Sky Computer
a complete Computer Solution
18+ 18+ 18+ এক_ছেলে তার স্ত্রীর সাথে কথা
বলছে………
তার স্ত্রী তাকে বলছেঃ- আমি
আর
তোমার সংসার করতে পারবো না।
ছেলেঃ- কেনো লক্ষ্মী সোনা?.
স্ত্রীঃ- তোমার মা সারাক্ষণ
আমার
সাথে কথা
কাটাকাটি করেন।
ছেলেঃ- মার বয়স হয়েছে। এটা
কোনো বিষয় না। দেখবে মা
তোমাকে অনেক ভালবাসে ও
বাসবেন। তুমি তার মেয়ের মতো।
তখন স্ত্রী বলতেছেঃ- আচ্ছা ধর
একটা
নৌকায় আমি
আর তোমার মা। নৌকাটা ডুবে
যাচ্ছে। যে কোনো একজনকে
বাঁচাতে
হবে তোমার তুমি কাকে বাঁচাব ছেলেটা একটু মুচকি হাসলো. . . . . . .
কিছুক্ষণ পর
বললো দেখো আমি পৃথিবীতে
দুইজন
নারীকে সব চেয়ে বেশী
ভালোবাসি। একজন আমার মা
আর
একজন হলে তুমি। নৌকা যদি ডুবে
যায়।
আমি আগে আমার মাকে বাঁচাবো।
মাকে বাঁচিয়ে-ই তারপর তোমাকে বাচানর চেস্টা করবো। আর যদি তোমাকে বাঁচাতে না পারি্,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, eeemmhhemm (একটা কষ্টময় লম্বা শাঁস) নিয়ে
চুপহয়ে গেল্,
তখন স্ত্রী বলল- তখন কিকরবে পালাবে!!!????
ছেলেটি তখন তাকে জরিয়ে ধরে বললো, নাহ্ সোনা পালাবনা, তখন তোমার সাথে
নৌকায় ডুবে মরে যাবো। সোনা তোমার মনেনেই
তোমাকে ভালোবাসার আগে তোমার হাত ধরে কথা
দিয়েছিলাম
"বাঁচতে
হলে দুজন একসাথে বাঁচবো, আর
মরতে
হলে একসাথেই মরবো"।
এই কথা শোনার পর মেয়েটি কেঁদে
ফেললো। আর কেঁদে কেঁদে বললো আমি
তোমাকে আর কখন কষ্ট
দিবোনা।আমাকে মাফ করে দাও জান!!!
ছেলেঃ- আমি যদি তোমার দেয়া
একটু কষ্ট না সইতে পারি তাহলে
আমার
ভালোবাসাটাই বৃথা...
তারপর থেকে মেয়েটি আর কখনো শাশুড়ির কোন কথায় বিরক্তী বধ করতোনা, যা বলতেন তাই শুনত, কখনো কথার জবাব দিতনা!!!
ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট
করবেন।
19/08/2015
1 GB Internet only on Tk. 9 and Half poisha, One Poisha Call Rate on Tk. 9 Recharge.
To check eligibility, customers can send free SMS from any Robi numbers in the following format: Type "A 018 # # # # # " send to 8050
- This special Pack is only for this offer customer.
প্রতিদিন ৫ এমবি ফ্রিঃ
Recharge your newly bought Airtel SIM card by 19 Taka; and you will get 300 MB of Internet FREE!
বন্ধ সিমে আরও পাচ্ছেনঃ
*ফ্রি ফেইসবুক এবং ওয়াটসঅ্যাপ *৩০০ এমবি *যোগ্যতা চেক করতে যে কোন এয়ারটেল নাম্বার থেকে আপনার নাম্বার টি লিখে 9000 এ SMS করুন
ইন্টারনেট অর্গের ফ্রি নেট
রবির গ্রাহকরা স্মার্টফোনে গুগল প্লে স্টোর থেকে ইন্টারনেট ডট অর্গ নামক অ্যাপটি ডাউনলোড করুন।
অ্যাপটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুনঃ https://play.google.com/store/apps/details?id=org.internet&hl=en
অ্যাপটি ইন্সটল করে চালু করুন। এবার সাইন আপ করে লগ ইন করুন। ইন্টারনেট ডট অর্গের অ্যাপটির হোমে ফেসবুক ও উইকিপিডিয়াসহ বিভিন্ন ওয়েবসাইটের তালিকা দেখতে পাবেন। কোনো ডেটা চার্জ ছাড়াই এই ওয়েবসাইটগুলোতে যাওয়া যাবে। তবে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, ছবি বা ভিডিওর মতো কোনো ফাইল আপলোড বা ডাউনলোড সুবিধা ইন্টারনেট ডট অর্গে দেওয়া হয়নি।
শিক্ষনীয় গল্প:
-- ভাইয়া??
-- কি??
-- মা তোরে ভাত
খাইতে ডাকে।
-- যা, আইতাসি।
-- তাড়াতাড়ি আয়, মা
ভাত নিয়া বইয়া
আছে।
-- আইতাসি কইলাম
না?? যা ভাগ এইহান
থাইকা।
এতক্ষণ খুব মনযোগ
দিয়ে একটা অংক
সমাধান
করতে চেষ্টা
করছিল সুমন।
সামনে ওর
এইচ.এস.সি
পরীক্ষা। পরীক্ষা
সামনে অথচ,
একটা পারা অংকের
সমাধান করতে না
পারায়
মেজাজটা খুব খারাপ
হয়ে আছে তার। এই
সময়ে পেছন থেকে
ভাত খাওয়ার জন্য
ডাকতে আসা ছোট
বোনের ঘ্যানর
ঘ্যানর
শুনে মাথাটা গেল
গরম হয়ে। নাহ, এখন
আর
কিছুতেই এই অংক
মেলানো যাবে না।
ভাতের
কথা শুনে পেটের
ভেতর কেমন যেন
ডাকাডাকি শুরু হয়ে
গেছে। তাই আর
অংক
মেলানোর
বৃথা চেষ্টা না করে
খেতে চলে গেল সুমন।
কিন্তু খাবার
টেবিলে গিয়ে মাথাটা
যেন
আরও বেশী গরম
হয়ে গেল সুমনের।
খাবার
টেবিলে মায়ের সাথে
তাই আবার
কথা কাটাকাটি শুরু
হয় সুমনের...
-- এগুলা কি??
-- কি মানে?? চোখে
দেখস না এগুলা কি??
-- প্রত্যেকদিন এই
এক তরকারি দিয়া
ভাত
খাইতে মন চায় না
কতদিন কমু??
-- কেন পারবি না??
তোর বাপ
কি রাজা বাদশা যে
তোরে প্রত্যেকদিন
পোলাও কোরমা
খাওয়াইব?? আমরা
খাইনা??
যা দিসি এগুলা দিয়া
তাড়াতাড়ি খাইয়া
ওঠ।
-- আমি খামুনা এগুলা।
প্রত্যেকদিন এক
তরকারি খাইতে
ভাল্লাগে না আমার।
-- না খাইলে বাইর
হইয়া যা ঘর থাইকা।
এহ
আইসে নবাবের বেটা
পোলাও কোরমা
খাইব।
এত খাইতে মন
চাইলে নিজে ইনকাম
কইরা খাইতে পারস
না??
-- হ থাকুম না আমি
এই ঘরে। যামুগা আমি
সব কিছু
ছাইড়া।
এই কথা বলেই ঘর
থেকে বেড়িয়ে পড়ে
সুমন। মাও
আর বাঁধা দেয় না
সুমনকে। জানে রাগ
কমে গেলে সন্ধ্যার
পর ঠিকই ফিরে
আসবে সে।
এমনটাই হয়
সবসময়।
# # # #.... এদিকে মেজাজ
গরম করে ঘর থেকে
বের
হয়ে আসলেও পেটের
ক্ষুধাটা যেন বেড়েই
চলেছে। শার্টের বুক
পকেট হাতড়ে কোন
রকমে ২৭ টাকা খুঁজে
পেল সে। এর মধ্য
থেকে ১০
টাকা দিয়ে একটা
রুটি আর এক কাপ
চায়ের
সাথে ২ গ্লাস
পানি খেয়ে
কোনরকমে ক্ষিদেটা
চাপা দেয়
সে।
এরপর ৫ টাকা দিয়ে
একটা গোল্ডলিফ
কিনে ধীরপায়ে
এগিয়ে যায়
ষ্টেশনের
দিকে।
মন কিংবা মেজাজ
যখন খুব খারাপ থাকে
তখন
রেল লাইন ধরে একা
একা হেঁটে বেড়ায়
সুমন, আর
মনের সুখে সিগারেট
ফুঁকে। সিগারেটের
ধোঁয়ার সাথে যেন
মনের সব রাগ পুড়িয়ে
দেয়
সে।
৫ টাকা দিয়ে কেনা
সিগারেটটা শেষ
হওয়ার
পর রেল লাইনের এক
কোণে বসে পড়ে
সুমন। এখন
মেজাজ কিছুটা
শান্ত। পেছনে হাত
নিয়ে হাত
দুটোর উপর ভর দিয়ে
বসে, আর
আশেপাশের
মানুষগুলোর কান্ড
কারখানা দেখতে
লাগল।
হঠাৎ একটা জায়গায়
গিয়ে চোখ আটকে
গেল
সুমনের।
রেল লাইনের ধার
ঘেষে গড়ে ওঠা
বস্তিতে
বসবাসকারী এক
মা পরম স্নেহে ভাত
খাইয়ে দিচ্ছে তার
সন্তানকে। সামান্য
পানিভাত, ডাল আর
আলুর
ভর্তা দিয়ে কি
তৃপ্তি নিয়েই না
ভাত
খাচ্ছে ছেলেটি।
অথচ এই খাবার
নিয়ে কোন
অভিযোগ নেই
ছেলেটির। বরং
মায়ের
হাতে এই খাবারই
তার কাছে অমৃত
মনে হচ্ছে।
হঠাৎ বুকের মাঝে
কেমন যেন মোচর
দিয়ে ওঠে সুমনের।
ছোটবেলায় সেও তার
মার
হাতে এভাবেই ভাত
খেত। কই
তখনতো কখনো
খাবার নিয়ে
অভিযোগ
করেনি সে। তবে
আজ কেন এতটা
বদলে গেল সে।
অনুশোচনায় ভোগে
সে। কোন ভুল
করেনিতো সুমন??
# # # #
সন্ধ্যার একটু পরে
বাসার উদ্দ্যেশ্যে
রওনা দেয়
সুমন। বাসায় ঢুকতে
যাবে এমন সময়
বাবা-মার
কিছু কথা শুনে
দাঁড়িয়ে পড়ে সুমন।
-- সুমনের মা কয়টা
বাজে?? এত রাইত
হইল
সুমনতো এহনও
আইলো না।
-- আইয়্যা পড়ব
অহনি। আপনে
চিন্তা কইরেন না।
-- পোলাটা সারাদিন
না খাইয়া আছে। এত
রাইত হইল এহনও
আইতাসে না কেন??
আইলে ভাল
মত খাইতে দিও।
মাছের মাথাটা দিও
তারে।
সুমনে আবার রুই
মাছের মাথা অনেক
পছন্দ করে।
অনেকদিন পর পোলা
রুই মাছের
মাথা দেইখা খুশী
হইব।
-- আইচ্ছা দিমুনে।
-- অভাবের সংসার
আমার।
যে কয়টা টাকা
কামাই করি, ঘর
ভাড়া দিয়া,
পোলা মাইয়ার
লেখাপড়ার খরচ
চালাইয়া কোন রকমে
দিন পার করি।
ভালমন্দ
খাওয়াইতেও পারি না
তোমগোরে। কাপড়
চোপড় কিনা
দেওয়াতো দূরের কথা।
-- থাক এসব কথা
কইয়া আর কষ্ট
পাইয়েন না।
আল্লাহ একদিন সব
দিব আমগোরে।
-- হ আল্লাহ যেন
তাই করে। দেখবা
একদিন সুমন
অনেক বড় চাকরী
করব। দেখবা আর
কোন অভাব
থাকব না আমাগো।
কথাগুলো শুনে যেন
বুক
ফেটে কান্না আসতে
লাগল সুমনের। কোন
রকমে কান্না চেপে
রেখে নিজের
ঘরে গিয়ে ঢুকল
সুমন। একটু পর মা
এসে ঢুকল সুমনের
ঘরে। ছেলের মাথায়
হাত বুলিয়ে বলল
-- আয় বাপ, ভাত
খাইতে আয়। তোর
আব্বা তোর
লাইগা বাজার থাইকা
রুই মাছ নিয়া
আইছে।
-- (নিজের কান্না
আর ধরে রাখতে
পারল
না সুমন,
মাকে জড়িয়ে ধরে
কাঁদতে কাঁদতে
বলতে লাগল
আমারে মাফ কইরা
দাও মা। আমি ভুল
কইরা ফালাইসি।
আমারে মাফ কইরা
দাও। আর
কোনদিন তোমগো
লগে খারাপ ব্যবহার
করুম
না আমি।
ছেলেকে বুকে
জড়িয়ে ধরে
মমতাময়ী মা।
শাড়ির আচল দিয়ে
পরম স্নেহে ছেলের
চোখের
পানি মুছে দেয় সে।
এরপর
ছেলেকে নিয়ে গিয়ে
নিজের হাত ভাত
খাইয়ে দেয় সে।
পাশের ঘরে নীরবে
চোখের পানি মুছ
ফেসবুক বিশ্ব-সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থার একটি ওয়েবসাইট। বর্তমানে এই ফেইসবুক খারাপভাবে ব্যবহার হচ্ছে। ফেইসবুকের ফেক আইডি দ্বারা যেকোনো মানুষকে ব্লাকমেইল করা যায় এবং করা হচ্ছে। অনেকের কাছে নিজস্ব একটি ফেইসবুক একাউন্ট ছাড়াও এক বা একাধিক ফেইক একাউন্ট আছে। আর তারা ছেলে হয়ে প্রোফাইলে মেয়েদের নাম লিখে এবং মেয়েদের ছবি আপলোড করে এতে অনেকে তাদেরকে মেয়ে মনে করে তাদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলে।
একটু বুদ্ধি খাটিয়ে ফেসবুক ব্যবহার করলে এসব বিরক্তকর কারণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। আপনার ফেসবুককে কিভাবে আপনি ব্যবহার করবেন তার কিছু কৌশল জানা থাকলে আপনাকে কখনও বিভ্রান্তিকর অবস্থায় বা অসুবিধায় পড়তে হবে না। ফেসবুক ব্যবহারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম জেনে নিন -
১. বাড়ির ছোট ছেলেমেয়েদের ছবি ফেসবুকে দেয়ার আগে সতর্ক থাকুন। পাবলিক নয়, শুধুমাত্র বন্ধুরাই যেন সেই ছবি দেখতে পায় এমনভাবে প্রাইভেসি সেভ করুন।
২. খুব ব্যক্তিগত কোন তথ্য ফেসবুকে দেবেন না। আপনার বাড়ির ঠিকানা, মোবাইল বা বাড়ির ল্যান্ডলাইন নম্বর, আপনার জন্ম তারিখ ফেসবুকে না দেয়াই ভালো।
৩. কখনই ভাববেন না আপনার ফেসবুক প্রোফাইল শুধুমাত্র আপনিই দেখছেন। বিশ্বজুড়ে হাজারো মানুষ, সব শ্রেণীর মানুষের কাছে আপনার প্রোফাইল নানান তথ্য বিতরণ করছে। আপনার পোস্ট চলে যাচ্ছে এমন অনেক মানুষের কাছে যাদের হয়তো আপনি চেনেনও না। তাই সবসময় কি করছেন, কোথায় যাচ্ছেন-যাবতীয় তথ্য ফেসবুকে না দেয়ায় বুদ্ধিমানের কাজ। গুগলের মতো সার্চ ইঞ্জিনে শুধু আপনার নাম টাইপ করলেই ফেসবুকের মাধ্যমে সবার কাছে আপনার যাবতীয় তথ্য ফাঁস হয়ে যাবে।
৪. বাড়িতে বা অফিসে নিজের কম্পিউটারে ফেসবুক প্রোফাইল খুলে রেখে কোথাও যাবেন না। অবশ্যই লগ আউট করবেন। আপনারই কোনো সহকর্মী আপনার অ্যাকাউন্টকে নানান বাজে কাজে ব্যবহার করতে পারে যা আপনি জানতেও পারবেন না।
৫. কোনো অচেনা প্রোফাইল থেকে পাওয়া ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট অ্যকসেপ্ট না করাই ভালো। আপনি হয়তো জানেনও না যে আপনাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছে সে আসলে কে? শুধুমাত্র সুন্দরী মেয়ে বা মিষ্টি দেখতে কোনো ছেলের ছবি প্রোফাইল পিকচারে দেখে রিকোয়েস্ট অ্যাকসেপ্ট করলে বোকামি করবেন। আজকাল অনেক দুষ্কৃতিকারীও ফেসবুকে প্রোফাইল বানিয়ে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য জানার চেষ্টা করছে অবিরাম।
৬. ‘বাড়িতে একা রয়েছি’-জাতীয় পোস্ট করবেন না কখনই।
৭. ফেসবুক একটি সোশাল মিডিয়া। আপনাকে জীবনের যাবতীয় তথ্য ফেসবুকে না দিলেও চলবে। আপনার দুধের দাঁত কবে ভাঙলো বা আপনার প্রেমিকা অন্য কোনো ছেলের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে আপনাকে না জানিয়ে- এই জাতীয় পোস্ট না দেয়া উচিৎ।
৮. ছেলেমেয়েদের বয়স অন্তত ১৩ না হলে ফেসবুক প্রোফাইল না খোলাই ভালো।
৯. বাড়ির বা অফিসের কম্পিউটারকে সবসময় অ্যান্টি ভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করান। অ্যান্টি ভাইরাস আপডেট করুন।
১০. নিজের মোবাইলসহ অন্যান্য অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসকে সিকিওর রাখুন। নিজের মোবাইল ফোন অন্যের হাতে দেবেন না। ফেসবুকে লগ ইন করে যে কোনো অ্যাপস ব্যবহার করার পর অবশ্যই লগ আউট করবেন।
উপরের কথাগুলো শুধু যে ফেসবুক ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবহার করবেন তা কিন্তু নয়। পৃথিবীতে যত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আছে সব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উপরোক্ত নির্দেশনা অনুসরণ করে আপনি সচেতন থাকুন। যাতে করে কখনও কোন সমস্যায় না পড়তে হয়। ধন্যবাদ সবাইকে । copy from. tt
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Chittagong