Iqlas
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Iqlas, Digital creator, Dhaka.
সালাতের মাকরূহ বা অপছন্দীয় কাজ সমূহ
▬▬▬◆◯◆▬▬▬
প্রশ্ন: সালাতের মাকরূহ কাজগুলো কী কী? এতে কি সালাত ভঙ্গ হয়ে যায়?
উত্তর:
মাকরূহ শব্দের অর্থ: অ পছন্দনীয়। এতে সালাত ভঙ্গ হয় না বা তাতে কোনও গুনাহ নেই কিন্তু না করা ভালো। সালাতের বিনয়-নম্রতা এবং সৌন্দর্য রক্ষায় এসব বিষয়ে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
নিম্নে সর্বাধিক প্রচলিত দশটি মাকরূহ বিষয় উল্লেখ করা হল:
১. সালাত রত অবস্থায় বিনা প্রয়োজনে আড় চোখে উপরের দিকে বা ডানে-বামে তাকানো।
২. বিনা প্রয়োজনে চোখ বন্ধ করে সালাত আদায় করা। তবে নামাজির সামনে যদি এমন কিছু থাকে যার কারণে সে দিকে বারবার দৃষ্টি চলে যায় তাহলে চোখ বন্ধ করায় কোনও দোষ নেই।
৩. তাশাহুদের বৈঠকে ইকা (إيقاع) করা। এর একাধিক পদ্ধতি আছে। যেমন:
ক. দু পায়ের পিঠ মাটিতে বিছিয়ে দিয়ে দুই গোড়ালির উপর বসা।
খ. পায়ের আঙ্গুলগুলো মাটিতে রেখে গোড়ালি দ্বয় খাড়া রেখে এতদুভয়ের মাঝে নিতম্ব রেখে বসা।
গ. দুই পায়ের পাতা খাড়া রেখে দু পায়ের গোড়ালির উপর বসা। (এটি দুই সেজদার মাঝে কখনো কখনো করা সুন্নত। কিন্তু তাশাহুদের বৈঠকে করা মাকরূহ।)
৪. পেশাব-পায়খানার চাপ নিয়ে সালাত আদায় করা।
৫. পেটে ক্ষুধা নিয়ে খাবারের উপস্থিতিতে সালাত আদায় করা।
৬. মাটিতে দু বাহু বিছিয়ে সেজদা দেওয়া।
৭. সালাতে আঙ্গুল ফুটানো বা আঙ্গুলের মধ্যে আঙ্গুল প্রবেশ করানো।
৮. কোমরে হাত বেঁধে দাঁড়ানো।
৯. এক পায়ের উপর ভর করে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করা।
১০. অনর্থক কাজ। যেমন: বিনা প্রয়োজনে দাড়ি, হাত, পা, কাপড় ইত্যাদি নড়াচড়া করা, শরীর মুচড়া-মুচড়ি করা এবং বিনা প্রয়োজনে সেজদার স্থান বা কপাল থেকে ধুলাবালি ঝাড়া ইত্যাদি।
কেউ বেখেয়ালে এসব করলে তার উচিৎ, স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে সতর্ক হওয়া এবং তা অব্যাহত না রাখা। অন্যথায় এতে সালাত ভঙ্গ না হলেও তা মাকরূহ বা অ পছন্দনীয় কাজ হিসেবে গণ্য হয়। এতে সালাতের সওয়াব কমে যাবে। কারণ মুমিন ব্যক্তি পূর্ণ আন্তরিকতা, বিনয় ও ভয়-ভীতি সহকারে সালাত আদায় করতে নির্দেশিত।
আল্লাহ তাওফিক দান করুন। আমিন।🤲
আল্লাহু আলাম।
-✍️আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব।
02/11/2022
আমি নিজেও কখনাে এভাবে ভাবিনি...
ফজর- ২ x ৩৬৫ দিন = ৭৩০ রাকাআত
যােহর- ৪ x ৩৬৫ দিন = ১৪৬০ রাকাআত
আসর- ৪x ৩৬৫ দিন = ১৪৬০ রাকাআত
মাগরিব- ৩ x ৩৬৫ দিন = ১০৯৫ রাকাআত
এশা- ৪x ৩৬৫ দিন = ১৪৬০ রাকাআত
মােট = ৬২০৫ রাকাআত
সুন্নাত এবং নফল সালাত তাে বাদই দিলাম !!
১ বছরে (৩৬৫ x ৫) = ১৮২৫ ওয়াক্ত সালাত।
অর্থাৎ বছরে ১৮২৫ বার আপনাকে আযানের মাধ্যমে
ডাক দেয়া হয়।
আপনি কয়বার সাড়া দিয়েছিলেন ?
আপনার মনে কি একটুও অনুশােচনা হওয়ার কথা না ?
কি ভেবেছেন আল্লাহর কাছে হিসাব দিতে হবে না?
এখানে শুধু ১ বছরের একটু ধারণা তুলে ধরা হল,
আল্লাহ্'র কাছে পুরাে জীবনের হিসাব কিভাবে দিবেন. ?
কি অবস্থা হবে সেদিন ?
আসুন!!
আজ থেকেই ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা শুরু করি।
আল্লাহর ডাকে সাড়া দেই।আল্লাহ্ কে ডাকি।
আল্লাহ নিশ্চয়ই আমাদের ডাকে সাড়া দেবেন।
মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে পাঁচ ওয়াক্ত
নামাজ আদায় করার তৌফিক দান করুক...... 🤲🤲🤲আমিন।🤲🤲🌸
হে আমার প্রতিপালক! যেদিন হিসাব হবে সে দিন আমাকে, আমার পিতা মাতাকে এবং মু,মিনদেরকে ক্ষমা করুন।
(সুরা ইবরাহিমঃ৪১)।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Dhaka
1203