তী কোন প্রতিবেশীর মিটারের আর্থিং করা লাইন দিয়ে মাটিতে চলে যেতে। যেটা খুবই স্বাভাবিক। মানুষ যেমন বের হওয়ার এক রাস্তা বন্ধ হলে বিকল্প রাস্তা খুজে বিদ্যুৎ ও তার ব্যতিক্রম নয়।
এখন আরেক বাসার বিদ্যুৎ যদি আপনার মিটারের লোড সাইডের আর্থিং লাইন দিয়ে যায় তাহলে মিটার বেচারা মনে করবে আপনার বাসার লোডগুলো এক্টিভ! তাই সে তার মত রিডিং বাড়িয়েই যাবে! আর বাড়তি বিল গুণতে হবে আপনাকে। যেমনটা চাচীর সাথে হয়েছিল। তাই আমি চাচীর মিটারের আর্থিং লোড সাইডে না করে, ইনপুট/সাপ্লাই সাইডে করে দিতে বলেছি।
তার মানে যা দাড়ালোঃ
যদি আপনার লোকাল পোল (যেখান থেকে সার্ভিস লাইন নেয়া হয়েছে) এ আর্থিং/গ্রাউন্ডিং করা না থাকে তাহলে আপনার এনার্জি মিটারের ইনপুট/সাপ্লাই সাইডের নিউট্রাল N কে আর্থিং করতে হবে।
তাই এসব ব্যাপার ভূতুড়ে নয় বরং পুরোটা
14/07/2024
কইরে আমার ছোট্ট বেলার
হারিয়ে যাওয়া সুখ,
আয়রে তোরে জ*ড়িয়ে ধ*রে
ঠান্ডা করি বুক।
কইরে আমার রঙিন সুতা
কাটের নাটাই কই!
কইরে ঘুড়ি আয়রে তোদের
একটু হাতে লই।
ছোট্ট বেলার সাধের লাটিম
কোথায় গেলি বল!
আয়রে কাছে দে মুছে দে
স্মৃতির নোনাজল।
পুতুল খেলার সঙ্গীরা সব
কোথায় গেলি ভাই!
চড়ুইভাতি রান্না করে
আয়রে সবাই খাই।
কোথায় আমার ঝড়ের দিনের
কুড়িয়ে খাওয়া আম
আয়না তোদের একটু কুড়াই
বৃষ্টিরা কই নাম।
কোথায় আমার বাঁশের ধনুক
পাটের শোলার তীর,
আয়রে তোদের একটু ছুড়ে
মনটা করি স্থির।
আমার শখের ছাগল ছানা
সুন্দরী তুই কই,
আয়রে তোরে চরাই মাঠে
একটু রাখাল হই।
কাঁঠাল খেজুর সিমের বিচি
কোথায় তোরা গেলি
আয়না কাছে তোদের দিয়ে
জোড় না বেজোড় খেলি।
কোথায় আমার খড়কুটাতে
পুটলি বাঁধা বল
আয়রে তোরে একটু খেলি
চলরে মাঠে চল।
ছোট্ট বেলার বড়শি সুতা
কোথায় গেলি ভাই
চল না স্মৃতির পানান বিলে
মাছ ধরিতে যাই।
কোথায় আমার ছোট্ট সোনা
ময়না পাখির ছা
ফড়িং ধরতে আয় না রে যাই
দুরের কোন গাঁ।
কইরে আমার আমন ক্ষেতের
পোকায় কাটা ধান
আয়রে তোরে আঁচল ভরে
কুড়িয়ে জুরাই প্রাণ।
তিন বেয়ারিং এর কাঠের গাড়ি
কোথায় গেলি তুই
আয়না তোরে একটুখানি
হৃদয় দিয়ে ছুঁই।
ছোট্ট বেলার নাটাই ঘুড়ি
লাটিম পুতুল বল
দেখনা চেয়ে কেমনে আমার
ঝরছে আঁখি জল।
যেদিন তোদের ছেড়ে এলাম
শূন্য করে বুক
সেদিন থেকে আর কোনদিন
শুকায়নি দুই চোখ।
উঠতে কাঁদি বসতে কাঁদি
কাঁদছি অনর্গল
তোদের মত আসে না কেউ
মুছতে আঁখি জল।
এ সংসারের সবাই পাষাণ
পাষান এ সংসার
এদের দহন এদের পিড়ন
সয়না প্রাণে আর।
ছোট্ট বেলার দিনগুলি মোর
ধরছি তোদের পা
আবার তোরা তোদের কাছে
আমায় নিয়ে যা।
ছেড়ে দে সেই নাটাই ঘুড়ি
বল পুতুলের ভিড়ে
বাকি জীবন থাকব সেথায়
আসব না আর ফিরে।
শিরোনাম :-শৈশব স্মৃতি
লেখায়:- ফেরদৌস আহমেদ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Address
Barisal