FAF 2.0
—পৃথিবীতে আমার ছেয়ে বড় কোনো অপরাধী নেই,একই সাথে আল্লাহর ক্ষমা আমার গুনাহের ছেয়েও বড়💚
❤️Muhammad SW.
উম্মে হাবীবার কন্ঠে সুন্দর একটি গজল💚
রায় ঘোষণার আগে ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের উদ্দেশ্যে আল্লামা সাঈদী হাফিজাহুল্লাহ যা বলেছিলেন -
মাননীয় আদালত !
আমি দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, ৫৬ হাজার বর্গমাইলের এ বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলার আপামর জনগণের অতি পরিচিত দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী। আল্লাহ সাক্ষী তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দীনের রচিত দেলোয়ার শিকদার বর্তমান সাঈদী বা দেলোয়ার শিকদার ওরফে দেলু ওরফে দেইল্যা রাজাকার আমি নই।
গণতন্ত্রের লেবাসধারী বর্তমান আওয়ামী সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত যুদ্ধাপরাধের দায় চাপানোর মিশন নিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিনকে আমার বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছে। মিথ্যাচার প্রতিষ্ঠায় স্বনাম খ্যাত হেলাল উদ্দীন আমার বিরুদ্ধে ২০টি জঘন্য মিথ্যা অভিযোগ এনে সরকারি ও দলীয় আদেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে গিয়ে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য, আমার নাম বিকৃত করেছে।
আমার পারিবারিক পরিচয়, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে লুটেরা, খুনি, ধর্ষক, নারী সরবরাহকারী, অগ্নিসংযোগকারী পাকবাহিনীর দোসর, দুর্ধর্ষ রাজাকার, এক কথায় এইতদন্ত কর্মকর্তা মনের মাধুরী মিশিয়ে ৪ হাজার পৃষ্ঠার নাটক রচনা করেছেন আমার বিরুদ্ধে।
কোনো মুসলমানের কলিজায় সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর বিন্দু পরিমাণ বিশ্বাস থাকলে, মৃত্যুর ভয় থাকলে, পরকালে আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতার ভয় থাকলে, জাহান্নামের কঠিন শাস্তির ভয় থাকলে অন্য কোনো মুসলমানের বিরুদ্ধে শুধু আদর্শিক ও রাজনৈতিক শত্রুতার কারণে এতো জঘন্য মিথ্যাচার করা আদৌ সম্ভব হতো না।
মাননীয় আদালত !
আজকের এই বিচার প্রক্রিয়া নিঃসন্দেহে দুটি পর্বে শেষ হবে। তার একটি এই জাগতিক আদালতে আর অপরটি আখেরাতের আদালতে। আজ আমি এই আদালতের অসহায় এক নির্দোষ আসামি, আর আপনারা বিচারক। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পূরণে, ক্ষমতার জোরে আমার প্রতি যদি জুলুম করা হয়, তাহলে আজকের দুর্দান্ত প্রতাপশালী ব্যক্তিবর্গ, যারা একজন নির্দোষ ব্যক্তিকে আদর্শিক কারণে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে আমার প্রতি জুলুমের প্রয়াস পাচ্ছেন, তারা দ্বিতীয় পর্বের বিচারের দিন, কিয়ামতের দিন তারা নিঃসন্দেহে আসামি হবে। সেদিন আমি হবো বাদী আর সর্বশক্তিমান, রাজাধিরাজ, সম্রাটের সম্রাট, আকাশ ও জমিনের সার্বভৌমত্বের একচ্ছত্রঅধিপতি, সকল বিচারের মহাবিচারপতি আল্লাহ রাব্বুল আলামীন, তিনিই হবেন সেদিনের আমার দায়ের করা মামলার বিচার প্রক্রিয়ার বিচারক।
সুরা আত ত্বীনের ৮নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘আল্লাহতায়ালা কি সকল বিচারকের তুলনায় শ্রেষ্ঠ বিচারক নন?’
সূরা দোখানের ১৬নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “একদিন আমি এদেরকে অবশ্যই কঠোরভাবে পাকড়াও করব এবং নিশ্চয়ই প্রতিশোধ নেবই।”
মাননীয় আদালত !
যাঁর হাতের মুঠোয় আমাদের সকলের জীবন, সেই মহাশক্তিধর আল্লাহ তায়ালার নামে আপনাদের এই আদালতে বসে শপথ করছি, তাঁর পবিত্র কোরআন স্পর্শ করে কসম করে বলছি - ‘আমার নামে আপনাদের এ আদালতে যতগুলো অভিযোগ আনা হয়েছে তার হাজার কোটি মাইলের মধ্যে আমার অবস্থান ছিল না। উত্থাপিত অভিযোগের একটি বর্ণনাও সত্য নয়।
আল্লাহর কসম !
সব ঘটনা বা দুর্ঘটনার সঙ্গে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার নাম যোগ করা হয়েছে। এ সকল অভিযোগের সাথে আমার দূরতম সম্পর্ক নেই।
মাননীয় আদালত !
আমি আশা করি সকল প্রকার রাগ-অনুরাগ ও সকল প্রকারের চাপ ও আদেশ-নির্দেশের ঊর্ধ্বে উঠে সত্য ও মিথ্যা সার্বিকভাবে বিবেচনায় নিয়ে সকল প্রকার প্রভাব মুক্ত হয়ে শুধুমাত্র মহান আল্লাহকে ভয় করে আমার প্রতি জুলুম না করে ন্যায়বিচার করবেন। মহান আল্লাহ আপনাদের সে তওফিক দান করুন।
আমার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পূরণে যিনি যতটা ষড়যন্ত্র করে, জঘন্য থেকে জঘন্যতর মিথ্যা মামলা দিয়ে, মিথ্যা সাক্ষী দিয়ে, মিথ্যা সাক্ষীর প্রশিক্ষণ দিয়ে আমাকে মানসিক যন্ত্রণা দিয়েছেন, দেশ-বিদেশে অসংখ্য অগণিত মানুষের কাছে কোরআনের বাণী পৌঁছানোর ক্ষেত্রে আমাকে বঞ্চিত করেছেন, আমার প্রিয়জনদের কাঁদাচ্ছেন, কলঙ্কের তিলক পরিয়ে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করেছেন, আমি দোয়া করি আল্লাহ তাদের হেদায়াত করুন।
আর হেদায়াত যদি তাদের নসিবে না থাকে তাহলে আমার এবং আমার প্রিয়জন, আমার কলিজার টুকরা সন্তান, বিশ্বব্যাপী আমার ভক্ত- অনুরক্তদের যত চোখের পানি পড়েছে, তাদের সকলের প্রতিফোঁটা চোখের পানি অভিশাপের বহ্নিশিখা হয়ে আমার থেকে শতগুণ যন্ত্রণা ভোগের আগে, কষ্ট ভোগের আগে আল্লাহ তায়ালা যেন তাদের মৃত্যু না দেন।
মিথ্যাবাদী ও জালিমদের উপর আল্লাহর অভিশাপ অযুত ধারায় বর্ষিত হোক। আর জাহান্নাম যেন হয় এদের চিরস্থায়ী ঠিকানা।
Masood Sayedee
ক্রুলুস উসমান ও বিভিন্ন ইসলামী সিনেমা দেখা কতটা সঠিক?
—প্রফেসর মুখতার আহমেদ
#ক্রুলুসউসমান
#আরতুগ্রুলগাজী
সবাই ই তো করে। আমি করলে দোষ কি! দোষ নেই। তবে সামান্য একটু সমস্যা আছে। সমস্যাটা বুঝবেন নিচের অংশ পড়লে:
একবার হযরত উমর রা. বাজারের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন। তো তিনি বাজারে যখন এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলেন, তখন শুনতে পেলেন সেই ব্যক্তি দো'আ করছে-
'হে-আল্লাহ! আমাকে আপনার অল্পসংখ্যক লোকের মধ্যে গন্য করে নিন, হে-আল্লাহ! আমাকে আপনার অল্পসংখ্যক লোকের মধ্যে গন্য করে নিন।
হযরত উমর রা. সেই ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলেন- 'তুমি এই দো'আ কোথা থেকে শিখেছো?'
উত্তরে সেই ব্যক্তি বললো- 'আল্লাহর ক্বোরআন থেকে। আল্লাহ ক্বোরআনে বলেছেন,
'এবং আমার বান্দাদের মধ্যে অল্পসংখ্যকই কৃতজ্ঞ।'(৩৪:১৩)
উত্তর শুনে হযরত উমর রা. কাঁদতে লাগলেন, এবং নিজেকে উপদেশ দিতে লাগলেন- 'হে-উমর! মানুষ তোমার থেকে অধিক জ্ঞানি।' সাথে তিনিও দো'আ করতে লাগলেন-
'হে-আল্লাহ! আমাকেও আপনার অল্পসংখ্যক লোকের মধ্যে গন্য করে নাও।'
আমরা দেখেছি, আমরা যখন কোনো ব্যক্তিকে কোনো পাপকাজ বা আল্লাহর অবাধ্যতা ছেড়ে দিতে বলি, তখন সেই ব্যক্তি যুক্তি দেখায়- 'এই কাজ তো অধিকাংশ ব্যক্তিই করে, আমি করলে কি সমস্যা?'
এখন যদি আমরা ক্বোরআনে 'অধিকাংশ ব্যক্তি' বা ‘অধিকাংশ’ লিখে অনুসন্ধান করি তখন পাবো-
অধিকাংশ ব্যক্তিই তা জানে না। ( ৭:১৮৭)
অধিকাংশ ব্যক্তিই কৃতজ্ঞতা আদায় করে না। (২:২৪৩)
অধিকাংশ ব্যক্তিই বিশ্বাস করে না। (১১:১৭)
তোমাদের অধিকাংশই অবাধ্য। (৫:৫৯)
তাদের অধিকাংশই মূর্খ। (৬:১১১)
তাদের অধিকাংশই সত্য জানে না। (২১:২৪)
তাদের অধিকাংশই বুঝে না। (৪৯:৪)
অতঃপর তাদের অধিকাংশই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছ, তারা শোনে না। (৪১:৫)
তারপর আমরা যদি 'অল্পসংখ্যক' লিখে অনুসন্ধান করি তখন পাবো আল্লাহ বলেছেন-
আমার বান্দাদের মধ্যে অল্পসংখ্যকই কৃতজ্ঞ। (৩৪:১৩)
অল্পসংখ্যকই তাঁর সাথে ঈমান এনেছিলো। (১১:৪০)
একদল পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে। এবং অল্পসংখ্যক পরবর্তীদের মধ্য থেকে। (৫৬:১৩-১৪)
আল্লাহ আমাদের তাঁর অল্পসংখ্যক লোকদের অন্তর্ভুক্ত করুন, আমিন।
Copied.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Telephone
Website
Address
Dhaka