PRP-Tour Advisor
Country’s first three dimensional Event management farm with media active & Hospitality Management agency is PRP.
08/06/2025
কাবাব সমগ্র কাবাব বানানো এতো সহজ
গরুর মাংসের ঝুরি কাবাব
উপকরণ: গরুর মাংসের কিমা ৫০০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, কাবাব মসলা ৩ চা-চামচ, পেঁয়াজবাটা ৩ চা-চামচ, রসুন-আদাবাটা ২ চা-চামচ, জিরা গুড়া ২ চা-চামচ, ধনে গুঁড়া ২ চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া স্বাদমতো, সয়াবিন তেল প্রয়োজনমতো, নারকেল কোরানো ১ কাপ, গরম মসলা-তেজপাতা ৩টি করে, লবণ পরিমাণমতো, কাঁচা মরিচ ফালি ৬-৭টি বা স্বাদমতো।
প্রণালি: হাঁড়িতে মাংসের কিমা, লবণ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা বাটা, নারকেল কোরানো, জিরা, ধনে গুঁড়া, গরম মসলা মাখিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে রান্না করতে হবে। মাংস সেদ্ধ হয়ে ভাজা ভাজা হলে পাটায় বেটে নিতে হবে। চুলায় ফ্রাই প্যান দিয়ে তাতে তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচি হালকা ভেজে মাংস বাটা দিয়ে ভাজতে হবে। তারপর কাঁচা মরিচ, ফালি কাবাব, গরম মসলা ও তেজপাতা দিয়ে নেড়ে অল্প আঁচে ভাজতে হবে। মাংসের ঝুরি কাবাব চুলা থেকে নামিয়ে পরিবেশন করতে হবে।
গরুর মাংসের ছেঁচা কাবাব
উপকরণ: হাড় ছাড়া গরুর মাংস ৩০০ গ্রাম, কাবাব মসলা ২ চা-চামচ, আদা ও রসুনবাটা ২ চা-চামচ, পেঁয়াজ বাটা ২ চা-চামচ, কাঁচা মরিচবাটা ২ চা-চামচ, জিরা ও ধনে গুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেজপাতা ২টি, গরম মসলা ২টি ও সয়াবিন তেল প্রয়োজনমতো।
প্রণালি: গরুর মাংস পাতলা করে চার কোনা করে কেটে নিয়ে তা ছেঁচে নিতে হবে। এর সঙ্গে পেঁয়াজ-রসুন-আদা-কাঁচা মরিচবাটা, লবণ, জিরা, ধনে গুঁড়া, তেজপাতা ও গরম মসলা মাখিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে সেদ্ধ করতে হবে। মাংস সেদ্ধ হয়ে পানি শুকালে চুলা থেকে নামিয়ে তেজপাতা ও গরম মসলা ফেলে দিতে হবে। তারপর সেদ্ধ মাংসের সঙ্গে কাবাব মসলা মিশিয়ে নিন। চুলায় ফ্রাই প্যান দিয়ে তাতে তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে মাংস ভাজতে হবে অল্প আঁচে। মাংস ভাজা ও পোড়া পোড়া হলে চুলা থেকে নামাতে হবে। এরপর গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।
গরুর মাংসের চন্দ্র কাবাব
উপকরণ: গরুর মাংসের কিমা ৩০০ গ্রাম, কাঁচকলা ২টি, মিহি পেঁয়াজ কুচি আধাকাপ, কাঁচা মরিচ কুচি স্বাদমতো, কাবাব মসলা ২ চা-চামচ, ধনেপাতা কুচি আধা কাপ, লেবুর রস ২ চা-চামচ ও সয়াবিন তেল প্রয়োজনমতো, পেঁয়াজবাটা ২ চা-চামচ, রসুন ও আদাবাটা ১ চা-চামচ, জিরার গুঁড়া ১ চা-চামচ, টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়া প্রয়োজনমতো, ডিম ১টি, গরম মসলা ২টি, তেজপাতা ২টি, নারকেলবাটা ৩ চা-চামচ, চিনি ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ৪-৫টি বা স্বাদমতো, চালের গুঁড়া আধা কাপ।
প্রণালি: হাঁড়িতে মাংসের কিমা, পেঁয়াজ, রসুন, আদাবাটা, লবণ, কাঁচা মরিচ, কাঁচা কলা টুকরা, তেজপাতা, গরম মসলা, জিরার গুঁড়া ও পরিমাণমতো পানি দিয়ে রান্না করতে হবে। মাংস সেদ্ধ হয়ে ভাজা ভাজা হলে পাটায় বেটে নিতে হবে। একটি বাটিতে মাংস, কলা বাটা, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা কুচি, ডিম, চিনি, লেবুর রস, সামান্য লবণ, নারকেল বাটা ও চালের গুঁড়া দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে গোল-চ্যাপ্টা করে টোস্টের গুঁড়ার ওপর গড়িয়ে অল্প আঁচে ডুবোতেলে ভাজতে হবে। সব চন্দ্র কাবাব ভাজা হলে পরিবেশন করতে হবে।
বিফ মাস্টার্ড সিরিয়াল কাবাব
উপকরণ: হাড় ছাড়া মাংসের টুকরো ২৫০ গ্রাম, সরিষাবাটা ৩ চা-চামচ, পেঁয়াজবাটা ২ চা-চামচ, আদা বাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, জিরার গুঁড়া ১ চা-চামচ, গরম মসলার গুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া স্বাদমতো, সয়াবিন তেল প্রয়োজনমতো, লবণ স্বাদমতো, কাঠি ৫টি, কাবাব মসলা ১ চা-চামচ।
প্রণালি: মাংসের টুকরোর সঙ্গে লবণ ও পানি দিয়ে ৩০ মিনিট ফুটিয়ে নিতে হবে। তারপর পানি ছেঁকে মাংস একটি বাটিতে নিতে হবে। মাংসের সঙ্গে পেঁয়াজ-রসুন-আদা-সরিষাবাটা, কাবাব মসলা, মরিচের গুঁড়া দিয়ে মাখিয়ে এক ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। (কাঠিগুলো দুই ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে)। এক ঘণ্টা পর মসলা মাখানো মাংসের টুকরোগুলো একের পর এক কাঠিতে ভরতে হবে। সব মাংস কাঠিতে ভরা হলে তেলে ভাজতে হবে। কাবাব ভাজা হলে পরিবেশন করতে হবে।
28/11/2016
বাংলাদেশ এর কোন জায়গায় কোন সময় এ গেলে আপনার ভ্রমণটা পারফেক্ট হবে?
উত্তর বঙ্গ - নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি
সুন্দরবন - নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি
বান্দরবন - অনেকেই জুলাই আগস্ট এ
যান , কিন্তু আমার হিসেবে আবহাওয়া
এর কারনে নভেম্বর এ যাওয়া সবচেয়ে
উত্তম । কারন তাপমাত্রা সহনীয় থাকে
, আর ঝর্না গুলোতে তখনও পানির ভালোই
স্রোত থাকে , সাথে আকাশে মেঘ পাবেন
। কিন্তু সেটা একেবারে শীতকালে
ডিসেম্বর - জানুয়ারি তে গেলে
ফ্যাকাসে পাহাড় পাবেন । আবার
বর্ষাকালে গেলে পাহাড় এ একটা সতেজ
ভাব থাকে , কিন্তু ট্রেকিং করাটা
কষ্টসাধ্য হয় ।
রাঙ্গামাটি - কাপ্তাই লেক এ
বর্ষাকালে গিয়ে ঘুরে এসে দেখুন,
উদ্ভুত সুন্দর লাগবে
সাজেক - জুলাই থেকে নভেম্বর । কারন
মেঘের খেলা এই সময়ই ভালো দেখা
যায় ।
সেন্টমার্টিন - নভেম্বর থেকে মার্চ
টেকনাফ - কক্সবাজার - সবাই
শীতকালে দৌড় মারেন , কিন্তু একবার
বর্ষাকালে অর্থাৎ জুলাই-আগস্ট এ ঘুরে
আসুন , দেখবেন অনেক ভালো লাগবে । আর
আমার হিসেবে টেকনাফ বিচ
বাংলাদেশ এর অন্যতম সুন্দর বিচ ।
নিঝুম দ্বীপ - মনপুরা - নভেম্বর থেকে
মার্চ
কুয়াকাটা - আগস্ট থেকে অক্টোবর
সন্দ্বীপ - নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি
সিলেট - জুলাই থেকে আগস্ট ( বর্ষার
সিলেট খোদার অপূর্ব সৃষ্টি মনে হয় )
সুনামগঞ্জ ও অন্য হাওর এলাকা - জুলাই
থেকে আগস্ট এক রকম সুন্দর , ডিসেম্বর
থেকে ফেব্রুয়ারি আরেক রকম সুন্দর
( অতিথি পাখিদের জন্যে )
শ্রীমঙ্গল - জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি
যেই সময় এ যাবেন না কেন ভালো
লাগবে ।
নেত্রকোনা ( বিরিশিরি )- আগস্ট থেকে
নভেম্বর
বরিশাল - পিরোজপুর - ঝালকাঠি -
ব্যাক ওয়াটার ক্যানেল - জুলাই থেকে
আগস্ট
এছাড়া বাংলাদেশ এর পশ্চিমাঞ্চল
অর্থাৎ - ফরিদপুর , কুষ্টিয়া , মেহেরপুর
, নড়াইল - যশোর , ঝিনাইদাহ ,
চুয়াডাঙ্গা এসব অঞ্চলে গেলে
শরতকালে অর্থাৎ আগস্ট থেকে শুরু করে
শীতকাল পর্যন্ত যেতে পারেন । কিন্তু
শরৎকাল উত্তম ।
আর ঢাকার আশে পাশে ভ্রমণ এর জন্য
আমার কাছে শরৎকাল আর হেমন্তকাল
উত্তম মনে হয় ।
সময় বুঝে ভ্রমণ করলে আপনার ভ্রমণ
আরো মানাইসই হবে এটা আপনি এসব
সময়ে গেলেই বুঝতে পারবেন ।
ধন্যবাদ ।
পোস্টটা আপনার ভ্রমনপ্রিয় বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন, ভ্রমণকে আরও সহজ ও উপভোগ্য করে তুলতে সহায়ক হবে ।
কার্টেসীঃ আব্দুল্লাহ মাহমু
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Malibagh
Dhaka
1217