Diabetics Control Lab

Diabetics Control Lab

Share

ডায়াবেটিস এর যাবতীয় সমস্যার স্থায়ীভা

04/06/2022

ডায়া,বেটিস নিয়ে ভয় আর নয়.......
বহু,মুত্র রোগ(ডায়া'বেটিস)থেকে সৃষ্টি হয় অজস্র সমস্যা। এবার এই সমস্যা থেকে মুক্তি নিন প্রাকৃতিক উপায়ে।ইন''সুলিন কিংবা মে'ডিসিন ছেড়ে দিন সম্পূর্ণভাবে।প্রাকৃতিকভাবে ইন,সুলিন উ ৎপাদন করুন।ডা'য়া'বেটিস নি য়ন্ত্রণ রাখুন আ'জীবন!!!সাথে থাকছে হেলথ অবজারভেশন টিম এর সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ।

দেশের যে কোন প্রান্তে হোম ডেলিভারি,প্রোডাক্ট হাতে বুঝিয়ে নিয়ে পেমেন্ট করতে পারবেন।আপনার বয়স বর্তমান কন্ডিশন উল্লেখ্য করে ইনবক্সে মেসেজ করুন এবং আপনার নাম্বার টি দিয়ে রাখুন আমাদের কন্সাল্টেশন টিম সিরিয়াল অনুযায়ী আপনার সাথে বিস্তারিত আলোচনা করবে।।

Send Message অপশন ক্লিক করে বিস্তারিত আলোচনা করুন।।
অথবা কল করুনঃ01644288775

Photos from Diabetics Control Lab's post 25/05/2022

# #ডায়াবেটিকস রোগীদের
"১" মিনিট সময় নিয়ে পড়ুন" স্থায়ী সমাধান এর জন্য-বিস্তারিত জানতে কল করুন-০১৬৪৪২৮৮৭৭৫
ডায়া কন্ট্রোল
ডায়াবেটিস কন্ট্রোল ফর্মূলা
# #ডায়া কন্ট্রোল উপকারী
১.রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণ করে।
২.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৩.ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে।
৪.কোলন পরিক্ষার করে।
৫.রক্ত দূষণ রোধ করে।
৬.অতিরিক্ত মেদ জমাতে বাধাগ্রস্ত করে।
৭.শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল কমায়।
৮.পাকস্থলীর কার্য ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং হজম প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটায়।
৯.প্রাকৃতিক ভিটামিন ও মিনারেল এর যোগান দেয়।
১০.প্যানক্রিয়াস সুস্থ্য অবস্থায় ফিরে আনে এবং হৃদপিন্ড ভালো রাখে।
# #ডায়া গার্ডের খাবারের নিয়ম
#নিয়মিত ইনসুলিন নেয়া রোগীদের ক্ষেতে ঃ খালি পেটে অর্থ্যাৎ নাস্তার ৩০ মিনিট পূর্বে ২-৪ চা চামচ ডায়াগার্ড পাউডার এক গ্লাস কুসুম গরম পানির সাথে মিশিয়ে সেবন এবং রাতের খাবারের ৩০ মিনিট পরে অনুরুপ সেব্য উওম।
ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ঃ সপ্তাহে অন্তত তিন দিন সকালে এবং রাতে এক চা চামচ হালকা গরম পানির সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায়।
#বিশেষ নির্দেশনা ঃ নিরাময়ের জন্য প্রথমদিকে অন্যান্য ঔষধের পাশাপাশি "ডায়াগার্ড" গ্রহন করা উচিৎ। দীর্ঘদিনের ঔষধ সেবনকারী / ইনসুলিন গ্রহণকারীদের কোন অবস্থাতেই একেবারে ঔষধ /ইনসুলিন বাদ দেওয়া অনুচিত। ড্রাগ ছাড়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। তবে, নিয়মিত ঔষধ /ইনসুলিন এর পাশাপাশি "ডায়াগার্ড" গ্রহণ করলে দ্রুত আরোগ্য ও দীর্ঘস্হায়ী সুগার লেবেল নিয়ন্ত্রণে থাকতে সহযোগিতা করে।
বিঃদ্রঃ ড্রাগ/ঔষধ নয়, রোগ প্রতিরোধক পুষ্টি খাদ্য।
# #ইনসুলিন এর ক্ষেত্রে
""DIA CAP""

# #রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রক
ডায়া ক্যাপের উপকারিতা
# # রক্তের গ্লুকোজের মাএা নিয়ন্ত্র-ণের জন্য প্রাকৃ-তিক ভেষজ উপাদানে ভরপুর "ডায়া ক্যাপ" টাইপ ১ ও টাইপ ২ ডায়া-বেটিস নিয়-ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকরী।
# #প্রতিদিন নিয়মিত এ ক্যাপসুল খেলে -
১.শারীরিক গঠন পুনর্বিন্নস্ত হয়।
২.সুগার কমায় ও প্রেসার কমায়।
৩.ক্লোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণ রাখে।
৪.রক্তের দূষণ রোধ করে।
অগ্নাশায়কে ইনসুলিন উৎপাদনের জন্য উদ্দীপ্ত করে।
ডায়া ক্যাপ খাবারে নিয়ম ঃ
সকালে এবং রাতে ১টি করে ক্যাপসুল। সর্বোওম ফলাফলের জন্য ডায়াগার্ড পাউডারের সাথে খাওয়া উওম।
বিশেষ নির্দেশনা ঃ ডায়া-বেটিক রোগীরা নিয়মিত অন্য কোন ঔষধ সেবন করলে এ-ই ডায়াক্যাপ গ্রহণ না করা উচিৎ।
HELP LINE 01644288775

25/05/2022

ডায়াবেটিসের প্রকারভেদ ও তাদের পার্থক্যসমূহ
টাইপ-১, টাইপ-২,
৩. গর্ভকালীন ডায়াবেটিস। ৪. অন্যান্য নির্দিষ্ট কারণভিত্তিক শ্রেণী।

★টাইপ-১
এই ধরনের রোগীদের শরীরে ইনসুলিন একেবারেই তৈরি হয় না। সাধারণত ৩০ বছরের কম বয়সে এ ধরনের ডায়াবেটিস দেখা যায়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য এসব রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতেই হয়। অন্যথায় রক্তের শর্করা অতি দ্রুত বেড়ে গিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই রক্তে অম্লজাতীয় বিষক্রিয়ায় অজ্ঞান হয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হয়।

★টাইপ-২
এই শ্রেণীর রোগীর বয়স অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ৩০ বছরের ওপরে হয়ে থাকে। আজকাল ৩০ বছরের নিচেও এ ধরনের রোগীর সংখ্যা দেখা দিচ্ছে ও দিনে দিনে বেড়ে চলছে। এদের শরীরে ইনসুলিন তৈরি হয়। তবে, প্রয়োজনে ইনসুলিন ইনজেকশন না দিলে টাইপ-১ রোগীর মতো এদের বিষক্রিয়া হয় না। অর্থাৎ এরা ইনসুলিন নির্ভরশীল নয়। অনেক ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন ও নিয়মিত ব্যায়ামের সাহায্যে এদের চিকিৎসা করা সম্ভব।

★গর্ভকালীন ডায়াবেটিস
অনেক সময় গর্ভবতী অবস্থায় প্রসূতিদের ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। আবার প্রসবের পর ডায়াবেটিস থাকে না। এই প্রকার জটিলতাকেই গর্ভকালীন ডায়াবেটিস বলা হয়। গর্ভবতী মহিলাদের ডায়াবেটিস হলে গর্ভবতী মা ও গর্ভবতী শিশু উভয়ের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। বিপদ এড়ানোর জন্য গর্ভকালীন অবস্থায় ইনসুলিনের মাধ্যমে বিশেষভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা আবশ্যক।

★অন্যান্য নির্দিষ্ট কারণভিত্তিক শ্রেণী
ক. জেনেটিক কারণে ইনসুলিন তৈরি কম হওয়া।
খ. জেনেটিক কারণে ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে যাওয়া।
গ. অগ্ন্যাশয়ের বিভিন্ন রোগ।
ঘ. অন্যান্য হরমোন আধিক্য
ঙ. ওষুধ ও রাসায়নিক দ্রব্যের সংস্পর্শ।

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার কারণসমূহ
যে কেউ যে কোনো বয়সে যেকোনো সময় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে নিম্নোক্ত শ্রেণীর ব্যক্তিদের মধ্যে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে:
ক. যাদের বংশে বিশেষ করে বাবা-মা বা রক্ত সম্পর্কিত নিকটাত্মীয়ের ডায়াবেটিস আছে।
খ. যাদের ওজন অনেক বেশি ও যারা ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রমের কোনো কাজ করেন না।
গ. যারা বহুদিন ধরে কর্টিসোল জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করেন।
ঘ. যেসব মহিলার গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস ছিল আবার যেসব মহিলা ৯ পাউন্ডের বেশি ওজনের বাচ্চা প্রসব করেছেন।
ঙ. যাদের রক্তচাপ আছে এবং রক্তে কোলেস্টেরল বেশি থাকে।

মাতৃত্বকালীন ডায়াবেটিস কী?
অনেক সময় গর্ভধারণ করার পর ডায়াবেটিস ধরা পড়ে, প্রসবের পর ভালো হয়ে যায়।।।

25/05/2022

সাইড ইফেক্ট: সাধারণত সাইড ইফেক্ট থাকে ক্যামিকেল বা ড্রাগ দিয়ে তৈরি ঔষধে।আমাদের প্রোডাক্ট টি সম্পুর্ন প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি। কোন মেডিসিন বা ক্যামিকেল কিছু দেয়া হয় না।এছাড়া বাংলাদেশ সাইন্সল্যাব কর্তৃক পরিক্ষিত ও অনুমোদিত প্রোডাক্ট। কোন সাইড ইফেক্ট নেই,শতভাগ রিস্ক ফ্রি

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Muradpur
Chittagong
CHITTAGONG