The SciBridge Initiative

The SciBridge Initiative

Share

Promoting open science, and working to enhance science education for all
#BridgingScience4All Our Goals-
1.

11/11/2024

সময়টা ২০২০ সাল। গবেষক বিটা হ্যালাসির আবারও স্তন ক্যান্সার ধরা পড়ে। এর আগের বার তার একটা স্তন কেটে বাদ দিতে হয়েছিল। তাই এবার আর তিনি সেই কেমোথেরাপির ঝামেলায় যেতে নারাজ।
ভাইরোলোজিস্ট হ্যালাসি ক্যান্সার নিরাময়ে ভাইরাল থেরাপি বিষয়ক তখনকার গবেষণা পড়ে ঠিক করলেন নিজের ক্যান্সার তিনি নিজেই সারিয়ে তুলবেন এবং এ ব্যাপারে তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে এলো তার অঙ্কোলজিস্ট আর সহকর্মীরা।

তারা ‘অঙ্কোলাইটিক ভাইরোথেরাপি (OVT)’ নামক একটি পরীক্ষামূলক পদ্ধতি বেছে নেন (এই কৌশলটি এখনও অনুমোদিত নয়)। এর একটি ভ্যারিয়েন্ট মেটাস্ট্যাটিক মেলানোমা (এক ধরনের ব্লাড ক্যান্সার) নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। তবে স্তন ক্যান্সারের ক্ষেত্রে এ ব্যাপারে নির্ভরযোগ্য তথ্য ছিল না। কিন্তু হ্যালাসি অভিজ্ঞ ভাইরোলোজিস্ট হওয়ায় আশাবাদী ছিলেন কৌশলটি কাজে দিবে।

এই কৌশলে তিনি নিজ ল্যাবে প্রস্তুত দুটি ভাইরাসের স্ট্রেইন বেছে নেন। একটি হলো মিজলস ভ্যাক্সিন স্ট্রেইন (MeV), আরেকটি ভেসিকুলার স্টোমাটাইটিস ভাইরাস স্ট্রেইন (VSV)। দুটোই খুবই দুর্বল ভাইরাস – প্রথমটি মিজলসের ভ্যাক্সিনে ব্যবহৃত হয়, দ্বিতীয়টি সর্বোচ্চ সর্দি-কাশি ঘটাতে পারে। এই কৌশলে ভাইরাসগুলো ক্যান্সার কোষকে আক্রমণ করে আর দেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থাকেও ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে উদ্দীপ্ত করে। ২ মাস ধরে থেরাপি চলার পর দেখা যায় ক্যান্সার টিউমারটি ছোট ও নরম হয়ে গেছে। এরপর সার্জারির মাধ্যমে টিউমারটি অপসারণ করলে এর মধ্যে CD8+ T cell, CD20+ B cell সহ অনেক লিম্ফোসাইটের উপস্থিতি পাওয়া যায়, যা থেকে ক্যান্সার কোষে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্রিয়তার প্রমাণ পাওয়া যায়।

লক্ষণীয় যে, এভাবে সেলফ এক্সপেরিমেন্ট করার পূর্বে অবশ্যই যথেষ্ট নিরাপত্তা নিশ্চিত করা উচিত। কোনোভাবেই অনভিজ্ঞদের এ ধরনের পরীক্ষার চেষ্টা করা উচিত নয়।

02/11/2024

আপনি কি জানেন, আমাদের দেহে আমাদের নিজেদের কোষ থেকে জীবাণুদের কোষের সংখ্যা ১০ গুণের কাছাকাছি! এই অনুপাত থেকেই অনেকটা অনুমান করা যায় দেহের অভ্যন্তরের জীবাণুদের ওপর আমাদের স্বাস্থ্য কতখানি নির্ভর করে। একদম প্রাথমিক পর্যায়ে যদি তাকাই, তাহলে দেখতে পাব, আমাদের অন্ত্রের অণুজীবের ইকোসিস্টেম বা বায়োম পরিপাকতন্ত্রের সুস্থতার একটি বড় প্রভাবক। কিন্তু এখানে এদের প্রভাব মোটে শুরু। শরীরের ভারসাম্য রক্ষায় (Homeostasis) অন্ত্রের অণুবাস্তুতন্ত্রের (Microbiome) প্রভাব অন্যান্য তন্ত্রেও বিস্তৃত, যার মূলে রয়েছে এর সাথে স্নায়ুতন্ত্রের নিবিড় সম্পর্ক।

প্রজননতন্ত্রের ক্ষেত্রে এই মাইক্রোবায়োমের প্রভাব অনেকটাই গবেষণার বাহিরে ছিল। সম্প্রতি একদল বিজ্ঞানী শিশুর সুস্বাস্থ্যের সাথে বাবার শরীরের মাইক্রোবায়োমের সুস্থতার মধ্যে সম্পর্ক বের করতে সক্ষম হয়েছেন। এই গবেষণাটি মে মাসে প্রকাশিত হয় নেচার সায়েন্স জার্নালে। নমুনা ইঁদুরের উপর পরিচালিত এই গবেষণায় দেখা যায় জনন-সম্ভাব্য পিতাদের অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমে ব্যাঘাত ঘটলে তাদের বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ওজন কম, বৃদ্ধিতে সমস্যা এবং শিশুমৃত্যুর উচ্চহার দেখা যায়। এক্ষেত্রে বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ হারও বেশি হয়।

এই মাইক্রোবায়োমের ব্যাঘাত তাহলে কীভাবে ঘটতে পারে? আমরা খুবই সাধারণভাবে যেই কাজগুলো করে থাকি – অতিরিক্ত এন্টিবায়োটিক সেবন, ল্যাক্সেটিভ সেবন (কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ব্যবহৃত সাপ্লিমেন্ট) – এর ফলে অন্ত্রের অণুজীব মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা জননতন্ত্রে প্রভাব ফেলে কীভাবে? এক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে অণুবাস্তুতন্ত্রের সমস্যার ফলে হরমোন সিগ্ন্যালিং-এ সমস্যা হয়, যার ফলে শুক্রাশয়ের বিপাকীয় উপাদান বদলে যায়। ফলে শুক্রাণুতে কিছু ছোট আরএনএ পরিবর্তিত সিকুয়েন্স নিয়ে প্রবেশ করে। ফলশ্রুতিতে পরবর্তী প্রজন্মে গুণগত সমস্যা দেখা যায়। তবে দেখা গেছে, মাইক্রোবায়োম আবার আগের অবস্থায় ফিরে এলে এই প্রভাবগুলো প্রশমিত হয়।

24/09/2024

❝স্নায়বিক ব্যাধি❞ শব্দটি শোনা মাত্রই আমাদের যে ব্যাধিগুলোর কথা প্রথমেই মাথায় আসে তার একটি হলো Epilepsy বা বাংলা আভিধানিক ভাষায় যাকে বলে মৃগী। প্রায় ৬৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ এই স্নায়বিক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়। যার ২০-৩০% ইন্ট্রাক্টেবল মৃগীর অন্তর্ভুক্ত এবং এটি বিভিন্ন মানসম্মত ঔষধে সাড়া দেয় না। মৃগী বা Epilepsy তে আক্রান্ত রোগীর সাধারণত মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক Hyperactivity এর কারণে খিচুনী হয়। ফলে রোগী অজ্ঞানও হতে পারে। Epilepsy সাড়ানোর প্রচলিত পদ্ধতি হিসেবে বেছে নেওয়া যেতে পারে সার্জিক্যাল রিসেকশনকে। তবে সার্জিক্যাল রিসেকশন এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট টিস্যুকে বাদ দেওয়া খুবই জটিল ও বিপদজনক পদ্ধতি। তাহলে Epilepsy এর চিকিৎসা কী? কোরিয়ান বায়োনিক্স রিসার্চ সেন্টার ও CNIR এর অভিজ্ঞ প্রফেসর ও তাদের গবেষণা দল অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে এর বিকল্প চিকিৎসা হিসেবে একটি Soft cortical device তৈরি করেছে । এই ডিভাইসটি Epilepsy সহ অন্যান্য স্নায়বিক ব্যাধি নিরাময়েও নতুন সম্ভাবনা। এই গবেষণা দলটি epilepsy নিয়ে নমুনা ইঁদুরের উপর গবেষণা করে এবং ফলাফল হিসেবে একটি Shape Morphing Cortical Adhesive(SMCA) sensor তৈরি করেছে, যা ফ্লেক্সিবল ডিভাইস হিসেবে ব্রেইন সারফেসে অবস্থান এবং ব্রেইন মনিটরিং এ সক্ষম। ফলে ডিভাইসটি সফলভাবে মস্তিষ্কের কার্যক্রম রেকর্ড করে এবং যথাসময়ে খিঁচুনী দমন করতে পারে। এই সেন্সর এর অন্যতম সুবিধা হলো এটিতে এক ধরনের বিশেষ হাইড্রোজেলের (Catechol-conjugated alginate) স্তর বিদ্যমান। যা মস্তিষ্কের টিস্যু এর সাথে বন্ধন গঠন করে যুক্ত থাকে ও টিস্যু হতে সরে পড়ার (Detachment ) এর ঝুঁকি থাকে না।

মূল গবেষণাপত্রের লিংক কমেন্টে।

21/12/2023

A rogue planet is a planet that does not orbit any star or brown dwarf and instead drifts freely through space. Rogue planets are believed to have formed in a star system but were later ejected.

The detection and study of rogue planets pose unique challenges for astronomers, as these objects do not emit their own light and are not illuminated by a nearby star. One method used to identify rogue planets is gravitational microlensing. This phenomenon occurs when the gravitational field of a foreground object, such as a rogue planet, bends and focuses the light from a more distant background star. The gravitational lensing effect causes a temporary increase in brightness, allowing astronomers to detect the presence of the otherwise unseen rogue planet.

Studying rogue planets provides insights into planetary formation processes, as these planets might have formed in a star system and later been ejected into interstellar space. Advanced technologies, such as direct imaging with powerful telescopes, are continually being developed to enhance our ability to observe and characterize these nomadic planets.

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address


Dhaka