Muhammad Yousuf
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Muhammad Yousuf, Writer, Faridabad, Dhaka.
আপনার আত্মবিশ্বাস(confidence) বাড়ায় যে বিষয় গুলো
১)আপনার কর্ম দক্ষতা কি পরিমান? (skill)
২)আপনার জ্ঞান কি পরিমান? (knowledge)
৩) আপনার টাকা-পয়সা কি পরিমান? (money)
তাই আজ থেকে এগুলো বারিয়ে নিয়ে নিজেকে আরো বেশি আত্মবিশ্বাসী (confidence)করে নিন।
সব বাবা কি বাবা হয়?
১...
আমি ওমার
বাবাদের তো আমরা অনেক গল্প শুনেছি। চলুন ছোট্ট একটা গল্প দিয়ে শুরু করি ।
আমি আমার মা এবং বউ কে দেখতাম তারা মাংসের সাথে আলু দিয়ে রান্না করে ।
আচ্ছা মাংস কি আলু দিয়ে রান্না করলে মজা বেশি হয় ? না তো।
উত্তরে আমার বউ বলতো আলু দিলে তরকারি বেশি হয় তাই দেই ।
সত্যি আলু দিলে তর কারি বেশি হয় ।
ছোট বেলায় আমি মাংস তরকারির আলু খেতাম না ।বাবা চেয়ে চেয়ে দেখতো ।আমি বাবাকে মাংশ খেতে বললে বাবা বলতো আলুই আমার কাছে ভালো লাগে ।
আজ আমিও আমার ছেলেকে আমার বাবার কথাটাই বলি
ছেলে মাংস খাচ্ছে এটা দেখে আমার কত যে ভালো লাগে ।আজ বাবা হয়ে আমি আমার বাবার ভালোবাসা বুঝতে পেরেছি।
বাবা না খেয়ে আমাকে খাওয়াতো।আসলে মাংস যে আমার পছন্দ । কিন্তু আমি যদি ছোট বলার মতো শুধু মাংস খাই তাহলে আমার ছেলে খাবে কি ?এই ভেবে আমি আলুখাই।
২....
উপরে একটা ছোট্ট গল্প বললাম।এখন চলেন আরেক গল্পে যাই।
আজ বাবা আমার মাকে বলে তুই তর ছেলেদের ভালো ভালো খাওয়াছ আর আমারে দেছ ডাল ভাত।
আমার মা আজ অনেক কেঁদেছে।তিনি তো আমার বাবাকে ভালো টা খাওয়াতে চায় ।
বুঝেছি শেষ থেকে বললে বুঝবেন না।
৩...
২৩ বছর আগে ।আমার মা-বাবা বিয়ে হয় ।
বাবার সাত ভাই ।বাবা অবশ্য বিয়ে আগে কয়েক বছর বিদেশ ছিলো।
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা লাভ করেননি তিনি।ছোট বলা থেকে কাজ করতো। অন্য ভাইদের পড়া লেখা করাতো।
বিয়ের এক বছর পরে আমার বড় ভাইয়ের জন্ম হয় ।আমার খালা আমার ভাইকে খুব যত্ন করতো।।
ভাই যখনকিছু টা বড় হয় আমার ভাইকে আমার বাবা অনেক মজা এনে খাওয়াতেন । আমি আমার ভাইয়ের তিন বছর পরে জন্ম হই । আমি যখন কথা বলতে শুরু করি তখন আমার বাবা বিদেশে চলে যায় ।আমি বাবাকে শুধু বলতে পারতাম আব্বা রুটি, কলা, আম।
দেখতে দেখতে নানির বাড়ি বড় হই ।আমার আব্বা আম্মার কাছে টাকা পাঠাতো না ।
তার এক মহিলা বন্ধু কাছে টাকা পাঠাতো ।আমার মা আমাকে খুলে করে আর ভাইকে পায়ে হাটিয়ে প্রতি দিন ১ .৫কিমি পায়ে হেঁটে প্রতি দিনের বাজারে টাকা আনতেন । পদ্মা মেঘনার ভোগে আরো জল গড়ালো ।আমি তখন স্কুলে ভর্তি হই ।আমার ভাই আরো আগেই স্কুলে পড়ে ।
আমাদের স্কুলের ফি আমার নানির বাড়ি থেকে আনতে হতো । বাবা ঠিক মতো টাকা পাঠাতো না ।।
এভাবেই আরো দুই বছর চলে যায় ।আব্বা ঠিক মতো টাকা পাঠাচ্ছে না বলে ।আমার মা আমার ভাইকে নানির বাড়ি রেখে আমাকে নিয়ে ঢাকায় চলে আসে কাজের সন্ধানে ।
অল্প টাকার বেতনে একটা হাসপাতালে ক্লিনার হিসেবে চাকরি পায় ।
আমি তখন প্রথম শ্রেণীতে পড়ি ।
বাবার সাথে তখন ফোনে কথা হয়েছে কিনা মনে নাই।
কয়েকটা মাস পরে বাবা বলে টাকা ঠিক মতো দিবে ।আমার মাকে বাড়ি চলে যেতে বলে । মা ও তাই করে ,বাড়ি চলে আসে ।
বাড়ি তে আসার ছয় মাস পরে আমাকে আমার গ্রামের একটা স্কুলে ২য় শ্রেনিতে ভর্তি করিয়ে দেয় ।আমার ভাই তখন ৪র্থ শ্রেনিতে পড়ে।
চলেছে চলতে ৫ম শ্রেনি পাস করি।
রেজাল্ট মোটামুটি ভালো ছিলো।
আমার মা বলেছিলো তুই যদি তর চাচাতো ভাইয়ের চেয়ে বেশি নাম্বার পাঁচ তাহলে তর এক হাজার টাকা দিবো।(আমি আর আমার চাচাতো ভাই একই ক্লাসে এক সাথে পড়তাম)
আমি চেষ্টা ছাড়াই তার থেকে বেশি নাম্বার পাই
। আমার বাবা তখনও টাকা তেমন ভালো পাঠাতো না ।ঢাকা থেকে গ্রামে আসার পরে অবশ্য টাকা আম্মার কাছেই পাঠাতো ।
৩....
৬ষ্ঠ শ্রেনি ।আমাকে একটা ছোট পুরান সাইকেল কিনে দেওয়া হয় আমার আমার ভাইকে একটা বড় নতুন সাইকেল কিনে দেওয়া হয় ।৬ষ্ঠ শ্রণিতে উঠার পর থেকে বাবা টাকা ঠিক মতো পাঠাতো। অবশ্য জমানোর মতো না ।৫ম শ্রেনিতে থাকার সময় একবার আমি টাকার জন্য কেঁদেছিম । একটা সাজেশন দিবে বিদ্যালয় থেকে এর জন্য কিছু টাকা লাগবে ।আমিতো জানি আমার মায়ের কাছে টাকা নাই।
তারপরেও মাকে বলছি মা তখন টাকা ধার করে আমাকে টাকা দেয় ।
৬ষ্ঠ শ্রেনিতে উঠার পরে
১..
গ্রীষ্মের ছুটিতে সিলেট ঘুরতে এসেছি । ঘন ঘন কালবৈশাখীর ঝড় হচ্ছিল।
আজ দুই দিন ধরে আমরা সিলেটে আছি। আমি আর সজিব । বিকেল বেলা রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলাম।
রাস্তার দুইপাশে প্রচুর আম আর কাঁঠাল গাছ। এইতো গত পাঁচ বছর আগে তো রাস্তার দুই পাশে খালি ছিল। পাঁচ বছরে এত আমূল পরিবর্তন হয়ে গেল কিভাবে? আমার তখন মনে পড়ে গেল তানভীরের কথা। এর আগে আমি আর তানভীর করতে এসেছিলাম সিলেটে। তখনো ছিল গ্রীষ্মকাল। আম কাঁঠালের সময়। আমরা প্রায় 5 দিন সিলেটে থাকবো বলে বের হয়েছিলাম। উদ্দেশ্য ঘোরাঘুরি। সিলেটে যাওয়ার উদ্দেশ্য বের হওয়ার আগে আমরা প্রায় এক মাস ধরে পরিকল্পনা করছিলাম। তানভীরকে সিলেট আসার আগে দেখেছিলাম সে কয়েকদিন ধরে আম কাঁঠাল খুব বেশি খাচ্ছে। যখন আমরা সিলেটে ঘুরতে আসি, তখন ঐ রাস্তার দু'পাশে আম কাঁঠালের বিচি গুলা ছিটিয়ে দিয়েছিল। হয়তো সেই আম কাঠালের বিচি গুলা থেকেই এত গাছ হয়ে গেছে। আজ সুন্দর সুন্দর আম দিচ্ছে, কাঁঠাল দিচ্ছে। পথিকদের ছায়া দিচ্ছি। কত সুন্দর একটা পরিকল্পনা তাইনা? আমার তখন মনে পড়ে গেলো রাসুল (সা:) সেই হাদিস টা
জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে কোন মুসলিম ফলজ বৃক্ষ রোপন করবে তা থেকে যা কিছু খাওয়া হয় তা তার জন্য দান স্বরূপ, যা কিছু চুরি হয় তাও দান স্বরূপ, বন্য জন্তু যা খেয়ে নেয় তাও দান স্বরূপ। পাখী যা খেয়ে নেয় তাও দান স্বরূপ। আর কেউ কিছু নিয়ে গেলে তাও তার জন্য দান স্বরূপ। (ই. ফা. ৩৮২৪, ই. সে. ৩৮২৩)
সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৩৮৬০।
।।২....
তানভীর এবার সিলেটে আমাদের সাথে এবার আসে নাই। রয়ে গেছে তার স্মৃতি। কত সুন্দর একটা পরিকল্পনা তার। সে এখানে উপস্থিত না থেকেও দান করে যাচ্ছে হাজার হাজার ফল। খুব সহজে পেয়ে যাচ্ছে অনেক নেকি!
চাইলে আপনিও এমনটা করতে পারেন।
ফল খেয়ে তার বিচিগুলো সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন। অঙ্কুরোদ হারিয়ে ফেলার আগেই তা দূরে কোথাও রোপন করে আসুন। আপনি চলে গেলেও রয়ে যাবে গাছগুলো। সাদকায়ে যারিয়া হিসেবে পেতে থাকবেন আজীবন সোয়াব।
লেখক:মোঃ আরিফ
এক,
সাল ২০৬০ ।বয়স এখন আমার ৫৭র ওপরে। জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছি ।একা একা ভালো লাগছে না । তাই ভাবলাম লামিয়ার রুম থেকে একটু ঘুরে আসি (লামিয়া আমার ছোট ছেলের বড় মেয়ে)টেবিল থেকে চশমাটা নিয়ে চোখে লাগিয়ে লামিয়ার রুমে যাই গল্প করার জন্য। সে ততক্ষন ল্যাপটপে ভার্চুয়াল ক্লাস করছিল। এখন অবশ্য ক্লাসগুলো ভার্চুয়ালি হয়ে থাকে। আমাদের মত আর স্কুল- কলেজে গিয়ে ক্লাস করতে হয় না। আমি যেতে যেতেই ওর ক্লাস শেষ হয়ে যায়। আমাকে দেখে বলে ও দাদু ,বসো!আমার ক্লাস শেষ আমি এখন গোসলে যাবো । গোসল শেষে তোমার সাথে কথা বলবো কেমন? আমি হ্যাঁ বলে সম্মতি দিলাম।
দুই,
ল্যাপটপটা তখনও চালু ছিল, আমি চশমা পড়েও খুব স্পষ্ট ল্যাপটপে ফেসবুকের লোগোটা দেখতেছিলাম। ভাবলাম একবার ফেসবুকে লগইন করে দেখি। অনেক কষ্ট করে পাসওয়ার্ড টা মনে করলাম। লগইন করে দেখি ৬২৩৪টা নোটিফিকেশন। আমার ফেসবুক ফ্রেন্ড ছিল মাত্র 312 জন। ফেসবুকে স্ক্রলিং করতে করতে হঠাৎ সাবেরের আপলোড করা একটা ভিডিও আমার চোখের সামনে আসে। একটা গান শেয়ার করেছিল সে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৯ লক্ষ মানুষ ভিডিওটা দেখে ফেলেছে। অনেক লাইক ও পড়েছে ভিডিওটাতে। হয়তো অনেক শেয়ার হয়েছিল। আমার তখন মনে পড়ে গেল লেখক আরিফ আজাদের লেখায় "চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়"গল্পটা । সাবের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে গত ২০ বছর আগে মারা যায়।সে দিন খুব কষ্ট লেগেছিলো। আজও তার কথা মনে পড়লে পরিবেশটা ভারি হয়ে যায়। তার ভিডিওটা দেখে আমার খুব আফসোস হতে লাগলো। হাই কত মানুষ এই গানটা শুনে গুনাহে লিপ্ত হয়েছে। কত মানুষ তার জন্য গুনাহগার হয়ে গেল
। সাদকায়ে জারিয়া হিসাবে গোনাগুলো সাবেরের আমলনামায় জমা হতে থাকবে। নতুন প্রজন্ম আসবে, তার শেয়ার করা গানটা দেখবে। ফেসবুকে রয়ে যাবে আজীবন এই ভিডিওটা। সাদকায়ে জারিয়া হিসেবে তার আমলনামায় গুনাহ পৌঁছাতেই থাকবে। সে চলে গেছে রয়ে গেছে তার শেয়ার করা ভিডিওটা।
তিন,
আচ্ছা যদি এমন হয়! হাশরের ময়দানের দিন শেষ বিচারের সময়। সাবের শেয়ার করা ওই গানটার কারণে যত গুনা অন্যরা করেছে তার ভাগীদার হিসেবে সে যে গুনাহগুলা পেয়েছে, সেই গোনার কারণে রব তাকে জাহান্নামে পাঠিয়ে দেয়।
একবার ভাবুন তো কেমন হবে তার পরিস্থিতিটা?
হয়তো সে মনে মনে প্রচুর আফসোস করে বলবে ,হায় আফসোস যদি আমি সেই গানটা শেয়ার না করতাম!
আজ হয়তো আমি জান্নাতে যেতাম। যেখানে ছিল অফুরন্ত সুখ ।
তাই আসুন আজ থেকে গান শুনা , সিনেমা দেখা বন্ধ করে দেই । বন্ধ করে দেই গুনাহের রাস্তা গুলো। ফিরে আসি রবের কাছে। সবাই পারলে আপনি পারবেন না কেনো?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Telephone
Website
Address
Faridabad
Dhaka