Revive Health
Lifestyle and Health
& ETC
08/06/2026
যুক্তরাষ্ট্রের এএএসএলডি পুরস্কারে ভূষিত মায়ো ক্লিনিকের বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ডা. মুবিন
লিভার রোগ নিয়ে গবেষণার জন্য অ্যামেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব স্টাডি অব লিভার ডিজিজের (এএএসএলডি) পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন মায়ো ক্লিনিকের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি অ্যান্ড হেপাটোলজি বিভাগের গবেষক বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ডা. মুবিন ইবনে মকবুল।
গত ৪ জানুয়ারি তাকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করে আমেরিকার লিভার গবেষণার সর্বোচ্চ এই সংস্থাটি।
এ উপলক্ষে আগামী ১৪-১৮ জুন ফ্লোরিডায় অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। এএএসএলডি ও অ্যামেরিকান সোসাইটি অব ইনভেসটিগেটিভ প্যাথলজি (এএসআইপি) যৌথভাবে এর আয়োজন করে থাকে।
বৈশ্বিক অর্জনের অনুভূতি
জীবনের সূচনাতে এবং কম সময়ে এতো বড় অর্জন সম্পর্কে জানতে চাইলে ডা. মুবিন ইবনে মকবুল বলেন, ‘মায়ো ক্লিনিক থেকে আমি একা এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছি। খুব সম্ভবত প্রথম বাংলাদেশি হিসেবেও আমি এ পুরস্কারে পাচ্ছি, আলহামদুলিল্লাহ। এটা আমার জন্য অনেক বড় সুখবর।’
জানা গেছে, প্রতিবারের ন্যায় এ বছরও এই পুরস্কারের জন্য গবেষণাপত্র জমা দেন সারা বিশ্বের তরুণ লিভার বিজ্ঞানীরা। কনফারেন্সে উপস্থাপনের জন্য সেখান থেকে সেরা ১০-১২টি গবেষণা বাছাই করে কমিটি। ডা. মুবিন ইবনে মকবুল গবেষণাপত্র উপস্থাপন এবং পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। তিনি আগামী ১৫ জুন তার গবেষণাপত্র উপস্থাপন করবেন। সেখানে ১৮ জানুয়ারি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তাঁকে পুরস্কৃত করা হবে।
চলতি বছর প্রশিক্ষণার্থী ক্যাটাগরিতে পুরস্কারপ্রাপ্ত গবেষকরা হলেন—
১. ম্যাথিউ কারসন (পিএইচডি), ইউনিভার্সিটি অব পিটসবার্গ, ২. মাইকেল হু (বিএ), ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া, ৩. কেনতারো ইওয়াসাওয়া (এমডি, পিএইচডি), সিনসিনাটি চিলড্রেনস হসপিটাল মেডিকেল সেন্টার, ৪. অনিশা জৈন (বিএস), ইউনিভার্সিটি অব পিটসবার্গ, ৫. চ্যাং কিয়ুং কিম (এমডি, পিএইচডি), ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া মেডিকেল সেন্টার, ৬. নোয়া ম্যাক (বিএস), রাটগার্স ইউনিভার্সিটি, ৭. ভিক মেডোজ (পিএইচডি), ইউনিভার্সিটি অব পিটসবার্গ, ৮. একতা মিনোচা (পিএইচডি), ইউনিভার্সিটি অব অ্যারিজোনা, টাকসন, ৯. মুবিন ইবনে মোকবুল (এমবিবিএস), মেয়ো ক্লিনিক, রচেস্টার, ১০. লরা মোলিনা (এমডি, পিএইচডি), ইউনিভার্সিটি অব পিটসবার্গ মেডিকেল সেন্টার ও ১১. ক্লেয়ার ওয়পম্যান (বিএ), বোস্টন ইউনিভার্সিটি।
ডা. মুবিনের গবেষণায় হাতেখড়ি
ডা. মুবিন ইবনে মকবুল ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়ালেখার শুরু থেকে গবেষণার প্রতি অদম্য কৌতূহল, নিজ উদ্যোগে রিসার্চ ক্লাব গঠন আর নিরলস পরিশ্রম করে যান। আর এই সোপান বেয়েই স্বাস্থ্যসেবার সনদ গ্রহণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পৌঁছে যান বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ চিকিৎসা গবেষণা প্রতিষ্ঠান মায়ো ক্লিনিকে। বর্তমানে তিনি সেখানে আন্তর্জাতিক মানের গবেষক দলের সাথে লিভার সিরোসিসের কারণ ও সম্ভাব্য চিকিৎসা নিয়ে কাজ করছেন।
আশৈশব নতুন কিছু জানার আগ্রহ
ছোটবেলা থেকেই নতুন কিছু জানার ব্যাপারে ব্যাপক আগ্রহী ছিলেন ডা. মুবিন। তিনি প্রথম রিসার্চ পেপার পাবলিশ করি কলেজ লাইফে, নটর ডেম কলেজে পড়াকালে। ঢাকা মেডিকেল কলেজেও এই গবেষণা অব্যাহত রাখেন তিনি। এ ছাড়াও বুয়েটের বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের সাথে গবেষণায় যুক্ত ছিলেন। ফাইনাল ইয়ারে থাকতে তিনি ও কয়েকজন বন্ধু মিলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ রিসার্চ ক্লাব গড়ে তোলেন, যেটি এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজের অন্যতম বড় ও সক্রিয় ক্লাব। এটি মেডিকেল স্টুডেন্টদের মধ্যে গবেষণা ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে।
লিভার গবেষণায় যেভাবে
লিভার সিরোসিসে মাকে হারানোর বেদনা থেকে দুরারোগ্য এই ব্যাধির সহজ চিকিৎসা আবিষ্কারের স্বপ্ন নিয়ে গবেষণায় আগ্রহী হয়ে উঠেন ডা. মুবিন।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সত্যি বলতে আমি ব্রেইন বা নিউরোসায়েন্স রিলেটেড গবেষণায় বেশি আগ্রহ ছিলাম। মেডিকেলে তৃতীয় বর্ষে পড়ার সময় আম্মু লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হোন। চূড়ান্ত বর্ষের শুরুতে আম্মু পৃথিবী থেকে চলে যান। এর পর থেকে আমার লিভার নিয়ে গবেষণার আগ্রহ জাগে। আম্মু কখনোই লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করতে চাইতেন না। ফ্রম দ্যাট টাইম, আই অলওয়েজ আস্কড মাইসেলফ—ক্যান্ট উই ডিসকভার অ্যান ইজিয়ার ট্রিটমেন্ট অপশন ফর ইট?
গবেষণার ফল রোগীদের জন্য কতটা সহায়ক?
চিকিৎসাবিজ্ঞানের যেকোনো মৌলিক গবেষণার ফল পেতে অনেক সময় লাগে জানিয়ে তিনি বলেন, এখানে আমার ল্যাবের টিম মূলত লিভার সিরোসিস কেন হয় এবং তা নিরাময় করতে ইমিউনোলজি, জেনেটিক্স, মলিকুলার বায়োলজি ও বায়োইনফরমেটিক্স—সব মিলিয়ে সম্মিলিত চেষ্টা করে যাচ্ছেন। যদি আগামী কয়েক দশকে এই রোগের কোনো সহজ চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার করতে পারি, তাহলে ইনশাআল্লাহ তা প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে ভালো প্রভাব রাখবে বলে আশা করছি।
অভিজ্ঞতা দেশে কাজে লাগানোর প্রত্যয়
তিনি আরও বলেন, আমি এখানে যা শিখছি তা বাংলাদেশে কাজে লাগাতে ও এই শেখা জ্ঞান বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিতে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশে ভাল কোনো লিভার সেন্টার দেয়ার স্বপ্ন আছে ইনশাআল্লাহ, যেখানে উন্নতমানের চিকিৎসাসহ বিশ্বমানের গবেষণা হবে।
পরিকল্পনা
আমার ইচ্ছা হল একজন ভাল ফিজিসিয়ান-সায়েন্টিস্ট হওয়া। একটু বুঝিয়ে বলি। এখন উন্নত বিশ্বে চিকিৎসক ও গবেষক আলাদা দুইটি পেশা নয়। একই ব্যক্তি দুইটি কাজেই সমানভাবে পারদর্শী। উদাহরণস্বরূপ, মায়ো ক্লিনিকের বেশিরভাগ ডাক্তার যেভাবে ভালভাবে চিকিৎসা দিতে জানেন, ঠিক সেভাবেই তার ফিল্ডে উনি উনার ল্যাবে গবেষক হিসেবেও চমৎকার কাজ করছেন। তো আমি একই সাথে একজন ভাল চিকিৎসক ও গবেষক হিসেবে হেপাটলজিতে অবদান রাখতে চাই ইনশাআল্লাহ।
বেড়ে উঠার গল্প
সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান মুবিনের জন্ম ও বেড়ে উঠা রাজধানীর মিরপুরে। তার দাদার বাড়ি গোপালগঞ্জ আর নানা বাড়ি সাতক্ষীরায়। মুবিনের বাবা হাজী মো. মকবুল হোসাইন ও মা মরহুম ইসমত জাহান। তারা দুইজনেই শিক্ষক ছিলেন। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান হিসেবে স্নেহসিক্ত পরিবেশেই বেড়ে উঠেন তিনি।
মুবিন রাজধানীর গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল থেকে ২০১৭ সালে এসএসসি ও নটর ডেম কলেজ ২০১৯ সালে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। এর পর ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেন। পরীক্ষায় মুবিন ইবনে মকবুলের স্কোর ২৯২.৫, যা ডেন্টালে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ।
একই বছর তিনি এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় ১১০তম হন। পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় ঘ ইউনিটে প্রথম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক ইউনিটে ৭১তম ও ঘ ইউনিটে ২৩তম স্থান অর্জন করেন। এ ছাড়াও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও আর্ম ফোর্সেস মেডিকেল কলেজে (এএফএমসি) ভর্তির সুযোগ পান এই কৃতি শিক্ষার্থী। তবে স্বাস্থ্যসেবার মহান লক্ষ্য নিয়ে শেষ পর্যন্ত মেডিকেলকেই বেছে নেন তিনি।
04/06/2026
ভারতের চিকিৎসকেরা বাংলাদেশের রোগীদের সাথে বেশকিছু মাইন্ড গেইম খেলে যার কারণে রোগী ওদের উপর সন্তুষ্ট হয় বেশি তার মধ্যে নিম্ন পর্যায়ের একটা হলো এই কম্বিনেশন থেরাপি। আমাদের দেশের সব রোগীদের অভিযোগ আমরা ওষুধ কোম্পানির টাকা খেয়ে ইচ্ছামতো বেশি বেশি ওষুধ দেই। অথচ ভারতে আমাদের চেয়েও বেশি ওষুধ দেয় কিন্তু অনেকগুলো ঔষধ একটা ট্যাবলেটে থাকায় রোগী বুঝতেও পারে না। যদি দামের কথা বলেন এক্ষেত্রেও ভারত আমাদের থেকে বেশি দাম রাখে।
প্রথম ছবিতে যে "FastClav" (Cefuroxime+Clavulenic Acid) দেখা যাচ্ছে তার দাম দেওয়া আছে ৬৮.৫৬ রুপি যার বাংলাদেশি দাম হয় ৮৮.৫৮ টাকা। কিন্তু এই একই ওষুধ আমাদের দেশে পাবেন ৬০ টাকা/প্রতি পিস।
দ্বিতীয় ছবিতে যে ওষুধ দেখা যাচ্ছে সেটা মূলত ব্যথা কমানোর জন্য দেওয়া কম্বিনেশন থেরাপি যাতে আছে "Zerodol-SP" (Paracetamol+Aceclofenac+Serratiopeptidase) তিনটা মিলে দাম রাখছে ১৩৯.৬৯ রুপি যার বাংলাদেশি দাম ১৮০.৩৩ টাকা। অথচ বাংলাদেশে ১০টা Napa(Paracetamol) ১২ টাকা আর ১০ টা Aceclofenac ৩০-৪০টাকা কোম্পানি ভেদে আর Serratiopeptidase এত বেশি প্রেস্ক্রাইব করা হয় না কারণ এটাতে ব্যথা আর ফোলা কমাইলেও রক্ত পাতলা হয়ে যায় যার ফলে রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ার প্রবণতা দেখা যেতে পারে। অর্থাৎ দেশে এই ২টা ওষুধ কিনতে মোট খরচ পড়তো ৪২-৫২ টাকা।
এখন এইসব কাটাকাটি দেশের রোগীকে কে বুঝাবে? আমাদের দেশের সাংবাদিক? ওরা তো আমাদের চেয়ে বড় ডাক্তার। ওরা একখান ক্যামেরা হাতে নিবে অতিশিক্ষিত রোগীর অতিশিক্ষিত আবেগী এক ডায়লগ হেডলাইনে দিয়ে নিউজ করবে -"ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃ*ত্যু"
[বিঃ দ্রঃ যে ওষুধগুলোর ছবি দেওয়া তার মালিক ভারতে গিয়ে রোড এক্সিডেন্ট করেছিলেন, এখন দেশে ফিরে আমাদের কাছে আসছেন এগুলার অল্টারনেটিভ কি খাবেন এটা জানার জন্য]
ডাঃ নাদিম মেহমুদ রুদ্র
MBBS(SSMC)
Melasma অথবা মেসতার কার্যকরী চিকিৎসা
Dr.Hasibur Rahman sir
৯৫ বছরের বয়স্ক বৃদ্ধ বিছানায় পড়ে আছেন, উনার দুই চোখে ছানি পড়েছে, তা দেখে উনার সন্তানদের মায়া হল।
তাই গত ৭ দিন ধরে কয়েকবেলা করে চোখের ভেতর লেবুর রস দিয়েছেন।
৭ দিন পর অবস্থা যখন খারাপ হয়ে গেল, চোখ অনেক বেশি লাল হয়ে গেল, এইবার রোগীর মেয়ে আসলেন আমার কাছে, মোবাইলে করে চোখের ছবি নিয়ে।
এইবার আমাকে তার বাবাকে ট্রিটমেন্ট দিয়ে চোখ একবারে ঠিক করে দিতে হবে।
আমাকে অনেক্ষণ জ্ঞান দিলেন তাদের বাবার প্রতি যে তাদের কতটুকু ভালবাসা।
বাবাদের প্রতি এই সমস্ত ভালবাসা বেঁচে থাকুক চিরকাল।
-ডা:তৌহিদুল ইসলাম ইমন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Cumilla