Tarbiyyah

Tarbiyyah

Share

"Invite to the way of your Lord with wisdom and good instruction, and argue with them in a way that is best.

03/10/2024

فَٱلصَّٰلِحَٰتُ قَٰنِتَٰتٌ حَٰفِظَٰتٌ لِّلْغَيْبِ بِمَا حَفِظَ ٱللَّهُ

"পুণ্যবতী নারীগণ অনুগত এবং আল্লাহ যে সকল জিনিসকে রক্ষণীয় গণ্য করেছেন,সেগুলোকে স্বামীদের অনুপস্থিতিতেও সংরক্ষণ করে।”

তারা স্বামীর সত্তা ও সম্পদে তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেনা। এ হচ্ছে নারীর সর্বোত্তম বৈশিষ্ট্য।এ দ্বারাই দাম্পত্য জীবন স্থায়ী ও সুখময় হয়।

রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “সর্বোত্তম স্ত্রী হচ্ছে সে, যার দিকে তাকালেই তুমি আনন্দবোধ করবে, যাকে কোনো আদেশ দিলে সে তোমার আনুগত্য করবে এবং যখন তুমি তার কাছ থেকে দূরে কোথাও যাবে, তখন সে তোমার সম্পদ ও নিজের সম্ভ্রম রক্ষা করবে।"

আর স্ত্রীর এই বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণকে আল্লাহর পথে জিহাদ সমতুল্য গণ্য করা হয়েছে।

ইবনে আব্বাস রা. বর্ণনা করেন: জনৈকা মহিলা রসূলুল্লাহ সল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর কাছে এসে বললো: হে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমি মহিলাদের প্রতিনিধি হয়ে আপনার কাছে এসেছি। জিহাদ তো আল্লাহ পুরুষদের উপর ফরজ করেছেন। পুরুষরা জয়ী হলে পুরস্কৃত হয়। আর নিহত হলে শহীদ হয় এবং আল্লাহর নিকট থেকে জীবিকার সরবরাহ পেতে থাকে। আর আমরা মহিলারা তাদের সংসারের রক্ষণাবেক্ষণ করি। এই জিহাদ থেকে আমরা কী পাবো?রসূলুল্লাহ সল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "তোমার সাথে যে সকল মহিলার দেখা হবে, তাদের সবাইকে জানিয়ে দাও। স্বামীর আনুগত্য ও তার অধিকার প্রদান করা জিহাদে অংশগ্রহণের সমান। তবে এসব অধিকার যথাযথভাবে প্রদানকারী নারীর সংখ্যা খুবই কম।"

এ অধিকার এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান যে, ইসলাম স্বামীর আনুগত্যকে দীনি কর্তব্য পালন ও আল্লাহর হুকুম বাস্তবায়নের পাশাপাশি উল্লেখ করেছে।

আবদুর রহমান বিন আওফ থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নারী যখন তার পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করবে, এক মাসের রোযা রাখবে, নিজের সতিত্ব ও শ্লীলতা রক্ষা করবে এবং নিজের স্বামীর আদেশ-নিষেধ পালন করবে, তখন তাকে বলা হবে: তুমি যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা করো, জান্নাতে প্রবেশ করো।" -আহমদ, তাবরানি।

♦️♦️উম্মে সালামা রা. থেকে বর্ণিত,রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: "যে স্ত্রী এরূপ অবস্থায় মারা যায় যে, তার স্বামী তার উপর সন্তুষ্ট, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।" যে জিনিসটি সর্বাধিক মহিলাকে দোযখে নিয়ে যায়, তা হলো- স্বামীর অবাধ্যতা এবং স্বামীর সহৃদয়তা ও মহানুভবতাকে অস্বীকার করা।

♦️♦️ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আমি দোযখ পরিদর্শন করলাম। দেখলাম, তার অধিকাংশ অধিবাসী নারী। কারণ তারা তাদের উপকারকারীদের প্রতি অকৃতজ্ঞ। তাদের কেউ কেউ এতই অকৃতজ্ঞ যে, যুগ যুগ কাল ধরেও তুমি যদি তার উপকার কর, তবে তোমার কাছ থেকে একটুখানি অপ্রীতিকর আচরণ পেলেই বলবে, তোমার কাছ থেকে ভালো কিছু কখনোই পাইনি।"-বুখারি।

আর আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "স্বামী যখন তার স্ত্রীকে তার বিছানার দিকে আহ্বান জানায় এবং স্ত্রী তা প্রত্যাখ্যান করে, তারপর স্বামী তার উপর রাগান্বিত অবস্থায় রাত কাটিয়ে দেয়, তখন ফেরেশতারা সেই মহিলাকে সকাল পর্যন্ত অভিশাপ দিতে থাকে।" -আহমদ, বুখারি, মুসলিম।

♦️♦️তবে এই আনুগত্য ন্যায়সঙ্গত হওয়া শর্ত। কেননা স্রষ্টার নাফরমানি হয় এমন কোনো কাজে কোনো সৃষ্টির আনুগত্য করা জায়েয নেই। কাজেই স্বামী তাকে কোনো অন্যায় কাজের আদেশ দিলে তার বিরোধিতা করা তার জন্য বাধ্যতামূলক।

স্বামীর অনুমতি ব্যতিরেকে নফল রোযা না রাখাও স্বামীর আনুগত্যের অংশ।অনুরূপ স্বামীর অনুমতি ব্যতিরেকে নফল হজ্জ না করা এবং স্বামীর বাড়ির বাইরে না যাওয়াও স্বামীর আনুগত্যের অংশ।আবু দাউদ তায়ালিসি আবদুল্লাহ ইবনে উমার রা. থেকে বর্ণনা করেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : স্ত্রীর নিকট স্বামীর অধিকার রয়েছে যে, স্বামী উটের পিঠের সংকীর্ণ আসনেও যদি তার সাথে সহবাস করতে চায়, তথাপি তাকে বাধা দেবেনা।ফরয রোযা ব্যতীত একদিনও স্বামীর অনুমতি ব্যতিরেকে রোযা রাখবেনা। যদি তা করে, তবে তার গুনাহ হবে এবং তা (ইবাদত হিসেবে) কবুল হবেনা। আর তার অনুমতি ব্যতিরেকে তার বাড়ি থেকে কাউকে কিছু দান করবেনা। যদি দান করে, তবে স্বামী তার জন্য সওয়াব পাবে, কিন্তু স্ত্রীর গুনাহ হবে। ....আর তার অনুমতি ব্যতিরেকে তার বাড়ি থেকে বের হবেনা। যদি বের হয়, তবে আল্লাহ ও গযবের ফেরেশতারা তার ওপর অভিশাপ দেবে, যতক্ষণ সে তওবা না করে অথবা ফিরে না আসে, এমনকি স্বামী যদি অত্যাচারী হয় তবুও।"

উৎস ফিকহুস সুন্নাহ -২য় খন্ড

14/05/2024

গত সপ্তাহে এক আপু বাসায় আসলেন।সম্পূর্ণ দ্বীনি প্রয়োজনে।নতুন করে এই পথে পা বাড়িয়েছে মাত্র।

শেখার আগ্রহ ছিল বেশ।তবে দ্বীনি জ্ঞানের জন্য সবচেয়ে বেশি যেটা প্রয়োজন সেটা হল লেগে থাকা।একবার ছেড়ে দিলেন তো ব্যাস নিশ্চিত থাকুন আর হওয়ার সম্ভাবনা মাইনাস ১০%।আমার ঘরেরই একজন একমাস ধরে আজ কাল পরসু করব করব করে ভাল একটা এমাউন্ট পে করেও ক্লাস করতে পারেন নি কোন এক কুরআনের কোর্সের।,এসব একবার ছেড়ে দিলে আর হয়না।আমার নিজের কথায় বলি,করোনায় ২০২০ লন্ডন থেকে হওয়া একটা কোর্সের ক্লাস করার জন্য আমি অনেকগুলো রাত ছাদে ক্লাস করতাম প্রায় ৮-১০টা।মশা তো ছিলই।তবুও ছাড়িনি।কিন্তু ২০২১ এর শেষের দিকে আমার এম.বি.এ প্রথম সেমিস্টার দিতে গিয়ে যে আমি এই কোর্স ছাড়লাম আর সেটা শেষ করতে পারিনি।

শয়তান আপনাকে আপনার চেয়েও বেশি ভাল করে চেনে।যাই হোক বিচ্ছিন্ন আলাপ চলে আসছে।

আমি আপুর সমস্যাগুলো শুনছিলাম।আমি নিজেও ভাল করে জানি মডারেট সো কল্ড মুসলিম ফ্যামিলির দ্বীনের অবস্থা।

প্রথমে জানতে চেয়েছি উনি কাদের লেকচার শুনেন।নামগুলো শুনে বেশ খারাপ লেগেছে।ড: খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহিমাহুল্লাহ স্যারের কথা মনে পড়ছিল।স্যার বলতেন অনেকটা এমন করে"বাংলাদেশের মানুষের কাছে- জান্নাতের চাইতে আলু-পটলের দাম বেশি।কারণ মানুষ বাজার থেকে আলু-পটল কেনার সময়, বেছে বেছে যাচাই করে কিনে, কিন্তু জান্নাতের জন্য আমল করার সময় কোনো যাচাই-বাছাই করে না"

অনেকটা এমন করে বলতেন প্রিয় উস্তাদ ড: মানজুর ই ইলাহি।"মানুষ কোন ডাক্তার ভাল হবে সেটা ঠিকই বের করতে পারে,কিন্তু কোন আলেম সঠিক সেটা বের করতে পারে না"

তবে আপু সচেতন।বললাম,বাংলাদেশে তাহেরীও আলেম আবার স্পোকেন ইংলিশ এর কোর্স করানো ছেলেটাও নাকি......

বললাম আপতত শুনিও না উনাদের লেকচার যাদের নাম তুমি বলেছ।কিছু জ্ঞান অর্জন কর,বেসিক কিছু কোর্স কর তখন তুমিই বুঝতে পারবে আমি কেন এমন বলছি।এখন যদি শুনতে থাক তবে ফিতনায় পড়বে আর সব এলোমেলো হয়ে যাবে।

কাদের লেকচার শুনে সে প্রশ্ন আমি সবসময় সবার আগে করি।এতে করে একটা বইয়ের ৯০% কাভার করা যায়।

এরপর ফর‍য গোসল একটু বুঝিয়ে দেই।

তারপর ওযু।এই জায়গায় কত জন যে বিপত্তি ঘটিয়েছে!!
ভুলগুলো এখানেই হয়,
১.হাত ধোঁয়ার সময় কুনই থেকে অনলি কব্জি পর্যন্ত ধোঁয়া যেটা ছিল কুনই থেকে আঙ্গুলের অগ্রভাগ পর্যন্ত
২.মাথা মাসেহ করার সময় চুলের অগ্রভাগ থেকে পেছনে আংগুল নিয়ে ছেড়ে দেওয়া,যদিও নিয়ম হল চুলের অগ্রভাগ থেকে পেছনে চুলের শেষ পর্যন্ত নিয়ে যাবে আবার উল্টে সামলে আনবে যেখান থেকে শুরু করেছিল।এটা ছেলেরা করলেও মেয়েরা করেন না অনেকেই।যদিও ছেলে এবং মেয়ের কোন ভিন্নতা নেই।

আল্লাহ উনার প্রচেষ্টাকে কবুল করুন।সাওম রেখে কষ্ট করে তিনি এসেছিলেন।একটু করে একটা হাদিসের সামারি শোনালাম,

কাসির ইবনু রহিমাহুল্লাহ হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি মাদীনা হতে দামিশকে (অবস্থানরত) আবু দারদা (রাঃ)-এর নিকট এলো। তিনি প্রশ্ন করলেন, ভাই! তুমি কি প্রয়োজনে এসেছো? সে বলল, একটি হাদীসের জন্য এসেছি। আমি জানতে পারলাম যে, আপনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে সেই হাদীস বর্ণনা করছেন। তিনি আবারো প্রশ্ন করলেন, তুমি অন্য কোন প্রয়োজনে আসনি? সে বলল, না। তিনি বললেন, তুমি কোন ব্যবসা-বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে আসনি? সে বলল, না; সে আরো বলল, আমি শুধুমাত্র সেই হাদীসটির খোঁজেই এসেছি। এবার তিনি বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ ‘ইল্‌ম লাভের উদ্দেশ্যে যে লোক পথ চলে আল্লাহ তা‘আলা এর মাধ্যমে তাকে জান্নাতের পথে পৌঁছে দেন এবং ফেরেশতাগণ ইল্‌ম অন্বেষণকারীর সন্তুষ্টির জন্য নিজেদের ডানা বিছিয়ে দেন। অতঃপর আসমান-যমীনের সকল প্রাণী (আল্লাহ তা‘আলার নিকট) আলিমদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে, এমনকি পানির জগতের মাছসমূহও।

আর এভাবেই মর্যাদা উন্নীত হয়।

14/04/2024

"যদি পারো, তাহলে বিখ্যাত না হয়ে অখ্যাতই থাকো। তুমি অপরিচিতি থাকলে দিনশেষে কিছু যায় আসে না, তোমার প্রশংসা কেউ না করলেও কিছু যায় আসে না। লোকেরা যদি তোমাকে খারাপ জানে, কিন্তু রব্বুল ইজ্জত যদি তোমাকে ভালো জানে, তাহলে কারও পরোয়া করার দরকার নেই।"
— ফুদাইল ইবনু আইয়াদ (রহ.)
[আয-যুহদুল কাবির, ইমাম বাইহাকী, পৃঃ ১০০]
সংগৃহীত

19/03/2024

রবিবার সকাল ৭.০০ টার ট্রেন ছিল।ফিরছিলাম ঢাকা থেকে।পারতপক্ষে আমার প্রয়োজনে অন্য কারো সাহায্য নিয়ে তাকে কষ্ট দেওয়া আমার অপছন্দ। সে যেই হোক।মাহরাম ইস্যু না থাকলে হয়ত ভাইকে নিতাম না।

আমার ২ সিট অপজিটে ছোট বাচ্চাকে নিয়ে এক পুরুষ বসেছিলেন।আমি উনার স্ত্রীকে দেখতে পাচ্ছিল না।তবে পাশের মহিলা যে উনার স্ত্রী সেটা নিশ্চিত ছিলাম।লোকটার কোলে ৪/৫ বছরের একটা মেয়ে ছিল।শুরু থেকেই বাচ্চাটা উনার কোলে।গাড়িতে ঘুমানোর অভ্যেস কখনোই ছিল না আমার ।যতবারই চোখ পড়ল অবছা বুজতে পারছিলাম বাচ্চাটা উনার কোলেই।ভাবছি মহিলাটা কেন একটুও নিল না।লোকটার তো কষ্ট হচ্ছে।

অনেক সময় পর দেখলাম ২/১ বছরের আরও একটা বাচ্চা।তার মানে এতক্ষণ উনার স্ত্রীর কোলেই এই বাচ্চা ছিল।
আবারও মনে পড়ল কেন কুরআনে কারো ব্যাপারে অনুমান করতে নিষেধ করা হয়েছে।

পুরো ৫.৩০ ঘন্টার জার্নিতে পুরুষটার কোল একবারও খালি ছিল না।যদিও মহিলাটা ছেলেকে বাবার কাছে দিয়ে মেয়েকে সিটে বসিয়ে বেশ কিছু সময় রিলাক্স ছিলেন।

হাসান বসরিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, মা বাবার সাথে ঝগড়া করা যাবে?বুঝতে পেরেছি কেন উত্তরে তিনি বলেছিলেন,তাদের জুতার সাথেও ঝগড়া করা যাবে না।কেন তাদের হক ও সন্তুষ্টির উপর এতো গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

মেয়ে বাচ্চাটার বুকে ন্যাপকিন ছিল।মেয়েটা কাঁদছিল।কিন্তু কান্নাটা খুব বেশি উচ্চ আওয়াজের ছিল না।আমার মুখোমুখি বাম সিটে বসা আরো একটা পিচ্চি ছিল তার মায়ের কোলে।বয়স তাও ৫/৬।পুরো ট্রেনের আমি আর এই দুই মেয়ে ছাড়া কম বেশি সবাই ঘুম।শুরু থেকেই এই মেয়ে দুষ্টুমি করে যাচ্ছে।এবার চকোলেট নিয়ে রীতিমতো চিল্লাফাল্লা করে কান্না।আমি কিছুটা বিরক্ত হয়েছি।দীর্ঘ সময় এমন ভাল লাগার কথা না।

প্রাও সাড়ে চার ঘন্টা পর ভাইকে বলেছি দেখ বাবার কোলে যেই মেয়েটা আছে সে কিন্তু খুব একটা আওয়াজ করে কাঁদছে না।সে আমাকে কিছু সময় পর এইটুক বলল,আপু মেয়েটা মনে হয় কথা বলতে পারে না। এই ৪.৩০ ঘন্টায় এই মেয়ের দিকে কম করে হলেও ৩০ বার তাকিয়েছি আমি।পুরো ট্রেনে সে আর আমিই সজাগ ছিলাম।তাও আমি বুঝি নি।ভাই বলার পর তার আচরণ আরও ভালোভাবে নোটিশ করার চেষ্টা করেছি এবং ন্যাপকিন বুকে দেওয়ার অর্থ ও তখন বুঝেছি।

আমি তার মাকে একবার দেখতে পেয়েছি শেষে। বাবাটার কষ্ট অনুমান করার চেষ্টা করেছি।মেয়েটার জন্য দুয়া আসছিল খুব।দুয়াগুলো আমি মেয়েটার জন্য না হয়ত তার বাবার জন্যই করেছিলাম।

আবারও বুঝলাম কেন আল্লাহর সন্তুষ্টি এই বাবার সাথেই।

Want your place of worship to be the top-listed Place Of Worship in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


2 No Gate
Chittagong