Go Legend go.com
Largest product search engine, maximum categorized online shopping mall and quickest home delivery sy
11/04/2022
সমতায় শেষ সিটি-লিভারপুল মহারণ
শেষ মুহূর্তে রিয়াদ মাহরেজের শটটা যখন লিভারপুলের বারের উপর দিয়ে গেল, পুরো ইতিহাদ স্টেডিয়াম যেন একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল। ওই গোলটা হলে, দীর্ঘশ্বাসের বদলে যে গর্জন শোনা যেত, তাতে সন্দেহ নেই কোনো। সেটা হয়নি বলেই পয়েন্ট তালিকায় ব্যবধান বাড়াতে পারল না ম্যানচেস্টার সিটি। এগিয়ে যাওয়া হলো না লিভারপুলেরও। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে মৌসুমের সবচেয়ে বড় ম্যাচ বলা হচ্ছিল যেটিকে, সেটা শেষ হলো ২-২ সমতায়। ইতিহাদে ম্যাচের আগে পয়েন্ট তালিকায় দুই দলের ব্যবধান যা ছিল, পরেও সেটাই রয়ে গেল। ৩১ ম্যাচ শেষে সিটির পয়েন্ট ৭৪, লিভারপুলের ৭৩। লিগের দুই দলেরই ম্যাচ বাকি ৭টি করে।
শুরু থেকেই লিভারপুলের রক্ষণভাগকে অস্থির করে তোলা ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে ম্যাচের প্রথম গোলটার মালিক হতে পারতেন রাহিম স্টার্লিংই। কিন্তু সহজ সুযোগ নষ্ট করা যে তাঁর অনেক দিনের অভ্যাস! পঞ্চম মিনিটে কেভিন ডি ব্রুইনার দুর্দান্ত পাস গ্যাব্রিয়েল জেসুসের পা ঘুরে তাঁর কাছে যখন এল, সেটা শুধু ফাঁকা জায়গা দিয়ে জালে ঠেলে দেওয়াটাই বাকি। স্টার্লিং সেই বলও লিভারপুল গোলরক্ষক আলিসনের কোলে তুলে দিয়ে এসেছেন। তাঁর ভরসায় থাকবেন না বলেই হয়তো ডি ব্রুইনা নিজেই দায়িত্ব নিলেন। ৩০ সেকেন্ড পরেই ফাবিনিওকে কাটিয়ে বেলজিয়ান প্লেমেকারের নেওয়া শট মাতিপের পায়ে লেগে লিভারপুলের জালে।
শোধ দিতে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল ১০ মিনিটও সময় নেয়নি। গোলটা হলো কিছুটা স্রোতের বিপরীতেই। সিটির খেলোয়াড়েরা তখনো লিভারপুলের রক্ষণেই বেশি সময় কাটাচ্ছেন। মো সালাহর শট বিপদমুক্ত করতে হেড করলেন জন স্টোনস, কিন্তু বল গেল অ্যান্ডি রবার্টসনের পায়ে। স্কটিশ ফুলব্যাক ক্রস বাড়ালেন ট্রেন্ট আলেকজান্ডার আরনল্ডের জন্য। বল মাঠের বাইরে চলে যাওয়ার আগে দৌড়ে এসে আরনল্ড আলতো ছোঁয়ায় দিলেন পেছনে থাকা দিয়েগো জোতার পায়ে। এরপর কী করতে হবে, জোতা জানতেন। ভুল হয়নি তাঁর।
সমতায় ফেরা লিভারপুলকে প্রায় এগিয়ে দিতে যাচ্ছিলেন সিটি গোলরক্ষক এদেরসন। স্টোনসের ব্যাকপাস তাঁর দিকে আসছিল। নিজের কাছে রাখবেন বল, না কি সরাসরি কাউকে পাস বাড়াবেন এই চিন্তা করতে করতেই এদেরসন দেখেন বল তাঁকে পেরিয়ে গোললাইন পার হচ্ছে প্রায়। শেষ মুহূর্তে বল ঠেকিয়ে এদেরসন হাস্যকর এক গোল খাওয়া থেকে বেঁচে যান।
জোতার গোলের সময় এবং নিজেই আরেকটা গোল খাওয়ার চেষ্টা ছাড়া এদেরসনকে প্রথমার্ধে খুব একটা পরীক্ষা দিতে হয়নি। ওপাশে বরং আলিসনই কিছুটা ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন। ডি ব্রুইনা-জেসুস জুটিকে সামলাতে হিমশিম খেতে হয়েছে তাঁকে। বছরের প্রথম দিনের পর এই প্রথম জেসুসকে সিটির একাদশে দেখে যে প্রশ্নটা জেগেছিল, সেটার উত্তরও ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড দিয়েছেন ম্যাচের ৩৬ মিনিটে। জোয়াও ক্যানসেলোর পাস থেকে বল পেয়ে সিটিকে আবার এগিয়ে দিয়ে জেসুস আস্থার প্রতিদান দেন গার্দিওলার।
পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যাওয়ার স্মৃতিটা প্রায় ভুলতেই বসেছিল লিভারপুল। কাকতালীয়ভাবে এক বছর আগে ঠিক এই দিনেই অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে মাঠ ছাড়া ইয়ুর্গেন ক্লপের দল আবার সেই স্বাদ পেল আজ। ওই ম্যাচটাও শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে জিতেছিল লিভারপুল। এটাও জিততে হবে, এই প্রতিজ্ঞা থেকেই কিনা, বিরতির পর মাঠে নেমেই ফেরাল সমতাও। সেটাও আবার পুরো প্রথমার্ধে ছায়া হয়ে থাকা সাদিও মানের গোলে! অবশ্য মো সালাহর পাসটাই এত দুর্দান্ত ছিল, সেটা গোল বানাতে না পারলে মানেকে শাস্তি দেওয়ার কথাও ভাবতে পারতেন ইয়ুর্গেন ক্লপ।
মানে তবু গোল করে মুখরক্ষা করেছেন, সিটির হয়ে ফোডেন-স্টার্লিংরা হতাশই করেছেন গার্দিওলাকে। স্টার্লিং অবশ্য ৬৩ মিনিটে লিভারপুলের জালে একবার বল পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায় সেটা। পরে তাঁকে বদলে রিয়াদ মাহরেজকে নামিয়েও কোনো লাভ হয়নি। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ডিবক্সের বাইরে থেকে ওই শটটাই নেওয়া ছাড়া তেমন কোনো মুহূর্ত উপহার দিতে পারেননি।
প্রথমার্ধের মতো এতটা দাপট পরে আর দেখাতে পারেনি সিটিও। বরং বিরতির পরের সময়টা লিভারপুলই কিছুটা ব্যস্ত রেখেছে সিটির রক্ষণভাগকে। তবে না হারাটা নিশ্চিত করতে গিয়ে শেষ দিকে দুই দলই কিছুটা ঝুঁকিহীন খেলতে চেয়েছে। তাতে ম্যাচের গতি হয়তো কিছুটা কমেছে, তবে শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনায় সফল হয়েছে দুই দলই।
Source : Prothom Alo Newspaper
21/03/2022
সব দোষ নিজের ঘাড়ে তুলে নিলেন আনচেলত্তি
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের মাঠ থেকে এত বড় জয় বোধ হয় বার্সেলোনাও আশা করেনি!
জাভি তো বলেই দিয়েছেন, ম্যাচের ফলাফল দেখে তিনি নিজেই বিস্মিত। তিন পয়েন্ট পাওয়ার লক্ষ্যে খেলবেন বলেছিলেন, তাই বলে এমন? রিয়ালের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে গিয়ে চার গোল দিয়ে আসা, তা–ও আবার এমন সময়ে, যখন বার্সেলোনা আর আগের মতো নেই বলে চারদিকে রব উঠে গিয়েছে। প্রশ্ন উঠতেই পারে, নিজেদের ইতিহাসের অন্যতম বাজে সময়েই যদি বার্সেলোনা রিয়ালের মাঠে গিয়ে এমন দুর্দান্তভাবে জিতে আসতে পারে, পুরোপুরি ফর্মে ফিরলে কী হবে?
সেটা নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ আপাতত চিন্তা করতে চাইবে না। আগে নিজেদের ভাঙা ঘর সামলানো যাক, তারপর না প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তা কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা!
বার্সেলোনা আক্ষরিক অর্থেই গত রাতে রিয়াল মাদ্রিদের ঘর ভেঙে দিয়ে এসেছে। নস্যাৎ করে এসেছে কার্লো আনচেলত্তির যত কৌশল। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে বার্সেলোনাকে টানা পাঁচ ম্যাচ হারানোর পর এভাবে নিজেদের মাঠে পর্যুদস্ত হওয়ার দায় আনচেলত্তি অবশ্য নিজেই নিচ্ছেন। স্বীকার করছেন, এমন অদ্ভুতুড়ে ফলাফলের পেছনে দোষ তাঁরই।
আনচেলত্তি মানছেন, শিষ্যদের খেলা দেখে মনে হয়নি, তাঁরা রিয়াল মাদ্রিদের মতো ক্লাবের হয়ে খেলে। তাই বলে শিষ্যদের ঘাড়ে দোষ চাপাননি এই ইতালিয়ান কোচ, ‘আমাদের খেলা দেখে চেনা যায়নি। যা যা ভেবেছিলাম, সব ভুল প্রমাণিত হয়েছে। এই ফলাফলের কথা ভুলে গিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে আমাদের। আমি খেলোয়াড়দের বলেছি, আমি কোচ, আমারই ভুল সব। যদিও লিগে এখনো আমরা বেশ বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছি।’
বার্সেলোনার মতো দলের বিপক্ষে এভাবে হেরে যাওয়াটা নিঃসন্দেহে আনচেলত্তিকেও পোড়াচ্ছে, ‘হারটা মেনে নেওয়া কষ্টকর। কারণ, এটা ক্লাসিকো। ভক্তদের জন্য তো বটেই। কারণ, আমরা বার্সার বিপক্ষে খেলছি। আমরা লড়াইয়ে হেরে গিয়েছি। আমাদের জন্য অনেক বড় এক ধাক্কা। যদিও লিগে আমাদের আধিপত্য আছে এখনো। চোটে পড়া খেলোয়াড়েরা যেন তাড়াতাড়ি ফিরে আসে, সেটাই এখন আশা করতে পারি।’
লিগে এখনো দ্বিতীয় স্থানে থাকা সেভিয়ার চেয়ে ৯ পয়েন্টে এগিয়ে রিয়াল। হাতে আছে আরও ৯ ম্যাচ। এক ম্যাচ কম খেলা বার্সেলোনা পিছিয়ে ১২ পয়েন্টে। কিন্তু বার্সেলোনা যেভাবে মৌসুমের এ পর্যায়ে এসে ফর্ম ফিরে পেয়েছে, আধিপত্য ধরে রাখতে পারবে তো?
Source : Prothom ALo Newspaper
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Baridhara DOHS
Dhaka
1212