ABC TV
This is ABC TV Digital content creator
পবিত্র জেরুজালেম শহরের আল আকসা মসজিদ পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম। ইহুদি, খ্রিষ্টান এবং ইসলামের মত পৃথিবীর প্রধান তিন ধর্মের মানুষের কাছেই এই জায়গাটি অত্যন্ত পবিত্র। ইহুদিদের কাছে এই জায়গাটি টেম্পল মাউন্ট নামে পরিচিত। এর কারণ হল, ইহুদিরা মনে করে এখানেই প্রথম এবং দ্বিতীয় জুইশ টেম্পল বা ইহুদি মন্দির ছিল। এবং তাদের থার্ড টেম্পল বা তৃতীয় মন্দিরও এখানেই নির্মিত হবে। বর্তমানে এখানে থাকা ওয়েস্টার্ন ওয়াল ইহুদিরদের উপাসনার জন্য অন্যতম পবিত্র স্থান। খ্রিষ্টানরা মনে করে যিশু খ্রিষ্ট এখানে থাকা দ্বিতীয় মন্দিরে ধর্ম প্রচার করেছেন। মুসলিমদের কাছে মক্কা ও মদিনার পরেই আল আকসা তৃতীয় পবিত্রতম স্থান হিসেবে পরিচিত। মুসলিমরা বিশ্বাস করে, ইসলাম ধর্মের সর্বশেষ নবী হয়রত মুহাম্মদ (সা) মিরাজের রাতে এখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। এই টেম্পল মাউন্ট প্রঙ্গনে মসজিদে আকসা ছাড়াও ইসলাম ধর্মের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন ডোম অব দা রক বা মসজিদে গম্বুজে সাখারা অবস্থিত।
তিন ধর্মের পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত হলেও, উগ্র ইগুদিরা আল আকসা মসজিদ ভেঙে এখানে তাদের তৃতীয় মন্দির নির্মাণ করতে চায়।
উগ্র পস্থী ইহুদিরা কিভাবে মুসলিমদের অন্যতম পবিত্র স্থান দখল করে তা ধ্বংসের পায়তারা করছে, সে সম্পর্কে আলোচনা করা হবে এই পর্বে।
সৌদি আরবের আল-কাসিম শহরের একটি খেজুর বাগানে 200,000 এরও বেশি খেজুর গাছ রয়েছে এবং তা আল্লাহর পথে উৎসর্গ করা হয়েছে। এই বাগানে 45 জাতের খেজুর রয়েছে, বার্ষিক উৎপাদন 10,000 টন খেজুর। এই বাগানটি পৃথিবীতে পাওয়া সবচেয়ে বড় ওয়াকফ খেজুর বাগান। এই বাগান থেকে আয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মসজিদ নির্মাণ, সেবামূলক কাজে এবং পবিত্র দুই মসজিদে (মক্কা ও মদিনায়) ইফতারের আয়োজনে ব্যবহৃত হয়।
এই বাগানটি আল্লাহর পথে উৎসর্গ করেছেন সৌদি আরবের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি "সুলাইমান আল রাজি"।
পুষ্টি গুণে সমৃদ্ধ একটি ফল খেজুর। খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রণ, ভিটামিন, মিনারেল ও ডায়েটরই ফাইবার যা রক্তস্বল্পতা দূর করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
রোজাদারদের ইফতারের প্রধান অনুষঙ্গও খেজুর। সারা দিন রোজা রাখার পর পেট খালি থাকে বলে শরীরে গ্লুকোজের স্বল্পতা দেখা দেয়, যা ইফতারের সময় পূরণ করতে হয়। আর খেজুর সেটি দ্রুত পূরণে সাহায্য করে।
বৈজ্ঞানিক বিষয়টি ছাড়াও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে মুসলমানদের কাছে খেজুর অতি প্রিয় ও পবিত্র একটি ফল। খেজুর গাছের দেশ সৌদি আরবে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (স.) জন্ম গ্রহণ করেছেন। শিশুকাল থেকে খেজুরই ছিল তার খাদ্য তালিকার প্রধান একটি অংশ।
সেই সৌদি আরবেই রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় খেজুর বাগান। সারি সারি প্রায় দুই লাখ খেজুর গাছের সমারোহে গড়ে উঠেছে এই বাগানটি।
আরব নিউজ ডট কম জানিয়েছে,মধ্য সৌদি আরবের আল-কাসীম প্রদেশের রাজধানী বুরাইদা শহরের কাছে এই বাগানটি অবস্থিত। এর আয়তন প্রায় ৫ হাজার ৪৬৬ হেক্টর। এ বাগানে ৪৫ প্রকারের খেজুর উৎপাদিত হয় বলে জানা গেছে।
#খেজুরবাগান
পাকিস্তান বিগত ৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে , পাকিস্তানের কাছে এখন মাত্র তিন সপ্তাহের খাদ্য ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করার মত টাকা আছে , পাকিস্তানের মানুষ খাবার কেনার জন্য মারামারি করছে , আটা কেনার জন্য মানুষ ট্রাকের পিছনে ছুটছে এবং গ্যাস সিলিন্ডার কেনার মত টাকা নেই বলে মানুষ বেলুনে ভরে গ্যাস নিয়ে যাচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ে এমন সব ভিডিও ভাইরাল হয়েছে স্বয়ং দেশের প্রধানমন্ত্রী বলছে পাকিস্তান বিগত ৫০ বছর ধরে ভিখারির মতো থালা পেতে আছে , পাকিস্তানের যে অবস্থা তাতে যেকোনো সময় হয়তো দেশটির অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়তে পারে |
পাকিস্তানের বর্তমান দুরবস্থার পেছনে মোটা দাগে তিনটি কারণ রয়েছে, রাজনৈতিক বিপর্যয় অর্থনৈতিক বিপর্যয় এবং জলবায়ু বিপর্যয় , পাকিস্তানের অর্থনৈতিক দুরবস্থা দেশটির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত , সেজন্য পাকিস্তানের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে জানা দরকার ,
অতীতে আমাদের বাংলাদেশের ভাগ্য তাদের অস্থির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল , পাকিস্তান ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হলেও দেশটির প্রথম সাধারণ গণতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭০ সালে , কারন এই দীর্ঘ সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনী দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ কঠোরভাবে দমন করেছে সামরিক শাসন চলতে থাকার কারণে পাকিস্তানের বরাবরই সাধারণ জনগণের চেয়ে সামরিক বাহিনীকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে এখনো পর্যন্ত পাকিস্তান আর্মি দেশটির সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং দেশটির মিলিটারি জেনারেল প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও বেশি ক্ষমতা রাখে পাকিস্তান সেনাবাহিনী এত ক্ষমতাবান হলো কিভাবে এবং দেশের রাজনীতিতে তাদের এত দাপট কেনো তা বুঝতে হলে আবারও সেই পাকিস্তান স্বাধীনতার সময় ফিরে যেতে হবে
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Address
Dhaka
1230