Sanatana Seba

Sanatana Seba

Share

ঘরে বসে পূজা, পার্বণ, বিবাহ সহ যে কোন ধর্মীয় আয়োজন এর একমাত্র অনলাইন প্লাটফর্ম।

18/12/2022

বাঙালি বিয়ের অনেকগুলো অনুষ্ঠানের মধ্যে বলা যেতে পারে যে প্রথম ও একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান হল আইবুড়ো ভাত। এই অনুষ্ঠানের অর্থ হলো বিয়ের আগে মেয়েদের শেষবারের মতো অবিবাহিত অবস্থায় আনুষ্ঠানিকভাবে বাপের বাড়িতে খাওয়া।

আইবুড়ো বলতে, বিবাহ পূর্ববর্তী অবস্থাও বুঝায়। বিবাহ পূর্ববর্তী অবস্থাটি ছেলে-মেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রেই বুঝায়, তথাপি, বহুকাল আগে থেকেই আইবুড়ো বলতে, অবিবাহিতা মেয়েকেই বুঝানো হতো। এই অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য, মেয়েটি বিয়ের পরে বরের সাথে বরের বাড়িতে চলে যাচ্ছে, এবং বাবার বাড়িতে এতোদিন যে মেয়েটি খাওয়া-দাওয়া করতো, সে মেয়েটি আর নিয়মিত বাবার বাড়িতে খাবে না। সুতরাং, এতোদিন যে বাবার বাড়িতে খেলো, ঠিকভাবে খেলো কি না, খাওয়ার জন্য মেয়ের মনে কোন কষ্ট রয়ে গেলো কি না, এসব অনুভূতি থেকেই বিয়ের আগে এই আইবুড়ো ভাত অনুষ্ঠান।

আইবুড়ো শব্দের অর্থ ও ব্যুৎপত্তি সন্ধান করতে গিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিধানে ‘আইবুড়ো’ শব্দটির উৎসে বলা হচ্ছে, এই শব্দটি এসেছে সংস্কৃতি “অব্যূঢ়” শব্দ থেকে যার অর্থ হচ্ছে অবিবাহিত কিন্তু প্রখ্যাত ভাষাবিদ অধ্যাপক সুকুমার সেন মনে করেন, কথ্য এই শব্দে, সংস্কৃতির “অব্যূঢ়” শব্দের সঙ্গে ‘আইবুড়ো’ শব্দটিরও উৎস সংস্কৃতি, তবে সেই সংস্কৃতি শব্দটি হলো ‘আয়ু বৃদ্ধি‘।
আবার হিন্দু বিবাহ রীতিমতে বিয়ের অব্যবহিত আগে বিয়ের পাত্র বা পাত্রিকে যে ভাত অর্থাৎ বিশেষ আহার পরিবেশন করে, গুরুজনেরা ধান, দূর্বা দিয়ে আশীর্বাদ করে তার দীর্ঘ আয়ু কামনা করে, সেই মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানকে ‘আইবুড়ো ভাত’ বলে। নামকরনের সৃষ্টি অনুসন্ধান করতে গিয়ে আইবুড়ো শব্দের উৎপত্তিতে শ্রদ্ধেয় সুকুমার সেনের মতবাদই সর্বজনগ্রাহ্য বলে অনুমিত হয়।

আয়ু কথ্য ভাষায় পরিবর্তিত হয়ে ‘আই’। আর বাড়িতে বিশেষ করে যৌথ পরিবারে বড় অর্থাৎ অগ্রজ পুত্র সন্তানকে বুড়ো বলেই ডাকার চল ছিল। এইভাবে আয়ু বৃদ্ধি কথ্য ভাষার ক্রমে ক্রমে পরিবর্তিত হয়ে আইবুড়ো রুপ ধারন করে।

15/12/2022

বিজয়ের চেয়ে আনন্দ আর কোথাও নেই। স্বাধীনতার চেয়ে সুখও আর কোথাও নেই। আমরা বিজয় এবং স্বাধীনতা দুটোই পেয়েছি।

আর সেই বিজয় এবং স্বাধীনতার আনন্দ উপভোগ করছি জাতি, ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে ৫১ বছর ধরে। ৫২ তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আমাদের সনাতন সেবার সকল সদস্য, অনুসারী, এবং দেশের সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে জানাই মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

29/11/2022

আপনি কি জানেন হিন্দু নারীরা শাঁখা-সিঁদুর পরেন কেন ? আসুন জেনে নেই এ বিষয়ে সনাতন ধর্মের কি ব্যাখ্যা___

সনাতন ধর্ম অনুযায়ী সিঁদুর হল বিবাহিত মহিলার প্রতীক। মনে করা হয় সন্তানের মঙ্গলের জন্যই মেয়েরা সিঁদুর পরেন। সেই সঙ্গে এটাও মনে করা হয় যে স্ত্রীর সিঁদুর যে কোন বিপদের হাত থেকে স্বামীকে রক্ষা করতে পারে। যদিও শাস্ত্রমতে এই সব আচার বিধির সঠিক কোন কারণ নেই। সিঁদুর না পরলেই যে অমঙ্গল হবে কিংবা বিবাহিত মেয়েদের সিঁদুর পরতেই হবে এমন কিন্তু কোথাও লেখা নেই। প্রজাপ্রতি ব্রহ্মার প্রতি শপথ করেই বিয়ের অনুষ্ঠানে যজ্ঞের পর সিঁদুর দানের অনুষ্ঠান হয়। যে কারণে সিঁথির সিঁদুরকে এত পবিত্র বলে মনে করা হয়। অনেকেই মনে করেন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেকার বন্ধন রক্ষা করে সিঁদুর। শাঁখা, সিঁদুর, ও লোহা ব্যাবহারের তিনটি কারণ হচ্ছে আধ্যাত্মিক, সামাজিক এবং বৈজ্ঞানিক।

১। আধ্যাত্মিক কারণঃ শাঁখার সাদা রং _স্বত্ব, সিঁদুরের লাল রং _রজঃ, লোহার কালো রং- তম গুনের প্রতিক। সংসারী লোকেরা তিনটি গুনের অধিন হয়ে সংসারধর্ম পালন করে থাকেন।

২। সামাজিক কারনঃ এই তিনটি জিনিস পরিধান করলে প্রথম দৃষ্টতেই জানিয়ে দেয় এই রমণী একজন পুরুষের আভিবাবকত্বে আছেন। স্বামীর মঙ্গল চিহ্নতো অবশ্যই এই শাঁখা সিঁদুরের আবরনে।

৩। বৈজ্ঞানিক কারনঃ রক্তের তিনটি উপাদান_ শাখায় ক্যালসিয়াম, সিঁদুরে মার্কারি বা পারদ, এবং লোহায় আয়রন আছে। রক্তের এই তিনটি উপাদান মেয়েদের মাসিক রজস্রাবের সাথে বের হয়ে যায়। এই তিনটি জিনিস নিয়মিত পরিধানে রক্তের সেই চাহিদা পূরণে সহায়তা করে। ঋষিগণ সনাতন ধর্মের প্রতিটি আচার অনুষ্ঠানেই বৈজ্ঞানিক প্রয়োজনীয়তাকে প্রাধান্য দিয়ে আচার বা অনুষ্ঠানের ব্যাবস্থা করেছেন।

তথ্যসূত্রঃ
https://www.anandabazar.com/horoscope/articles/why-should-
https://eisamay.com/lifestyle/relationship/why-sindoor-is
https://m.facebook.com/krishnakatha.c

Want your business to be the top-listed Shop in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


House 33A, Floor 05, Road 04, Dhanmondi Residential Area, Dhaka/
Dhaka
1205