Extra POLI-tricks
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Extra POLI-tricks, Author, Chandpur.
21/01/2026
গতকাল একজন র্যাব সদস্য কে হ ত্যা করা হইছে এটা মোটামুটি অনেকেই জানে। কিন্তু হত্যাকারীরা যে বিএনপির সন্ত্রাসী এটা কয়জন জানে?
কোনো মিডিয়া ই বিএনপির নাম নেয় নাই, অথচ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাথে জড়িত কোনো ছাত্র পান থেকে চুন খসালে তাকে নিয়ে জাতীয় নিউজ হয়।
পুলিশ কে ধমক দিলে সেটা হয় মব, পুলিশের মনোবল ভাঙে। কিন্তু পুলিশ কে মেরে ফেললে কোনো সমস্যা নাই, তাতে মনোবল আরো চাঙ্গা হয়।
এদেশে সব দোষ শুধু জুলাইয়ের সৈনিক দের।
সাধারণ মানুষ তো আপনারা নির্বাচনের আগেই বহু মেরেছেন। তারেক রহমান আপনি কি এসব দেখতে পাচ্ছেন বাংলাদেশের একজন প্রশাসনিক লোককে আপনার গুন্ডাবাহিনী পিটিয়ে হত্যা করে ফেলেছে !
আপনাদের বিরুদ্ধে এখনই কথা বলা যায় না আপনার সমর্থকরা মেরে ফেলার হুমকি মারে। কই জনকে মেরে থামিয়ে দিবেন আপনারা ?
আল্লাহ ছাড় দেই ছেড়ে দেই না !
21/01/2026
আদাবর থানা শিবিরের সভাপতি হাফেজ জাকিরের গুমরে ঘটনাটা অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনাগুলোর একটি। তিনি গু'ম হন ২০১৩ সালে। বেশ কয়েকমাস আগে তাকে নিয়ে একটা পোস্ট দেই। পরে কর্নেল হাসিনুরের একটা ভিডিও সামনে আসে।
হাফেজ জাকিরকে যে দলটি তুলে নেয় তার একজন সদস্য ৫ই আগস্টের পর স্বেচ্ছায় কর্নেল হাসিনুরের সাথে যোগাযোগ করে। এর কারণও আছে।
গ্রেফতারের পর একসময় কুরআনে হাফেজ এই মানুষটি নামাজ পড়তে চায়। গ্রেফতারের তিনদিন পর সেই সৈনিককে হ্যান্ডকাফ ফেরত দেয়া হয়। যেই হ্যান্ডকাফ হাফেজ জাকিরের হাতে ছিলো। তখনই সৈনিকটি বুঝতে পারে জাকিরকে বাচিঁয়ে রাখা হয়নি।
এই ঘটনা মনে দাগ কাটে। তাই বারো বছর পর সৈনিক স্বেচ্ছায় হাসিনুরের সাথে নুর খানের কাছে যান।
কমিশনের রিপোর্টের ১৯৪ পৃষ্ঠায় এই ঘটনা নিয়ে বলা হয়েছে। যদিও বিস্তারিত নেই। তবে কে কে এর পেছনে ছিলো তার একটা ধারণা দেয়া হয়েছে।
- শরীফ সাইদুর
16/01/2026
লিখতে চাচ্ছিলাম না। জামায়াতের সম্মানিত আমীর সাহেব “সংহতি ও সহানুভূতি” দেখাতে গিয়ে কিছু লিখতে বা বলতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু আমি এতো অনুরোধ রাখতে পারছি না বলে দুঃখিত! আজ কিছু কথা প্রকাশ করতেই হবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে সবসময়ই কোনঠাসা করে রাখার জন্য চেষ্টা করা হয়েছে। বাংলাদেশে যদি ইসলাম পন্থা শাসন ক্ষমতায় আসে বা দেশ চালাতে হয়, তাহলে আল্লাহ চাহেন তো তা জামায়াতে ইসলামীর হাত ধরেই আসবে। এটা দেশের কেউ না বুঝলেও ইসলামের শত্রু ও পরাশক্তিগুলো বুঝেছে। যারফলে যেভাবেই হোক, জামায়াত ঠেকাও নীতি তারা গ্রহণ করেছে।
বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামের অভূতপূর্ব জনসমর্থন বেড়ে যাওয়ায় ইন্ডিয়ানপন্থী ও বিদেশী শক্তিগুলোর কপালে ভাঁজ পড়েছে। এই জায়গা থেকে বিএনপিকে সুবিধা দেয়ার জন্য ইসলামী আন্দোলনকে ব্যবহার করা হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন ২০০১ সালেও বিএনপি-জামায়াতের জোটের বিরুদ্ধে গিয়ে এরশাদের সাথে জোট বেঁধেছিল। যাতে করে বিএনপি-জামায়াতের ভোট কমে যায়। পরবর্তীতে এরশাদ সরাসরি আওয়ামীলীগের সাথে পিরিতের বিরোধী দল হলেও ইসলামী আন্দোলন সরাসরি টোপ গিলে নাই। কিন্তু বরাবরই আওয়ামীলীগের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে।
এবার চরমোনাই ইসলামী আন্দোলনকে দিয়ে তৃতীয় জোট তৈরি করে বিএনপিকে সুবিধা দেয়ার জন্য চেষ্টা করেছে। কিন্তু যে কোন ভাবেই হোক, জোটে জামায়াত অন্তর্ভূক্ত হয়ে স্টিয়ারিংয়ে চলে আসে। ফলে কিছুটা ব্যাকফুটে চলে চায় তাদের সেই চালসমূহ।
এরপর আসে তৃতীয় চাল। এটা হলো, ইসলামী আন্দোলনের মাধ্যমে জামায়াতের নিশ্চিত বিজয়ী আসনগুলোতে ভাগ বসিয়ে জামায়াতকে কম আসনে বিজয়ী করা। এভাবেই বিএনপিকে সুবিধা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। যাতে বিএনপির বিজয় সুনিশ্চিত হয়।
জোট টিকিয়ে রাখার জন্য ইসলামী আন্দোলনকে ৪৫/৫০ টি পর্যন্ত আসন ছেড়ে দিয়েছিল জোটের বাকি দলগুলো কিন্তু তারা ৮০ এর নিচে নামতে নারাজ। এমনকি শাইখুল হাদিস ইবনে শাইখুল হাদিস গতরাত পর্যন্ত বহু চেষ্টা করেও নায়েবে আমীর সাহেবকে রাজি করাতে পারেন নাই।
এরপর কি হতে পারে? এজেন্সি যখন এখানেও সফল নয়, তখন ভিন্ন চাল দিবে। ইসলামী আন্দোলনকে জোট থেকে বের করে নিয়ে বিএনপির সাথে জোট বাঁধাতে সাহায্য করবে। বিএনপির জোটে যাবে ইসলামী আন্দোলন। অথবা শেষমেষ তৃতীয় কোন জোট তৈরিতে সাহায্য করতে পারে।
ইসলামী আন্দোলন এই সময়ে এসেও এজেন্সির খপ্পরে পড়েছে, এটা খুবই খারাপ। অতিরিক্ত লোভ এই অবস্থায় নিয়ে এসেছে। আমীরে মুজাহিদিন পীর সাহেব অবশ্য জামায়াতে ইসলামীর জোটে থাকতে আগ্রহী। তিনি সেভাবেই চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে। কিন্তু নায়েব সাহেব খপ্পরে পড়েছেন।
বিশেষ যে চালটা এখনও তুলে রেখেছে, তা হলো, আসনগুলো দেয়ার পর সেখানে পর্যাপ্ত কাজ না করে বরং “কিছুর বিনিময়ে” আসন তুলে দেয়ার পায়তারা করা হবে। জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করলে এটা পরবর্তীতে হতে পারে। এমনকি জোটবদ্ধ হয়ে বিজয়ী হওয়ার পরেও জোট ত্যাগ করে বিএনপির সাথে যুক্ত হয়ে সরকার গঠনের প্রচেষ্টা চালালেও অবাক হবো না।
ইসলামী আন্দোলনের উচিৎ বৃহ স্বার্থে এজেন্সির খপ্পর থেকে বের হয়ে দ্বীনের জন্য একনিষ্ঠভাবে কাজ করা দরকার। এভাবে অন্যদের কথায় প্রত্যাশার পারদ আকাশে উঠে গেছে, নিজেরা সারা দেশে অবস্থান তৈরি করে ফেলেছে, এই চিন্তা থেকে বের হয়ে আসা দরকার।
দেখতে চাই ইসলামী আন্দোলন একক নির্বাচন করে কি না! করলে কি অবস্থা হয় তাদের? কয়টি আসন বের করে নিয়ে আসতে পারে দেখতে চাই। যেখানে জোটবদ্ধ হয়ে অন্তত ১০/১৫ টি আসন অনায়াসে বের করে নিয়ে আসতে পারতো। এখন সেখানে তাদের আমীরদ্বয়েরই আসন জিতে আসা অবম্ভব পর্যায়ের হয়ে যাচ্ছে।
ইসলামী আন্দোলনের ইতিহাসে অন্যদের সাথে জোট করার ইতিহাস এরশাদ ছাড়া নাই। হেফাজতের সাথেও তারা মিলে থাকতে পারে নাই। কওমী ধারার সাথেও তারা মিলে থাকতে পারে নাই। সুতরাং বর্তমানে ইসলামের বৃহৎ সার্থে তারা জোটবদ্ধ থাকবে, তা তো হতে পারে না।
ওমর ফারুক আব্দুল্লাহ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Website
Address
Chandpur
3630