Hlw api

Hlw api

Share

Branded company elite Corporation is doing business with reputation for long 14 years. We believe in

22/10/2021

তেঁতুল হল এক প্রকারের টকফল। তেঁতুল সম্পর্কে অনেকের ভুল ধারনা আছে। যে তেঁতুল খেলে শরীরের রক্ত পাতলা হয়ে যায়। তেঁতুল খেলে নানা সমস্যা দেখা দেয়।কিন্তু এই ধারনা ভুল। সম্প্রতি একটি গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে তেঁতুল শরীরের জন্য উপকারি একটি ফল। তেঁতুলের উপাদান সমূহ মানব শরীরের জন্য প্রয়োজনীয়।

তেঁতুলের যে সমস্ত পুষ্টিকর উপদান সমূহ থাকে তা হলঃ
ক্যালরি – ২৩৯ গ্রাম, প্রোটিন-২.৮ গ্রাম, সরকরা-৬২.৫ গ্রাম, ফাইবার-৫.১ গ্রাম, চর্বি-০.৬ গ্রাম, ফস্ফরাস-১১৩ মিলিগ্রাম, ক্যালশিয়াম-৭৪ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি-২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি -০.৩৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ই-০.১ মিলিগ্রাম, কারতিন-৬০ মাইক্রোগ্রাম, সোডিয়াম-২৮ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম-৯২ মিলিগ্রাম, মিনারেল বা খনিজ পদার্থ-২.৯ গ্রাম। এই সমস্ত উপাদান তেঁতুলে থাকায় তেঁতুল শক্তিশালী জৈব যৌগ, অ্যানটিঅক্সিডেনটের কাজ করে।

তেঁতুল হল নন- স্টার্চ পলিস্যাকারাইড বা ডায়াটারি ফাইবারের চমৎকার উৎস। যা খাবার সহজে হজম করাতে সাহায্য করে থাকে। খাবার হজমের সমস্যা থাকলে তেঁতুল খেলে সেই সমস্যা দ্রুত কমে যায়। টারটারিক নামক অ্যাসিড তেঁতুলে থাকে। এই অ্যাসিড খাবার হজম করতে সহায়তা করে। পেটের সমস্যার জন্য তেঁতুল খুবই উপকারি। পেটে গ্যাস জমে গেলে তেঁতুলের শরবত বানিয়ে খেলে দ্রুত উপশম পাওয়া যায়। তেঁতুল খিদে বাড়াতে সাহায্য করে। শিশুদের পেটে কৃমির সমস্যা বেশি হয়। তেঁতুল কৃমিনাশক হিসেবে কাজ করে। পাইলসের সমস্যায় অর্থাৎ পাইলস থেকে সমাধানে তেঁতুলের ব্যবহার করা হয়। তেঁতুলে ফাইবার থাকায় কোষ্ঠ কাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে তেঁতুল জোলাপ বা কোষ্ঠ পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। পিত্ত রোগ বা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের মত পেটের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
তেঁতুল রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তেঁতুলে উপস্থিত পটাশিয়াম দেহে তরলের ভারসাম্য রক্ষা করে। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। হার্ট রেট এই একই কারনে নিয়ন্ত্রনে থাকে। তেঁতুলে থাকে আয়রন। আয়রন লাল রক্ত কণিকার উৎপাদন স্বাভাবিক রাখে। লাল রক্ত কণিকা উৎপাদনে সাহায্য করে। তেঁতুল শরীররে কোলেসটরল জমতে দেয় না। রক্তে কোলেসটরল কম থাকে তেঁতুল খেলে। ফলে হার্ট সুস্থ্য থাকে। হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।
হাইড্রোক্সিসাইটিক অ্যাসিড থাকে তেঁতুলে। এই অ্যাসিড ওজন কমানোর পাশাপাশি ফ্যাট শরীরে জমতে দেয় না। তাছাড়া তেঁতুল সেরেটোনিন নিউরোট্রান্সমিটার বাড়িয়ে দেয় যার ফলে অতিরিক্ত খাবার ইচ্ছা কমে যায়। তাছাড়া তেঁতুল আলফা অ্যামাইলেজ এনজাইম কার্বোহাইড্রেট শোষণে বাঁধা দেয়। যা সহজে চিনি বা ফ্যাটে পরিবর্তিত হয়ে থাকে। ডায়াবেটিসের রোগীদের শরীরে অধিক মাত্রায় কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ ইন্সুলিন ও গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তেঁতুল এই ইন্সুলিন ও গ্লুকোজের মাত্রার ওঠা নামাকে খুব সহজে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।

ফাইবার থাকে তেঁতুলে। এই ফাইবার কোলন ক্যান্সার সৃষ্টিকারী জীবাণুকে খুব সহজে প্রতিরোধ করে থাকে। ফলে কোলন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। আগেও বলেছি তেঁতুলে টারটারিক অ্যাসিড থাকে। যা ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতি থেকে দেহকে রক্ষা করে। ফলে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমে। স্কার্ভি, ঠাণ্ডা লাগা, ও ফ্লোরেসিস ইত্যাদি সংক্রামক রোগ হওয়ার থেকে তেঁতুল রক্ষা করে। প্রতিরোধ করার সাথে সাথে তেঁতুল জ্বর কমাতেও সাহায্য করে।

তেঁতুলে আছে ভিটামিন ‘এ’। ভিটামিন ‘এ’ চোখের জন্য ভালো। ভিটামিন ‘এ’ মুখে বার্ধক্য জনিত বলিরেখা পরতে দেয় না। ফলে তেঁতুল খেলে ত্বকের শুষ্কতা ও রুক্ষতা কমে যায়। ত্বকের জেল্লা বাড়ে। তাছাড়া তেঁতুলে একপ্রকার রাসায়নিক আছে যা মিউসিনের মত কাজ করে। মিউসিন কর্নিয়ার সুরক্ষা করে। ১ গ্লাস জলে ১ চামচ তেঁতুলের ক্বাথ মিশিয়ে খেলে চোখ ভালো থাকে। তেঁতুল হালকা পোড়া বা জ্বলন থেকে নিরাময়ে সহায়তা করে।

22/10/2021

টমেটো একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর সবজি। টমেটো শীতকালীন সবজি হলেও এখন সারা বছর পাওয়া যায়। কাঁচা কিংবা পাকা দুভাবে টমেটো খাওয়া যায়। খাবারের স্বাদ বাড়াতে টমেটোর জুড়ি মেলা ভার। অনেকে আবার সালাদে টমেটো খেয়ে থাকেন। শুধু খাবারে স্বাদই বাড়ায় না, টমেটো থেকে তৈরি হয় নানা রকমের কেচাপ, সস।

• পুষ্টিতে ভরপুর টমেটো। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি, কে, ফলেট এবং পটাসিয়াম। টমেটো থেকে আরও পাওয়া যায় থায়ামিন, নায়াসিন, ভিটামিন বি৬, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস এবং কপার। এ ছাড়াও এই এক কাপের টমেটোর মধ্যেই থাকে দুই গ্রামের মতো ফাইবার। অনেকটা পানিও রয়েছে এর মধ্যে।

• চর্মরোগের জন্য টমেটো অত্যন্ত কার্যকর উপাদান। ত্বকে যদি কোনো সমস্যা হয়ে থাকে, তবে প্রক্রিয়াজাত করে টমেটোর ব্যবহার করতে পারেন। চর্মরোগ নিরাময়ে এর রস কাজ করে থাকে।

• মুখের সৌন্দর্য ধরে রাখতে এবং বয়সের ছাপ দূর করতে টমেটো বেশ কার্যকর। এর রস মুখের ত্বক মসৃণ ও কোমল করে। বয়স বাড়তে থাকলে মানুষের মুখে যে বয়সের ছাপ পড়ে, তা টমেটো দেওয়ার ফলে সেই ছাপ লুকাতে সাহায্য করে।

• এটি খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে একটি বা দুটি টমেটো খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে অনেক ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সাহায্য করে।

• রক্তস্বল্পতা দূরীকরণে সাহায্য করে। যাঁরা রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য টমেটো বেশ উপকারী। প্রতিদিন
এক বা দুইবার টমেটো খেলে রক্তস্বল্পতার সমস্যা অনেকটাই দূর হতে পারে।

• সর্দি-কাশি প্রতিরোধেও টমেটো বেশ কার্যকর। সর্দি-কাশি হলে এক বা দুটি টমেটো নিয়ে স্লাইস করে অল্প চিনি বা অল্প লবণ দিয়ে পাত্রে গরম করে স্যুপ তৈরি করে খেতে পারেন। এর ফলে সর্দি-কাশিতে উপকার পাবেন।

• জ্বরের নিরাময়ে সহায়ক। গায়ের তাপমাত্রা নানান কারণে বাড়তে পারে। সামান্য জ্বর হলে টমেটো খেলেই আরাম পেতে পারেন।

• মাড়ি থেকে রক্তপাত নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ভিটামিন সির অভাবে মাড়ি থেকে যদি রক্তপাত হয়। টমেটোতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি রয়েছে। তাই প্রতিদিন একটি করে টমেটো খেলে মাড়ি থেকে যদি রক্তপাতের বিষয় থাকে উপকার পাবেন।

• নিয়মিত টমেটো খেলে ত্বক সুস্থ থাকে। আর ত্বক হয়ে উঠবে প্রাণবন্ত। সূর্যের ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। ফলে ত্বকে বলিরেখা পড়ার পরিমাণ কমে যায়।

• টমেটোর মধ্যে রয়েছে লাইকোপেন এবং ভিটামিন এ। যা অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এই রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাই নিয়মিত টমেটো খেতে পারেন।

• এর মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম। যা হাড়ের জন্য অনেক উপকার। আপনার হাড় দুর্বল থাকে তবে টমেটো খেতে পারেন।

টমেটো সস ও কেচাপ যেকোনো খাবারের সঙ্গে বিশেষ করে মুখরোচক ভাজাভাজি বা নাশতার সঙ্গে খেলে মজা লাগে। আজকাল নানা নতুন কায়দার গরুর মাংস, মুরগির মাংস রান্নায় টমেটো সস মেশানো হয়। তাতে স্বাদে ভিন্নতা আসে। খেতেও সুস্বাদু হয়।

22/10/2021

লেবুতে রয়েছে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের সমারোহ যা শরীরকে বিভিন্ন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করে

আমরা প্রাত্যহিক জীবনে লেবু, সকলেই কম বেশি খেয়ে থাকি। সাধারণত খাবারের স্বাদ বাড়ানোর ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা হয় । আবার অনেকে এটির আচার তৈরি করেও খেয়ে থাকেন। লেবু আকারে ছোট ফল হলেও এর উপকারিতা প্রচুর আর পুষ্টিগুণেও ভরপুর।

আসুন জেনে নিন লেবুর অসাধারণ কিছু উপকারিতা-

ক্যান্সার প্রতিরোধ করে

লেবুতে রয়েছে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের সমারোহ যা শরীরকে বিভিন্ন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করে। নিয়মিত লেবু খাদ্যতালিকায় রেখে আমারা ক্যান্সারের হাত থেতে রক্ষা পেতে পারি।

পাকস্থলীকে সুস্থ রাখে

যারা পেটের গোলযোগে ভুগছেন তাদের জন্য লেবু আদর্শ টনিক। পেটের গোলযোগের মধ্যে ডায়রিয়া, বদহজম, কোষ্টকাঠিন্য, আমাদের অস্বস্তিতে ফেলে দেয়, শুরুতে এক গ্লাস লেবু+লবন পানি আপনাকে এই যন্ত্রনা থেকে মুক্তি দেবে। লেবুর সঙ্গে এক চা চামচ মধু হলে আরো ভাল।

ফুসফুসের জন্য ভাল

লেবু ফুসফুসের যত্ন নেয় এবং শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্য বের করে দেয়, লেবু শরীরের চর্বি ও লিপিডের মাত্রা কম রাখে।

ক্ষত সারায়

লেবুর উচ্চ ভিটামিন যা শরীরের রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা বৃদ্ধি করে যে কোন ভাইরাস জনিত ইনফেকশন যেমন ঠান্ডা, সর্দি, জ্বর দমনে লেবু খুব কার্যকারী, মুত্রনালীর ক্ষত সারাতেও লেবুর গুরুত্ব রয়েছে।

হাইপার টেনশন কমায়

যারা খাবারে যথেষ্ট পটাশিয়াম গ্রহণ করে না, তারা সহজেই নান রকম হৃদরোগে আক্রন্ত হয়ে পড়ে। লেবুর রসে যথেষ্ট পরিমান পটাশিয়ামরয়েছে যা হাইপার টেনশন কমাতে সাহয্য করে।

ত্বকের যত্নে

প্রাকৃতিক পরিষ্কারক হিসাবে লেবুর জুড়ি নেই, এটি ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে, মধুর সাথে লেবুর রস মিশিয়ে ব্যবহার করলে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। এটি ত্বকের সংকোচন সৃষ্টিকারী পদার্থকে নিয়ন্ত্রণ রাখে। চামড়ার অতিরিক্ত তেল অপসারণ করে। লেবুর রস প্রাকৃতিক অ্যানটি সেপটিক। ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ দূর করে। ব্রণ সারিয়ে তোলে, ত্বকের রং উজ্জ্বল করে। বয়সের বলিরেখা দূর করে।

মুখের দুর্গন্ধ দুর করে

মাড়ির ব্যথা, দাঁতের সমস্যা, মুখের দুর্গন্ধ দূর করে। লেবুর পানি খাবার পর দাঁত ব্রাশ করার প্রয়োজন নেই।

নখকে সুন্দর করে

একটুকরা লেবু দিয়ে নখ পলিশ করলে নখ তার বিবর্ণতা থেকে উজ্জল রং ফিরে পায়। লেবুর পানিতে পাওজন কমাতে

নিয়মিত ফ্রেশ লেবুর জুস+পানি খেলে ধীরে ধীরে ওজন কমাতে সাহয্য করবে।

পিএইচ মাত্রা নিয়ন্ত্রণ

শুনলে অবাক হতে হয়, লেবু অম্লীয় হওয়া সত্ত্বেও শরীরে প্রয়োজনে ক্ষারধর্মী আচরণ করে। এটি শরীরে এসিডিটি তৈরি করে না। এটি শরীরের পিএইচ মাত্রাকে সঠিক অবস্থায় রাখে। লেবুর রস+লবণপানি পান করলে পিএইচ মাত্রা ঠিক থাকে।

গর্ভবতী নারীদের সুস্থতায়

গর্ভবতী নারীদের জন্য খুবই ভালো লেবুজল। এটা শুধু গর্ভবতীর শরীরই ভালো রাখে না বরং গর্ভের শিশুর অনেক বেশি উপকার করে। লেবুর ভিটামিন সি ও পটাশিয়াম শিশুর হাড়, মস্তিষ্ক ও দেহের কোষ গঠনে সহায়তা করে।

শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে

যাদের হালকা শ্বাসকষ্ট আছে, তারা নিয়ম করে খাবারের আগে এক চামচ লেবুর রস খেতে পারেন। যারা মাইল্ড অ্যাজমায় ভুগছেন, লেবুর রস তাদের জন্য ওষুধের বিকল্প হিসেবেই কাজ করবে।

বয়সের ছাপ দূর করে

বয়সের ছাপ পড়ে বলিরেখার মাধ্যমে। তাছাড়া অনেকের এমনিতেই বলিরেখা পড়তে পারে। লেবুর রস এই বলিরেখা দূর করতে দারুণ কার্যকর। রেখাগুলোতে লেবুর রস দিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন ও ধুয়ে ফেলুন।, হাত, ডুবিয়ে রাখলেও একটি উপকার হয়।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Chittagong CDA Avenue Modina Market Third And Fifth Floor
Chittagong
4217