Jams Milon

Jams Milon

Share

স্বপ্নকে বাস্তবতায় রূপ দেওয়ার জন্যে প্রয়োজন অধ্যাবসায় ,অদম্য ইচ্ছাশক্তি,চেষ্টা আর পরিশ্রম

20/09/2025

৯৪ বছর বয়সী ক্লারা গ্যান্ট দীর্ঘ ৬৪ বছর ধরে অপেক্ষা করেছেন স্বামীর ঘরে ফেরার জন্য। তিনি আর কখনো বিয়ে করেননি, বিশ্বাস করতেন- একদিন হয়তো স্বামী ঠিকই ফিরে আসবেন।

২০১৩ সালে অবশেষে তার স্বামী- ইউ.এস. আর্মি সার্জেন্ট জোসেফ গ্যান্টের দেহাবশেষ খুঁজে পাওয়া যায় এবং দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। কফিন পৌঁছালে হুইলচেয়ার থেকে উঠে দাঁড়িয়ে স্বামীকে গ্রহণ করতে দেখা যায় ক্লারাকে।

জোসেফ গ্যান্ট ১৯৫০ সালে কোরিয়ান যুদ্ধে নিখোঁজ হন। যুদ্ধের আগে তিনি ক্লারাকে বলেছিলেন, যদি আর ফিরতে না পারেন, তবে যেন তিনি আবারও বিয়ে করে নেন। কিন্তু ক্লারা সেই কথা শোনেননি। তিনি কখনো আশা ছাড়েননি, এবং আর বিয়েও করেননি।

ক্লারা বলেন, “আমি শুধু প্রার্থনা করতাম, যেন প্রভু আমাকে জীবিত রাখেন যতদিন না তার খোঁজ মেলে, যাতে আমি নিজ হাতে তাকে শেষ বিদায় জানাতে পারি।”

প্রতিবেশীরা ৬৩ বছর ধরে ভেবেছিলেন ক্লারার জীবনে হয়তো অন্য কেউ আসবে। কিন্তু কেউ তাকে কখনো অন্য কোনো পুরুষের সঙ্গে দেখেনি।

এয়ারপোর্টে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমি ওর জন্য ভীষণ গর্বিত। ও ছিল অসাধারণ একজন স্বামী, দারুণ বুঝদার মানুষ। আমি সবসময়ই ওকে ভালোবেসেছি। আমরা দুজন ছিলাম একরকম—একজন আরেকজনকে ভালোবাসতাম, আর সেটাই আমাদের বিবাহিত জীবনকে পূর্ণ করেছে।”

09/12/2024

শিক্ষক ক্লাসে ঢুকে একটি ছাত্রকে জিজ্ঞেস করলেনঃ-
আমাদের শরীরে ক'টা কিডনি আছে ?

ছেলেটি চটজলদি উত্তর দিলোঃ-
চারটে কিডনি স্যার।

ছাত্রটির উত্তর শুনে ক্লাসের বাকি ছাত্ররা হো হো করে হেসে উঠলো।
শিক্ষক বললেন তোমরা হাসি থামাও।
তারপর অপর একটি ছাত্রকে বললেন,,,,

এবার দাঁড়াও।

ছাত্রটি জিজ্ঞেস করলো,,,,
স্যার ক'টা কিডনি আছে বলবো, নাকি বেত আনবো?

শিক্ষক বললেন,,,,
না ক'টা কিডনি আছে বলতে হবে না, বেতও আনতে হবে না, তুমি কিছু ঘাস নিয়ে আসো। একদম তাজা ঘাস।

ছাত্র,,,,
ঘাস দিয়ে কি হবে স্যার?

শিক্ষক,,,,
ক্লাসে একটা গাধা আছে তাকে খাওয়াবো।

এই কথা শুনে আগের ছাত্রটি বললো,,,,
যাও ঘাস নিয়ে এসো, সেই সঙ্গে এক কাপ কফি ও আনবে।

শিক্ষক রেগে বললো কফি আনবে কেন, কফি কে খাবে?
ছাত্রটির উত্তর,,,,
স্যার! কফি খাবো আমি, আর যে গাধা সে ঘাস খাবে।

শিক্ষক,,,,
তাহলে গাধাকে ?

ছাত্র,,,,
স্যার আপনি জিজ্ঞেস করেছিলেন আমাদের ক'টা কিডনি আছে ?

আমার আর আপনার মিলিয়ে তো চারটেই কিডনি আছে। তাহলে আমি নিশ্চয়ই গাধা নই। শিক্ষক রেগে বললেন,,,,
তুই খুব বেশি বুঝিস, যারা বেশি বোঝে পরীক্ষায় তাদের আমি শূন্য দেই। অতএব তুমিও একটা নয় দুটো শূন্য পাবে।

ছাত্রটির উত্তর,,,,
পরীক্ষায় আমাকে দুটো শূন্য দিলে আপনারই ক্ষতি হবে স্যার! সবাই বলবে আপনার ছাত্র ডাবল গোল্লা পেয়েছে। এতে আপনারই বদনাম হবে, আপনাকে সবাই চেনে, আমাকে তো কেউ চেনে না।

ক্লাসে একটা হাসির রোল উঠলো। পরীক্ষা শেষে ওই শিক্ষক ছাত্রটির খাতায় একটা নোট লিখেছিলেন,,,,

তুমি প্রতিদিন ক্লাসে যে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দাও এবং বুদ্ধি দিয়ে সবাইকে হাসাও, তাতে আমার বিশ্বাস একদিন আমাকে হয়তো কেউ চিনবে না। তবে তোমাকে সারা পৃথিবীর মানুষ অবশ্যই চিনবে। আমি তোমার জন্য এই খাতায় আশীর্বাদ রেখে গেলাম।

সেদিনের সেই শিক্ষকের আশীর্বাদ পরবর্তীতে সত্যি হয়েছিল। ওই ছাত্রটি ছিলেন চার্লি চাপলিন। যাকে পৃথিবীর প্রায় সব মানুষই চেনে।

25/09/2024

গার্মেন্টস এর সাথে সংশ্লিষ্টতা নেই এমন মানুষজন প্রায় প্রশ্ন করে, এই দেশের সবচেয়ে বড় সেক্টর গার্মেন্টস।
গার্মেন্টস সেক্টরে ইনকাম হয় ডলারে, তারা হাজার হাজার কোটি টাকা ইনকাম করে এই ওয়ার্কারদের শ্রমে- তাহলে তাদের চাহিদা অনুযায়ী ২০/২৫ হাজার টাকা স্যালারি দিতে সমস্যা কোথায়?
সমস্যা গুলো কোথায় জানার পর আপনাদের মনে হবে তারা তাদের যোগ্যতার চেয়ে বেশি পাচ্ছে..
সমস্যা গুলো হচ্ছে....
১) গার্মেন্টস হচ্ছে একটা যাযাবরি ব্যাবসা , এই ব্যাবসা সেই দেশেই চলে যেখানে শ্রমের মুল্য কম- একটা সময়ে গার্মেন্টস জার্মানে ছিলো , ফ্রান্সে ছিলো , শ্রীলংকায় ছিলো , সব থেকে বেশি ছিলো চায়নাতে - সবশেষ ৩০/৪০ বছরের চায়না থেকে গার্মেন্টস কমে বাংলাদেশ এবং ভিয়েতনামে বাড়ছে-
এর কারণ শ্রম মুল্য ।
যে দেশে শ্রম মুল্য কম, গার্মেন্টস সেই দেশে চলে যাবে, এটাই
গার্মেন্টস সেক্টরের তরিকা, ভবিষ্যতে এই গার্মেন্টস আফ্রিকার দেশ গুলো তে চলে যাবে এবং যাচ্ছে।
২) বাংলাদেশ একটা গার্মেন্টস মুলত ইনকাম করে শুধুমাত্র সেলাই করে, একটা গার্মেন্টস এর প্রয়োজনীয় সব কিছু ইম্পোর্ট করে নিয়ে আসতে হয় চায়না, ইন্ডিয়া থেকে- সহজ করে বললে একটা গার্মেন্টস বানানো জন্য প্রয়োজনীয় raw materials (তুলা,সুতা,ফেবিক্স, এক্সেসরিজ) নিয়ে আসতে হয় অন্যদেশ থেকে-
একটা গার্মেন্টস এর ৬০/৮০% টাকা চলে যায় এই raw materials এ, অবশিষ্ট ২০/৩০% এর মধ্যে থেকেই গার্মেন্টস সেক্টর লাভ করে লস করে গার্মেন্টস সংশ্লিষ্টদের স্যালারি দেয়, ফ্যাক্টরির যাবতীয় মেইনটেন্যান্স বহন করে।
৩) শুনতে বাজে শোনাবে- তবুও সত্য হচ্ছে বাংলাদেশের ওয়ার্কারদের ব্রেইন এবং স্কিল দুইটাই বেশিরভাগরেই নেই, যার কারণে বাংলাদেশের বেশিরভাগ ফ্যাক্টরি ই খুব সাধারণত আইটেম নিয়ে কাজ করে, সহজ জিনিস এর মুল্যে কম, এই শ্রমের ও মুল্যে কম, কোনো কাস্টমার লুঙ্গি সেলাই করার জন্য জ্যাকেট সেলাই এর টাকা দিবেনা।
কিন্তু এই দেশের ওয়ার্কাররা লুঙ্গি সেলাই করে, জ্যাকেট সেলাই এর টাকা চাচ্ছে।
৪) এই দেশে একজন পড়াশোনা করে জব শুরু করে ১৩/১৫ ঘন্টা ডিওটি করে স্যালারি পায় ১৫/২০ হাজার টাকা, যার সব কাজেই ব্রেইনের ব্যাবহার স্কিল টেকনিক এর প্রয়োজন হয়। আর একজন ওয়ার্কার দাবি করছে স্টারটিং স্যালারি ২৫ হাজার,অথচ... যার একজনের পিছনে অতিরিক্ত দুইজন রাখা লাগে তার কাজ ঠিক করে দেয়ার জন্য।
আচ্ছা মনে করেন...ফ্যাক্টরির মালিকগণ মেনে নিলো ২৫ হাজার টাকা স্যালারি....
এর পর কি হবে জানেন....
তার পরের দিন থেকে বাসার যে বুয়ার বেতন ৫ হাজার টাকা, তাকে দিতে হবে ১৫ হাজার, যে রিক্সা ভাড়া ৩০ টাকা সেটা দিতে হবে ১০০ টাকা, এই চাপ কি বাকি সাধারণ মানুষে রা নিতে পারবে???
তাই আমরা বুঝে শুনে আন্দোলন সমর্থন করি
ওয়ার্কারদের না পোষালে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি এই দেশ থেকে অন্য দেশে চলে যাবে, এর বাইরে কিছু হবেনা।....
©️
Copied

17/07/2024

সাধারণত ছেলেরা সে-ক্সু-য়ালি এডাল্ট হয় ১৫/১৭ এর মধ্যেই বা তার আগেই।মেয়েরা ১৫ এর আগেই।

সেখানে আমরা মেয়েদের বিয়ের বয়স নির্ধারণ করেছি ১৮ বছর ও ছেলেদের ২১ বছর। কিন্তু সিস্টেম করে দিয়েছি আবার অন্য রকম। ছেলেদের চাকরির বয়স সীমা ৩২ বছর। গ্রাজুয়েশান শেষ করতে করতে বয়স হয়ে যায় ২৬/২৭ বছর।

গড় আয়ু যদি ৬৫ হয়- তাহলে ৩২ বছর বয়স পযর্ন্ত সে অন্যের টাকায় চলবে। এর পর স্বাবলম্বী হয়ে মানে জব পেয়ে বিয়ে করবে ৩২ এর পর।

যে ছেলেটা সে-ক্সু-য়ালি এডাল্ট হইলো ১৭ তে। সে বিয়ে করলো আরো ১৫ বছর পর।
এই ১৫ বছর সে কি করবে?

পাড়ায় যাবে না? প্রেমিকাকে নিয়ে লিটনের ফ্লাটে যাবে না? পার্কের চিপায় প্রেমিকার শরীরে হাত দিবে না?
দাঁতে দাঁত চেপে নিজেকে পাথর বানিয়ে রাখবে?
কতটুকু পসিবল? লজিক্যালি কতটুকু পসিবল? বোথ ফর বয়েজ অ্যান্ড গার্লস?

এই দেশে ম-দ বিক্রি নি-ষি-দ্ধ না। কিন্তু ম-দ সহ ধরা পড়লে পুলিশ কে চা পানি খাওয়াইতে হয়!
একটা ছেলে ১৭ বছর অপেক্ষা করবে ১৭ বছরের আগের ক্ষুধা মিটানোর জন্য। যেহেতু আমরা জীব পাথর না। আমাদের ফিজিক্যাল চাহিদা আছে। তাই বলে ১৭ বছর অপেক্ষা করবে একটা ছেলে/মেয়ে ?

আপনি বা কেউ কি বিলিভ করেন যে কেউ অপেক্ষা করে?
অপেক্ষা করে না দেখেই এই দেশে রেস্টুরেন্টে প্রাইভেট জোন লাগে। মিরপুর মাজার রোডে ছোট ছোট খুপরি ঘর ওয়ালা রেস্টুরেন্ট লাগে। পার্কে ছাতা ওয়ালা প্রাইভেসি লাগে। সবই এই সমাজ জানে। একসেপ্ট করে। এক্সেপ্ট না করলে এসব বন্ধ হয়ে যেত। এসবই আমরা মেনে নিচ্ছি। শুধু ছেলে স্টাব্লিশড না হওয়া পযর্ন্ত বিয়ে মেনে নিতে পারতেছি না।

আপনি যদি এই দেশের সুপার সাকসেসফুল কোন বিজনেস ম্যান এর জিবনী পড়েন, দেখবেন তারা সাকসেসফুল হয়েছে অনেক পরে। অন্তত ৪০/৪৫/৫০ বছর বয়সে। আপনি কি তত দিন অপেক্ষা করবেন?মেয়ে তাদের সাথে বিয়ে দেয়ার জন্য ?

আমাদের পিতামাতাগণ সব কিছু ইসলাম অনুয়ায়ী করেন। খালি এই একটা বিষয়ে উনারা ইসলাম মানেন না। সেটা হইলো বিয়ে। পাত্র ভালো জব করে না দেখে উনারা বিয়ে দেন না। সমাজ বলে আগে প্রতিষ্ঠিত হওতার পর বিয়ে কর!

কোরআন বলে আগে বিয়ে করো,গরীব হলে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব আল্লাহ্‌র!🌸 ❤️
অথচ ইসলাম বলেছে সাবালক হইলেই বিয়ে দিয়ে দাও।

"বউ কে খাওয়াবি কি? "
এটা হচ্ছে আমাদের দেশের বিয়ের সব চেয়ে বড় বাঁধা।
বউ কি হাতি? নাকি ঘোড়া? তার তো ১০ কেজি বিচুলি লাগে না ডেইলি। তাইনা?

বিসিএস দিয়ে ৩৫ বছর বয়সে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে তার পর বিয়ে করতে হবে ।
নিজের পায়ে ঠিক-ঠাক দাঁড়াতে দাঁড়াতে সঠিক জিনিসটি দাঁড়ানোর সময় পেরিয়ে যায়.....
এখন ভাবুন, ইসলাম ধর্মে বিয়েকে অর্ধেক দ্বীন কেন বলা হয় !

তারপরও পরিবার এবং সবার ব্যক্তিগত মতা মত থাকতেই পারে 😊আপনিও স্বাধীন মনে আপনার মতামত কমেন্ট করুন।

09/07/2024

কে লিখেছেন জানি না, কিন্তু অসাধারণ👌
১. মা ৯ মাস বহন করেন, বাবা ২৫ বছর ধরে বহন করেন, উভয়ই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।
২. মা বিনা বেতনে সংসার চালায়, বাবা তার সমস্ত বেতন সংসারের জন্য ব্যয় করেন, উভয়ের প্রচেষ্টাই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।
৩. মা আপনার যা ইচ্ছা তাই রান্না করেন, বাবা আপনি যা চান তা কিনে দেন, তাদের উভয়ের ভালবাসা সমান, তবে মায়ের ভালবাসা উচ্চতর হিসাবে দেখানো হয়েছে। জানিনা কেন বাবা পিছিয়ে।
৪. ফোনে কথা বললে প্রথমে মায়ের সাথে কথা বলতে চান, কষ্ট পেলে ‘মা’ বলে কাঁদেন। আপনার প্রয়োজন হলেই আপনি বাবাকে মনে রাখবেন, কিন্তু বাবার কি কখনও খারাপ লাগেনি যে আপনি তাকে অন্য সময় মনে করেন না? ছেলেমেয়েদের কাছ থেকে ভালবাসা পাওয়ার ক্ষেত্রে, প্রজন্মের জন্য, বাবা কেন পিছিয়ে আছে জানি না।
৫. আলমারি ভরে যাবে রঙিন শাড়ি আর বাচ্চাদের অনেক জামা-কাপড় দিয়ে কিন্তু বাবার জামা খুব কম, নিজের প্রয়োজনের তোয়াক্কা করেন না, তারপরও জানেন না কেন বাবা পিছিয়ে আছেন।
৬. মায়ের অনেক সোনার অলঙ্কার আছে, কিন্তু বাবার একটাই আংটি আছে যেটা তার বিয়ের সময় দেওয়া হয়েছিল। তবুও মা কম গহনা নিয়ে অভিযোগ করতে পারেন আর বাবা করেন না। তারপরও জানি না কেন বাবা পিছিয়ে।
৭. বাবা সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করেন পরিবারের যত্ন নেওয়ার জন্য, কিন্তু যখন স্বীকৃতি পাওয়ার কথা আসে, কেন জানি না তিনি সবসময় পিছিয়ে থাকেন।
৮. মা বলে, আমাদের এই মাসে কলেজের টিউশন দিতে হবে, দয়া করে আমার জন্য উৎসবের জন্য একটি শাড়ি কিনবে অথচ বাবা নতুন জামাকাপড়ের কথাও ভাবেননি। দুজনেরই ভালোবাসা সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছে জানি না।
৯. বাবা-মা যখন বুড়ো হয়ে যায়, তখন বাচ্চারা বলে, মা ঘরের কাজ দেখাশোনা করার জন্য অন্তত উপকারী, কিন্তু তারা বলে, বাবা অকেজো।
১০. বাবা পিছনে কারণ তিনি পরিবারের মেরুদণ্ড। আর আমাদের মেরুদণ্ড তো আমাদের শরীরের পিছনে। অথচ তার কারণেই আমরা নিজেদের মতো করে দাঁড়াতে পারছি। সম্ভবত, এই কারণেই তিনি পিছিয়ে আছেন...!!!!
*জানিনা কে লিখেছে, কুড়িয়ে পাওয়া।
সমস্ত বাবাদেরকে উৎসর্গ করছি *
সালাম জানাই পৃথিবীর সকল বাবাদেরকে!
~সংগৃহীত~
পোস্ট ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করুন🙏💕 ধন্যবাদ

Want your business to be the top-listed Media Company in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Abdullahpur
Chittagong
FATHEPUR-4345