DXN online Shop
স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন,
শুরু করুন, লেগে থাকুন৷
সফলতা আসবেই,,!!
হিসেবটা বছরের।
বলুন তো– জীবনের কতটা বছর আপনি একাডেমিক পড়াশোনোর পেছনে ব্যয় করেছেন?
একেবারে ক্লাস ওয়ান থেকে শুরু করলে, ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত ১৩ বছর৷
এরপর অনার্স লেভেল পার করতে হয় ৪-৫ বছর৷
ডাক্তারদের আরেকটু বেশি লাগে।
৬ বছর।
কেউ যদি মাস্টার্স করতে চায়, তার ব্যয় করতে হবে আরও ১-২ বছর।
সত্যিই, ভাবলে অবাক লাগে!
জীবনের ২০ টি বছর একাডেমিক পড়াশোনোর জন্যে ব্যয় হয়।
এ সময়টাতে করতে হয় অবর্ননীয় কষ্ট।
কাটাতে হয় নির্ঘুম রাত৷
ঝরাতে হয় ঘাম।
শুনতে হয় টিচারদের বকুনি।
সাথে মা-বাবার শাসন তো ফ্রি।
কাক ডাকা ভোরে ঘুম থেকে ওঠে স্যারের বাসায় যাওয়া।
সেখান থেকে দৌড়ে স্কুল/কলেজ এটেন্ড করা।
বিকেলে আবার প্রাইভেট/কোচিং করা। রাতে হোমওয়ার্ক, পড়াশোনো, প্রাকটিক্যাল আরও কত কী।
ভার্সিটি লাইফে তো এসাইনমেন্ট, ল্যাব, প্রেজেন্টেশান, থিসিস, প্রফেসরদের অপমান ইত্যাদিতেই বেলা পেরিয়ে যায়।
এভাবেই বিশটি বছর কেটেছে আপনার। এক পরীক্ষা দিয়ে একটু বিরতি পেতে না পেতেই, আরেকটি পরীক্ষা এসে হাতছানি দিয়ে ডেকেছে।
মনভরে নিশ্বাসও নিতে পারেননি।
আচ্ছা, এত দীর্ঘ সময় আপনি কেন কষ্ট করেছেন?
ভালো ইনকামের জন্যে৷
ভালো একটা পজিসনের জন্যে।
একটু ভালোভাবে চলার জন্যে৷
তাই তো?
আপনি কত বছর বাঁচবেন?
৬০ বছর?
৭০ বছর?
১০০ বছর?
ধরে নিলাম, আপনি এক শ বছর বাঁচবেন।
এখন বলুন–কত বছর ভালো থাকার জন্যে এই ২০ বছর কষ্ট করলেন?
উত্তরটা খুবই সহজ।
৭৫ বছর।
(জীবনকাল ১০০ বছর ধরে)
৭৫ বছর ভালো থাকার জন্যে দীর্ঘ বিশটি বছর কষ্ট করলেন।
অনেক নির্ঘুম রাত কাটালেন।
স্যার-ম্যামদের বকাবাদ্য শুনলেন।
ঘাম ঝরিয়ে তীব্র গরমে পরীক্ষার প্রিপারেশান নিলেন।
ভাইভায় টিচারদের চোখ রাঙানো সহ্য করলেন।
ইচ্ছে না করলেও মা'র কথা শুনে পড়তে বসলেন।
জীবনের বাদবাকি সময় একটু সুখে থাকার জন্যে–সবই নিরবে সয়ে নিলেন।
এখন ভাল রেজাল্ট করে পড়ালেখা শেষ করলেন।তারপর শুরু হলো আরেক কঠিন যুদ্ধ। ভাল একটা চাকরী।
কিন্তু বাংলাদেশের যে প্রেক্ষাপট তাতে মামা,খালু, চাচা,,,ছাড়া চাকরী হয় না।আপনি লিখিত পরীক্ষায় খুবই ভাল করলেন। তারপর মৌখিক পরীক্ষায় গিয়ে তাদের প্রশ্ন করার নমুনা দেখে আপনি ভাল ভাবেই বুঝে যাবেন,, চাকরী যার হবার আগেই হয়ে গেছে। যেমন,,তারা যখন দেখবে আপনি সাইন্সের ছাত্র তখন প্রশ্ন করবে ঈসা খাঁ এর দাদীর নানীর নাম কি ছিল ??? আর যখন দেখবে আপনি মানবিকের ছাত্র তখন আপনাকে প্রশ্ন করবে নিউটন যে আপেল গাছের নিচে বসা ছিল সেই গাছে কয়টি পাতা ছিল ?????
এমনও প্রশ্ন করবে যে,,আপনি তো অংকে খুবই ভাল নামবার পেয়েছেন।বলেন তো একটি ট্রেন ঘনটায় ১০০ কিঃ মিঃ বেগে চলছে।বলেন তো আমার বয়স কত???
না পারলেই Next.
এভাবে কারও চাকরীর বয়স শেষ হয়ে যায় আবার কারও চাকরী হয়ে যায়।কিনতু হয়ে যাওয়ার সংখ্যাটা খুবই কম।
কিন্তু উন্নত দেশগুলোতে দেখেন,, ২০/২৫ বছর লেখাপড়ার পাশাপাশি তারা যে কোন একটা পার্টটাইম জব অথবা বিজনেস করে চাকরী ছাড়াই তাদের ক্যারিয়ার গড়ে তুলে।ইউরোপ আমেরিকাতে ছাত্র জীবন থেকেই তারা নেটওয়র্কিং বিজনেস করে তাদের ক্যারিয়ার ডেভোলাপট করতেছে।
তাই আমার আবেদন যারা বিশ বছর গাধার মতো খাটুনি খেটে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে লেখাপড়া শেষ করে চাকরী পেয়েছেন এবং পাননি উভয়েই মাত্র তিনটি বছর নেটওয়র্কিং বিজনেসে অবসর সময়টুকু ব্যয় করেন।যেখানে কোন বস নাই,,আপনি নিজেই নিজের বস।
আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি ইনশা-আললাহ্ আপনার চাকরীর দশগুন কামাতে পারবেন।এখানে আছে আনলিমিটেড ইনকাম।যে ইনকাম হবে Passive ইনকাম।লাইফটাইম জেনারেশন টু জেনারেশন ইনকাম।
ডাকতার মারা গেলে ডাকতারের ইনকাম ডাকতারের ছেলের মেয়ের আসবে না।
ইঞ্জিনিয়ার মারা গেলে তার ছেলে মেয়ের ইনকাম আসবে না। কিন্তু একজন সফল নেটওয়ার্কার মারা গেলে সে যেখান থেকে শেষ করেছে সেখান থেকেই তার ছেলে মেয়ে স্ত্রী ইনকাম ভোগ করতে পারবে।
তাই বলছি এখনো যারা শুরু করেন নাই তারা শুরু করে দেন।।
বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে মেসেজ করুন!!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka