Adv.Zamman Associate
It is for your legal Solution Law is a system of rules that are enforced through social institutio It is for your absolutely legal solution
Alhamdulillah
05/10/2022
এলএল.বি. ক্লাসে প্রফেসর ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বললেনঃ-
--"যদি কাউকে কমলালেবু দিতে হয়, কী বলবে?"
এক ছাত্র জবাব দিলোঃ -- "এই নিন, কমলালেবু।"
প্রফেসর বললেনঃ-- "না, হলো না; উকিলের মতো করে বলো।"
তখন সেই ছাত্র বললোঃ-- "আমি বেচারামের পুত্র কেনারাম, গ্রাম চন্ডিপুর, ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া নিবাসী, পূর্ণ সজ্ঞানে, কারো কাছে ভয় অথবা চাপে না পড়িয়া, মারধর না খাইয়া, এই যে ফল, যাহা কমলালেবু নামে পরিচিত আর যেটার ওপর আমার সম্পূর্ণ অধিকার রহিয়াছে, তাহার খোসা, রস, মজ্জা এবং বীজ সহিত আপনাকে প্রদান করিতেছি এবং ইহার সহিত আপনাকে সম্পূর্ণ ও নিঃশর্তে অধিকার দিতেছি যে, আপনি ইহাকে কাটিতে, ছিঁড়িতে, ফ্রিজে রাখিতে বা খাবার জন্যে পূর্ণ ভাবে স্বতন্ত্র রাখিতে পারিবেন।
আপনার এই অধিকারও থাকিবে যে, আপনি যে কোন অন্য ব্যাক্তিকে এই ফল, ইহার খোসা, রস, মজ্জা ও বীজের সহিত বা অন্যথা তাহাকে দিতে, খাওয়াইতে, বিক্রয় করিতে, ডাস্টবিনে ফেলিয়া দিতে পারিবেন।
আমি ঘোষণা করিতেছি যে, আজকের পূর্বে এই কমলালেবু সংক্রান্ত কোন প্রকার বাদ-বিবাদ, ঝগড়া-ঝঞ্ঝাটের সমস্ত দায়িত্ব আমার এবং আজকের পর হইতে এই কমলালেবুর সহিত আমার আর কোন প্রকার সম্পর্ক থাকিবে না কিংবা আমি বা আমার মৃত্যুর পর আমার ভবিষ্যৎ উত্তরাধিকরী বা আমার কোনো আত্মীয়-স্বজন এই কমলালেবু বা এর কোনো অংশের উপর কোনোপ্রকার দাবী করব না।
অধিকন্তু এই কমলালেবুর বীজ হতে কোনো গাছ জন্মালে সেই গাছ বা তার কোনো পাতা, ডালপালা, শিকড়, ফুল ও ফলের উপর আমার বা আমার কোনো উত্তরাধিকারীর কোনোরুপ দাবি থাকবে না। তাছাড়া......"
অতঃপর, বাকিটুকু না শুনেই প্রফেসর মূর্ছা গেলেন .....
লেখক: অজানা। ঈষৎ সম্পাদিত, কিছুটা বর্ধিত ও অনেকটা ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে প্রকাশিত 😄।
এলএল.বি. ক্লাসে প্রফেসর ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বললেনঃ-
--"যদি কাউকে কমলালেবু দিতে হয়, কী বলবে?"
এক ছাত্র জবাব দিলোঃ -- "এই নিন, কমলালেবু।"
প্রফেসর বললেনঃ-- "না, হলো না; উকিলের মতো করে বলো।"
তখন সেই ছাত্র বললোঃ-- "আমি বেচারামের পুত্র কেনারাম, গ্রাম চন্ডিপুর, ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া নিবাসী, পূর্ণ সজ্ঞানে, কারো কাছে ভয় অথবা চাপে না পড়িয়া, মারধর না খাইয়া, এই যে ফল, যাহা কমলালেবু নামে পরিচিত আর যেটার ওপর আমার সম্পূর্ণ অধিকার রহিয়াছে, তাহার খোসা, রস, মজ্জা এবং বীজ সহিত আপনাকে প্রদান করিতেছি এবং ইহার সহিত আপনাকে সম্পূর্ণ ও নিঃশর্তে অধিকার দিতেছি যে, আপনি ইহাকে কাটিতে, ছিঁড়িতে, ফ্রিজে রাখিতে বা খাবার জন্যে পূর্ণ ভাবে স্বতন্ত্র রাখিতে পারিবেন।
আপনার এই অধিকারও থাকিবে যে, আপনি যে কোন অন্য ব্যাক্তিকে এই ফল, ইহার খোসা, রস, মজ্জা ও বীজের সহিত বা অন্যথা তাহাকে দিতে, খাওয়াইতে, বিক্রয় করিতে, ডাস্টবিনে ফেলিয়া দিতে পারিবেন।
আমি ঘোষণা করিতেছি যে, আজকের পূর্বে এই কমলালেবু সংক্রান্ত কোন প্রকার বাদ-বিবাদ, ঝগড়া-ঝঞ্ঝাটের সমস্ত দায়িত্ব আমার এবং আজকের পর হইতে এই কমলালেবুর সহিত আমার আর কোন প্রকার সম্পর্ক থাকিবে না কিংবা আমি বা আমার মৃত্যুর পর আমার ভবিষ্যৎ উত্তরাধিকরী বা আমার কোনো আত্মীয়-স্বজন এই কমলালেবু বা এর কোনো অংশের উপর কোনোপ্রকার দাবী করব না।
অধিকন্তু এই কমলালেবুর বীজ হতে কোনো গাছ জন্মালে সেই গাছ বা তার কোনো পাতা, ডালপালা, শিকড়, ফুল ও ফলের উপর আমার বা আমার কোনো উত্তরাধিকারীর কোনোরুপ দাবি থাকবে না। তাছাড়া......"
অতঃপর, বাকিটুকু না শুনেই প্রফেসর মূর্ছা গেলেন .....
আমাদের অফিসিয়াল গ্রুপ Borhan Uddin Khan
প্রসঙ্গঃ সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তি।
সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তিটা হয়ে দাঁড়িয়েছে আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের রুটিন আর স্বাভাবিক অনেক রুটিন আস্তে আস্তে হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের জীবন থেকে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তি থাকলেও আমরা যে আদৌ আসক্ত, তা
বুঝতে বা শনাক্ত করতে আমরা অধিকাংশই ব্যর্থ হই। এই আসক্তিটা আমাদের জীবনে এতখানি স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়ায়—সেটাকে কখনো সন্দেহের চোখে দেখার কিংবা সেটা নিয়ে একটু উদ্বিগ্ন হওয়ার চিন্তা আমাদের মাথায় কখনোই আসে না।
সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনি যে আসক্ত তা বুঝবেন কীভাবে, তাই তো?
প্রশ্নটা আপনার একার নয়, দুনিয়ার অনেক-মানুষের।
সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তির অনেকগুলো লক্ষণ বিদ্যমান, কিন্তু সেসবের মধ্যে ভয়ানক পর্যায়ে র কিছু লক্ষণ আছে, যা দেখে আপনি আঁচ করতে পারবেন যে, আপনার সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তির পর্যায় কতখানি।
সকালবেলা ঘুম ভাঙার পর স্মার্ট ফোনটার কথাই যদি সর্বাগ্রে আপনার মনে আসে এবং বিছানায় থাকাবস্থাতেই যদি আপনি ফেইসবুক, ইউটিউব, টুইটার বা ইনস্টাগ্রাম স্ক্রল করবার তাড়না অনুভব করেন, তাহলে ধরে নিতে পারেন যে, আপনি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভালো রকমের আসক্ত।
ধরুন, আপনি কোনো কাজ করছেন। কাজের ফাঁকে ফাঁকে ফোন চেক করবার, নোটিফিকেশন চেক করবার তাড়না অনুভব করেন কি? ল্যাপটপ বা ডেস্কটপে কাজ করার সময় আপনি কি আলাদা ট্যাবে ফেইসবুক খুলে রাখেন, যাতে খানিক পর পর আপনি সেখানে ঢুঁ মারতে পারেন? যদি আপনার মাঝে এই অভ্যাসটা থাকে, তাহলে তা সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তির অন্যতম লক্ষণ।
ধরুন, এক সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলেন যে, আপনি কোনোভাবে ফেইসবুকে ঢুকতে পারছেন না। হয়তো আপনার ফোনে ডাটা নেই অথবা ফেইসবুকের নিজস্ব কারিগরি সমস্যার কারণে ফেইসবুকে ঢুকতে আপনার সমস্যা হচ্ছে কিংবা এমনও হতে পারে—কোনো কারণে ফেইসবুক আপনার অ্যাকাউন্টটাকে সাসপেন্ড করে দিয়েছে। ভাবুন তো, ওই নির্দিষ্ট সকালটা আপনার কেমন কাটবে? নিশ্চয় একরাশ বিরক্তি আর অস্থিরতায়। সেদিনের স্বাভাবিক সবকিছুকে আপনার বিরক্তিকর মনে
হবে। কখন আপনি পুনরায় ফেইসবুকে ফেরত যেতে পারবেন আর কীভাবে সাসপেন্ড হওয়া অ্যাকাউন্ট ফিরিয়ে আনতে পারবেন—এমন চিন্তায় বিক্ষিপ্ত থাকবে আপনার মন। খিটখিটে হয়ে থাকবে মেজাজ-মর্জি। এই ঘটনা যদি আপনার সাথে ঘটে থাকে বা ঘটবার আশংকা থাকে, ধরে নিতে পারেন যে, আপনি সোশ্যাল মিডিয়ায় জোরালোভাবে আসক্তদের একজন।
কোথাও বেড়াতে গেলে বা পরিবার আর বন্ধুদের সাথে সুন্দর সময় কাটানোর অনেক অনিন্দ্য সুন্দর মুহূর্তকে নিশ্চয় আপনি ক্যামেরাবন্দি করেন, তাই না? এসব মুহূর্তকে ক্যামেরা-বন্দি করার সময় আপনার মনে কি বারংবার সোশ্যাল মিডিয়ার কথা ভেসে ওঠে? এই ছবিগুলোকে কত বাহারি ক্যাপশানে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করবেন, তাতে কাকে কাকে ট্যাগ করবেন, সেসব দেখে অন্যদের কী প্রতিক্রিয়া হবে—এসব
চিন্তা কি আপনার ভাবনা-জগতে এসে দোলা দেয়?
উত্তর যদি ‘হ্যাঁ’ হয়, তাহলে ধরে নেওয়া যায়, আপনি একজন সোশ্যাল মিডিয়া আসক্ত ব্যক্তি।
অস্বীকার করবো না যে, প্রযুক্তি আমাদের জীবনটাকে অনেক সহজ করে দিয়েছে,কিন্তু প্রযুক্তির অপব্যবহার, সোশ্যাল মিডিয়াগুলোর মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার কি আমাদের জীবন থেকে প্রকৃত আনন্দটুকু কেড়ে নিচ্ছে না? শেষ কবে আমরা নিজেদের জন্য একটু সময় বের করেছি মনে পড়ে? শিশিরভেজা ঘাসে একটু হাঁটবার জন্য, বিমুগ্ধ বিস্ময়ে পাখ-পাখালির গান শোনবার জন্য, নদীর কলতান আর সমুদ্রের গর্জন নিজেকে একাকার করবার জন্য শেষ কবে আমরা সময় করতে পেরেছি?
শারীরিক ক্ষতি তো আছেই, আত্মিক দিক থেকেও সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি কি আমাদের কুরে কুরে খাচ্ছে না? সালাতে দাঁড়ালেই আমাদের কি অনলাইন জগতের নানান কথাবার্তা , নানান ঘটনা মনে পড়ে না? অনলাইনে কী লিখছি, কী পড়ছি, কী দেখছি—তা নিয়ে সারাক্ষণ ব্যতিব্যস্ত থাকতে গিয়ে, আমাদের ঈমান-আমলের যে বেহাল দশা হয়ে আছে, তা ভেবে দেখবার সময় হয়েছে কখনো?
জীবনটা বড় ক্ষুদ্র! ক্ষুদ্র এই জীবনের বড় একটা অংশ যদি অযথা, অহেতুক কোনো আসক্তির পেছনে খরচ হয়ে যায়, কতটাই বা তবে বিকশিত হতে পারে মানবজীবন?
(সংগ্রহঃ খেলাঘর পাতা আছে এই এখানে / আরিফ আজাদ)
09/03/2021
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the practice
Telephone
Website
Address
House-1082, Road-21, Tilpapara, Khilgaon
Dhaka
1219