Back from silence

Back from silence

Share

গল্প যেখানে বদলায় চিন্তা

25/08/2025

একটা বিষাক্ত সম্পর্কে থাকা নারীর দিকে বাইরে থেকে তাকালে অনেকেই ভাবে—
“সে অন্ধ, বোকা বা সরল মেয়ে, তাই থাকছে।”
কিন্তু তারা বোঝে না—সে জানে।
সে ঠিকই জানে কী হচ্ছে। সে মিথ্যাগুলো দেখে, অসম্মানটা অনুভব করে, প্যাটার্নগুলো চিনে ফেলে।
সে অজ্ঞ নয়… সে হিসেব কষছে। প্রস্তুতি নিচ্ছে।
কারণ একজন নারীর জন্য সম্পর্ক ছাড়াটা শুধু ব্যাগ গুছিয়ে চলে যাওয়া বা ফোন নম্বর বদলানোর মতো সহজ নয়।
এটা মানসিকভাবে আলাদা হয়ে যাওয়া—যে মানুষটাকে একসময় চিরদিনের সঙ্গী হিসেবে ভেবেছিল তার থেকে।
এটা এমন এক ভবিষ্যতের শোক করা, যা কখনও ঘটবে না।
এটা আবেগের শেকল ভেঙে ফেলা, মানসিক প্রতারণা থেকে নিজেকে মুক্ত করা, আর শেখা—অশান্তির বদলে শান্তি বেছে নেওয়া।
এই ধরনের বেরিয়ে আসার জন্য এমন শক্তি লাগে যা বেশিরভাগ মানুষ কখনও বুঝবে না।
তুমি তাকে এখনও দেখবে—সে রান্না করছে, তার পাশে শুয়ে আছে, বাইরে থেকে হাসছে… অথচ ভেতরে ভেতরে মরছে।
কিন্তু সে ইতিমধ্যেই আলাদা হয়ে যাচ্ছে।
সে থাকছে না নিজের মূল্য জানে না বলে।
সে থাকছে কারণ, আবেগগতভাবে বাঁধা অবস্থায় হঠাৎ চলে গেলে সেটা ফাঁদ হয়ে যায়—তুমি বারবার ফিরে যাবে।
আর সে সেটা চায় না।
তাই সে অপেক্ষা করে…
নিঃশব্দে নিজেকে সারিয়ে তোলে…
আর যখন তার ভেতরের সুইচটা পাল্টে যায়—যখন তার মন তার অজুহাত, মায়া, ভুয়া ক্ষমা—এসবের প্রতি পুরোপুরি অনুভূতিহীন হয়ে যায়… তখন সব শেষ।
সে অনেক আগেই চলে গেছে—শারীরিকভাবে যাওয়ার আগে।
আর যখন সে যায়, তখন কোনো সতর্কবার্তা থাকবে না।
কোনো কান্নাভেজা বিদায় থাকবে না।
কোনো ক্লোজার থাকবে না।
কারণ যখন একজন নারী শান্ত মন ও পরিষ্কার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে একটা বিষাক্ত সম্পর্ক ছাড়ে… তখন আর ফিরে তাকায় না।
সে দৌড়ে যায় না, ধীরে হেঁটে যায়।
আর সে শুধু একজন পুরুষকে ছেড়ে যায় না…
সে ছেড়ে যায় সেই সংস্করণটাকে, যে একসময় নিজের প্রাপ্যের চেয়ে কমকে সহ্য করেছিল। 🫶🏽

20/08/2025

নার্সিসিস্টরা বড় হয় না। তারা বদলায় না। তারা সুস্থও হয় না।

কেন? কারণ তারা আত্ম-অনুসন্ধান করতে একেবারেই অস্বীকার করে।

দশজন নয়, শতজন মানুষ বলুক—তাদের আচরণ অভদ্র, নিষ্ঠুর, ক্ষতিকর—তবুও তারা কখনোই আয়নায় তাকাবে না। নিজেদের ভুল স্বীকার করবে না। বরং আঙুল তুলবে, দোষ চাপাবে, আর তোমাকেই মিথ্যাবাদী বানাবে।

তাদের অস্তিত্ব গড়ে উঠেছে ভিক্টিম হওয়ার ভান করে। তারা করুণ গল্পে thrives করে। তারা নাটকে আসক্ত। আর তুমি যদি তাদের এই ভ্রমের খেলায় সঙ্গ না দাও? সাথে সাথেই তুমি তাদের চোখে ‘শত্রু’।

তাই সংঘাত সবসময় তাদের সঙ্গী। তাই পরিবার দূরে সরে যায়। তাই তারা এক সম্পর্ক থেকে আরেক সম্পর্কে পালায়, পেছনে রেখে যায় বিশৃঙ্খলার ছাপ।

সমস্যা অন্যদের নয়। সমস্যাটা তাদের ভেতরেই ছিল—সবসময় ছিল, সবসময় থাকবে।

13/08/2025

নারসিসিস্টের মাথায় কী ঘটে যখন আপনি তাকে ছেড়ে চলে যান বা যখন সে আপনার ব্যবহার শেষ করে দেয়? বেশিরভাগ মানুষ মনে করে যে তারা সহজেই পরবর্তী ব্যক্তির দিকে এগিয়ে যায় এবং আপনাকে আর কখনো মনে করে না। কিন্তু বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন। আসলে, তারা আপনার প্রতি আগের চেয়েও বেশি অবসেসড হয়ে পড়ে, শুধু তারা এটা আপনাকে দেখতে দেয় না। আমি কিভাবে জানি? থেরাপি সেশনে অসংখ্য নারসিসিস্টের সাথে কথা বলে, যেখানে তারা সম্পর্ক শেষ হওয়ার বহু বছর পরেও তাদের এক্সদের নিয়ে জোরালো আলোচনা করে।

নারসিসিস্ট যখন আপনাকে ডিসকার্ড করে, আপনি ভাবতে পারেন যে তারা আপনাকে তাদের জীবন থেকে মুছে ফেলেছে। আপনি ভাবতে পারেন যে তারা সত্যিই এগিয়ে গেছে। কিন্তু আসল সত্য
। তাদের আফসোস অদ্ভুত, ছোট ছোট আচরণে লুকিয়ে থাকে, যা বেশিরভাগ মানুষ কখনো টের পায় না।
-----নার্সিজম স্পেশালিষ্ট দানিশ বাশিরের লেখা থেকে অনূদিত

09/08/2025

“ক্যান্সার” শব্দটা যতটা ভয়াবহ শোনায়, তার পেছনের গোপন খেলা তার চেয়েও ভয়ংকর। এটা কেবল একটা রোগ না, বরং একটি বহুজাতিক চিকিৎসা ও ফার্মাসিউটিক্যাল দানবের আখড়া, যেখানে মানুষকে রোগী বানিয়ে আজীবন শোষণ করা হয়।

ক্যান্সারের প্রকৃত কারণ গোপন করা হয় কেন জানেন?

কারণ ক্যান্সার হচ্ছে “দেহের প্রাকৃতিক প্রতিক্রিয়া”ক্যান্সার কোষ অনেক সময় শরীরের ডিটক্স বা টক্সিন বের করে দেওয়ার প্রক্রিয়া হিসেবেও তৈরি হয়।
টক্সিন, রেডিয়েশন, হরমোনাল ইমব্যালেন্স, এবং বিষাক্ত খাদ্য শরীরের কোষগুলোকে মিউটেট করে তোলে।
কিন্তু এই root cause গুলো তারা সরিয়ে না দিয়ে শুধু লক্ষণ (symptoms) কন্ট্রোল করে।

ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ট্রিলিয়ন ডলার ব্যবসা করে এই ক্যান্সার দিয়ে-

এক কথায় ক্যান্সার ট্রিটমেন্ট = ট্রিলিয়ন ডলার ব্যবসা।

একবার ক্যান্সার ধরলে রোগী অন্তত ১০–৫০ লাখ টাকায় শেষ হয়ে যায়। কেমো, রেডিওথেরাপি, ওষুধ, হসপিটাল বিল… সবই লাভের খনি।
তাদের দরকার ক্যান্সার সারানো না, রোগীকে বাঁচিয়ে রেখে ধীরে ধীরে শেষ করা।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে বড় বড় তারকারা, বিলিওনিয়ার, রাজনীতিকেরা ক্যান্সার হলে কেন তারা বেশিরভাগ সময় বেঁচে যায়? অথচ সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে ক্যান্সার মানেই প্রায় মৃত্যু?

এর পেছনে ৩টা স্তরে লুকানো সত্য আছে

১-তারা মুলত Alternative গোপন চিকিৎসা পায় যা সাধারণ মানুষ জানে না।

বিশ্বের এলিটদের জন্য রয়েছে
Gerson Therapy > শরীরকে ডিটক্স করে, লিভার রিকভার করে, ক্ষারীয় খাবার দিয়ে ক্যান্সার কোষকে মারে।

Ozone Therapy > শরীরে অতিরিক্ত অক্সিজেন ঢুকিয়ে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করে।

High-dose Vitamin C IV therapy > IV এর মাধ্যমে শরীরে বিশাল মাত্রার ভিটামিন C ঢুকিয়ে কোষকে শক্তিশালী করে।

Hyperbaric Oxygen Chamber > বায়ুচাপ ও অক্সিজেন দিয়ে ক্যান্সার কোষের পরিবেশ নষ্ট করে

Alkaline therapy + raw food > শরীরের pH এমন জায়গায় নিয়ে যায়, যেখানে ক্যান্সার টিকতেই পারে না।

এই থেরাপিগুলোকে FDA / WHO কখনো অনুমোদন দেয় না কারণ ফার্মা মাফিয়ারা এতে টাকা কামাতে পারে না। তাই এসব পদ্ধতি “unscientific” বলে দমন করা হয়।

২-তাদের Chemotherapy-ও হয় “customized & cleaner version”

আমরা যেটা পাই-
Toxic chemo যা ভালো কোষও ধ্বংস করে দেয়। চুল পড়ে যায়, ইমিউন সিস্টেম ভেঙে পড়ে।

তারা যা পায়-
Ultra-high tech personalized chemo + targeted therapy + stem cell support
S

01/08/2025

প্রিয় বহুবিবাহপ্রবণ পুরুষ,

তুমি যেহেতু একাধিক স্ত্রী চাও, তাই এটা তোমার দায়িত্ব—তুমি এমন একটি সম্পর্কের আদল উপস্থাপন করবে, যেখানে নারীরা আত্মবিশ্বাসের সাথে টিকে থাকতে পারবেন।

তুমি কাউকে জোর করে সেই সম্পর্কে আটকে রাখতে পারো না, যাতে তুমি নিজেকে ভালো বোধ করো। আবার ধর্মের দোহাই দিয়ে কাউকে মানসিকভাবে ব্ল্যাকমেইল করাও অন্যায়।

ইসলামে যেমন বহুবিবাহ বৈধ, তেমনিভাবে তালাকও বৈধ।

একজন স্ত্রী যদি মনে করেন, এই সম্পর্কটি এখন এমন কিছুতে পরিণত হয়েছে যেখানে তিনি আর থাকতে চান না—তাহলে তিনি প্রস্থান করতে পারেন। কিন্তু পুরুষদেরকে এ কথা প্রায় বলা হয় না, তাই তারা অবাক হয়ে যান এবং নানা রকম চেষ্টা শুরু করেন সম্পর্কটা ধরে রাখার জন্য।

বহুবিবাহ প্রত্যেক পুরুষের জন্য নয়।
তুমি যদি নিজের সক্ষমতা নিয়ে নিশ্চিত না হও, তাহলে অন্যের জীবন এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো অন্যায়।

তোমার উচিত ভয় পাওয়া—যদি তোমার স্ত্রী আর তোমার সাথে থাকতে না চান, অথচ তুমি তাকে জোর করে আটকে রাখতে চাও।

-শামসেদ্দিন গেওয়ার লেখা থেকে অনুদিত

29/07/2025

অধিকাংশ পুরুষই তাদের প্রিয় নারীর কথাগুলো মন দিয়ে শুনতে পারে না।
তারা যে উদাস, তা নয়।
বরং, তারা নিজেরই শৈশবের অঘোষিত জখমের শিকার।

কারণ, ছোটবেলায় তারাও এমন কথা শুনে বড় হয়েছে।
কারণ, তাদের বাবা এভাবেই মায়ের সঙ্গে কথা বলতেন।
কারণ, এটিই ছিল তাদের পরিবারে কথোপকথনের ভাষা।

তাই তারা নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। শাসন করতে চায়।
তবে তা শক্তি থেকে নয়—ভয় থেকে।
নিজেকে ছোট মনে হওয়ার ভয়।
ক্ষমতা হারানোর ভয়।
দুর্বল ভাবা হওয়ার ভয়।

তাই সে গলা চড়িয়ে কথা বলে।
দরজা বন্ধ করে বেরিয়ে যায়।
চোখের দিকে তাকাতে পারে না।
নিজের অস্থিরতার জন্য নারীর কোমলতাকেই দায়ী করে।

তার শব্দের জবাবে দেয় নীরবতা।
রাগ, রূঢ়তা, প্রতিরক্ষার ছুতোয় ভেঙে দেয় নারীর হৃদয়—
আর দোষটা দেয় সেই নারীকে।

এটি ভালোবাসা নয়। এটি উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া ব্যথা।
এটি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে জমে থাকা ক্রোধ,
যা নতুন সম্পর্কের মধ্যে নিজের জায়গা খুঁজছে।

অন্যদিকে, নারী কথা বলে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে।
সে ঝগড়া করতে চায় না—সে চায় বোঝা হোক।
সে চায় আঘাত ছাড়া তার কণ্ঠস্বর শোনা হোক।
সে চায় তার পাশে দাঁড়ানো হোক, তাকে নিয়ন্ত্রণ নয়।

কিন্তু পুরুষ তা শুনতে পারে না।
সে যেখানে ভালোবাসা, সেখানে দেখে সমালোচনা।
যেখানে আকর্ষণ, সেখানে দেখে অসম্মান।

কারণ, তাকে কখনও শেখানো হয়নি কিভাবে ভালোবাসায় স্থির থাকতে হয়।
কখনও বলা হয়নি—নারীর সত্য কথাগুলো আক্রমণ নয়, তা একপ্রকার দোয়া।

সে জানে না—একজন সচেতন পুরুষ কখনও আধিপত্য খোঁজে না।
সচেতন পুরুষ প্রতিক্রিয়া দেয় না, উত্তর দেয়।
সে মন দিয়ে শোনে, এমনকি কঠিন মুহূর্তেও।
সে জায়গা করে দেয়, যতটা জ্বলুক না কেন।
সে জানে, নারীর কণ্ঠস্বর ভয়ংকর নয়—পবিত্র।

কিন্তু যতক্ষণ না সে নিজের গভীরে গিয়ে নিজের ক্ষত সারায়,
সে বাবার ভাষাই ফিরিয়ে আনবে।
সে ভালোবাসাকে নিয়ন্ত্রণ ভাববে।
সে হারিয়ে ফেলবে সেই নারীকেও—
যে তাকে নিঃশর্তভাবে ভালোবাসতে এসেছিল।

একজন নারী কখনও নিজেকে ক্ষুদ্র করে একজন ভেতরে ভাঙা পুরুষের আরামে মানিয়ে নিতে পারে না।
সে জন্ম নেয়নি চুপ করে থাকতে, যখন তার আত্মা হাঁসফাঁস করছে।

সে চেষ্টা করবে। সে কাঁদবে।
সে অনেক বেশি সময় থেকে যাবে।

কিন্তু এক সময়, তার আত্মা সেই ঘর ছেড়ে দেবে—even যদি শরীরটা থেকে যায়।

আর যদি সে পুরুষ জেগে না ওঠে,
তবে একদিন সে ভাববে—তার হাসি হারিয়ে গেল কোথায়?
তার চোখের দীপ্তি নিভে গেল কীভাবে?

সে ভাববে—এই মেয়েটা তো একসময় তার স্পর্শে ফুল হয়ে উঠত,সে কিভাবে বদলে গেল

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Barishal?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Barishal