Chattogram Development Council-CDC

Chattogram Development Council-CDC

Share

চট্টগ্রামের উন্নতিই বাংলাদেশের সমৃদ্ধি(The development of Chittagong is the prosperity of Bangladesh)

14/04/2026

প্রিয় চট্টগ্রামের জনগণকে জানাই বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা। শুভ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
আবুল কালাম আজাদ
রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চেয়ারম্যান,
চট্টগ্রাম ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল- সিডিসি।

01/04/2026

কালুরঘাট রেল কাম সড়ক সেতু নির্মাণ প্রসঙ্গে...

30/03/2026

।।আসাদের রক্তমাখা শার্ট মুক্তির অনুপ্রেরণা।।

চীন বিপ্লবের মহানায়ক কমরেড মাও-সে-তুঙ একজন লালফৌজের সৈনিকের স্মরণসভায় বলেছিলেন, "জনগণের জন্য যারা প্রাণ দেয় তাদের মৃত্যু থাই পাহাড়ের চেয়েও ভারী।"
বায়ান্ন বছর আগে এই দেশের একজন সূর্যসন্তান তৎকালীন পাকিস্তানের সামরিক স্বৈরশাসনের পতন ঘটানোর লক্ষ্যে থাই পাহাড়ের চেয়েও ভারী নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি ৬৯ এর গণ-অভ্যুত্থানের মহান শহীদ আসাদ।

১৯৬৮ সালের শেষের দিকে তৎকালীন সারা পাকিস্তানে স্বৈরাচারী আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানের সাধারণ পটভূমি গড়ে উঠেছিল। ১৯৬৮ সালের ১৩ অক্টোবর করাচির ছাত্র বিক্ষোভের ওপর পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং ৩০ ছাত্রকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনার বিরুদ্ধে সংঘটিত ছাত্রদের প্রতিবাদের জের ধরে ১৬ অক্টোবর থেকে করাচির সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে। ১৩ নভেম্বর লাহোর বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। একইদিনে ন্যাপ সভাপতি ওয়ালী খান ও পিপলস পার্টির নেতা ভুট্টোকে গ্রেফতার করা হয়। আন্দোলন সারা পাকিস্তানে ছড়িয়ে পড়ে। পূর্বপাকিস্তানে ৬ ডিসেম্বর পল্টনে জনসভা শেষে মওলানা ভাসানী গভর্নর ভবন ঘেরাও করেন। বর্তমানে যেটা বঙ্গভবন। ঘেরাও শেষে পরদিন হরতালের ডাক দেন। হরতাল অভুতপূর্ব সফল হয়েছিল। জনতা-পুলিশ সংঘর্ষ চলেছিল। তার পরদিন ৮ ডিসেম্বর আবারও হরতাল। মওলানা ভাসানী এবার হুমকি দিলেন, -"শেখ মুজিবকে মুক্তি না দিলে বাস্তিল দুর্গের মতো ক্যান্টনমেন্ট ভেঙে মুজিবকে মুক্ত করবো।" একই সঙ্গে তিনি গ্রামাঞ্চলে আন্দোলনকে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য সমগ্র পূর্বপাকিস্তানে হাট হরতালের ডাক দিয়েছিলেন। নড়াইলে এবং নরসিংদীর মনোহরদী থানার হাতিরদিয়া বাজারে পুলিশ গুলি করে মানুষ হত্যা করেছিল। ছাত্রনেতা আসাদ তখন একই সঙ্গে কৃষক আন্দোলনও করতেন। হাতিরদিয়া বাজারে হাট হরতাল করতে গিয়ে তিনি পুলিশের লাঠির আঘাতে আহত হয়েছিলেন। মাথা ফেটে গিয়েছিল-। আসাদ আহত অবস্থায় মাথায় ব্যান্ডেজ বেঁধেই কিছুটা সাইকেল করে, পরে ট্রেনে করে ঢাকায় পৌঁছান হাতিরদিয়ার গুলির খবর দিতে।

১৯৬৯ সালের জানুয়ারি মাসে দুই ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রলীগ ও এনএসএফ-এর একাংশ নিয়ে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন এবং ১৪ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১৭ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সমাবেশ এবং ১৮, ১৯ ও ২০ তারিখে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে যে মিছিল বের হয়েছিল। ১৮ তারিখ পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। ১৯ তারিখ গুলি করেছিল পুলিশ। পরদিন ২০ জানুয়ারি ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে যে মিছিলটি বের হয়েছিল, তার প্রথম সারিতে ছিলেন আসাদুজ্জামান আসাদ। চানখাঁরপুল মোড় থেকে পুলিশের জিপ থেকে আসাদকে লক্ষ্য করে পুলিশ গুলি ছোড়ে। সঙ্গে সঙ্গে আসাদের রক্তমাখা প্রাণহীন দেহট রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে। আসাদের মৃত্যুতে সারা দেশ ক্ষোভে ফেটে পড়ল। আওয়াজ উঠলো, -'আসাদের মন্ত্র-জনগণতন্ত্র'।

শহীদ আসাদ ছিলেন পূর্বপাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের নেতা এবং পূর্বপাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি (এম.এল)'র প্রার্থী সদস্য। (পরে তাঁকে মরণোত্তর সদস্যপদ প্রদান করা হয়)। তিনি শহীদ হওয়ার পরে সমগ্র জনগণের সংগ্রামের প্রতীকে পরিণত হয়েছিল। গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সমগ্র পাকিস্তানের জনসাধারণ ঐক্যবদ্ধভাবে অংশগ্রহণ করেছিল। অন্যদিকে পূর্বপাকিস্তানের সাধারণ মানুষ আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়েছিল। পাকিস্তানের উভয় অংশে শ্রমজীবী মানুষের শোষণ মুক্তির সংগ্রাম সমন্বিত হয়েছিল। পূর্বপাকিস্তানে বিপ্লবী গণঅভ্যুত্থানের দিকে মোড় নিয়েছিল।

২০ জানুয়ারি তার শহীদ হওয়ার সময় পরিহিত রক্তভেজা শার্ট হয়ে উঠে উঠেছিল সংগ্রামের অনন্য প্রতীক। যে জন্যই কবি শামসুর রাহমান তাঁর কবিতার মধ্য দিয়ে ব্যক্ত করেছিলেন,-"আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা"।
শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লা কায়সার তাঁর কবিতায় লিখেছিলেন,-'আসাদেরা হাজারো টর্নেডো'। প্রকৃতই মানবমুক্তির সংগ্রামে আসাদরা শোষণের বিরুদ্ধে হাজারো টর্নেডোর মতোই আঘাতের পর আঘাত হেনে যায়। তাই শহীদ আসাদ মুক্তির লড়াইয়ের প্রাণের পতাকা হিসেবে এখনো পতপত করেই উড়ে চলছে। শহীদ আসাদের শার্ট শোষণ, বঞ্চনা, এবং "অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ন্যায়সংগত" লড়াই-সংগ্রামের প্রতীক হয়ে নির্দেশনা জোগায় । জনগণের মুক্তির লড়াইয়ের আসাদের রক্ত মাখা শার্ট অনিপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে।

29/03/2026

❝আজ দেখতে পাচ্ছি স্বাধীনতার স্বাদ ভোগ করছে লুটপাট সমিতি। একমাত্র কৃষক-শ্রমিক শ্রেণীই তা সমূলে ধ্বংস করতে পারেন। তাই আমি বলছি, আপনাদের জাতীয় শত্রু বিতাড়িত হলেও শ্রেণী শত্রু খতম হয়েছে বলে তা মনে করবেন না।❞ -মওলানা ভাসানী।
[সাপ্তাহিক হক কথা, ২৩ এপ্রিল, ১৯৭২]

Want your organization to be the top-listed Non Profit Organization in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


House-1144, Road-9/A, Avenue-10, Mirpur DOHS
Dhaka
1216