Frog Frog Go
Rain Rain, Go Away
নিজেকে জ্ঞানী ভেবে মূর্খকে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়ার মানসিকতা মোটেও সমীচীন নয়। জ্ঞানের মহিমা কার্যত অজ্ঞতারই অপর পাশে অবস্থান করে। অন্ধকার না থাকলে আলো যেমন অর্থহীন, সংঘর্ষ না থাকলে শান্তি যেমন অস্তিত্বহীন, ঠিক তেমনি জ্ঞানও ইউজলেস অজ্ঞতা ছাড়া। নিজেকে জাহির করবার জন্য জ্ঞানেরই বেশি প্রয়োজন অজ্ঞতাকে। ব্যাপারটা অনেকটা এইরকম:
অর্জিত জ্ঞান → মধ্যবর্তী পর্দা → জ্ঞানের মর্যাদা
এই মধ্যবর্তী পর্দাটাই অজ্ঞতা। অজ্ঞতার সাথে মিথস্ক্রিয়া করে কেবল পজিটিভ আউটকাম আনতে পারলেই জ্ঞান 'মর্যাদা'য় পরিণত হয়, তার আগে নয়। মোমের আলো যদি কোনো প্রাণের কাজেই না লাগে তবে তা জ্বলা–না-জ্বলা উভয়ই এক, অর্থহীন। একজন শিক্ষক তখনই মর্যাদাবান হয়ে ওঠেন, যখন তাঁর মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থীর অজ্ঞতা দূরীভূত হয়। এর আগ অবধি শিক্ষকের মর্যাদা-অমর্যাদা বলে কিছু থাকে না।
বইমেলায় একজন বিশেষ লেখককে দেখা যায়, তিনি ইংরেজি নিয়ে কাজ করছেন। প্রশ্ন করতে গিয়ে সঠিক উত্তর দিতে না পারা সবাইকে তীব্রভাবে অপদস্থ করছেন। দেখে মনে হলো— তিনি সম্ভবত জ্ঞান ছুঁতে পেরেছেন, তবে জ্ঞানের দর্শনটা ছুঁতে পারেননি।
❑ যেসব কথা বলবার জন্য কারো
সাথে ‘গলায় গলায় ভাব’ হয়নি– ২৩
বড়ো অদ্ভুত একটা স্বপ্ন দেখেছি আজ। দেখেছি একটা রাষ্ট্র, এমন রাষ্ট্র যেখানে মানুষ কথা বলতে পারে না, কথা বলতে পারে শুয়োর সম্প্রদায়। অদ্ভুতভাবে এরা আবার মানুষের মতোই দেখতে, চোখ-মুখ-হাত-পা ঠিক মানুষের মতোই। খুব সামান্য যে দুটো পার্থক্য দেখলাম— ১. এদের মাথায় গোবর থাকলেও সেরিব্রামটা নেই, ২. মেরুদণ্ড ভঙ্গুর ও করুণভাবে বাঁকা।
01/01/2024
পা হয়ে যায় গুম!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Savar
Dhaka