Mr. Back
A different soul in a same planet ! Passionate about staying alone with deep thinking.
স্যাম অল্টম্যানের সিক্রেট পাওয়ার 'কোডিং' ছিল না, ছিল অন্য কিছু। কী সেটা? 👇
আপনি নিশ্চয়ই ভাবছেন, যে লোকটা OpenAI বা ChatGPT বানিয়েছে, সে নিশ্চয়ই আইনস্টাইন লেভেলের কোনো সায়েন্টিস্ট? বা এমন কেউ যে সারাদিন অন্ধকার ঘরে বসে খটখট করে কোড লেখে?
ভুল! পুরোপুরি ভুল।
স্যাম অল্টম্যান (Sam Altman)—যিনি OpenAI-এর সিইও—তিনি আসলে কোনো AI সায়েন্টিস্টই না!
তিনি মেশিন লার্নিংয়ের কোনো রিসার্চ পেপারও লেখেননি।
তাহলে ভাই, এই লোকটা কীভাবে গুগলের মতো জায়ান্টকে টেক্কা দিয়ে ChatGPT বানাল?
গল্পটা সিনেমার চেয়েও বেশি থ্রিলিং। সিটবেল্ট বেঁধে নিন, টুইস্ট আসছে! :)
১: শুরুটা ফেইলর দিয়ে!
২০০৫ সাল। স্যাম তখন মাত্র ১৯ বছরের এক স্ট্যানফোর্ড স্টুডেন্ট। পড়াশোনা ভালো লাগল না, ড্রপআউট করলেন।
বন্ধুদের নিয়ে বানালেন একটা অ্যাপ—Loopt। কাজ কী? বন্ধুরা কে কোথায় আছে লোকেশন দেখা।
আইডিয়া ভালো, কিন্তু অ্যাপটা চলল না। ফ্লপ! শেষমেশ কোম্পানিটা বিক্রি করে দিতে হলো।
সবাই ভাবল, "ছেলেটা শেষ।"
কিন্তু সিলিকন ভ্যালির 'গডফাদার' পল গ্রাহাম (Paul Graham) স্যামের মধ্যে অদ্ভুত কিছু দেখেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, "বিল গেটসের পর আমি এমন ফোকাসড ছেলে আর দেখিনি।"
এই একটা কথাই স্যামের লাইফ বদলে দিল।
২: রাজা বানানোর কারিগর!
স্যাম নিজে ইঞ্জিনিয়ারিং না করে চলে গেলেন ম্যানেজমেন্টে। মাত্র ২৮ বছর বয়সে তিনি হয়ে গেলেন Y Combinator-এর প্রেসিডেন্ট।
Y Combinator কী জানেন? এটা হলো স্টার্টআপদের আঁতুড়ঘর। Airbnb, Dropbox, Reddit—এদের জন্ম এখান থেকেই।
স্যাম এখানে বসে বসে হাজার হাজার স্টার্টআপ মেন্টর করলেন। তিনি শিখলেন কীভাবে বিজনেস বড় করতে হয়, কীভাবে ফান্ডিং আনতে হয়।
তিনি কোডিংয়ের রাজা ছিলেন না, তিনি ছিলেন "নেটওয়ার্কিংয়ের জাদুকর"।
৩: গুগলের ব্রেইন চুরি!
২০১৫ সাল। স্যামের মাথায় ভূত চাপল। তিনি এমন একটা AI বানাতে চান যা মানুষের মতো চিন্তা করবে (AGI)।
কিন্তু সমস্যা একটাই—স্যাম তো AI এক্সপার্ট না!
দুনিয়ার সেরা AI সায়েন্টিস্টরা তখন গুগলে চাকরি করে। তাদের লিডার ছিলেন ইলিয়া সুটস্কেভার (Ilya Sutskever)—যাকে বলা হতো AI-এর মেসি।
স্যাম জানতেন, ইলিয়াকে ছাড়া OpenAI হবে না।
শুরু হলো আসল গেম। স্যাম একটা ডিনার পার্টির আয়োজন করলেন। সেখানে ইলিয়াকে ইনভাইট করলেন।
গুগল ইলিয়াকে কোটি কোটি ডলার স্যালারি দিত। কিন্তু স্যাম তাকে অফার করলেন অন্য কিছু।
স্যাম বললেন, "গুগলে তুমি শুধু একটা প্রোডাক্ট বানাচ্ছ। আমার সাথে এসো, আমরা মানবতার জন্য এমন কিছু বানাব যা ইতিহাস বদলে দেবে। কোনো প্রফিট টেনশন নাই, শুধু পিওর সায়েন্স।"
স্যামের কথার জাদুতে ইলিয়া গুগল ছেড়ে দিলেন!
এটা ছিল টেক দুনিয়ার সবচেয়ে বড় ডাকাতি (ভালো অর্থে)। স্যাম জানতেন তার নিজের কোড করার দরকার নেই, তার শুধু দরকার সেরা কোডারদের এক ছাদের নিচে আনা।
৪: পাওয়ার অফ পারসুয়েশন (Persuasion)!
মানুষ ভাবে টেক কোম্পানিতে শুধু টেকনিক্যাল নলেজ লাগে।
কিন্তু স্যাম প্রমাণ করলেন, আসল স্কিল হলো "মানুষ চিনতে পারা" এবং "অসম্ভবকে সম্ভব বলে বিশ্বাস করানো"।
তিনি এলন মাস্ককে কনভেন্স করে ফান্ডিং আনলেন।
মাইক্রোসফটের সত্য নাদেলাকে কনভেন্স করে ১০ বিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করালেন!
অথচ স্যাম নিজে হয়তো ChatGPT-র অ্যালগরিদমটার পুরো ডিটেইলসও জানেন না। তিনি জানতেন কাকে দিয়ে কাজটা করাতে হবে।
আপনার জন্য লেসন!
আপনি হয়তো ভাবছেন, "আমি তো ম্যাথে কাঁচা" বা "আমি তো ভালো কোডিং পারি না।"
সো হোয়াট?
স্যাম অল্টম্যান কোডিং দিয়ে দুনিয়া বদলাননি, বদলেছেন তার Vision (দূরদৃষ্টি) আর Leadership দিয়ে।
তিনি নিজেকে একটা "ম্যাগনেট" বানিয়েছেন, যেখানে ট্যালেন্টেড-রা এসে আটকে যায়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka