Rose.com
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Rose.com, Business service, Dhaka.
#পশুবর
নুসরাত
আমার নিজের সম্পর্কে কি বলবো বুজতেছিনা। কারন বলার মত কিছুই নেই।
আমি যখন ৮ম শ্রেনিতে পড়ি তখন আমি আমার নিজের ভাইয়ের দারা প্রতি দিন রেপ হতাম।
আমার যখন ৩ বছর বয়স তখন মায়ের সাথে বাবার ডিভোর্স হয়ে যায়। আমি আজও জানি না আমার বাবাকে।
তারপর ৩ বছরের মত নানার বাড়ি ছিলাম। নানার বাড়িতে মোটামুটি সুখেই ছিলাম। মায়ের আবার বিয়ে হয় এক লোকের সাথে তার আবার ২ টা ছেলে৷
বড় ছেলের বয়স তখন ছিলো ১৭ আর ছোটটার ১২..
তারা মায়ের সাথে আমাকে মেনে নেয়নি।
মায়ের বিয়ের পর ১ বছরের মত নানার বাড়ি ছিলাম। ১ বছর পর আমার নানি মারা যায়।
আর তখন আমি একা হয়ে যায়। আমার ১ মামা সে চাকরি সুএে ঢাকা থাকতো। তার পরিবার নিয়ে চিটাগাং এ আর কেউ থাকতো না৷
বলে রাখি আমার নানার বাড়ি খাগড়াছড়িতে।
তখন মা আমাকে নিয়ে যায়। তার সাথে।
আমার নতুন বাবাটা কিছু না বললেও কিন্তু তারছেলেরা আমায় কোনো রকমই মেনে নেয় নি।
তারা ছোটবেলা থেকেই আমাকে মারতো। আমাকে কিছু খেতে ও দিতো না।
তারা সবসময় আমাকে বকাঝকা করতো। এভাবেই আমার বেড়ে উঠা।
আমাকে মা স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিলো।
শত বাবা আমাকে দেখতে না পারলে ও কখনও বকা ঝকা করে নি৷
আমার মা ও আমায় খুব বকতো।
অনাদর অবহেলায় আমার বেড়ে উঠা।
যখন আমি ৭ম শ্রেণিতে পড়ি ছোট ভাই আমার গায়ে হাত দিতো সবসময়।
ব্যাপার টা আমার ভালো না লাগতো না৷ আর ভয়ে কাউকে বলতাম ও না।
একদিন আমার গায়ে হাত দেয় আর আমি খুব ব্যাথ্যা পায়। ছোট ভাই সবসময় বলতো তার পা টিপে দিতে গা টিপে দিতে।
আমি ব্যাপারটা আমার মাকে বলি। মা উল্টো আমায় বকা দেয়।
তার পর থেকে আমি ভয়ে আর কাউকে কিছু বলিনি।
৮ম শ্রেনিতে উঠার পর একদিন বাড়িতে কেউ ছিলো না। সবাই দাওয়াত খেতে গেছে। তো ছোট ভাই কোথা থেকে এসে আমার উপর পশুর মত ঝাঁপিয়ে পড়লও।
আমার চিৎকার দিয়েও চিৎকার দিতে পারলাম না।
আমি ব্যাথ্যা মরে যেতে লাগলাম।
তো সে তার চাহিদা মিটিয়ে যখন উঠলো সে আমায় বললও কাউকে বলবি না খবরদার।
আমি ও ভয় পেয়ে কাউকে বললাম না কারন আমার কথা কেউ বিশাস করবে না।
উল্টো আমাকেই মারবে।
এর পর থেকে ছোট ভাই প্রায় সময় আমার উপর ঝাপিয়ে পড়তো।
আর মাঝে মাঝে ছোট ভাই আমাকে টাকা দিতো।
এভাবে আমার বেড়ে উঠা। যখন আমি ক্লাস টেন এ উঠলাম। তখন বুজতে পারলাম আমি কনসিভ করি।
চলবে,,,,,,,,,,,,
(সম্পূর্ণ টা গল্প না পড়ে কেউ খারাপ মন্তব্য করবেন না)
নেক্সট পর্ব সহ সবগুলো পর্বের লিংকঃ
https://www.facebook.com/pg/Platfrom-of-Love-608781672970129/about/
বড় চাচীর সাথে যা ঘটে ছিল -০২
শেষ পর্ব
তারপর সেইদিন এসে গেল যেদিন বড় চাচীর পেটে অসম্ভব ব্যথা।রাত থেকে একটানা পানি ভেঙেছে চাচীর। গ্রামের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ধাই ও বলছে, 'সন্তান আছে উল্টা হয়ে।বলা যায় না কী হয়।গাছ-ফল দুইটাই নষ্ট হয়তে পারে। ভাগ্য ভালো হইলে একটা টিকতে পারে।'
সব আত্মীয় স্বজনেরা অস্হির হয়ে উঠলো। কেউ কেউ কান্নাকাটি করছে। কিন্তু বড় চাচা মোটেও কাঁদলেন না। তিনি বললেন,'সব আল্লাহর ইচ্ছা।তার হুকুম ছাড়া একটা গাছের পাতাও নড়ে না। আমি তার উপর ভরসা রাখি। আল্লাহ যা চান তাই হবে।'
সেদিনও সবাই চাচাকে বললো,'বেকুব।'
বড় চাচা নিজেকে নিজে বললেন,'মতিন, তুমি বেকুব না। বেকুব তো তারা যারা বিপদে আল্লাহর উপর ভরসা রাখতে পারে না।'
সবশেষে যখন সবাই নিরাশ হয়ে গেল একে একে তখন বড় চাচা সেজদায় পড়ে
গেলেন। সেজদায় পড়ে
বললেন,'আল্লাহ গো, তুমি যা করো তাই আমি মেনে নিবো। আমি তোমার এমন গোলাম যে কোনদিন কোনভাবেই কোন কারণে তোমার উপর নারাজ হবে না।'
চাচা সেজদায় লুটিয়ে পড়ে অজর ধারায় কাঁদছেন। চোখের জলে জায়নামাজ ভিজে চুপসে গেছে। চাচা শুধু বারবার একটি কথায় বলছেন,'আল্লাহ তুমি যা করো তাই মঙ্গল ময়। আমি তোমার উপর সর্বদায় রাজি।'
চাচা কাঁদছেন,আমরা কাঁদছি, যখন বাড়ির সবকজন মানুষ নিরুপায় তখন জমিনে এসে লুটিয়ে পড়লো পৃথিবীর নবীনতম একজন মানুষ,একটি কন্যা সন্তান।ওয়াও ওয়াও শব্দের কান্নায় নিস্তব্ধ বাড়িটি তখন কানায় কানায় ভরে উঠলো।বড় চাচা তখনও সেজদায়। চাচার কাছে দৌড়ে গিয়ে তার পিটে আলতো হাত বুলিয়ে আমি বললাম,'চাচা,কারোর কোন ক্ষতি হয়নি।চাচী সুস্থ আছেন।আর আপনি হয়েছেন কন্যা সন্তানের পিতা।'
চাচা সঙ্গে সঙ্গে সেজদা থেকে মাথা উঠিয়ে চিৎকার করে তিনবার বললেন,'
শুকর-
আলহামদুলিল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ।'
আমি নারী- ০১
পুরুষাঙ্গের প্রথম স্পর্শ পেয়েছিলাম যখন আমার বয়স ৮ বছর৷ তাও আপন খালাতো ভাই এর। বেড়াতে এসেছিলো আমাদের বাড়িতে। সবাই ওকে খুব ভালোবাসতো, আদর করতো তাই কখনো কাউকে ওর বিপক্ষে বলার সাহস পাইনি। লুকোচুরি খেলার ছলে আমাকে আলাদা ঘরে নিয়ে যেতো। লুকিয়ে থাকার নামে আমার শরীরের এমন জায়গা নাই যেখানে সে স্পর্শ করেনি।
আমি জন্মের পর নাকি আমাকে নিয়ে সারা পরিবারে কান্নার মেলা বসে গিয়েছিলো, আমার মা ও নাকি আমাকে দুধ দিতেন না মেয়ে হয়েছি বলে। সবাই ভেবেছিলো আমি ছেলে হয়ে সবার মনের আশা পুরন করবো। আমার বাবা দেয়ালে মাথা ঠুকরে কেদেছিলেন অনেক। অথচ তারা কেউই ভাবে না তাদের সবারই জন্য কোনো না কোনো নারীর গর্ভ থেকে।
আমি রিতু, মা বলতো আমার গ্রোথ খুব অল্প অবয়সেই অনেক বেড়ে গিয়েছিলো৷ আমি সুন্দর কি না জানি না কিন্তু আমি ভেড়ে উঠার সাথে সাথে আমার বাবা মায়ের আর আমাকে নিয়ে কোনো আফসোস ছিলো না। গ্রামের সবাই আমাকে দেখলেই আড়চোখে শরীর দেখতো, জিহবা দিয়ে ঠোট ভেজাতো। নানা মানুষের নানা কথায় প্রাইমারি পার হতে না হতেই আমার পড়াশোনার ইতি ঘটে৷
আমার যখন বয়স ১৩। আমার বাবা মারা জান, এতিমকে সবাই শান্তনা দিতে এসেছিলো, সেই সাথে এসেছিলো এতিমের কাছে আরো কিছু চেতে৷ দূর দূর সম্পর্কের নানার বয়সী মানুষ এসে আদরের ছলে কতো যে বুকে হাত দিতে চেয়েছে তার আর হিসেব কে রাখে,
মা যেদিন আমাকে কাকার কাছে রেখে চলে গেলো অন্য কারো ঘরে সেদিন আমি বুঝেছিলাম আমার জীবনে আপন বলে আর কেউ রইলো না।
তখন আমার বয়স ১৪ বছর। এক রাতে কাকার ছোট ছেলে যে কি না আমারও ১ বছরেএ ছোট সে আমার ঘরে আসলো...
চলবে...
নেক্সট পর্বসহ সকল পর্বের লিংকঃ
https://www.facebook.com/pg/Platfrom-of-Love-608781672970129/about/
জল-১৭
সাদিয়া
"ওই কালীরে মেনে নিলি শেষ অবধি?"
রেহানা বেগমের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করলেন ইতিয়ারা বেগম। হতাশায় নিমজ্জিত রেহানা বেগম তাকালেন তার দিকে।
"ও মেয়ে হিসেবে খারাপ নয়।"
"নাতীনাতকুর কালো হবে। ভেবেছিস?"
"আল্লাহ্ যা দান করে।"
"তেঁতুল যতই মিঠা হোক, তেঁতুল তেঁতুল হয়।"
"তুই আর আমি জানি তেঁতুল আমাদের জন্য কত উপকারী। প্রেশার হাই হলেই আমরা ছুটি তেঁতুলের পিছনে। তাই আল্লাহ্ যদি তেঁতুল দান করে খুশি হয় তো তেঁতুলই না হয় খুশি মনে গ্রহণ করবো!"
ইতিয়ারা বেগম অন্য কোনো কথা বললেন না। হনহনিয়ে হেটে চলে এলেন সেখান থেকে।
রেহানা বেগম বাসায় ফিরলেন আরো কিছুক্ষণ পর। রাস্তায় হঠাৎ করেই আজ সকাল সকাল ফল বিক্রেতা কে পেয়েছেন৷
ভাঙি ফল দেখে খুশি মনে কিনে নিয়ে বাসায় ফিরলেন৷
সকালের নাস্তার টেবিলে ভাঙি ফল দেখে অর্হ্য বলে উঠল,
"ভাংগি খাইতে বালুর মত, তরমুজ খাইতে পানি
মাইয়্যা এত নিষ্ঠুর আগে কি তা জানি?"
জ্যোতির দিকে তাকিয়ে মিচকে হাসি দিয়ে তার পাশে বসলো অর্হ্য।
খাবার টেবিলে তখন বিন্দু, জ্যোতি, অর্হ্য,নক্ষত্র। তাদের কথা বলার বিষয় এখন রেমী।
কেনো যেন এই মেয়ের কথা উঠলেই আশেপাশে পোড়া পোড়া গন্ধে ভরে যায়।
"ভাই যাই বলিস রেমী কে কাল জাস্ট ওয়াও লাগছে।"
অর্হ্যের কথায় সায় দিয়ে নক্ষত্র বলল,
"ওকে নীলে সব সময় মানায়।"
নক্ষত্র বিন্দুর হাত ধরতে চেষ্টা করে অথচ বিন্দু হাত সরিয়ে নেয়।
"প্রশংসা করবে একজনের আর হাত ধরবে অন্য জনের? এ ভীষণ অন্যায়।"
বিন্দুর সরে যাওয়ায় কপাল কুঁচকে নক্ষত্র তার দিকে তাকায়। বিন্দুর নাকের ডগায় বিন্দু বিন্দু ঘাম জমেছে। এটা তীব্র লক্ষণ বিন্দুর রেগে যাওয়ার।
দাম্ভিকতার সাথে হেসে নক্ষত্র আবার বলল,
"জানিস রেমীর হাত দুটো একদম নরম।"
"ভাই ও নিজেই পুরোটা আটার বস্তার মতোন নরম।"
এই সময় পিকনিকের প্ল্যান নিয়ে রেমী এসে হাজির। নক্ষত্রের পাশের চেয়ারে নয়৷ বিন্দুর পাশের চেয়ারে বসলো সে৷
হাসিমুখে বিন্দুর সাথে কথা বলছে।বিন্দুও মেনে নিয়েছে।
তবে কাজের বাহানা দিয়ে উঠে গেলো বিন্দু সাথে জ্যোতিও।যাওয়ার সময় অর্হ্যের পেটে বেশ জোরে চিমটি কেটে গেলো জ্যোতি। এর মানে?
"এসো বাপু আবার আমার ঘরে! তোমায় আমি আটা ময়দা সুজির ভ্রমণ করাচ্ছি।"
দুই দিনের মাঝেই বিন্দু কাজ শেষ করে ফেললো। এক কালারের সুতি শাড়ির মাঝে হাতে আঁকা নানান ধরনের চিত্র ফুটে উঠেছে ।
রেহানা বেগম তাকিয়ে আছেন শাড়িগুলোর দিকে। এই মেয়ে এত সুন্দর হাতের কাজ পারে তার জানা ছিলো না। সে অভিভূত হয়ে দেখছিলেন।
পরদিন সকাল সকাল সবাই বেরিয়ে পড়লো পিকনিকের উদ্দেশ্যে। জ্যোতি, কণা এবং রেমী হচ্ছে তাদের শাড়ি পরিহিতা বাঙালি নারী। বিন্দুকে অর্হ্য বলেছিল তবে বিন্দু রাজি হয়নি। নক্ষত্র জোড় করেনি।
কাজের মানুষ, ইতিয়ারা, রেহানা বেগম রান্নায় ব্যস্ত৷ বিন্দু তাদের সাথে ছিল তবে নক্ষত্র সবাইকে ফাকি দিয়ে তাকে দিঘির দিকে নিয়ে এসেছে।
ঘাসের মাঝে ফুটেছে ছোট ছোট ঘাসফুল।বিন্দু দু হাতে সেগুলো স্পর্শ করে দেখছিল। হঠাৎ তার মাথায় দারুণ একটা প্লট এসে যায়৷ একেই হয়তো বলে শিল্পীর গুণ। বিন্দু মনে মনে পরবর্তী শাড়ীর জন্য থিম সাজিয়ে ফেলেছে।
জানি না কীভাবে কী হবে, তবে নক্ষত্র বলেছে অনলাইন বিজনেস করবে বিন্দু৷ এতে তার আলাদা পরিচয় হবে, সবাই বিন্দুকে চিনবে৷
"কেনো বিন্দু?আমার দিকে তাকাতে এত লজ্জা?"
নক্ষত্রের প্রশ্নে চকিতে তাকায় বিন্দু। নক্ষত্রের চোখের দিকে তাকিয়ে আবার চোখ ফিরিয়ে নিলো সে।
নক্ষত্রের চোখের দিকে তাকাতে তার ভীষণ লজ্জা৷ সে পারে না তাকাতে। অথচ নক্ষত্রের ইদানীং বায়না এটাই থাকে।
"না মানে!"
"এত দ্বিধা?"
বিন্দুর বিনা বাক্যে বসে থাকায় নক্ষত্র তার কোলে মাথা রেখে চোখ বুজে আছে৷ এ যেন এক অদ্ভুত মোহ। কৃষ্ণবর্ণী এক মেয়ের কোলে মাথা রেখে ঘাসে গা এলিয়েছে ঠিক এক রাজ পুত্তুর।
বিন্দু চুপচাপ হাত বুলিয়ে দিচ্ছে নক্ষত্রের চুলে।বিয়ের পর প্রথম বার বেড়াতে এসেছে। এই অনুভূতি আশা কী বিন্দু তখন করেছিল যখন বেনারসি গায়ে বউ সেজে দাড়িয়ে ছিল বিয়ের রাতে? ভাগ্যিস আত্নহত্যা করেনি। না হলে এসব অনুভূতি উবে যেত৷
অর্হ্যের ডাকে তাদের উঠে যেতে হলো।দিঘির ধারে চলছে ফটোসেশান।
বিন্দু পাশেই দাড়িয়ে ছিল। হঠাৎ কি থেকে কি হলো বিন্দু গড়গড়িয়ে পড়ে গেল দিঘির পানিতে।
নক্ষত্র বা কণা কেউ বিন্দুকে ধরার সময় পেলো না। বিন্দু হাবুডুবু খাচ্ছে দিঘির পানিতে৷ ঠিক সেসময় সবাইকে অবাক করে দিয়ে পানিতে ঝাপ দিলো ইতিয়ারা বেগমের একমাত্র কন্যা রেমী।
চলবে
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka