CUSRC
Research Institution
17/08/2021
সৌদিতে শিক্ষাবৃত্তি, পিএইচডি–মাস্টার্সে ৪০০০ ও ৩০০০ রিয়ালের সঙ্গে অন্য ভাতা
বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ফুল ফ্রি স্কলারশিপ দেবে সৌদি আরবের কিং আবদুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়। ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের স্নাতক, মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি নেওয়ার সুযোগ রয়েছে এ বৃত্তিতে। আগ্রহী শিক্ষার্থীর অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন এ বৃত্তির জন্য।
স্কলারশিপের জন্য কোনো আবেদন ফি নেই। বৃত্তিটি বিজ্ঞান, চারুকলা, মানবিক, ব্যবসায় প্রশাসন, প্রকৌশল, কম্পিউটার প্রকৌশলসহ সব একাডেমিক প্রোগ্রামের জন্য দেওয়া হবে। পিএইচডি প্রোগ্রামের জন্য সময়কাল তিন বছর, স্নাতকোত্তর ডিগ্রির জন্য দুই বছর এবং স্নাতক প্রোগ্রামের জন্য চার বছর।
বৃত্তির সুযোগ–সুবিধা
* বিমানের টিকিট (রিটার্নসহ)।
* পিএইচডি এবং মাস্টার্স পরীক্ষার্থীদের জন্য যথাক্রমে প্রায় ৪,০০০ রিয়াল এবং ৩,০০০ রিয়াল থিসিস প্রিন্টিং ভাতা।
* বই শিপিং ভাতা।
* খাবার ভাতা (প্রযোজ্যতার ক্ষেত্রে)।
* থাকার ব্যবস্থা।
* সফল প্রার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা।
* প্রস্তুতি ভাতা।
* মাসিক ভাতা।
আবেদনের যোগ্যতা
বাদশাহ আবদুল আজিজ বৃত্তির আবেদনের জন্য কিছু মানদণ্ড পূরণ করতে হবে। এগুলো হলো-
* আবেদনকারীদের অবশ্যই আকর্ষণীয় একাডেমিক রেকর্ড থাকতে হবে।
* তিন বছরের বেশি আগে অবশ্যই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্নাতক প্রশংসাপত্র থাকতে হবে।
* আবেদনকারীদের বয়স ১৭-২৫ বছর হতে হবে।
* পিএইচডি প্রোগ্রামের আবেদনকারীদের অবশ্যই ৩০ বছরের কম বয়সী হতে হবে।
* আরবি ভাষা, ইসলামিক আইন অধ্যয়ন, মনোবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানের আবেদনকারীদের অবশ্যই আরবি ভাষায় দক্ষ হতে হবে।
এ বৃত্তির জন্য আবেদন করা যাবে এ বছরের শেষ দিন পর্যন্ত।
'কিং আবদুল আজিজ' স্কলারশিপ ও আবেদন পদ্ধতির ব্যাপারে বিস্তারিত জানতেঃ
https://scholarships365.info/king-abdulaziz-university-scholarship
প্রথম আলো ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২১
ক্যারিয়ারের অসুখ
I need a job. I want a job. I just need a job. I want any type of job !!!
দেশের ৩৯টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, ৯৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, ৩টি আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিবছর বের হচ্ছে দুই লাখের বেশি আর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয় 'জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়' থেকে বের হচ্ছে প্রতিবছর ৫ লাখেরও বেশি student। ৭ লাখ শিক্ষিতদের একটাই কথা – I want a job!
শিক্ষাজীবন শেষে কর্মজীবন শুরু তো করতেই হবে, খুব স্বাভাবিক। কিন্তু বাংলাদেশে কিছু অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটছে। একদিকে প্রচুর বেকার আর অন্যদিকে লক্ষ লক্ষ বিদেশি চাকুরির বাজার দখল করে নিচ্ছে। ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, ফিলিপাইনের চোখ এখন বাংলাদেশের কর্মবাজারের দিকে।
পরিস্থিতি খুব পরিষ্কার। দেশের চাকুরি ৪%-৫% সরকারি চাকুরি বাকি ৯৪%-৯৫% চাকুরি এখন বেসরকারি খাতে। আরও পরিষ্কার যে, চাকুরির অভাব নেই।
চাকুরির অভাব নেই অথচ চাকুরি পাচ্ছে না লাখ লাখ বাংলাদেশি তরুণ-তরুণী। ওদিকে লাখ লাখ বিদেশি বছরে প্রায় ৬৫ হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে যা বাংলাদেশের সব সরকারী চাকুরিজীবীদের মোট বেতনের চাইতেও অনেক বেশি।
তাহলে গ্যাপটা কোথায়? বছরে ৭ লাখ শিক্ষিত ছেলেমেয়ে তো বের হচ্ছে !!এরা কেন চাকুরি পাচ্ছে না, বিদেশিদের দখল করা লোভনীয় চাকুরিগুলো?
University Grants Commission (UGC) কতগুলো কারণ বলেছে – তারমধ্যে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় গুলো থেকে যারা বের হচ্ছে তাদের ১। কমিউনিকেশন স্কিলস কম, ২। ইংরেজি বলতে পারার ছেলেমেয়ে খুবই কম, ৩। যা জানে, তা উপস্থাপন করতে পারে না এবং ব্যবসায়ীক ডিলিংসের যেসব উপস্থাপনা, সেগুলোতেও ভীষণ দুর্বল।
সম্ভবত ৩টি কারণই দারুণ সত্যি। কমিউনিকেশন স্কিলসের কথা বললে – বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করা অনেক ছেলেমেয়েই আকাশ থেকে পড়ে !! এটা কী? খায় না গায়ে দেয়?
আরেকটি কারণ এর সাথে যোগ করা দরকার, প্রতিবছর যারা বের হচ্ছে, তাদের প্রায় সবাই সরকারি চাকুরির জন্য সেই মান্ধাতার আমলের ইথিওপিয়ার রাজধানী, ভারতের পররাষ্ট্রনীতি এসব মুখস্থ করা শুরু করে দেয় আর অষ্টম শ্রেণির অংক বই হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশ করা ছেলেমেয়ের সবচেয়ে জরুরি বই!! সরকারি চাকুরিগুলো তেমনই – Knowledge based, প্রথমেই এখানে স্কিলস দরকার নেই। যারা চাকুরি পাবে তাদেরকে পরে তৈরি করে নেয়া হবে। এবং প্রশিক্ষণ খাতে তাদের জন্য বিপুল বাজেট থাকে।
কিন্তু বেসরকারি চাকুরি বা কর্পোরেট জব? সেখানে তো ইথিওপিয়ার রাজধানীর কোন ধার ধারছে না। সেখানে সরাসরি Skilled মানুষ চায়। সরকারের মতো তাদের বিপুল বাজেট নেই, যে নিয়োগ দেয়ার পরে প্রায় ৩০ বছর তাদের ধাপে ধাপে তৈরি করা হবে!
ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় অসুখটা ঠিক এখানেই।
সরকারি চাকুরি প্রস্তুতি নিতে গিয়ে ৯৫% ছেলেমেয়ে হতাশ হয়ে পরে। এবং তারা যেহেতু ৬/৭ বছরও সেই মুখস্থ করেই সরকারি চাকুরি পাওয়ার জন্য দৌড়াতে থাকে, স্কিল অর্জনের সময়ই তো নেই। এরা পরবর্তীততে ঘোর বিপদে পড়ে। প্রথম দিকে যারা কর্পোরেটে ঢুকে গেছে, তাদের ধারে কাছে তাদের আর যাওয়ার সময় বা সুযোগটাও থাকে না।
এই বিপুল সংখ্যাটা, বলতে কষ্ট হয়, জব মার্কেটের জন্য অনেকটা অচল মালে পরিণত হয়।
আর ঘটনা ঠিক সেখানেই ঘটে । আমাদের ব্যবসায়ী, কর্পোরেটরা এই অচল মাল নিতে একদমই রাজি না। তারা চায় রেডিমেড চৌকস পেশাজীবী। টাকার যেহেতু অভাব নেই, তারা বিদেশ থেকে প্রচুর চৌকস কর্মী নিয়ে আসে। কারণ অচল মাল দিয়ে তারা প্রতিযোগিতার বাজার টিকতে পারবে না। অল্প কিছু ব্যতিক্রম বাদ দিলে তাদের আসলেই হাত পা বাঁধা।
প্রথম সর্বনাশটা ঘটে যায়, সরকারি চাকুরির পেছনে দৌড়াতে গিয়ে, দ্বিতীয় সর্বনাশটা ঘটে, কোন ধরনের স্কিল অর্জনের চেষ্টা না করে, চ্যালেঞ্জ নেয়ার সাহসটা না নিয়ে নিজেকে প্রতিযোগিতার মাঠে খেলার জন্য অনুপযুক্ত প্রমাণ করে দিয়ে।
তাহলে ক্যারিয়ারের প্রথম অসুখটি কী বাংলাদেশের ছেলেমেয়েদের?
প্রথম অসুখটি হলো ক্যারিয়ার নিয়ে কোন স্বপ্ন না থাকা, সুনির্দিষ্ট ক্যারিয়ার না থাকা। যে ৫% তাদের স্বপ্ন ঠিক করে প্রস্তুতি নিয়ে এগুতে থাকে, তারা জব মার্কেট ফাটিয়ে দেয়, চাকুরি তাদের পেছনে দৌড়ায়।
আর যে ৯৫% বলে – I want a job, I want any kind of job! তাদের ভীষণ অসুখ। কী জব সেটাই জানে না, মানে জীবনে সে কী চায়, সেটাই তো জানে না। যে তার জীবনে কী চায় সেটাই জানে না, সে আসলে তার প্রতিষ্ঠান তার কাছ থেকে কী চায়, জব মার্কেট কী চায়, সেটা বুঝবে কীভাবে!!
এদেশের লক্ষ লক্ষ ছেলেমেয়ে মাস্টার্স পাশ করার পরে ভাবে, সে কী করবে !! তখন সে ১০১ ধরনের চাকুরিতে আবেদন করতে থাকে। যেই সার্কুলারই পায়, আবেদন করতে থাকে।
অথচ অনার্সে থাকতে থাকতেই তার ক্যারিয়ারের ‘সুনির্দিষ্ট’ প্রস্তুতি নেয়ার কথা ছিলো। ৫% তাই করে, তারা নিজেদের লক্ষ্য ঠিক করে পড়ার সাথে সাথে ক্যারিয়ারের দৌড়টাও শুরু করে। বাকিরা? এই দৌড়ে পিছিয়ে পড়ে। আর একবার পিছিয়ে পড়লে, যারা আগে দৌড় শুরু করেছে, তাদের ধারে কাছে যায় না।
এই যে নিজের ক্যারিয়ারের কোন চয়েস নাই !! একটা সময়ে গ্রামে মেয়েদের কোন চয়েস থাকতো না। বাবা মা যেখানেই বিয়ে দিতো, সেখানেই কবুল বলতো। কিন্তু চাকুরির বেলায়? কোন চয়েসই নাই, বিশাল অংশের, ওই আগেরদিনের বিয়ের মতো – একটা হইলেই হইলো। সে জানেই না, তার কী করা উচিত। সে জানেই না, নিজের সাথে যায় এমন ক্যারিয়ারের জন্য তৈরি না হয়ে অন্য ক্যারিয়ারে বেতন যাই হোক, তা নরকে পরিণত হয়।
এই অসুখের চিকিৎসা একটাই – নিজের ক্যারিয়ার চয়েস থাকতেই হবে। ১০১টা জায়গায় দৌড়াদৌড়ি করে শক্তির অপচয় না করে পুরো শক্তি নিয়ে একটা লক্ষ্যের দিকে ছুটতে হবে।
একটা পাইলাম আর ঢুকে পড়লাম – এর নাম ক্যারিয়ার নয়, এর নাম জীবন নয়। একটু আগে থেকে প্রস্তুতি আর সেই অনুযায়ী পরিশ্রম করলে ক্যারিয়ারের অসুখ ধারেকাছেও আসবে না। চাকুরির কোন অভাব নেই, যদি কমিউনিশন স্কিলস থাকে, ইংরেজিটা ভালো বলতে পারেন, প্রেজেন্টেশন সেই রকম দিতে পারেন, আর যে কাজ সেটাতে ভালোবাসা থাকে মানে সেই কাজটি করার সব দক্ষতা থাকে। ৫% এর আছে, বাকি ৯৫% ও এই সুযোগ নিতে পারে।
শেষে একটা দারুণ অ্যানালজি দিয়ে শেষ করতে চাই। আপনি এই বাজারে গেলে আপনার সামর্থ্যের মধ্যে সেরা জিনিসটি চান! একজন চাকুরিদাতাও কিন্তু তার সামর্থ্য অনুযায়ী সেরা কর্মীটি চায়। আপনি দক্ষ না হলে এখানে কেউ আপনাকে কিনবে না, কিনলেও ফুটপাতের দামে বিক্রি হতে হবে।
সিদ্ধান্ত আপনার – নিজের সেবার মূল্য কতটা দিতে নির্ধারণ করবেন। ননব্র্যান্ড আর ব্র্যান্ডের জিনিসের দাম কিন্তু অনেক তফাৎ! নিজেকে ব্র্যান্ড বানান, সময় কিন্তু সীমিত।
Copied from Abu Jahid vai
ইন্টারভিউর সময় ইংরেজিতে কথা বলার জড়তা কাটানো কিংবা প্রয়োজনীয় বই টাকার অভাবে কিনতে না পারা বা অতিরিক্ত বই কেনার টাকা না থাকায় প্রস্তুতি নিতে না পারা ইত্যাদি ক্যারিয়ার প্রস্তুতির নানা সমস্যা নিয়ে কিছু এপস আপনাকে মুহুর্তেই সমাধান দিবে।
১. Buddytalk/Live Audio Chat: ইংরেজি শিখতে গেলে কথা বলার কোন বিকল্প নেই৷ কিন্তু আমরা সচরাচর কথা বলতে পারি না কথা বলার পার্টনার না পাওয়ায়। তাই আমাদের ইচ্ছা থাকলেও উপায় না থাকার কারণে আমরা ইংরেজিতে কথা বলতে ভয় পাই। এই অ্যাপটির মাধ্যমে আপনি ইংরেজিতে কথা বলার পার্টনার খুজে পাবেন।
২. : Moon+Reader: মোবাইলে কিংবা ট্যাবে বই পড়ার জন্য এর চেয়ে ভালো অ্যাপ আছে কিনা আমার জানা নেই। এই অ্যাপটির সাইজও খুব কম। অ্যাপের মাঝেই আপনি খুজে নিতে পারেন আপনার পছন্দের বইটি। এই অ্যাপটি ফোনে থাকা মানে আস্ত একটা লাইব্রেরি থাকা।
৩. Photomath: হঠাৎ গণিতের একটা প্রশ্ন সমাধান করতে গিয়ে সমস্যায় পড়লেন। ঐ সময় আপনার সাথে কেউ নেই যে আপনাকে বুঝিয়ে দেবে। এমতাবস্থায় এই অ্যাপে গিয়ে প্রশ্নটির একখানা ছবি তুইলেই সাথে সাথে স্টেপ বাই স্টেপ সলিউশন দেবে এই অ্যাপটি।
৪. Camscanner: বন্ধুর কাছে তার নোট খাতাটা ধার নিলেন। তো তার নোটখাতাটি তাকে দিয়ে দেওয়ার আগে আপনি যদি দ্রুতই তার নোট খাতাটির একটা পিডিএফ ফাইল তৈরি করে নিজের ফোনে রাখেন তাহলে কেমন হয়? এই অ্যাপটি আপনাকে যেকোনো ডকুমেন্ট স্কান করে দিতে পারবে। একেবারে কম্পিউটারের স্ক্যানারের মতো।
কার্টেসি: বাংলাদেশ ক্যারিয়ার ক্লাব
IELTS WRITING
LINKING WORD LIST.
#বাড়তি_তথ্য_দিতেঃ
Further
Furthermore
Moreover
In addition
Additionally
Then
Also
Too
Besides
Again
Equally important
First, Second
Firstly, Secondly
#তুলনা_করতেঃ
Similarly
Comparable
In the same way
Likewise
As with
Equally
#বিপরীত_তথ্য_দিতেঃ
However
Nevertheless
On the other hand
On the contrary
Even so
Notwithstanding
Alternatively
At the same time
Though
Otherwise
Instead
Nonetheless
Conversely
্রকাশ_করতেঃ
Meanwhile
Presently
At last
Finally
Immediately
Thereafter
At that time
Subsequently
Eventually
In the meantime
In the past
#ফলাফল_বুঝাতেঃ
Hence
Therefore
Accordingly
Consequently
Thus
Thereupon
As a result
In consequence
So
Then
#সংক্ষেপে_বর্ণনা_করতেঃ
In short
On the whole
In other words
To be sure
Clearly
Anyway
On the whole
In sum
After all
In general
It seems
In brief
#উদাহরন_দিতেঃ
For example
For instance
That is
Such as
As revealed by
Illustrated by
Specifically
In particular
For one thing
This can be seen in
An instance of this
#স্থান_বুঝাতেঃ
There
Here
Beyond
Nearby
Next to
At that point
Opposite to
Adjacent to
On the other side
In the front
In the back
#জোর_দিতেঃ
Undoubtedly
Indeed
Obviously
Particularly
In particular
Especially
Clearly
Importantly
Absolutely
Definitely
Never
It should be noted
#সিরিয়াল_বুঝাতেঃ
Following
Previously
Before
Subsequently
Above all
Last but not the least
First and foremost
#সামগ্রিক_ধারনা_দিতেঃ
As a rule
For the most part
In general/generally
On the whole
Overall
In most cases
#উদ্দেশ্য_বুঝাতেঃ
To
So that
So as to
In order to
#মতামত_প্রকাশেঃ
In my opinion
As far as I'm concerned
To my mind
It seems to me that
#পুরোপুরি_একমত_হতেঃ
Certainly
Doubtless
Definitely
Undoubtedly
No doubt
Of course
অনেক উপকারী পোস্ট।
হোক শুরু প্রস্তুতি।
11/04/2021
গবেষণায় অবদানের জন্য সিইউএসআরসি সম্মাননা পেলেন ড. আতিয়ার রহমান | DailyKagoj24.Com আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডাটাবেজ ‘স্কোপাস’ -এর তালিকায় শীর্ষ পর্যায়ে থাকা গবেষক ড. আতিয়ার রহমানকে সম্মানন.....
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Chittagong