Al-Rafa Academy Hijama Therapy Center

Al-Rafa Academy Hijama Therapy Center

Share

Hijama is a Sunnah much embraced in Arab as well as cupping therapy in China. As an alternative therapy it works quite well for SHIFA or HEALING.

29/12/2021

হিজামা নিয়ে শায়খ Ahmadullah সাহেবের সুন্দর একটি প্রশ্নোত্তর!
আলহামদুলিল্লাহ, "হিজামা" শব্দটা পরিচিত হচ্ছে। আরবী হিজামা শব্দের ব্যাখ্যায় এতদিন শুধু "শিঙ্গা" শব্দটাই বেশি শোনা যেতো।
এটা খুবই ভাল লক্ষণ যে হিজামার প্রচারে উলামায়ে কেরামও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখছেন।

বি: দ্র: "হিজামা" এবং প্রচলিত "শিঙ্গা" দুইটা দুই জিনিস।

08/12/2021

মিশরীয় এক ব্যাক্তি। হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পরে।ডাক্তারদের কাছে যাওয়ার পর ডাক্তাররা বলে, "আপনার হার্ট এর আশেপাশের ধমনীগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। আপনার একটা বড় সার্জারি প্রয়োজন। তানা হলে আপনাকে বাঁচানো অসম্ভব হয়ে যাবে"
লোকটি ডাক্তারদের জিজ্ঞেস করল "আপনারা কি এটা করতে পারবেন? "ডাক্তার বলল "আপনার জন্য ভালো হয়, আপনি যদি ইউরোপে গিয়ে সার্জারি টা করান। আমাদের পক্ষে এত বড় সার্জারি করা অসম্ভব।

লোকটি কিছুদিন পর জার্মানিতে গেল। জার্মানির ডাক্তারেরা উনার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বললেন, অপমার হার্ট এর আশেপাশের রক্তনালিগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। আপনারএকটা বড় সার্জারির প্রয়োজন। ডাক্তার বললো সার্জারির পর লোকটি যে বাঁচবে তার কোন নিশ্চয়তা নেই।চ্যান্স ৫০/৫০।
লোকটি ডাক্তারের কথা শুনে বললো আচ্ছা ঠিক আছে, তাহলে আমি অপারেশন এর আগে একবার মিশর থেকে ঘুরে আসি।সবার সাথে দেখা করে আসি।সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে আসি।হয়ত আর নাও বাঁচতে পারি।
ডাক্তার বললো ঠিক আছে যান।কিন্তু বেশি দিন সময় নিবেন না।আপনার রক্তনালি গুলা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

লোকটি মিশরে আসলো।এয়ারপোর্ট থেকে বাসার যাওয়ার পথে এক মহিলাকে দেখলো। কসাই মাংস কাটতেছে আর এক্সট্রা হাড়গুলা ফেলে দিচ্ছে।মহিলাটা ঐ হাড়গুলা কুড়িয়ে নিচ্ছে। লোকটি মহিলাটার কাছে গেলো।।জিজ্ঞেস করলো আপনি হাড়গুলো কেন নিচ্ছেন?? মহিলা বললো আমার চারটা মেয়ে।গত দুইবছর থেকে মাংস খায় না।তারা খুব করে আমার কাছে আবদার করতেছে একটু মাংস খাবার জন্য।আমি টাকা পাবো কই তাদের জন্য মাংস কিনতে।তাই হাড়গুলো কুড়িয়ে নিচ্ছি।

লোকটা মহিলার কথা শুনে কসাইকে বল্লো, এই মহিলাকে প্রতি সাপ্তাহে উনার প্রয়োজন মত মাংস দিবে। এই নাও এক বছরের অগ্রিম টাকা।আগামী এক বছর প্রতি সাপ্তাহে আপনার ঘরে মাংস রান্না হবে।
মহিলা লোকটির কথা শুনে হাত তুলে জোড়ে জোড়ে দোয়া করা শুরু করলেন আল্লাহর কাছে।যাকে বলে মন থেকে অশ্রুসিক্ত নয়নে দোয়া।

লোকটি বাসায় গেল।তার মেয়ে তাকে দেখে বলল বাবা তোমার মুখে একটা উজ্জ্বলতা ফুটে উঠেছে।তোমাকে ভাল লাগছে দেখে।লোকটা হাসলো।এক সপ্তাহ পরে পুনরায় গেলো জার্মানিতে।অপারেশন করার আগ মূহুর্তে ডাক্তাররা আবার একবার চেকাপ করালো।চেকাপ করে দেখলো রক্তনালিগুলা স্বাভাবিক। নরমালি রক্ত চলাচল হচ্ছে।একদম সুস্থ মানুষের মত।
ডাক্তার লোকটিকে জিজ্ঞেস করলো আপনি কোন হসপিটালে গিয়েছেন। লোকটি বলল কোন হসপিটালে না।ডাক্তার বললো অসম্ভব। আপনি কোন স্ট্রং মেডিসিন নিয়েছেন যার কারনে আপনার নালিগুলা স্বাভাবিক হয়ে গেছে। লোকটি বললো না আমি কোন মেডিসিন নেই নি।
ডাক্তার বলল এটা কি করে সম্ভব। আপনি তাহলে সুস্থ হলেন কি করে? আপনার এখন কোন অপারেশন এর প্রয়োজন নেই।

লোকটি বলল আমি জানি আমি কিভাবে সুস্থ হয়েছি।আমাকে আমার রব সুবাহানাহু তায়ালা সুস্থ করেছেন।
অই মহিলার দোয়াতে। মানুষের অন্তর থেকে যেই দোয়া আসে তা সোজা আল্লাহর আরশে গিয়ে লাগে।আল্লাহ তা সাথে সাথে কবুল করে নেন।ঐ মহিলার দোয়া কবুল করেছেন আল্লাহ তাই আমি সুস্থ হয়ে গিয়েছি।
কারো মন থেকে পাওয়া দোয়া আসলে একটা বিশাল নিয়ামত। দুনিয়ার সবচেয়ে দামী জিনিস হচ্ছে দোয়া।কারো দোয়াতে থাকা বিশাল একটা নেয়ামত।

16/11/2021

সাইনোসাইটিসের ব্যথা মূলত কোনো সাইনাস আক্রান্ত হয়েছে, তার ওপর অনেকাংশ নির্ভর করে। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, ম্যাক্সিলারি সাইনাসের ব্যথা ও ম্যাক্সিলারি সাইনাসের অবস্থানের ওপর, অর্থাৎ নাকের পাশে, গাল, দাঁত কিংবা মুখ বা মুখমণ্ডলের আশপাশেও ব্যথা হয়ে থাকে। এ ধরনের মাথাব্যথার সঙ্গে সঙ্গে মাথার মধ্যে হালকা শূন্যতা অনুভূত হয়ে। সাইনাস যখন আক্রান্ত হয়, তখন তার নিঃসৃত পুঁজজাতীয় পদার্থ নাকের মধ্যে এসে প্রদাহের সৃষ্টি করে। সাইনাস ফুলে অনেক সময় নাক বন্ধের কারণ হয়ে দেখা দিতে পারে। নাকের মধ্যে কোনো বাধা, যেমন—ডিএনএস বা নাকের মাংস বড় হয়ে যাওয়া সাইনোসাইটিসের কারণে হতে পারে। সুতরাং এসব কারণ উদঘাটন সাইনোসাইটিস রোগের মুখ্য উদ্দেশ্য হয়ে থাকে।

সাইনোসাইটিসের প্রদাহজনিত কারণে নাক থেকে পুঁজ বা পুঁজজাতীয় পদার্থ বের হয়। এ উপসর্গ ছাড়াও শিশু-কিশোরদের সাইনোসাইটিসের বাড়তি কিছু উপসর্গ দেখা যায়। বিশেষ করে তাদের চোখ ও চোখের পাতা ফোলা ফোলা থাকে, মাঝেমধ্যে নাক বন্ধ, মুখ হাঁ করে ঘুমানো, মুখ ও নাক থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়া, নাক ডাকা, অত্যধিক লালাঝরা, ঘন ঘন কাশি, আবার কোনো কোনো সময় বমি ইত্যাদি নিয়মিত হতে থাকে। প্রায়ই এমন অনেক রোগী দেখা যায় যারা সব সময়ই অস্বস্তি অনুভব করেন । মাথাব্যথা, ভারি আর নাক জ্বালাপোড়া করে কিন্তু জানেন না কেন? এ ধরনের রোগীর সাইনোসাইটিস হতে পারে। এটি অতি পরিচিত রোগ। শতকরা ২৫ ভাগ মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। আমাদের নাকের চারপাশের অস্থিগুলোর পাশে বাতাসপূর্ণ কুঠরি থাকে। এদের সাইনাস বলে।

মুখমন্ডলের হাড়ের ভিতরে কতগুলো ফাঁপা জায়গা আছে তাকে সাইনাস বলে। সাইনাসের কাজ হলো মাথাকে হালকা রাখা, মাথাকে আঘাত থেকে রক্ষা করা, কণ্ঠস্বরকে সুরেলা রাখা, দাঁত ও চোয়াল গঠনে সহায়তা করা। যদি কোনো কারণে এ সাইনাসগুলোয় প্রদাহ সৃষ্টি হয়, তখন তাকে সাইনোসাইটিস বলে। সাইনোসাইটিস ব্যাকটেরিয়া-জনিত ইনফেকশন, অ্যালার্জি অথবা অটোইমিউন ডিজিজ ইত্যাদি কারণে হয়ে থাকে। বৈশ্বিক এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে ১০০ জনের মধ্যে ৫ থেকে ১০ শতাংশ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তবে ঠাণ্ডার দেশে এই রোগে আক্রান্তদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায়।

সমস্যা বা রোগের কারণ
দাঁত, চোখ, নাকের অসুখ থেকে সাইনোসাইটিস হতে পারে
ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা এলার্জির কারণেও সাইনোসাইটিস হয়ে থাকে

রোগের লক্ষণ ও উপসর্গ
সাইনোসাইটিস রোগে প্রচন্ড মাথাব্যথা হয়। সকালে কম থাকে, দুপুরের দিকে ব্যথার তীব্রতা বেড়ে যায় আবার বিকেলের দিকে সামান্য কমে যায়
মাথা নাড়াচাড়া করলে, হাঁটলে বা মাথা নিচু করলে ব্যথার তীব্রতা আরো বেড়ে যায়
জ্বর জ্বর ভাব থাকে, কোনো কিছুতেই ভালো লাগে না এবং অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে যায়
নাক বন্ধ থাকে। পরীক্ষা করলে নাকের ভেতর পুঁজ পাওয়া যেতে পারে
সাইনাস এর এক্স রে করলে সাইনাস ঘোলাটে দেখায়।

সাইনাসের ইনফেকশন
নাকের এলার্জি থাকলে, নাকের হাড্ডি বাঁকা থাকলে, নাকের ভেতর বাইরের কিছু ঢুকলে এবং এডিনয়েড (নাকের পেছনের টনসিল) বড় হলে
দাঁতের ইনফেশন থেকে বা দাঁত তুলতে গিয়েও সাইনাসে ইনফেকশন হতে পারে
সাইনাসের হাড্ডি ফেটে গেলেও এরূপ হতে পারে
ময়লা পানিতে ঝাঁপ দিলে ঐ পানি নাকের ভেতর দিয়ে সাইনাসে ঢুকেও এ ধরণের সমস্যা তৈরি করতে পারে
এছাড়াও অপুষ্টি, আবহাওয়া দূষণ এবং ঠান্ডা স্যাঁতসেতে আবহাওয়ায় এই রোগ বেশি হয়।

সাইনোসাইটিস-এর জটিলতা
সাইনাসগুলো চোখ এবং ব্রেইনের পাশে থাকে বলে সাইনাসের ইনফেকশন হলে তা চোখ এবং মস্তিষ্কেরও জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। যেমন-
অরবিটাল সেলুলাইটিস এবং এবসেস বা চোখের ভেতরের ইনফেকশন।
মেনিনজাইটিস বা ব্রেইনের পর্দার প্রদাহ।
এক্সট্রাডুরাল এবং সাবডুরাল এবসেস।
অস্টিওমায়েলাইটিস (মাথার অস্থির প্রদাহ)।
কেভেরনাস সাইনাস থ্রম্বোসিস প্রভৃতি।

কাজেই দেখা যাচ্ছে, সাইনোসাইটিসের কারণে চোখের ভেতরে ইনফেকশন ঢুকে চোখটি নষ্ট করে দিতে পারে, আবার মাথার ভেতর ইনফেকশন ঢুকে মেনিনজাইটিস এমনকি ব্রেইন এবসেসের মতে মারাত্মক জটিল রোগের জন্ম দিতে পারে।

আপনারা সাইনোসাইটিসের জন্য বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন, কেউ কেউ অপারেশনও করেছেন, কিন্তু ফলাফল শূণ্য। তাই হিজামাই একমাত্র সাইনোসাইটিসের সঠিক চিকিৎসা। এ চিকিৎসায় কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

Want your practice to be the top-listed Clinic in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Behind Eastern Banabithi Shopping Complex, South Banasree
Dhaka
1219