Alternative Skills Development

Alternative Skills Development

Share

Strong suffix-bright possibilities
ALTERNATIVE SKILLS DEVELOPMENT
"Alternative Skills Development"

07/11/2020

িটার্ন_দাখিল করার ১০টি প্রয়োজনীয় টিপস্ঃ

আমাদের দেশে আয়কর রিটার্ন দাখিল করাকে অনেকে খুব ঝামেলা ঝক্কির বিষয় বলে মনে করে থাকেন। আমাদের মাঝে অনেকেরই বদ্ধমূল ধারণা এই যে, রিটার্ন দাখিল করলেই ট্যাক্স অফিসের নজরে পড়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে যে, রিটার্ন দাখিল না করলেই বরঞ্চ ট্যাক্স অফিসের নজরে পড়বে। তাই, করযোগ্য আয় থাকুক বা না থাকুক টিন নিলেই রিটার্ন দাখিল করাই শ্রেয়। পাশাপাশি যদি একটু কৌশলী হওয়া যায় তাহলে তো কথাই নেই, উল্টো আরও কর ছাড়ও পাওয়া যাবে। নিম্নে রিটার্ন দাখিল করার ১০টি প্রয়োজনীয় টেকনিক নিয়ে আলোচনা করা হলঃ

🔹টেকনিক-১- পুরুষদের ৩ লাখ ও ৬৫ বৎসরের বেশী বয়ষ্ক পুরুষ এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় হলে কোন কর দিতে হবে না। সুতরাং যারা করমুক্ত সীমার নিচে আয় করেছেন তারা নির্ভয়ে রিটার্ন জমা দিন। কিন্তু যাদের বেতন করমুক্ত সীমা অতিক্রম করেছে, খেয়াল করলে দেখা যাবে যে, তাদের প্রত্যেকেরই বেতন দেয়ার সময় অফিস থেকে ট্যাক্স কেটে রাখে এবং তারা যদি সরকার নির্ধারিত খাতে বিনিয়োগ করার ফলে তারা যে রিবেট(কর ছাড়) পাবে এরপর আর কোন আর ট্যাক্স দিতে হচ্ছে না, শুধু রিটার্ন দাখিল করলেই যথেষ্ট।

🔹টেকনিক-২- বাড়ীওয়ালারা যারা মাসিক ২৫ হাজার টাকার বেশী ভাড়া পেয়ে থাকেন তারা যদি বাড়ী ভাড়ার জন্য আলাদা ব্যাংক একাউন্ট পরিচালনা করে এবং বাড়ী ভাড়ার রশিদ, চুক্তি পত্র ও খাতা পত্র সংরক্ষণ করে সেক্ষেত্রে, তাদের আয়করের ক্ষেত্রে, আবাসিক হলে ভাড়ার ২৫% মেরামত বাবদ বাদ দিতে সুবিধা হবে এবং কোন প্রশ্নের সম্মুখীন হবে না। বাড়ির উপর হোম লোন নিয়ে থাকলে লোনের কাগজপত্র নিশ্চিন্তে জমা দিন, লোনের উপর কোন ট্যাক্স দিতে হয় না উল্টো আরও লোনের সুদ বাড়ী ভাড়ার আয় থেকে বাদ দেয়া যায়। পাশাপাশি সময়মত পৌড়কর পরিশোধ করুন যা বাড়ী ভাড়ার আয় থেকে বাদ দিতে পারবেন এবং ট্যাক্স এর ক্ষেত্রে সুবিধা নিতে পারবেন।

🔹টেকনিক-৩- যারা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আছেন তারা যদি ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করে অর্থাৎ তাদের ব্যবসার নামে আলাদা ব্যাংক একাউন্ট থাকে তাহলে সেক্ষেত্রে রিটার্ন করার ক্ষেত্রে ব্যাংক একাউন্টকে প্রাধান্য দেয়া উচিৎ। এক মালিকানা ব্যবসার ক্ষেত্রে অবশ্যই একটি Income Statement ও Balance Sheet তৈরি করে দিতে হবে।

🔹টেকনিক-৪- যারা পেশাজীবী তারা খাতাপত্র সংরক্ষণ করলে তাদের জন্য ট্যাক্স দিতে সুবিধা হয়। যেমন ধরুন, ডাক্তারের আয়ের ক্ষেত্রে, একজন ডাক্তার কতজন নতুন রোগী দেখেছেন ও কতজন পুরাতন রোগী দেখেছেন এবং কত টাকা ফি নিয়েছেন তার একটি হিসাব রাখলে ট্যাক্স দিতে সুবিধা হয় তাছাড়াও পরবর্তীতে আয় নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করলে আয়ের প্রমাণস্বরূপ নথিপত্র দাখিলের সুযোগ থাকে।

🔹টেকনিক-৫- সঞ্চয়পত্রের সুদের ট্যাক্স আলাদা গননা করতে হবে। এই সুদের উপর পুনরায় কোন ট্যাক্স দিতে হয় না। যেমন ধরুন, রহিম এর বেতন থেকে আয় ২লাখ ৯০হাজার টাকা এবং সঞ্চয়পত্রের সুদ থেকে আয় ১লাখ টাকা। তথাপি, রহিমের মোট আয় ৩লাখ টাকার উপরে কিন্তু তাকে আর পুনরায় ট্যাক্স দিতে হবে না। কারণ, রহিমের নিয়মিত আয় ৩লাখ টাকার নিচে এবং সঞ্চয়পত্রের সুদের আয় থেকে ট্যাক্স কেটে রাখা হয়েছে, যা চূড়ান্ত করদায় হিসেবে গণ্য। কিন্তু, রহিমকে ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

🔹টেকনিক-৬- পার্টনারশিপ ফার্মের ক্ষেত্রে আলাদা রিটার্ন দাখিল করতে হয় এবং মজার বিষয় হচ্ছে, পার্টনারশিপ ফার্মের যে ট্যাক্স আমরা পরিশোধ করব তা ব্যক্তিগত রিটার্নে রিবেট(কর ছাড়) নেয়া যায়। একটি উদাহরণের সাহায্যে বিষয়টি তুলে ধরা হল। যেমন ধরুন, রহিম ও করিম দুই বন্ধু মিলে একটি পার্টনারশিপ ব্যবসা চালু করল (রহিমের ও করিমে প্রত্যেকের শেয়ার ৫০ শতাংশ করে) এবং পার্টনারশিপ ব্যবসা থেকে আয়ের উপর ট্যাক্স পরিশোধিত হওয়ার কারণে সেই টাকা ব্যক্তিগত ট্যাক্স ফাইলে অন্যান্য আয়ের সাথে সমন্বয় করে রিবেট(কর ছাড়) নিতে পারবে। সেক্ষেত্রে, রহিম ও করিমের ব্যক্তিগত ট্যাক্স ফাইল দাখিল করার পূর্বে পার্টনারশিপ ফার্মের ট্যাক্স রিটার্ন আগে দাখিল করতে হবে, অর্থাৎ মোট ৩টি ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

🔹টেকনিক-৭-কোন সম্পত্তি(জমি বা ফ্ল্যাট) হস্তান্তর করে মুনাফা হলে তা রিটার্নে মূলধনী আয় হিসেবে দেখাতে হবে। জমি বা ফ্ল্যাট বিক্রি করে আয় হলে উক্ত আয় মূলধনী আয় হিসেবে গণ্য হবে। আমাদের মধ্যে অনেক করদাতা আছেন যারা ব্যক্তি পর্যায়ে জমি বা ফ্ল্যাট বিক্রি করে আয় গোপন রাখে। ধারণা করেন যে, জমি বা ফ্ল্যাট বিক্রির আয় রিটার্নে প্রদর্শন করলে আলাদা ট্যাক্স দিতে হবে। এটি একটি ভুল ধারণা। জমি বা ফ্ল্যাট বিক্রি করার সময় রেজিস্ট্রি অফিস ট্যাক্স কেটে রেখে দেয়। এর পর আর কোন ট্যাক্স দিতে হয় না। এই ট্যাক্স চূড়ান্ত করদায় হিসেবে গণ্য হবে।

🔹টেকনিক-৮-অন্যান্য সূত্রের আয় যেমনঃ FDR এর সুদ প্রাপ্ত হলে রিটার্নে দেখানো উচিৎ। কেননা, ব্যাংক থেকে মুনাফা দেয়ার সময় ট্যাক্স কেটে রাখা হয়। যেমন ধরুন, রহিম এর একমাত্র আয়ের উৎস FDR এর মুনাফা বাবদ ২লাখ ৮০হাজার টাকা পেয়েছে যা করযোগ্য আয় সীমার নিচে এবং ব্যাংক এই ২লাখ ৮০হাজার টাকা থেকে ২৮ হাজার টাকা ট্যাক্স হিসেবে কেটে রাখেছে, সেক্ষেত্রে রহিম ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করলে তাকে ট্যাক্স দিতে হবে না এমনকি পরের বছরগুলোতে ২৮হাজার টাকা প্রত্যার্পণ বা স্বমন্বয় করতে পারবেন।

🔹টেকনিক-৯- ট্যাক্স রিটার্নে শুধুমাত্র ট্যাক্সের হিসাবই নয়, আয়-ব্যয়, সম্পত্তি-ঋণ, দান ইত্যাদি সবকিছুর তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হয়। তাই, সকল বৈধ সম্পত্তি ট্যাক্স রিটার্নে উল্লেখ করলে করদাতার জন্যই সুবিধা। প্রয়োজনে রিটার্ন জমা দেয়ার পূর্বে একটি চেকলিস্ট তৈরি করে নিন।

🔹টেকনিক-১০- আয়কর পরিপত্র ভালোভাবে পড়ুন। ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করাকে অনেকে হালকা ভাবে নেয়। কিন্তু, আমাদের মতে, ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করার সময় একবার নয়, বেশ কয়েকবার আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪, আয়কর রিটার্ন, আয়কর পরিপত্র ইত্যাদি বইগুলো ভালোভাবে পড়া উচিৎ। তথ্য সমৃদ্ধ না হয়ে আয়কর রিটার্ন পূরণ না করাই শ্রেয়।

পরিশেষে বলতে হয়, যদিও ৩০ নভেম্বর আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার শেষ সময়, তথাপি, শেষ সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে আগেই রির্টাণ দাখিলের কাজ সম্পন্ন করা উচিত।
এক্ষেত্রে প্রয়োজনে আইনি পরামর্শের জন্য আয়কর আইনজীবীর পরামর্শ নেয়া যেতে পারে।

পরিমার্জনায়ঃ
মোঃ সুলতান উদ্দিন
ইষ্টার্ণ ম্যানশান, লেভেল-০৫, রুম নং- ০৩,
৬৭/৯, পাইওনিয়ার রোড, কাকরাইল, ঢাকা
[email protected]

04/11/2020

শয়তানের একটি লক্ষ্য সেটি হলো আপনাকে জাহান্নামের আগুনে নিয়ে ফেলা।আপনি যদি এই পৃথিবীকে ভালোবাসেন তবে তার কাজটি সহজ হয়ে যায়।
-মেনক🍂

Directorate General of Family Planning 03/11/2020

#চলমান_নিয়োগ_বিজ্ঞপ্তিঃ
আবেদন করতে না পারলে আমি হেল্প করব ইনশাআল্লাহ, ।।।।।।।।।।।।।।

১। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর।
পদসমূহঃ ৩৬ ক্যাটাগরির ১৫৬২টি পদ।
আবেদন ফিঃ ১১২ টাকা, ৫৬ টাকা।
আবেদনের সময়সীমাঃ ০৯-১১-২০২০ থেকে ৩০-১১-২০২০ ইং।
অনলাইনে আবেদনঃ
http://dgfp.teletalk.com.bd

২। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
পদের নাম ও পদসংখ্যাঃ সহকারী শিক্ষক- ৩২,০০০+ টি পদ।
আবেদনের সময়সীমাঃ ২৪-১১-২০২০।
আবেদন ফিঃ ১১০ টাকা।
অনলাইনে আবেদনঃ
https://dpe.teletalk.com.bd

৩। রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।
পদের নাম ও পদসংখ্যাঃ ০৬ ক্যাটাগরির ৩১৬টি পদ।
(i) কম্পিউটার অপারেটর - ৩২টি পদ
(ii) ক্যাশিয়ার- ১২২টি পদ
(iii) ডাটা এন্ট্রি অপারেটর - ১৪৬ টি পদ।
আবেদন ফিঃ ১১২ টাকা।
আবেদনের সময়সীমাঃ ২০-১১-২০২০ ।
অনলাইনে আবেদনঃ http://rakub.teletalk.com.bd/home.php

৪। পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।
পদের নাম ও পদসংখ্যাঃ ক্যাশ সহকারী -৪৮ টি পদ (কম/ বেশি)।
শুধুমাত্র 'আমার বাড়ি আমার খামা্র' প্রকল্পের মাঠ-সহকারীদের জন্য প্রযোজ্য।
আবেদন শেষ তারিখঃ ০৫-১১-২০২০ ।
অনলাইনে আবেদনঃ http://202.40.191.122/rr/Pages/ApplicationForm.aspx

৫/ NRB Commercial Bank.
পদসমুহঃ
(i) ১৫০টি পদঃ PROBATIONARY OFFICER, TRAINEE ASSISTANT OFFICER, TRAINEE JUNIOR OFFICER.

৬। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।
পদসমূহঃ ২৮ ক্যাটাগরির ৪০৩২টি পদ।
আবেদন ফিঃ ১১২ টাকা।
আবেদনের সময়সীমাঃ ৩০-১১-২০২০ ।
অনলাইনে আবেদনঃ http://dshe.teletalk.com.bd

৭। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ইন্সটিটিউট।
পদের নাম ও পদসংখ্যাঃ
(i) বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (এস ও) - ০৭ টি পদ
(ii) সহকারী পরিচালক- ০৪ টি পদ
(iii) টেকনিশিয়ান (কম্পিউটার) – ০১ টি পদ
(iv) সহকারী (হিসাব) – ০১ টি পদ
(v) সহকারী (লাইব্রেরি) – ০১ টি পদ
আবেদনের সময়সীমাঃ ১৬-১১-২০২০।
অনলাইনে আবেদনঃ
http://bpi.teletalk.com.bd

০৮। নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানী বাংলাদেশ লিমিটেড।
পদসমূহঃ ১৯ ক্যাটাগরিতে ৩৬৮টি পদ।
আবেদনের সময়সীমাঃ ১৫-১১-২০২০ ইং।
অনলাইনে আবেদনঃ
http://npcbl.teletalk.com।

০৯। শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট; প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
পদের নাম ও পদসংখ্যাঃ
(i) হিসাব রক্ষক -১টি পদ
(ii) সহকারী শিক্ষক -৪৪টি পদ
(iii) অফিস সহায়ক -১ টি পদ
আবেদন ফিঃ ১১২টাকা, ৫৬ টাকা।
আবেদনের সময়সীমাঃ ১২-১১-২০২০ ।
অনলাইনে আবেদনঃ
http://skt.teletalk.com.bd

১০। কর কমিশনারের কার্যালয়, কর অঞ্চল ১৫, ঢাকা।
পদ সমূহঃ ৯ ক্যাটাগরির পদ।
আবেদন ফিঃ ১১২ টাকা, ৫৬ টাকা।
আবেদনের সময়সীমাঃ ১০-১১-২০২০।
অনলাইনে আবেদনঃ
http://tax15.teletalk.com.bd

১১। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড।
পদের নামঃ বিভিন্ন পদ।
আবেদনের সময়সীমাঃ ০৫-১১-২০২০।
আবেদন ফিঃ ২৫০ টাকা।
অনলাইনে আবেদনঃ
http://
# সংগ্রিহিত

Directorate General of Family Planning

01/11/2020

কোন কাজে সফলতার সবচেয়ে অব্যর্থ সুত্র কি?
লক্ষ্য স্থির করুন এবং ধাপে ধাপে প্রতিদিন সেদিকে এগিয়ে যান। যতদিন পর্যন্ত না লক্ষ্য অর্জন হবে ততদিন হাসি মুখে লেগে থাকুন। যত বাঁধা আসুক, কস্ট আসুক, ব্যর্থতা আসুক শুধু নিজেকে প্রতিদিন মনে করিয়ে দেবেন এটিও সাফল্যের একটি অংশ- সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন অংশ।

Want your business to be the top-listed Computer & Electronics Service in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


The Eden House #37, Road#07 Sector #10 Uttara, Dhaka-1230(Lift/05)
Dhaka
1200