LAW VIEW
LAW VIEW
A Center for Human Rights Research and Advocacy Legal Research Center
আপনার আইনি লড়াইয়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে আমরা আছি আপনার পাশে।
ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলা, পারিবারিক বিরোধ, গার্হস্থ্য সহিংসতা ও সামাজিক অপরাধে আমরা দিই বাস্তবভিত্তিক আইনি সহায়তা, সমর্থন ও পরামর্শ।
📌 আইন জানুন, সচেতন হোন — পাশে আছি আমরাই।
🔹 Importance of Awareness & Advocacy for the Rohingya Community
Awareness and advocacy are extremely necessary — they are the foundation of any long-term human rights, protection, and policy solution for the Rohingya people.
Reasons it’s needed:
1. Global awareness: Many people worldwide still don’t fully understand the Rohingya’s situation, displacement, and statelessness.
2. Policy influence: Advocacy helps pressure governments, the UN, and international bodies to act on repatriation, education, and legal status.
3. Human rights protection: Raises attention to ongoing violations, discrimination, and rights denial.
4. Empowerment: Helps the Rohingya themselves build leadership, voice, and confidence.
5. Community integration: Promotes understanding between host communities (like in Bangladesh or Malaysia) and refugees to reduce tension.
✅ Conclusion:
Awareness advocacy is critically needed and ongoing, especially in legal, educational, and humanitarian sectors.
হাইকোর্টের আদেশ পাঠানো নিয়ে দূর্নীতি, মাননীয় প্রধান বিচারপতির সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ।
মাননীয় প্রধান বিচারপতি কোর্ট প্রশাসনের দূর্নীতি সম্পর্কে জানাতে বলেছেন, আসলে তার কাছে পৌছা আমাদের মতো সাধারণ আইনজীবীদের জন্য কঠিন, তাই ফেইসবুকে ই জানাচ্ছি, মাননীয় প্রধান বিচারপতি মহোদয়ের কোন কোন কর্মকর্তা আমার ফ্রেইন্ড লিস্টে থাকলেও থাকতে পারেন।
আজকে বলবো হাইকোর্ট থেকে অধস্তন আদালতের আদেশ পাঠানো সংশ্লিষ্ট দূর্নীতি নিয়ে, ধরেন একটা জামিন বা স্টে অর্ডার হলো সেটা সেকশনে নামানোর জন্য বেশিরভাগ কোর্টেই বিও ও পিওন কে টাকা দিতে হবে অন্যথায় ১ মাসেও আদেশ সেকশনে যাবে না, সেকশনে যাওয়ার পর পুনরায় ইস্যু কপি টাইপ করার জন্য টাকা না দিলে কাজ আগাবে না, ওখান থেকে যাবে আইটিতে, আইটি রুমে ঢুকানোর জন্য টাকা লাগবে, আইটি রুমে লাগে না।
এরপর ডেসপাচ পর্যন্ত খরচ করলে তারাতাড়ি যায় না করলে ধীরে ধীরে যায়, এখান থেকে জিপি মূলে অধস্তন আদালতে গিয়ে ঐ আদেশ পোস্ট অফিসেই পরে থাকতে পারে ১০/১২ দিন এমনকি হারিয়ে ও যেতে পারে, জিপি নম্বর দিয়ে পোস্ট অফিসে খুঁজে আদেশ কপি নেজারত হয়ে আদালতে নিতে হবে।
আর যদি কোনভাবে পোস্ট অফিস থেকে নেজারতে যায় ও ঐ আদেশ নথি শামিল হয় না, ঢাকার সিজেএম কোর্টে এক মামলায় হাইকোর্টে স্টে থাকার পরেও ওয়ারেন্ট হলো, থানায় ওয়ারেন্ট গেলো আসামি ধরতে আসামির বাসায় গেলো আসামি স্টে অর্ডার দেখালো পরে পুলিশ টাকা পয়সা নিয়ে বিদায় হলো, পরেরদিন কোর্টে গিয়ে দেখি আদেশের পর ৬/৭ মাস পার হয়েছে কিন্তু আদেশ নথি শামিল হয়নি, এই হলো বর্তমান অবস্থা।
অনলাইন আদেশ অধস্তন আদালতের জজ সাহেবরা মানেন না, তাই অনলাইনে আদেশ কনফার্ম হলেও আসামি মুক্তি পান না, বিষয়টি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য মাননীয় প্রধান বিচারপতি মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
লিখেছেনঃ অ্যাড. ফাইজুল্লাহ ফায়েজ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the practice
Website
Address
Chittagong
4000