Prof. Dr. Mohammad Musa
Prof. Dr. Mohammad Musa
MBBS, BCS (Health)
MD (Child), DCH
ESPID Training (Germany, UK)
Professor, Pediatrics, CMCH
🌿 পার্কভিউ হাসপাতাল-এ নিয়মিত রোগী দেখছেন
👶 নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ
প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ মুসা
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এমডি (শিশু), ডিসিএইচ (বিএসএমএমইউ)
ইএসপিআইডি ট্রেনিং (জার্মানি, যুক্তরাজ্য)
নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, অধ্যাপক
শিশু স্বাস্থ্য বিভাগ
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (সিএমসিএইচ)
📞 সিরিয়াল ও বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন:
০১৮৩৯–৬০৮৫৬৯
০৩১–২৫৫৫০৭১-৫
০৩১–৬৫৭৯০১-৫
০১৯৭৬–০২২৩৩৩
০১৯৭৬–০২২১১১
🔗 অফিসিয়াল পেজ:
https://www.facebook.com/pediatrcs/
Prof. Dr. Mohammad Musa
Prof. Dr. Mohammad Musa
MBBS, BCS (Health)
MD (Child), DCH
ESPID Training (Germany, UK)
Professor, Pediatrics, CMCH
28/09/2020
পার্কভিউ হসপিটালে নিয়মিত রোগী দেখছেন, নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ,
ডাঃ মোহাম্মদ মুসা
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এমডি (শিশু), ডিসিএইচ (বিএসএমএমইউ)
ইএসপিআইডি ট্রেনিং (জার্মানী, ইউকে)
নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ
সহকারী অধ্যাপক
শিশু স্বাস্থ্য বিভাগ
চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
সিরিয়াল দিতে কিংবা বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুনঃ 01839-608569,031-2555071-5, 031-657901-5, 01976-022333, 01976-022111 নাম্বারে।https://www.facebook.com/pediatrcs/
🚩🚩🚩🚩 Epidemiology
Corona Virus-এর ইতিহাস বেশ পুরনো। মোটামুটি ১৯৬৫ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন স্ট্রেইন বিভিন্ন সময়ে পাওয়া গেছে:
১৯৬৫ সাল: 229E , OC43
২০০২ সাল: SARS-Corona Virus (SARS-CoV/2002)
২০০৫ সাল: NL63 , HKU1
২০১২ সাল: MERS-Corona Virus (MERS-CoV/2012)
২০২০ সাল: Novel Corona Virus (2019-nCoV)
মোটামুটি ১৯৬৫ সালের দিকে, সর্বপ্রথম এই ভাইরাসের ২টি স্ট্রেইন চিহ্নিত করা হয়েছিল, যথা: 229E এবং OC43. এরা মূলত কেবলমাত্র common cold-ই করতো।
এরপর দীর্ঘদিন এই ভাইরাসের তেমন কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। প্রায় দীর্ঘ ৪০ বছর পর ২০০২ সালের নভেম্বর মাসে, চীনে নিউমোনিয়া এপিডেমিকভাবে দেখা যেতে শুরু করে। ক্রমশই এই রোগ খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে। ২০০৩ সালের জুলাই মাসের মধ্যেই প্রায় ৮০৯৮-এরও বেশি কেইস রিপোর্ট হয়, যাদের মধ্যে প্রায় ৭৭৪ জনই মারা গিয়েছিলেন, অর্থাৎ মৃত্যুহার ৯.৫ % 😑 মৃত্যুর প্রধান কারণ ছিল "Severe Acute Respiratory Syndrome (SARS)". তাই এই স্ট্রেইনটিকে বলা হলো SARS-Corona Virus (SARS-CoV/2002). ভাইরাসের মূল উৎস ছিল #বাদুড়
২০০৫ সালের দিকে আরো দুইটি স্ট্রেইন আবিষ্কৃত হয়, যেগুলোকে NL63 এবং HKU1 নামে চিহ্নিত করা হয়। এগুলো মাইনর coryzal symptom করতো।
২০১২ সালে সৌদি আরবে এই ভাইরাসের নতুন একটি স্ট্রেইন আবিষ্কৃত হয়। সেখানে ২৪৯৪ টির মতো কেইস পাওয়া গিয়েছিল, যাদের প্রায় ৮৫৮ জনই মারা গিয়েছিলেন, অর্থাৎ মৃত্যুহার ৩৪ % 😑 মৃত্যুর প্রধান কারণ ছিল- Pneumonia followed by Acute respiratory failure. যেহেতু মিডল ইস্টে পাওয়া গিয়েছিল, তাই এটার নাম দেওয়া হয় Middle East Respiratory Syndrome - Corona Virus (MERS-CoV/2012). ভাইরাসের মূল উৎস ছিল #উট
২০২০ সাল: চীনের উহানে এখন পর্যন্ত ১২,০০০ টি কেইস সনাক্ত করা হয়েছে, যাদের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন মোট ২৫০ জন (০১/০২/২০২০ পর্যন্ত)। উহানের এই স্ট্রেইনটি আগের স্ট্রেইনগুলোর সাথে মিলছে না। তাই এই নতুন স্ট্রেইনটির নাম দেওয়া হয়েছে- Novel Coronavirus (2019-nCoV).
🚩🚩🚩🚩 Microbiology
এটি Nonsegmented, Single-stranded, Positive-polarity RNA genome, virus. এটির নিউক্লিওক্যাপসিড helical. ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপে দেখলে একটি সুস্পষ্ট "বর্ণবলয়" দেখা যায়। একে বলা হয় Halo / Corona. তাই ভাইরাসটির নাম রাখা হয়েছে Corona Virus.
🚩🚩🚩🚩 এই রোগ প্রতিরোধে কেন বেশি বেশি হাত ধোয়ার কথা বলা হয়?
মাইক্রোবায়োলজি থেকে আমরা অলরেডি জেনে গেছি- এটি একটি Enveloped virus. এই এনভেলাপে থাকে মূলত Lipoprotein. যার লিপিড অংশ আসে host cell থেকে, আর প্রোটিন অংশ আসে করোনা ভাইরাস থেকেই।
রসায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি আছে- "Like dissolves like". অর্থাৎ পোলার যৌগ অন্য একটি পোলার যৌগকে গলিয়ে ফেলে। আর, অপোলার যৌগ অন্য আরেকটি অপোলার যৌগকে গলিয়ে ফেলে।
সাবান কিংবা ডিটারজেন্টে থাকে Lipid. তাই এসব পদার্থ দিয়ে হাত ধুইলে, এটা ভাইরাসের এনভেলাপের Lipid অংশকে গলিয়ে ফেলবে. Lipid নষ্ট হয়ে গেলে এনভেলাপও নষ্ট হয়ে যায়। আর এনভেলাপ ছাড়া এই ভাইরাস বেচারা বাঁচতে পারে না।
তাই সাবান কিংবা ডিটারজেন্ট দিয়ে হাত ধুয়ে অনেকাংশেই এই ভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব।
🚩🚩🚩🚩 Pathogenesis
Corona Virus ফুসফুসের মিউকোসাতে Angiotensin Converting Enzyme-2 (ACE-2) কিংবা CD-26 এর সাথে বাইন্ড করে। ফলশ্রুতিতে বিভিন্ন inflammatory chemical mediators বের হয়। ফলে ফুসফুসে এডেমা হয়, ব্রংকাসগুলো কন্সট্রিকশন করে। এতে রোগীর শ্বাসকষ্ট হয়। এছাড়াও বিভিন্ন Pro-inflammatory cytokines (IL-1, IL-6, TNF-α ইত্যাদি) বের হয়। এতে জ্বরসহ অন্যান্য উপসর্গগলো দেখা দেয়।
🚩🚩🚩🚩 Incubation Period
এই ভাইরাসের ইনকিউবেশন পিরিয়ড প্রায় ১-১৪ দিন। অর্থাৎ ভাইরাস শরীরে ঢোকার ১৪ দিনের মধ্যে উপসর্গ দেখা যেতে শুরু করবে এবং আক্রান্ত ব্যক্তি এই ভাইরাস ছড়াতে থাকবে।
🚩🚩🚩🚩 কিভাবে ছড়ায়?
👉👉 মূলত বাতাসের এয়ার ড্রপলেটের মাধ্যমে
👉👉 আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে
👉👉 আক্রান্ত ব্যক্তিকে স্পর্শ করলে
👉👉 ভাইরাস আছে এমন কিছু স্পর্শ করলে
👉👉 পশু-পাখি কিংবা গবাদিপশুর মাধ্যমে
🚩🚩🚩🚩 কী কী উপসর্গ পেলে নোভেল করোনা ভাইরাস সন্দেহ করবেন?
👉👉 জ্বর (১০০ ডিগ্রী ফারেনহাইটের বেশি)
👉👉 গলা ব্যথা, মাথা ব্যাথা
👉👉 সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্ট
👉👉 শিশু, বৃদ্ধ ও দুর্বল ব্যক্তিদের নিউমোনিয়া, এমনকি ব্রংকাইটিসও হতে পারে
🚩🚩🚩🚩 প্রতিরোধের উপায়
এই নতুন স্ট্রেইনের কোন ভ্যাক্সিন আবিষ্কৃত হয়নি। তাই প্রতিরোধই একমাত্র উপায়।
👉👉 সাবান-ডিটারজেন্ট পানি দিয়ে হাত ধোয়া
👉👉 হাত না ধুয়ে চোখ, মুখ ও নাক স্পর্শ না করা
👉👉 হাঁচি-কাশি দেয়ার সময় মুখ ঢেকে রাখা
👉👉 বন্য জন্তু, কিংবা অসুস্থ গবাদিপশু পাখির সংস্পর্শে না আসা
👉👉 মাছ, মাংস, ডিম ভালোভাবে রান্না করে খাওয়া
👉👉 মুখে মাস্ক ব্যবহার করে বাইরে বের হওয়া
🚩🚩🚩🚩 কখন হাত ধুতে হবে?
👉👉 হাঁচি কাশি দেওয়ার পর
👉👉 রোগীর শুশ্রূষা করার পর
👉👉 খাবার খাওয়া ও রান্নার আগে এবং পরে
👉👉 টয়লেট করার পর
👉👉 পশুপাখি স্পর্শ করার পর
📗📙 সর্বোপরি সৃষ্টিকর্তার শরণাপন্ন হতে হবে। তার কাছে সাহায্য চাইতে হবে। 📙📗
Courtesy :
M M Tahmid Hasan
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Parkview Hospital Ltd Katalgonj Road, Panchlaish. Chittagong. Founded: 13 May, 2013
Chittagong
94/103